খুঁজুন
সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২৩ চৈত্র, ১৪৩২

ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার করার ৭টি সহজ ও কার্যকরী পদ্ধতি

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৬ পূর্বাহ্ণ
ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার করার ৭টি সহজ ও কার্যকরী পদ্ধতি

বর্তমান জীবনে ওয়াশিং মেশিন একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। কাপড় ধোয়ার জন্য এটি ব্যবহৃত হলেও, অনেক সময় আমরা এর পরিস্কার সংক্রান্ত গুরুত্ব উপেক্ষা করি। 

কিন্তু, ওয়াশিং মেশিন কিভাবে পরিষ্কার করে না জানা হলে এর কার্যকারিতা কমে যেতে পারে, এমনকি কাপড়েও বাজে গন্ধ আসতে পারে।

তাই ওয়াশিং মেশিনের সঠিক পরিচর্যা করা অত্যন্ত জরুরি। আজকের এই পোস্টে আমরা জানাবো কীভাবে সহজ ও কার্যকরী পদ্ধতিতে ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার করবেন।

কেন ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার করা জরুরি?

প্রথমত, ওয়াশিং মেশিনের মধ্যে অতিরিক্ত ময়লা ও জীবাণু জমে থাকতে পারে। যেহেতু এটি গরম ও আর্দ্র পরিবেশে কাজ করে, এটি ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাকের জন্য একটি আদর্শ স্থান হয়ে ওঠে।

এছাড়া, ওয়াশিং মেশিনের ইনলেট ফিল্টার যদি ব্লক হয়ে যায়, তবে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহে সমস্যা সৃষ্টি হয়, যা মেশিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।

তবে, নিয়মিত পরিষ্কার করার মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। চলুন, দেখে নিই ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার করার ৭টি সহজ পদ্ধতি।

ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার করার ৭টি সহজ ও কার্যকরী পদ্ধতি

১. গরম পানির সাইকেল চালানো

ওয়াশিং মেশিনের ড্রাম পরিষ্কার করার প্রথম পদক্ষেপ হলো হট সাইকেল চালানো। যদি আপনার মেশিনে হট ওয়াশের ব্যবস্থা থাকে, তবে প্রথমে মেশিনটি খালি রেখে গরম পানির সাইকেল চালান।

এটি ড্রামে জমে থাকা ময়লা, সাবান এবং ডিটারজেন্টের অবশিষ্টাংশ পরিষ্কার করে, ফলে মেশিনটি হয়ে ওঠে আরও কার্যকরী।

যদি মেশিনে হট ওয়াশ ফিচার না থাকে, তবে সাধারণ পানি ভরে গরম পানি ঢেলে দিন এবং সাইকেল চালান। এতে মেশিনের ভিতরে জমে থাকা গন্ধ এবং ময়লা দূর হবে, যা মেশিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

২. ভিনেগার ও বেকিং সোডা ব্যবহার

ড্রামের গন্ধ দূর করার জন্য আপনি ভিনেগার এবং বেকিং সোডার সাহায্য নিতে পারেন। প্রথমে ১০০ মিলিলিটার সাদা ভিনেগার নিয়ে মেশিনে ভরে হট সাইকেল চালান।

এটি ড্রামের ভিতরে জমে থাকা জীবাণু এবং গন্ধ দূর করতে সহায়তা করবে। ভিনেগার প্রকৃতপক্ষে একটি প্রাকৃতিক ডিটারজেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং এটি খুবই কার্যকরী জীবাণু নাশক।

এরপর, এক কাপ বেকিং সোডা দিয়ে আবারও একটি দ্রুত সাইকেল চালান। এই পদ্ধতি ব্যবহারে ওয়াশিং মেশিনের ভেতরের দুর্গন্ধ এবং ময়লা পুরোপুরি দূর হয়ে যাবে, ফলে আপনার মেশিন থাকবে সতেজ এবং পরিষ্কার।

৩. ডিটারজেন্ট ড্রয়ার পরিষ্কার করুন

ওয়াশিং মেশিনের ডিটারজেন্ট ড্রয়ার নিয়মিত পরিষ্কার করা জরুরি। এই ড্রয়ারে সময়ের সাথে সাথে সাবান এবং ডিটারজেন্ট জমে যেতে পারে, যা পরে মেশিনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। ড্রয়ারটি বের করে গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করুন।

সাবান এবং ডিটারজেন্টের অবশিষ্টাংশ দূর করতে ব্লিচ ব্যবহার করতে পারেন, তবে তা সাবধানে ব্যবহার করতে হবে।

ড্রয়ার পরিষ্কার না হলে এটি মেশিনের ভিতরে অতিরিক্ত ময়লা ও জীবাণু জমতে সাহায্য করতে পারে, যা কাপড়ে নোংরা ফেলে। পরিশেষে, একটি ভেজা কাপড় দিয়ে ড্রয়ারটি ভালোভাবে মুছে নিন যাতে এটি পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে যায়।

৪. ফিল্টার পরিষ্কার করুন

ওয়াশিং মেশিনের ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি মেশিনের পানি নিষ্কাশনে সাহায্য করে।

ফিল্টার যদি পরিষ্কার না করা হয়, তবে এতে ময়লা জমে গিয়ে পানি সঠিকভাবে নিষ্কাশন হতে পারে না, যা মেশিনের কার্যক্ষমতায় প্রভাব ফেলবে।

প্রথমে, ফিল্টারটি বের করে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর, পুরনো টুথব্রাশ দিয়ে ময়লা ঘষে পরিষ্কার করুন। এর ফলে ফিল্টারের কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার হবে এবং মেশিনে পানি সঠিকভাবে বের হতে পারবে, ফলে মেশিনের জীবনকাল বাড়বে।

৫. সিল পরিষ্কার করুন

ফ্রন্ট লোডিং মেশিনের রাবার সিলটি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে, কারণ এখানে অনেক সময় ময়লা, ছত্রাক এবং জলাবদ্ধতা জমে যায়।

মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে সিলের চারপাশ মুছে ফেলুন এবং সাবান বা ভিনেগারের মিশ্রণ দিয়ে পরিষ্কার করুন।

এটি ওয়াশিং মেশিনের দুর্গন্ধ এবং জীবাণু থেকে রক্ষা করবে। সিল পরিষ্কার না হলে এটি মেশিনের অর্গানিক ময়লা জমানোর জন্য একটি আদর্শ জায়গা হয়ে ওঠে, যা পরে কাপড়ে গন্ধ এবং ময়লা ফেলার কারণ হতে পারে।

৬. মেশিনের বাইরের অংশ পরিষ্কার করুন

ওয়াশিং মেশিনের বাইরের অংশটিও পরিষ্কার রাখা জরুরি। মেশিনের বাইরের কভার, দরজা এবং বেসিনে জমে থাকা ময়লা বা ধূলা নিয়মিত মুছে ফেলুন। এতে মেশিনের লুক ও কার্যকারিতা বজায় থাকবে এবং দীর্ঘস্থায়ী হবে।

বাইরের অংশ পরিষ্কার না করলে মেশিনের বাহ্যিক কাঠামো নষ্ট হতে পারে, এবং ধুলা বা ময়লা ভিতরে প্রবেশ করতে পারে, যা পরে ইন্টারনাল পার্টস ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই, মেশিনের বাইরের অংশও নিয়মিত পরিষ্কার রাখা উচিত।

৭. মেশিনের দরজা খুলে রেখে শুকাতে দিন

মেশিন পরিষ্কারের পর, এর দরজা খুলে রেখে কিছু সময়ের জন্য শুকাতে দিন। এতে ভেতরে কোনো দুর্গন্ধ জমবে না এবং মেশিনটি ভালোভাবে শুকিয়ে যাবে।

বিশেষভাবে ফ্রন্ট লোডিং ওয়াশিং মেশিনে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে মেশিনের ভিতরের রাবার সিলের মধ্যে পানি জমে থাকে, যা দুর্গন্ধ তৈরি করতে পারে।

দরজা খুলে রাখলে বাতাস প্রবাহিত হতে থাকে, যা মেশিনের ভিতর সব ধরনের গন্ধ এবং আর্দ্রতা দূর করতে সাহায্য করে।

উপসংহার

ওয়াশিং মেশিন নিয়মিত পরিষ্কার করা শুধু এর কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে না, বরং এটি আপনার কাপড়কেও সুগন্ধি এবং জীবাণু মুক্ত রাখে।

আপনি যদি মাসে একবার ভালোভাবে ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার করেন এবং সপ্তাহে একবার হট ওয়াশ সাইকেল চালান, তবে আপনার মেশিনটি দীর্ঘস্থায়ী এবং কার্যকরী থাকবে।

এছাড়া, পরিষ্কার করার আগে মেশিনের ম্যানুয়াল দেখে নিন, কারণ কিছু মডেলে স্বয়ংক্রিয় পরিষ্কার ফিচার থাকে। আপনি যদি এই সহজ পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করেন, তবে আপনার ওয়াশিং মেশিন হবে যেমন পরিষ্কার, তেমনি কার্যকরী!

ফরিদপুরে লিজের জমি না ছাড়ায় পানের বরজে আগুন, কোটি টাকার ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে লিজের জমি না ছাড়ায় পানের বরজে আগুন, কোটি টাকার ক্ষতি

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে লিজের জমি না ছাড়াকে কেন্দ্র করে পানের বরজে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত দুই পানচাষী। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আতিয়ার রহমান আতু শেখ (৬০) ও তার ছেলে সুজন শেখ (৩০) পলাতক রয়েছেন। গত ৩০ মার্চ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের ডহরনগর গ্রামে।

এ ঘটনায় তপন গুহ ও আকরাম শেখ রবিবার (৫ এপ্রিল) ফরিদপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ডহরনগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

এদিকে সব হারিয়ে হতাশায় ভুগছেন পানচাষী তপন গুহ ও আকরাম শেখ। তারা বলেন, “মাথার উপর যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে।”

ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন, পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের ডহরনগর গ্রামের তপন গুহ ও আকরাম শেখ। তারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে লিজ নেওয়া জমিতে পান চাষ করে আসছিলাম। কিন্তু একই এলাকার আতু শেখ বারবার জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছিলেন। তারা লিজ বাতিল না করায় ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পিতভাবে পানের বরজে আগুন দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ এলাকার পানের বরজ সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে পুড়ে যাওয়া বাঁশের খুঁটি, শুকিয়ে যাওয়া পানগাছ এবং ছাইয়ের স্তূপ এখন ধ্বংসস্তপে পরিনত হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, এটি ছিল এলাকার অন্যতম বড় পানের বরজ, যেখানে নিয়মিত ১০-১২ জন শ্রমিক কাজ করতেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ দুপুরের দিকে হঠাৎ আগুন লেগে পুরো পানের বরজে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্তরা দাবি করেন, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং পূর্বশত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ। আগুনের ঘটনায় পুরো বরজ পুড়ে যাওয়ায় তাদের জীবিকার প্রধান উৎস ধ্বংস হয়ে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক তপন গুহ বলেন, এই বরজটাই ছিল আমার একমাত্র সম্বল। এখন পান ভাঙার মৌসুম চলছে। সবকিছু পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। আমি একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছি। শুধু আমি না, আমার সঙ্গে কাজ করা শ্রমিকরাও এখন বিপদে পড়েছে।

অন্য কৃষক আকরাম শেখ বলেন, আমাদের দুই পরিবারের ১০০ শতাংশ বরজ পুড়ে গেছে। কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। এখন পরিবার নিয়ে কীভাবে চলবো, তা বুঝতে পারছি না। আমরা অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

স্থানীয় বাসিন্দা হানিফ শেখসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, আগুনের ঘটনার পর বিষয়টি আপস-মীমাংসার আলোচনা চলছিল। তবে এরই মধ্যে অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়, ফলে সমাধান হয়নি।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, পানের বরজে আগুন দেওয়ার মতো ঘটনা শুধু দুইটি পরিবারের ক্ষতিই নয়, পুরো এলাকার কৃষি অর্থনীতির ওপর বড় আঘাত। এ সময় দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

এ ঘটনায় তপন গুহ ও আকরাম শেখ রবিবার ফরিদপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ডহরনগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বোয়ালমারী থানার ডহরনগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মধুসূদন পান্ডে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি সত্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তবে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

র‌্যালি-আলোচনায় মুখর ফরিদপুর, উদযাপিত হলো যমুনা টিভির এক যুগ পূর্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
র‌্যালি-আলোচনায় মুখর ফরিদপুর, উদযাপিত হলো যমুনা টিভির এক যুগ পূর্তি

দেশের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম যমুনা টেলিভিশন-এর এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে ফরিদপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে দিনব্যাপী এই আয়োজন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে একটি আনন্দঘন র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্রেসক্লাব চত্বরে এসে শেষ হয়। এতে সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

র‌্যালি শেষে প্রেসক্লাবের অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন মোল্যা মিলনায়তনে কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ফরিদপুরে যমুনা টেলিভিশনের প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম হিমেলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন পিয়াল, প্রথম আলো-এর নিজস্ব প্রতিবেদক পান্না বালা, এটিএন বাংলা-এর প্রতিনিধি কামরুজ্জামান সোহেল, ছাত্রনেতা আবরার নাদিম ইতুসহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

বক্তারা বলেন, যমুনা টেলিভিশন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সাহসী ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে বিশেষ অবস্থান তৈরি করেছে। নানা প্রতিকূলতা ও চাপ উপেক্ষা করে সত্য প্রকাশের ধারাবাহিকতা বজায় রাখায় প্রতিষ্ঠানটি মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।

তারা আরও বলেন, ভবিষ্যতেও যমুনা টেলিভিশন যেন নির্যাতিত ও বঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠে এবং গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখে—সেই প্রত্যাশাই সবার।

অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

 

ফরিদপুরের বড় কাজুলী গ্রামে সন্ত্রাস, হামলা ও চুরির প্রতিবাদ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের বড় কাজুলী গ্রামে সন্ত্রাস, হামলা ও চুরির প্রতিবাদ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার বড় কাজুলী গ্রামে চলমান সন্ত্রাস, হামলা ও চুরির ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৫ এপ্রিল) দুপুরে গ্রামের বাসিন্দা শরিফুল ইসলামের নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বড় কাজুলী গ্রামের স্থানীয় গ্রামবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানোয়ার মোল্লা, ওবায়দুর মোল্লা ও আলী হোসেন,কামরান, নাজিম,মস্তো সহ একটি প্রভাবশালী মহল গ্রামের সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের নির্যাতন, হামলা ও মিথ্যা মামলার হুমকি দিয়ে আসছে। এর ফলে গ্রামবাসীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, সম্প্রতি গ্রামে চুরি ও হামলার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে গ্রামবাসীরা অবিলম্বে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং এলাকায় স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।