খুঁজুন
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৮ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুর-১ আসনে পেশিশক্তি ও কালো টাকা ছড়াচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার, অভিযোগ বিএনপি-জামায়াতের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:০৯ পিএম
ফরিদপুর-১ আসনে পেশিশক্তি ও কালো টাকা ছড়াচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার, অভিযোগ বিএনপি-জামায়াতের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (আলফাডাঙ্গা-বোয়ালমারী-মধুখালী) আসনে কালো টাকা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার খানের বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে পেশিশক্তি ব্যবহার করে ভোটের মাঠকে অস্থিতিশীল করারও পাঁয়তারা চালাচ্ছেন তিনি।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে বিদেশি পিস্তলসহ আবুল বাশার খানের অনুসারী মাহাবুব হাসান সজিবকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টাকালে স্থানীয়রা বেশ কয়েকজনকে আটক করে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

আসনটির বিএনপি প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম অভিযোগ এনে বলেন, ‘নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পরিকল্পিতভাবে অস্ত্র ও অর্থের ব্যবহার করা হচ্ছে, যা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণের জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করেছে।’

পাশাপাশি নাসির অভিযোগ করে বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার ২০০ কোটি টাকার ঋণগ্রস্ত এবং তার অনেক পাওনাদার রয়েছে।’

এদিকে, বুধবার বিকালে মধুখালীর জাহাপুর ইউনিয়নে আবুল বাশারের দুই সমর্থক রবিন ও আরিফ নগদ টাকা বিতরণ ও ব্যানার টাঙানো নিয়ে স্থানীয় বিএনপির সমর্থকদের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মারামারিতে মাদকাসক্ত রবিন ও আরিফকে গণধোলাই দেয় স্থানীয়রা।

মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাইজুর রহমান বলেন, ‘ঘটনা শুনে পুলিশ সেখানে গিয়েছিল। তবে কাউকে পাওয়া না যাওয়ায় আটক করা সম্ভব হয়নি।’

অন্যদিকে, বুধবার অবৈধ অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার হওয়া মাহবুব হাসান সজিবকে স্থানীয়ভাবে যুবদল নেতা হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

সেনা ও পুলিশ সূত্র জানায়, সজিব আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় ভীতি সৃষ্টি ও প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে অবৈধ অস্ত্র বহন করছিলেন। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

আরও জানা যায়, সজিব ফরিদপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার খানের ঘনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত এবং তার অনুগত হিসেবেই এলাকায় সক্রিয় ছিলেন। সে মূলত স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে আসছিল। এ ঘটনায় অবৈধ অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সন্ত্রাসী তৎপরতার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।

ফরিদপুর-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইলিয়াস মোল্লা বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম নির্বাচনে কালো টাকার বিস্তার ঘটবে না, তবে সেটা থেমে নেই। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধ করছি— কেউ টাকা দিয়ে ভোট কিনতে গেলে তাদের প্রতিহত করুন।’

ইলিয়াস মোল্লা বলেন, ‘প্রশাসন এখনই যেন অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান জোড়ালো করে। না হলে আবুল বাশারদের মতো প্রার্থীরা নির্বাচনের দিন অস্ত্রের ঝনঝনানি বাড়াবে।’

এনসিপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসিবুর রহমান অপু ঠাকুরের অভিযোগ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার খান নির্বাচনী এলাকায় বিপুল পরিমাণ কালো টাকা ও পেশিশক্তি ব্যবহার করে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছেন। তার ভাষ্য, টাকা ছড়িয়ে সাধারণ ভোটারদের প্রভাবিত করার পাশাপাশি সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মাধ্যমে ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করে আমাকে জানিয়েছে, ‘‘আবুল বাশারের কালো টাকার দাপটে এ আসনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে’’।

