খুঁজুন
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৮ চৈত্র, ১৪৩২

ডিপ ফ্রিজ ব্যবহারের নিয়ম, যা জানলে ফ্রিজ টিকবে অনেকদিন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫০ এএম
ডিপ ফ্রিজ ব্যবহারের নিয়ম, যা জানলে ফ্রিজ টিকবে অনেকদিন?

এক সময় প্রতিদিনের রান্নার জন্য মাছ-মাংস সংগ্রহ করতে হতো বাজার, নদী কিংবা পুকুরের ওপর নির্ভর করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবনযাত্রা বদলেছে, বেড়েছে ব্যস্ততা।

এখন আর প্রতিদিন বাজারে যাওয়া সবার পক্ষে সম্ভব নয়। ঠিক এই জায়গাতেই আধুনিক সংসারে ডিপ ফ্রিজ হয়ে উঠেছে এক অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী।

মাছ, মাংস, সবজি বা রান্না করা খাবার—সবকিছু দীর্ঘদিন সংরক্ষণে ডিপ ফ্রিজ আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে।

তবে এই সুবিধাজনক যন্ত্রটি সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে সহজেই নষ্ট হতে পারে বা নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

অনেক সময় দেখা যায়, ডিপ ফ্রিজ থেকে অতিরিক্ত শব্দ হচ্ছে, ঠিকমতো ঠান্ডা হচ্ছে না, বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যাচ্ছে কিংবা খাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এসব সমস্যার মূল কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ভুল ব্যবহার ও যত্নের অভাব। তাই ডিপ ফ্রিজ দীর্ঘদিন ভালো রাখতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম জানা ও মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখা

ডিপ ফ্রিজ ব্যবহারের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখা। সাধারণভাবে ডিপ ফ্রিজ -১৮° সেলসিয়াস থেকে -২৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পরিচালনা করা উচিত। এই তাপমাত্রায় খাবারের ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির গতি কমে যায় এবং খাবার দীর্ঘদিন সতেজ থাকে।

অনেকে মনে করেন, তাপমাত্রা যত কম রাখা যাবে তত ভালো। কিন্তু বাস্তবে অতিরিক্ত কম তাপমাত্রা ফ্রিজের কম্প্রেসরের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, ফলে যন্ত্রের আয়ু কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচও বেড়ে যায়। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী আদর্শ তাপমাত্রায় ফ্রিজ ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

খাবার সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি জানা

ডিপ ফ্রিজে খাবার সংরক্ষণের সময় সবচেয়ে বড় ভুল হলো খোলা অবস্থায় খাবার রাখা। মাছ বা মাংস সংরক্ষণের আগে অবশ্যই ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর ছোট ছোট টুকরো করে এয়ারটাইট ব্যাগ বা কন্টেইনারে রাখতে হবে।

এয়ারটাইট প্যাকেটে খাবার রাখলে খাবারের ভেতরের আর্দ্রতা বজায় থাকে, ফ্রিজে দুর্গন্ধ ছড়ায় না এবং ফুড বার্ন হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। একই সঙ্গে ফ্রিজের ভেতরের অন্যান্য খাবারও নিরাপদ থাকে।

লেবেল ও তারিখ লিখে রাখা

ডিপ ফ্রিজে একবারে অনেক ধরনের খাবার রাখা হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই ভুলে যান কোন খাবার কবে রাখা হয়েছে। এতে করে পুরোনো খাবার ফ্রিজে পড়ে থেকে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

এই সমস্যা এড়াতে প্রতিটি প্যাকেট বা কন্টেইনারের ওপর খাবারের নাম ও সংরক্ষণের তারিখ লিখে রাখা উচিত। এতে করে সহজেই বোঝা যায় কোন খাবার আগে ব্যবহার করা দরকার। এটি শুধু খাবার ব্যবস্থাপনাই সহজ করে না, বরং স্বাস্থ্যঝুঁকিও কমায়।

ডিপ ফ্রিজ অতিরিক্ত বোঝাই না করা

অনেক পরিবারেই দেখা যায়, সুযোগ পেলে ডিপ ফ্রিজ পুরোপুরি ভরে ফেলা হয়। কিন্তু অতিরিক্ত বোঝাই করা ডিপ ফ্রিজের জন্য ক্ষতিকর। এতে ফ্রিজের ভেতরের ঠান্ডা বাতাস সঠিকভাবে চলাচল করতে পারে না।

বাতাস চলাচল ব্যাহত হলে কিছু অংশ অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়, আবার কিছু অংশ ঠিকমতো ঠান্ডা হয় না। এর ফলে খাবার নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ফ্রিজের কম্প্রেসরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। তাই ডিপ ফ্রিজে সবসময় কিছুটা খালি জায়গা রাখা উচিত।

গরম খাবার সরাসরি ফ্রিজে না রাখা

রান্না করা খাবার গরম অবস্থায় সরাসরি ডিপ ফ্রিজে রাখা একটি বড় ভুল। এতে ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়, যার ফলে অন্য খাবার আংশিক গলে যেতে পারে।

এ ছাড়া গরম খাবার রাখলে ফ্রিজকে আবার আগের তাপমাত্রায় ফিরতে বেশি শক্তি ব্যয় করতে হয়। তাই রান্না করা খাবার আগে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে তারপর ডিপ ফ্রিজে রাখাই সঠিক নিয়ম।

ঘনঘন দরজা খোলা থেকে বিরত থাকা

ডিপ ফ্রিজের দরজা যত কম খোলা যায়, তত ভালো। ঘনঘন দরজা খুললে ভেতরের ঠান্ডা বাতাস বেরিয়ে যায় এবং বাইরের গরম বাতাস ঢুকে পড়ে। এতে ফ্রিজকে বারবার ঠান্ডা হতে হয়, যা বিদ্যুৎ খরচ বাড়ায় এবং যন্ত্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

