খুঁজুন
, ,

জানেন কি? নীরবে আপনার কোন কোন তথ্য সংগ্রহ করছে গুগল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ
জানেন কি? নীরবে আপনার কোন কোন তথ্য সংগ্রহ করছে গুগল

ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়ায় জীবন এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে সহজ, দ্রুত এবং আরামদায়ক। স্মার্টফোনের এক ক্লিকেই মিলছে অজানা তথ্য, গুগল ম্যাপের নির্দেশনায় অনায়াসে পৌঁছে যাওয়া যাচ্ছে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে, আবার অ্যাপ খুলেই অর্ডার দেওয়া যাচ্ছে পছন্দের খাবার। অফিসের কাজ থেকে শুরু করে বিনোদন—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে এখন গুগল ও তার বিভিন্ন সেবা।

করোনা-পরবর্তী সময়ে এই নির্ভরতা আরও বেড়েছে বহুগুণ। পরিসংখ্যান বলছে, তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ দৈনিক দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছে অনলাইনে।

জিমেইল, গুগল সার্চ, ইউটিউব, প্লে স্টোর—দিনের পর দিন এসব অ্যাপ ব্যবহার করতে করতেই অনেকটা অজান্তেই গুগলের সঙ্গে ভাগাভাগি হয়ে যাচ্ছে আমাদের ব্যক্তিগত নানা তথ্য। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এই তথ্য আদান-প্রদানের অনেকটাই ঘটে নীরবে, ব্যবহারকারীর অজান্তেই।

তাহলে প্রশ্ন উঠছে, আপনার কোন কোন ব্যক্তিগত তথ্য গুগলের হাতে চলে যাচ্ছে? আর চাইলে কি আপনি নিজেই তা জানতে ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন? উত্তর হলো, হ্যাঁ পারেন। তবে তার আগে জানা দরকার, গুগল আসলে কী কী তথ্য সংগ্রহ করে।

গুগল কোন কোন ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে?

আপনার স্মার্টফোনে যদি লোকেশন অন থাকে, তাহলে আপনার দৈনন্দিন চলাফেরা, কোথায় যাচ্ছেন, কতক্ষণ থাকছেন—এসব তথ্য সহজেই জানতে পারে গুগল। শুধু তাই নয়, আপনি গুগল সার্চ ইঞ্জিনে কিংবা ইউটিউবে কী কী সার্চ করছেন, কোন ভিডিও দেখছেন, কোন বিষয়ে আগ্রহী—এই সার্চ ও দেখার ইতিহাসও গুগল সংরক্ষণ করে রাখে।

এখানেই শেষ নয়। অনেকেই এখন টাইপ না করে ভয়েস সার্চ ব্যবহার করেন। সেই ভয়েস কমান্ড থেকেই গুগল বুঝে নিতে পারে আপনি কোন ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করছেন, কী ধরনের কনটেন্টে আপনার আগ্রহ বেশি। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে আপনার একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি হয়ে যায়।

তবে স্বস্তির বিষয় হলো, গুগলের কাছে ঠিক কোন কোন তথ্য সেভ রয়েছে, তা চাইলে আপনি নিজেই দেখে নিতে পারেন।

গুগলের কাছে কী কী তথ্য আছে, জানবেন যেভাবে

প্রথমে আপনার স্মার্টফোনের সেটিংস অপশনে যান। সেখান থেকে গুগল-এ ট্যাপ করে ‘ম্যানেজ ইওর গুগল অ্যাকাউন্ট’ নির্বাচন করুন। এরপর ডেটা অ্যান্ড প্রাইভেসি সেকশনে প্রবেশ করুন।

এই অংশেই আপনি দেখতে পারবেন, কোন কোন ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারের তথ্য গুগল সংরক্ষণ করছে এবং আপনার লোকেশনের তথ্য সেভ করা হচ্ছে কি না।

আরও বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে আলাদা করে ক্লিক করুন। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাবে, একটি অ্যাপ বা লোকেশন ব্যবহারের সময় একাধিক ব্যক্তিগত তথ্য গুগলের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। কোন তথ্যগুলো রাখা হচ্ছে, আর কোনগুলো নয়—সেগুলো এখান থেকেই যাচাই করা সম্ভব।

কীভাবে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখবেন?

ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য কিছু সচেতন সিদ্ধান্তই হতে পারে বড় রক্ষাকবচ—

১. প্রয়োজন না হলে লোকেশন অফ রাখুন।

২. সেটিংস থেকে অটো-ডিলিট অপশন চালু করুন। এতে ৩, ১৮ অথবা ৩৬ মাস পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ডেটা মুছে যাবে।

৩. অ্যাড পার্সোনালাইজেশন অপশন ডিস-অ্যাবল করুন। এতে আপনার সার্চ ও আগ্রহভিত্তিক তথ্য ট্র্যাক করা কমে যাবে।

৪. ভয়েস কমান্ড অপশন অফ রাখুন। এতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আপনার গতিবিধি বিশ্লেষণ করা কঠিন হবে।

