খুঁজুন
, ,

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: যে কারণে দেশজুড়ে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ পূর্বাহ্ণ
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: যে কারণে দেশজুড়ে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা?

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে যানবাহন চলাচলের ওপর ইতোমধ্যেই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাত থেকে ৭২ ঘণ্টার জন্য সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিএ সংস্থাপন শাখার উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে সম্প্রতি এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠাতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট গ্রহণের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত (৭২ ঘণ্টা) মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।

একইসঙ্গে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টা) ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।

তবে, উল্লিখিত নিষেধাজ্ঞা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক; জরুরি সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন, ঔষধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি এবং সংবাদপত্র বহনকারী সব ধরনের যানবাহন; আত্মীয়স্বজনের জন্য বিমানবন্দরে যাওয়া, বিমানবন্দর হতে যাত্রী বা আত্মীয়স্বজনসহ নিজ বাসস্থানে অথবা আত্মীয়স্বজনের বাসায় ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত যানবাহন (টিকিট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন সাপেক্ষে) এবং দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত যেকোনও যানবাহন নিষেধাজ্ঞার শিথিলযোগ্য হবে।

অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টের জন্য একটি ছোট আকৃতির যানবাহন (যথাযথ নিয়োগপত্র বা পরিচয়পত্র থাকা সাপেক্ষে) রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও গাড়িতে স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে; সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে; নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী অথবা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য মোটরসাইকেল; টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে বিটিআরসি এবং বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের যানবাহন; পাশাপাশি জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর, আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বাইরে যাওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক ও প্রধান সড়কের সংযোগ সড়কসহ সংশ্লিষ্ট সব রাস্তায় নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য হবে।

এ ছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে উল্লিখিত যানবাহনগুলো ছাড়া অন্যান্য যানবাহনের ওপরও নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিলের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।

আলফাডাঙ্গায় লোডশেডিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে এমপির সঙ্গে পল্লী বিদ্যুৎ এজিএমের মতবিনিময়

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় লোডশেডিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে এমপির সঙ্গে পল্লী বিদ্যুৎ এজিএমের মতবিনিময়

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় লোডশেডিংসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেছেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ড.ইলিয়াস মোল্লা।

গত ১১ আগস্ট আকস্মিকভাবে আলফাডাঙ্গা সাব-জোনাল অফিসে এসে সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) আশীষ কুমার রায় এর সাথে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময়ের সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আলফাডাঙ্গা উপজেলার শীর্ষ স্থানীয় নেতাকর্মী ও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মরত লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১ টার সময় ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ড.ইলিয়াস মোল্লাসহ তার সফরসঙ্গীরা আলফাডাঙ্গা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাব-জোনাল অফিসে আকস্মিকভাবে প্রবেশ করেন। তখন আলফাডাঙ্গা পল্লী বিদ্যুতের এজিএম আশীষ কুমার রায় উপজেলার শুকুরহাটা ‘আলফাডাঙ্গা ইনডোর উপকেন্দ্র’ জরুরী তদারকিতে নিয়োজিত ছিলেন। এজিএমর চেয়ার ফাঁকা দেখে সংসদ সদস্য তাকে নিয়ে নানা কথা বলতে থাকেন।

অফিস থেকে সংসদ সদস্যের আগমণের খবর দিলে তিনি ৮ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত হন। এসময় লোডশেডিংয়ের শিডিউল, গ্রাহক ব্যবস্থাপনা, বায়োমেট্রিক হাজিরা ও বিদ্যুৎ বিল অতিরিক্ত আসার অভিযোগসহ নানা বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়। এরমধ্যে সংসদ সদস্যর সাথে থাকা একজন প্রশাসনিক বাস্তবতা না বুঝে এবং তথ্যের সত্যতা যাচাই না করেই বিভ্রান্তিকর ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এ বিষয় নিয়ে ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আলফাডাঙ্গা সাব- জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) আশীষ কুমার রায় বলেন, লোডশেডিংসহ নানা বিষয় নিয়ে অভিযোগ থাকতেই পারে। বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজ থাকায় অনেক জটিল সমস্যা তৈরি হচ্ছে। একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে আমার সবকিছু তদারকি করতে হয়। যে সময় মাননীয় সংসদ সদস্য স্যার আমাদের অফিসে আগমণ করেছিলেন সে সময় সাব-স্টেশনে কাজের তদারকি করছিলাম। খবর পেলাম সংসদ সদস্য অফিসে এসেছেন।