স্থানীয়রা বলছে, আবুল বাশারের ঘনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত সন্ত্রাসী সজিবের অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার প্রমাণ করে যে তিনি পরিকল্পিতভাবেই শক্তি প্রদর্শনের পথে হাঁটছেন। তাদের মতে, অস্ত্র, টাকা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্বাচনী মাঠ দখলের এই কৌশল গণতন্ত্রের জন্য ভয়ংকর বার্তা দিচ্ছে। তারা মনে করেন, এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আবুল বাশারের মতো প্রার্থীদের কারণে ফরিদপুর-১ আসনে ভোটের দিন সহিংসতা ও অনিয়ম আরও বাড়তে পারে।

বিএনপির প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদপুর-১ আসনে, বিশেষ করে মধুখালী উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী বাশার কালো টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন জেলা থেকে লোক ভাড়া করে এনে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তিনি কিছু মিডিয়াকে ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অন্য প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। নাসিরুল ইসলামের দাবি, জামালপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে পরিচিত কিছু ব্যক্তি বর্তমানে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশারের পক্ষে মধুখালীর বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘোরাফেরা করছে, যার পেছনে গভীর ষড়যন্ত্রমূলক ও অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে।

ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া: কী বলে ইসলাম?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৭:১১ এএম
ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া: কী বলে ইসলাম?

পবিত্র ঈদুল ফিতর মানেই আনন্দ, ভালোবাসা আর পারস্পরিক সম্পর্কের বন্ধনকে নতুন করে দৃঢ় করার এক মহিমান্বিত উপলক্ষ। এদিন ছোটদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং আপনজনদের সঙ্গে হৃদ্যতার সম্পর্ক আরও গভীর করতে আমাদের সমাজে ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়ার একটি সুন্দর প্রচলন রয়েছে।

তবে এই প্রথার ধর্মীয় অবস্থান কী, এটি কি ইবাদত, নাকি কেবল সামাজিক রীতি? শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি বোঝা জরুরি, যেন আমরা আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি ইসলামের সঠিক নির্দেশনাও মেনে চলতে পারি।

রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের ফতোয়া বিভাগীয় প্রধান মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী বলেন, ইসলামের মূলনীতি হলো, যে কোনো কাজ ততক্ষণ বৈধ, যতক্ষণ না তা শরিয়তের কোনো স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়ে। এ দৃষ্টিকোণ থেকে ঈদের দিনে কাউকে খুশি করার উদ্দেশে অর্থ বা উপহার দেওয়া নিঃসন্দেহে বৈধ। বরং হাদিসে উপহার আদান-প্রদানের মাধ্যমে ভালোবাসা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। তাই ছোটদের আনন্দ দেওয়া, আত্মীয়তার সম্পর্ক দৃঢ় করা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়ানোর নিয়তে ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া একটি সুন্দর ও প্রশংসনীয় আমল হতে পারে।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে মনে রাখতে হবে, ঈদ সালামি কোনো ইবাদত নয় এবং এটি ইসলামের নির্ধারিত কোনো বিধানও নয়। এটি একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রথা মাত্র। সুতরাং একে বাধ্যতামূলক মনে করা বা না দিলে দোষারোপ করা ঠিক নয়।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ইউটিউব চ্যানেলে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘ইসলামে সালামের পরিভাষা রয়েছে। কোরআনে আছে, ‘তোমাদেরকে কেউ যদি কোনো অভিবাদন জানায় বা সালাম পেশ করে, তাহলে সে যে ভাষায় তোমাকে সালাম দিয়েছে, সে ভাষায় তুমি জবাব দাও। অথবা এর চেয়ে উত্তম শব্দ ব্যবহার করে সালাম দাও।’ হজরত মুহাম্মদ (সা.) আমাদেরকে সালাম দিতে নির্দেশ করেছেন। মুখ দিয়ে উচ্চারণ করে পরস্পরের শান্তি কামনা করা হলো সালাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের সালামি পেতে বাচ্চারা বড়দের সালাম দিলে তারা সালামের উত্তর দেবেন। সালামের জবাব দিয়ে তাদের কিছু হাদিয়া দেবেন, এটা আমাদের দেশের সংস্কৃতি। এতে কোনো অসুবিধা নেই। কোরআন-হাদিসের সঙ্গে এর কোনো সংঘর্ষ নেই। পা ছুঁয়ে সালাম করলে সালামি দিতে হবে, এটা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। সে সালাম দিলে জবাব দিয়ে তাকে সালামি দিয়ে দেওয়া উচিত। পা ছুঁয়ে সালাম করতে তাকে বাধ্য করা উচিত নয়।’

সূত্র : কালবেলা

চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:২১ এএম
চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ করেই শীতের আবহ ফিরে এসেছে ফরিদপুরে। রবিবার (২২ মার্চ) ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পুরো জেলা। চারপাশে যেন শীতের সকালের সেই পরিচিত দৃশ্য—মাঠ-ঘাট, গাছপালা, রাস্তা সবই কুয়াশার আস্তরণে আচ্ছন্ন। মৃদু শীতল বাতাস আর হালকা ঠান্ডা আবহে প্রকৃতি যেন ভুলে গেছে ঋতুর নিয়ম।

ভোরের আলো ফুটলেও সূর্যের দেখা মেলেনি অনেকক্ষণ। কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে দূরের বস্তু স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল না। গ্রামীণ জনপদে দেখা গেছে চিরচেনা দৃশ্য—কৃষকরা গরু নিয়ে মাঠে যাচ্ছেন, আর গৃহস্থ বাড়িতে কৃষাণীরা ধান সিদ্ধ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সব মিলিয়ে চৈত্রের সকালে এমন দৃশ্য অনেকটাই অপ্রত্যাশিত হলেও প্রকৃতির এক ভিন্ন সৌন্দর্য উপভোগ করছেন স্থানীয়রা।

সালথা উপজেলার কৃষক শাহাজুদ্দিন মাতুব্বর বলেন, “চৈত্র মাসে এমন কুয়াশা আমরা খুব একটা দেখি না। সকালে মাঠে কাজ করতে গিয়ে ঠান্ডা অনুভব করছি। তবে এই কুয়াশা ফসলের জন্য ভালো না-ও হতে পারে।”

বিশেষ করে পেঁয়াজ চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। এই সময়ে অতিরিক্ত কুয়াশা ও আর্দ্রতা পেঁয়াজের গাছের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এতে করে গাছের পাতা পচে যাওয়া বা রোগবালাইয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে, যা উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে এমন কুয়াশা দেখা দিতে পারে। রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাওয়ায় এবং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভোরের দিকে কুয়াশা ঘনীভূত হচ্ছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং কুয়াশা কেটে যাবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

আবহাওয়াবিদরা আরও জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। তাই কৃষকদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পেঁয়াজসহ সংবেদনশীল ফসলের যত্নে বাড়তি নজর দিতে বলা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, চৈত্রের প্রখর রোদ আর গরমের বদলে হঠাৎ করে ফিরে আসা শীতের এই আমেজ একদিকে যেমন প্রকৃতিকে দিয়েছে ভিন্ন রূপ, অন্যদিকে কৃষকদের মনে তৈরি করেছে নতুন দুশ্চিন্তার ছায়া।

ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

ফরিদপুরের সদরপুরে ঈদের নামাজের পর একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। 

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুইটার দিকে স্থানীয়রা কুকুরটিকে মেরে ফেলে বলে জানা গেছে।

হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজের পর উপজেলা সদরে একটি পাগলা কুকুর যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই আকষ্মিকভাবে কামড়ে আহত করে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

ভুক্তভোগী এক রোগীর স্বজন মো. সোহাগ মুন্সি বলেন, একটি পাগলা কুকুর হঠাৎ করে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়ে আহত করে। আমার ভাতিজা আরাফাতকে(১৪) কামড়ে আহত করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মোট ১৬ জন বিভিন্ন বয়সী মানুষকে কুকুরটি কামড়ে আহত করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো: মমিনুর রহমান সরকার বলেন, আহতদের মধ্যে এগারো জনকে আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচ জন পার্শ্ববর্তী হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।