৫. ডিজিটাল যুগে পুরোপুরি অফলাইনে থাকা সম্ভব নয়, তবে সচেতন থাকলে নিজের ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব—এই বার্তাই দিচ্ছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

সালথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
সালথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের সালথায় মো. মাহাবুবুর রহমান পাঞ্জু (৪৮) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে তাকে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বুধবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া পাঞ্জু বল্লভদী ইউনিয়নের মধ্য ফুলবাড়িয়া গ্রামের মো. মজিবুর রহমান মোল্যার ছেলে। তিনি বল্লভদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনা করার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা পাঞ্জুকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদ প্রকাশের পর কানাইলাল শীলের জন্মভিটায় ডিসি, মিউজিয়াম নির্মাণের আশ্বাস

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
সংবাদ প্রকাশের পর কানাইলাল শীলের জন্মভিটায় ডিসি, মিউজিয়াম নির্মাণের আশ্বাস

উপমহাদেশের কিংবদন্তি দোতারা বাদক, একুশে পদকপ্রাপ্ত লোকশিল্পী কানাই লাল শীলের অবহেলিত জন্মভিটা নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মাজহারুল ইসলাম সরেজমিনে তাঁর জন্মভিটা পরিদর্শন করেছেন এবং স্মৃতিবিজড়িত ওই স্থান সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের লস্করপুর গ্রামে কানাই লাল শীলের বাড়ি পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন, লস্করদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিরু আলী ফকির, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সংস্কৃতিকর্মী ও এলাকাবাসী।

পরিদর্শনকালে কানাই লাল শীলের বাড়িতে যাতায়াতের জন্য একটি উন্নত সড়ক নির্মাণ, একটি সংগীত শিক্ষালয়, স্মৃতিস্তম্ভ এবং তাঁর ব্যবহৃত স্মারক সংরক্ষণের জন্য একটি আধুনিক মিউজিয়াম নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে ইউএনওকে নির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসক।

এ সময় জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, “কানাই লাল শীল শুধু ফরিদপুর বা বাংলাদেশের নন, তিনি পুরো উপমহাদেশের লোকসংগীতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত স্থান সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কীভাবে এই বাড়িটিকে একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থানে রূপ দেওয়া যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। খুব দ্রুতই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন বলেন, “জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী কানাই লাল শীলের বাড়ি সংরক্ষণ, সংগীত শিক্ষালয়, স্মৃতিস্তম্ভ ও মিউজিয়াম নির্মাণসহ সম্ভাব্য সব উদ্যোগের বিষয়ে বিস্তারিত প্রস্তাব তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। স্থানীয়দের মতামত নিয়েও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।”

ফরিদপুরের লেখক ও গবেষক মফিজ ইমাম মিলন বলেন, “এটি অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ। দীর্ঘদিন ধরে আমরা কানাই লাল শীলের স্মৃতি সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছি। সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের এমন দ্রুত পদক্ষেপ সত্যিই আশাব্যঞ্জক। পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন হলে এটি শুধু একটি স্মৃতিবিজড়িত স্থানই নয়, বাংলা লোকসংগীত গবেষণা ও সাংস্কৃতিক চর্চার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।”

এর আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে কানাই লাল শীলের অবহেলিত জন্মভিটা, জরাজীর্ণ স্মৃতিফলক, অরক্ষিত স্মারক এবং পরিবারের দীর্ঘদিনের হতাশার চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের পাশাপাশি প্রশাসনেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ঘোষণায় সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে উপমহাদেশের এই কিংবদন্তি শিল্পীর স্মৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা হবে।

ফরিদপুরে লোডশেডিং-দ্রব্যমূল্যে অতিষ্ঠ জনজীবন, প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে লোডশেডিং-দ্রব্যমূল্যে অতিষ্ঠ জনজীবন, প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

গ্যাস সংকট, ভয়াবহ লোডশেডিং, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, অভিযোগকৃত অতিরিক্ত বা ভুয়া বিল আদায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবনের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে ফরিদপুরে স্মারকলিপি দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। পরে নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। স্মারকলিপি গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, চলমান গ্যাস সংকট ও দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ের কারণে দেশের শিল্প-কারখানা, কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং গৃহস্থালির স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা এবং বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, পেঁয়াজ, সবজি, মাছ-মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভিযোগকৃত অতিরিক্ত বা ভুয়া বিল আদায়ের বিষয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

স্মারকলিপিতে সাত দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য পুনর্বিবেচনা, অভিযোগকৃত অতিরিক্ত বা ভুয়া বিল তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকি জোরদার, মজুতদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং জনভোগান্তি নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া।

স্মারকলিপিতে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জনস্বার্থ রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য প্রফেসর আবদুত তাওয়াব, ১১ দলীয় ঐক্য ফরিদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক ও জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ বদর উদ্দিন, সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আমজাদ হোসেন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি কামরুল ইসলাম, মাওলানা নাজমুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল ওহাব, নায়েবে আমির ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, পৌর শাখার সভাপতি ড. এহসানুল মোহাম্মদ রুবেলসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।