তৎক্ষণিকভাবে আমি ৮ থেকে ১০ মিটিনের মধ্যে নিজ কার্যালয়ে ফিরে আসি। এসময় নিজ কার্যালয়ে না থাকার কারণ ব্যাখা দেই। এরপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্যারের সাথে আমাদের মতবিনিময় হয়েছে। আমাদের লোকবল কম থাকার কারণ বলেছি। লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিল কেন বেশি হচ্ছে সে বিষয় ধারণা দেওয়া হয়। স্যার আমাদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন আমারা নোট করেছি, এগুলো বাস্তবায়ন করা হবে বলে আমরা স্যারকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। কিন্ত পরক্ষণে দেখা যায় কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। আমি অফিসে ছিলাম না। সংসদ সদস্য স্যার যখন অফিসে আসেন আমি তখন সাব-স্টেশনে অবস্থান করছিলাম।

তিনি আরও জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সঠিক তথ্য পরিবেশন ও দায়িত্বশীল আচরণের স্বার্থে এ ধরণের সংবাদ পরিবেশন করা ঠিক না। আমার সাথে কোনো গণমাধ্যম কর্মী যোগাযোগ করেনি। নেয়নি আমার কোনো বক্তব্য। এ বিষয় আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। সত্য ও সঠিক সংবাদ পরিবেশনের জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এজিএম আশীষ কুমার রায়।

চলমান লোডশেডিংয়ের সমস্যা সাময়িক, সবাইকে ধৈর্য্য ধরে জাতীয় সমস্যা উত্তরণের জন্য পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের অনুরোধ করেন। তিনি আরও জানান, এতদিন ধরে ফরিদপুর থেকে ৫৪ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে আমাদের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো। এখন সেটা পাশ^বর্তী নড়াইল জেলা থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। নড়াইল পাওয়ার গ্রীড হতে ডাবল সার্কিটসহ প্রায় ২৭ কিলোমিটার নতুন ৩৩ কেভি বিকল্প সোর্স লাইন নির্মাণ সম্পন্ন হলে বিদ্যুতের লো-ভোল্টেজ ইস্যু সমাধান হবে এবং অত্র এলাকায় মানসম্মত বিদ্যুত সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বসুন্ধরা শুভ সংঘের যাত্রা শুরু, পাটপণ্য ব্যবহারে সচেতনতার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বসুন্ধরা শুভ সংঘের যাত্রা শুরু, পাটপণ্য ব্যবহারে সচেতনতার আহ্বান

‘শুভ কাজে সবার পাশে’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে বসুন্ধরা শুভ সংঘের উপজেলা শাখা। 

নতুন কমিটির পরিচিতি সভায় পরিবেশ রক্ষায় পলিথিনের ব্যবহার কমিয়ে পাটপণ্যের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংগঠনের নেতারা।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় বোয়ালমারী পৌরসদরের জজ একাডেমি স্কুল চত্বরে এ পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা শুভ সংঘ বোয়ালমারী উপজেলা শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম। সভা সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মো. অনিক।

সভায় বক্তব্য দেন, উপদেষ্টা কাজী সেলিমুজ্জামান সেলিম, আনোয়ারুজ্জামান ঝন্টু, নাসরিন আক্তার ও দৈনিক কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি নুর ইসলাম। এ ছাড়া বক্তব্য দেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাহিদ হাসান মিঠু, অর্থ সম্পাদক গুরুদাস মালো, নারী বিষয়ক সম্পাদক ঝর্না, আপ্যায়ন সম্পাদক ইমাম মেহেদী হাসানসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য।

সভায় বক্তারা বলেন, পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ও পরিবেশবান্ধব একটি সম্পদ। অথচ পলিথিনের অবাধ ব্যবহারের কারণে পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাটের তৈরি ব্যাগসহ বিভিন্ন পাটপণ্যের ব্যবহার বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে পাটপণ্যের ব্যবহার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তাঁরা।

বক্তারা আরো বলেন, পাটপণ্যের ব্যবহার শুধু পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখবে না, এর মাধ্যমে দেশের পাটশিল্পের বিকাশ এবং পাটচাষিদেরও উপকার হবে। এ জন্য পরিবার থেকে শুরু করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে পাটপণ্যের ব্যবহার বাড়াতে হবে। বসুন্ধরা শুভ সংঘের বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।

নতুন কমিটির দায়িত্বশীলরা হলেন, বসুন্ধরা শুভ সংঘ ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলা শাখার নতুন কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম। সহসভাপতি হাসান মোল্লা ও আলী রেজা। সাধারণ সম্পাদক মো. অনিক। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবুল মৃধা ও মো. সুমন মিয়া।

সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাহিদ হাসান মিঠু, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. রিপন শিকদার, অর্থ সম্পাদক গুরুদাস মালো, দপ্তর সম্পাদক মো. উজ্জল মোল্লা, নারী বিষয়ক সম্পাদক ঝর্না, ইভেন্ট সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম, কর্ম ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. সাবির বিশ্বাস, প্রচার সম্পাদক মো. রাসেল, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. খালিদ হাসান রনি, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মো. রাকিব, ক্রীড়া সম্পাদক মো. নুর আলী, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. সোহাগ মীর, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক কাজী কনা, শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক মো. শাহান্ত, আপ্যায়ন সম্পাদক ইমাম মেহেদী হাসান, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. সালমান হোসেন এবং সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আব্দুল রহিম।

এছাড়া কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. তানভিম, অর্পিতা ও মো. ইমন।

কমিটির উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন কাজী সেলিমুজ্জামান সেলিম, আনোয়ারুজ্জামান ঝন্টু, আশরাফুজ্জামান মিঠুন, নাসরিন আক্তার ও নুর ইসলাম।

মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন ৪ জন!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন ৪ জন!

বিএনপির নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে সরকারের কাজের গতি বাড়াতে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে দায়িত্বের চাপ কমাতে সীমিত পরিসরে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।

ফলে মন্ত্রিসভায় আপাতত কোনো পরিবর্তন না করে নতুন চারজনকে যুক্ত করা হতে পারে। এমনটি জানা গেছে। তবে, এ প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়নের একমাত্র এখতিয়ার তারেক রহমানের। তিনি যখন চাইবেন তখনই বাস্তবায়িত হবে।

আগামী ১৭ আগস্ট বর্তমান সরকারের ৬ মাস পূর্ণ হচ্ছে। দিনটিকে সামনে রেখে সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ড, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা চলছে। তবে এই পর্যালোচনায় মন্ত্রিসভার পরিবর্তন বা বড় ধরনের দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত এখনই নেওয়া হচ্ছে না বলে জানা গেছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে এমন ইঙ্গিতই পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, সরকারের শুরুতে তুলনামূলক বড় পরিসরে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও কয়েকজন মন্ত্রীকে একাধিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অর্থ ও পরিকল্পনা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ, শিল্প-বাণিজ্য-বস্ত্র ও পাট, কৃষি-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, সড়ক-রেল-নৌপরিবহনসহ কয়েকটি ক্ষেত্রে একাধিক দায়িত্ব রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক কাজের চাপ কমানো এবং নীতিনির্ধারণে আরো মনোযোগ দেওয়ার জন্য নতুন মুখ যুক্ত করার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সেলিমা রহমান এমপি এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে আন্দালিব রহমান পার্থ এমপি মন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হতে পারেন।

এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শহিদুল ইসলাম বাবুল এমপি এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শামীম কায়সার লিংকন এমপি যুক্ত হতে পারেন বলে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্ব পালন করছেন। এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া মন্ত্রিসভায় নির্ধারিত উপদেষ্টারা এবং বিশেষ সহকারীরাও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বিশেষ দায়িত্ব পালন করছেন।

জানা গেছে, মন্ত্রিসভায় কাউকে সরিয়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। বরং ১৮০ দিনের কাজের মূল্যায়নের পর কোথায় কী ধরনের ঘাটতি রয়েছে, সেটি চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

অর্থাৎ প্রথম ধাপে ‘রদবদল’ নয়, বরং ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট’ হতে পারে। এতে বর্তমান মন্ত্রিসভার কাঠামো মোটামুটি অপরিবর্তিত রেখেই নতুন চারজনকে যুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য বলেন, ‘আপাতত মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। কারণ ১৮০ দিনের কর্মসূচি শেষ হবে আগামী ১৬ আগস্ট। এরই মধ্যে সব মন্ত্রণালয় রিপোর্ট জমা দিয়েছে। এসব রিপোর্ট মূল্যায়ন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এছাড়া একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের কাজের চাপ কমাতে সেসব মন্ত্রণালয়ে নতুন করে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আছে।’

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচির মূল্যায়ন করা হবে। আমরা কতটা নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করেছি, প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব মাধ্যম আছে, গণমাধ্যম আছে-এসবের মাধ্যমে হয়তো খোঁজখবর নিয়েছেন। আমার বিশ্বাস, গত ছয় মাসে উনার যতগুলো কর্মকাণ্ড দেখতে পেয়েছি, যেগুলোর কোথাও কোনো ভুল হয়নি।’