বিশেষ করে শিশুদের অকারণে ডিপ ফ্রিজের দরজা খোলা থেকে বিরত রাখতে হবে। দরজা সবসময় ঠিকমতো বন্ধ হয়েছে কি না, সেটিও খেয়াল রাখা জরুরি।

সঠিক স্থানে ডিপ ফ্রিজ বসানো

ডিপ ফ্রিজ বসানোর স্থানও এর কার্যকারিতার ওপর বড় প্রভাব ফেলে। ফ্রিজ কখনোই দেয়ালের গা ঘেঁষে রাখা উচিত নয়। দেয়াল থেকে অন্তত ১০ সেন্টিমিটার দূরে রাখলে পেছনের ক্যাপাসিটর পর্যাপ্ত বাতাস পায়।

যদি ফ্রিজ দেয়ালের খুব কাছে রাখা হয়, তাহলে ক্যাপাসিটর অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়, ফলে শব্দ হওয়া, ঠান্ডা কম হওয়া কিংবা যন্ত্র নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

নিয়মিত পরিষ্কার ও ডিফ্রস্ট করা

ডিপ ফ্রিজে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বরফ জমে যায়। এই বরফ জমে থাকলে ফ্রিজের কার্যকারিতা কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। তাই নিয়মিত ডিফ্রস্ট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মাসে অন্তত একবার কুসুম গরম পানি দিয়ে ফ্রিজের ভেতর পরিষ্কার করা উচিত। লেবু মেশানো পানি ব্যবহার করলে দুর্গন্ধ ও ব্যাকটেরিয়া দূর হয়। পানি নিষ্কাশনের নল বা ছিদ্র পরিষ্কার রাখাও খুব জরুরি, নইলে ফ্রিজের ভেতরে পানি জমে থাকতে পারে।

বর্তমানে বাজারে নানা ব্র্যান্ড ও মডেলের ডিপ ফ্রিজ সহজলভ্য, এবং ফ্রিজের দাম যাচাই করে বাজেট অনুযায়ী নতুন ফ্রিজ নেওয়াও এখন অনেক সহজ।

ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

ফরিদপুরের সদরপুরে ঈদের নামাজের পর একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। 

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুইটার দিকে স্থানীয়রা কুকুরটিকে মেরে ফেলে বলে জানা গেছে।

হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজের পর উপজেলা সদরে একটি পাগলা কুকুর যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই আকষ্মিকভাবে কামড়ে আহত করে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

ভুক্তভোগী এক রোগীর স্বজন মো. সোহাগ মুন্সি বলেন, একটি পাগলা কুকুর হঠাৎ করে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়ে আহত করে। আমার ভাতিজা আরাফাতকে(১৪) কামড়ে আহত করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মোট ১৬ জন বিভিন্ন বয়সী মানুষকে কুকুরটি কামড়ে আহত করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো: মমিনুর রহমান সরকার বলেন, আহতদের মধ্যে এগারো জনকে আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচ জন পার্শ্ববর্তী হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

 

ফরিদপুরে ঈদের নামাজ শেষেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৩ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের নামাজ শেষেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ঈদের নামাজ শেষে দুই দল গ্রামবাসী মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১৫/২০ টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করা হয় বলে জানা গেছে।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত দুই ঘন্টা ব্যাপী দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে চলে এ সংঘর্ষ। দুই পক্ষ ঢাল, সরকি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে-অপরের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে। এ সময় এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিনত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সি ও চুন্নু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে বারটার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় অন্তত ১২ জন আহত হন। এর জের ধরে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও মন্ত্রী কে এম ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ১:৩০ পিএম
বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও মন্ত্রী কে এম ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বিএনপির সাবেক মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী কে এম ওবায়দুর রহমানের ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০০৭ সালের ২১ মার্চ ঢাকা অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তাঁর ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  

কেএম ওবায়দুর রহমান ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্র রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন ও নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ১৯৬২-৬৩ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসুর ভিপি নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৬৩ থেকে ৬৫ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ফরিদপুরের কোতোয়ালি ও নগরকান্দা থানা নিয়ে গঠিত আসন থেকে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার  পরে ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ফরিদপুরের নগরকান্দা আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ও সরকারের প্রতিমন্ত্রী হন। ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ফরিদপুরের নগরকান্দা আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ও সরকারের মন্ত্রী হন। এরপর তিনি বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য হন।তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের ৭ম জাতীয় সংসদ ও ২০০১ সালের ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর -২ (নগরকান্দা ও সালথা) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

তাঁর ১৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বাংলাদেশে মরহুম কে এম ওবায়দুর রহমান একজন গণসম্পৃক্ত জাতীয় নেতা হিসেবে সবার নিকট সমাদৃত ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে শুরু পরবর্তীতে জাতীয় রাজনৈতিক জীবনে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র তথা সকল আন্দোলন -সংগ্রামে সোচ্চার থেকে তিনি আজীবন দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে নিজেকে নিবেদিত রেখেছিলেন। ‘

কেএম ওবায়দুর রহমানের একমাত্র সন্তান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ‘তিনি ছিলেন গণমানুষের নেতা, ন্যায় ও গণতন্ত্রের নির্ভীক সৈনিক। তার আদর্শ, সততা মানুষের জন্য কাজ আমাদের পথচলার প্রেরণা হয়ে আছে এবং থাকবে।

কে এম ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুর জেলা বিএনপি, নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে আজ শুক্রবার বিকাল ৩ টায় নগরকান্দার লস্করদিয়ায় কে এম ওবায়দুর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা অর্পণ ও আগামী ২৩ মার্চ বিকালে নগরকান্দা সরকারি মহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমি মাঠে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন