খুঁজুন
, ,

আলফাডাঙ্গায় লোডশেডিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে এমপির সঙ্গে পল্লী বিদ্যুৎ এজিএমের মতবিনিময়

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় লোডশেডিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে এমপির সঙ্গে পল্লী বিদ্যুৎ এজিএমের মতবিনিময়

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় লোডশেডিংসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেছেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ড.ইলিয়াস মোল্লা।

গত ১১ আগস্ট আকস্মিকভাবে আলফাডাঙ্গা সাব-জোনাল অফিসে এসে সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) আশীষ কুমার রায় এর সাথে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময়ের সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আলফাডাঙ্গা উপজেলার শীর্ষ স্থানীয় নেতাকর্মী ও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মরত লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১ টার সময় ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ড.ইলিয়াস মোল্লাসহ তার সফরসঙ্গীরা আলফাডাঙ্গা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাব-জোনাল অফিসে আকস্মিকভাবে প্রবেশ করেন। তখন আলফাডাঙ্গা পল্লী বিদ্যুতের এজিএম আশীষ কুমার রায় উপজেলার শুকুরহাটা ‘আলফাডাঙ্গা ইনডোর উপকেন্দ্র’ জরুরী তদারকিতে নিয়োজিত ছিলেন। এজিএমর চেয়ার ফাঁকা দেখে সংসদ সদস্য তাকে নিয়ে নানা কথা বলতে থাকেন।

অফিস থেকে সংসদ সদস্যের আগমণের খবর দিলে তিনি ৮ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত হন। এসময় লোডশেডিংয়ের শিডিউল, গ্রাহক ব্যবস্থাপনা, বায়োমেট্রিক হাজিরা ও বিদ্যুৎ বিল অতিরিক্ত আসার অভিযোগসহ নানা বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়। এরমধ্যে সংসদ সদস্যর সাথে থাকা একজন প্রশাসনিক বাস্তবতা না বুঝে এবং তথ্যের সত্যতা যাচাই না করেই বিভ্রান্তিকর ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এ বিষয় নিয়ে ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আলফাডাঙ্গা সাব- জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) আশীষ কুমার রায় বলেন, লোডশেডিংসহ নানা বিষয় নিয়ে অভিযোগ থাকতেই পারে। বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজ থাকায় অনেক জটিল সমস্যা তৈরি হচ্ছে। একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে আমার সবকিছু তদারকি করতে হয়। যে সময় মাননীয় সংসদ সদস্য স্যার আমাদের অফিসে আগমণ করেছিলেন সে সময় সাব-স্টেশনে কাজের তদারকি করছিলাম। খবর পেলাম সংসদ সদস্য অফিসে এসেছেন।

তৎক্ষণিকভাবে আমি ৮ থেকে ১০ মিটিনের মধ্যে নিজ কার্যালয়ে ফিরে আসি। এসময় নিজ কার্যালয়ে না থাকার কারণ ব্যাখা দেই। এরপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্যারের সাথে আমাদের মতবিনিময় হয়েছে। আমাদের লোকবল কম থাকার কারণ বলেছি। লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিল কেন বেশি হচ্ছে সে বিষয় ধারণা দেওয়া হয়। স্যার আমাদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন আমারা নোট করেছি, এগুলো বাস্তবায়ন করা হবে বলে আমরা স্যারকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। কিন্ত পরক্ষণে দেখা যায় কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। আমি অফিসে ছিলাম না। সংসদ সদস্য স্যার যখন অফিসে আসেন আমি তখন সাব-স্টেশনে অবস্থান করছিলাম।

তিনি আরও জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সঠিক তথ্য পরিবেশন ও দায়িত্বশীল আচরণের স্বার্থে এ ধরণের সংবাদ পরিবেশন করা ঠিক না। আমার সাথে কোনো গণমাধ্যম কর্মী যোগাযোগ করেনি। নেয়নি আমার কোনো বক্তব্য। এ বিষয় আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। সত্য ও সঠিক সংবাদ পরিবেশনের জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এজিএম আশীষ কুমার রায়।

চলমান লোডশেডিংয়ের সমস্যা সাময়িক, সবাইকে ধৈর্য্য ধরে জাতীয় সমস্যা উত্তরণের জন্য পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের অনুরোধ করেন। তিনি আরও জানান, এতদিন ধরে ফরিদপুর থেকে ৫৪ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে আমাদের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো। এখন সেটা পাশ^বর্তী নড়াইল জেলা থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। নড়াইল পাওয়ার গ্রীড হতে ডাবল সার্কিটসহ প্রায় ২৭ কিলোমিটার নতুন ৩৩ কেভি বিকল্প সোর্স লাইন নির্মাণ সম্পন্ন হলে বিদ্যুতের লো-ভোল্টেজ ইস্যু সমাধান হবে এবং অত্র এলাকায় মানসম্মত বিদ্যুত সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ফরিদপুর শহরে বেদেপল্লীর নারীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি, অতিষ্ঠ পথচারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর শহরে বেদেপল্লীর নারীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি, অতিষ্ঠ পথচারীরা

ফরিদপুর শহরের ব্যস্ততম সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে পথচারীদের ঘিরে ধরে জোরপূর্বক টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বেদেপল্লীর একদল নারীর বিরুদ্ধে। শহরের আলিপুর মোড়, ১১ তলা ভবন এলাকা, জনতা ব্যাংক মোড় ও চকবাজারসহ ব্যস্ত পয়েন্টগুলোতে দিনের পর দিন এমন ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।

​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গ্রাম থেকে প্রয়োজনীয় কাজে শহরে আসা সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করেই মূলত চক্রটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। কোনো পথচারী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ঘিরে ধরে পথ আটকে দেওয়া হয়, এমনকি টানাহেঁচড়া করে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা হয়। লোকলজ্জার ভয়ে অনেকেই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে সেখান থেকে রক্ষা পান।

​সদর উপজেলার গ্রাম থেকে কাজে আসা ফাহিম শেখ বলেন, “শহরে ঢোকার পরই কয়েকজন নারী আমাকে ঘিরে ধরে টাকা দাবি করে। না দিলে ছাড়ছিল না। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি, এখন বাড়ি ফেরার ভাড়া নিয়ে চিন্তায় পড়েছি।” একই অভিজ্ঞতার কথা জানান মমিন খারহাটের রুস্তম ব্যাপারী ও স্থানীয় বাসিন্দা রাহুল শেখ। রাহুল শেখ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যেহেতু তারা নারী, প্রকাশ্যে এসব টানাহেঁচড়া করলে পুরুষের জন্য তা অত্যন্ত বিব্রতকর। বাধ্য হয়েই টাকা দিয়ে পার পেতে হয়।”

​অভিযোগ রয়েছে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের সামনেই এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলছে। এ বিষয়ে আলিপুর এলাকার দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তা (টিএসআই) শেখ তুহিন বলেন, “আমাদের সামনেই সাধারণ মানুষকে টেনে-হিঁচড়ে টাকা আদায় করা হয়। আমি নিজে কয়েকবার নিষেধ করেছি, কিন্তু নিষেধ করলে তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। যে কারণে অনেক সময় আর কিছু বলা যায় না।”

​তবে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা জানিয়েছেন অভিযুক্ত বেদেপল্লীর নারীরা। মুন্সিবাজার এলাকার বেদেপল্লীর এক নারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে হয়। আমাদের অন্য কোনো কাজের সুযোগ নেই। প্রশাসন যদি পুনর্বাসন বা বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করে, তবে আমরা রাস্তায় এসে টাকা চাওয়া বন্ধ করে দেব।”

​ঘটনাটিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া জানান, মুন্সিবাজারের বেদে সম্প্রদায়ের মানুষদের সরকারি কোনো সহায়তার আওতায় আনা যায় কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

​অন্যদিকে, ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি এখন পর্যন্ত তার জানা ছিল না। তবে টহল টিমকে নির্দেশনা দেওয়া হবে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​স্থানীয়দের দাবি, বেদে সম্প্রদায়ের জীবিকার বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে দ্রুত বিকল্প কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক। একই সাথে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের পথচলা নির্বিঘ্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) নেতৃবৃন্দ।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

​এ সময় ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক আজিজ, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য কৃষিবিদ শাহরিয়ার আজম ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. রঞ্জুসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

​সাক্ষাৎকালে নেতারা ইউএনওর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সঙ্গে তারা আলফাডাঙ্গা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও স্থানীয় সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়?

ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়? এ প্রশ্নের উত্তর অনেকেরই অজানা। গবেষকদের মতে, শরীরে জমে থাকা চর্বির বড় একটি অংশ শেষ পর্যন্ত শ্বাসের সঙ্গে কার্বন ডাই-অক্সাইড হিসেবে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার (০১ সেপ্টেম্বর) ইউরো নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব বার্মিংহামের দুই গবেষক ‘দ্য কনভারসেশন’-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে জানান, শরীরের চর্বি কমার প্রক্রিয়া শুরু হয় যখন খাবার থেকে পাওয়া শক্তির চেয়ে শরীরের শক্তির চাহিদা বেশি হয়। তখন শরীর জমিয়ে রাখা চর্বি থেকে শক্তি নেওয়া শুরু করে।

খাবারের চর্বি হজমের পর ফ্যাটি অ্যাসিডে ভেঙে যায়। শরীর প্রয়োজনীয় অংশ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে। অতিরিক্ত অংশ ট্রাইগ্লিসারাইডে রূপান্তরিত হয়ে চর্বি কোষে জমা থাকে।

শরীরে মূলত দুই ধরনের চর্বি জমে- ত্বকের নিচে থাকা সাবকিউটেনিয়াস ফ্যাট এবং শরীরের ভেতরে বিভিন্ন অঙ্গের চারপাশে জমা ভিসেরাল ফ্যাট।

শরীরে ক্যালরি ঘাটতি তৈরি হলে হরমোন ও স্নায়ুর সংকেতের মাধ্যমে চর্বি কোষে জমে থাকা ট্রাইগ্লিসারাইড ভাঙতে শুরু করে। এরপর ফ্যাটি অ্যাসিড কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ায় গিয়ে শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। এ সময় কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি তৈরি হয়।

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, শরীর থেকে হারানো চর্বির প্রায় ৮৪ শতাংশ কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হয়ে শ্বাসের সঙ্গে বের হয়ে যায়। বাকি প্রায় ১৬ শতাংশ পানি হিসেবে ঘাম, প্রস্রাবসহ বিভিন্ন শারীরিক তরলের মাধ্যমে বের হয়।

তবে এই হারগুলো আনুমানিক বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। শরীরের সব ধরনের নির্গমন নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা কঠিন।

গবেষকরা আরও বলেন, দ্রুত শ্বাস নিলেই চর্বি কমে না। শ্বাস-প্রশ্বাস চর্বি ভাঙার কারণ নয়; বরং চর্বি ভাঙার পর তৈরি হওয়া পদার্থ শরীর থেকে বের হওয়ার একটি পথ।

শরীরে ক্যালরি ঘাটতি তৈরি করাই চর্বি কমানোর মূল বিষয়। খাবার নিয়ন্ত্রণ ও শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে এই ঘাটতি তৈরি করা যায়।

সূত্র: ইউরো নিউজ