খুঁজুন
, ,

মাত্র কয়েকদিনেই ফল! শসা খেলে কমবে ওজন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৩ পূর্বাহ্ণ
মাত্র কয়েকদিনেই ফল! শসা খেলে কমবে ওজন

আপনি আপনার শরীরের ওজন কমাতে চান, তাহলে প্রতিদিন শসা খান। শসা ফল হলেও সবজি হিসেবে বেশি পরিচিত। এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের বিভিন্ন জটিলতা প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে। বিশেষ করে রমজান মাসে যখন দীর্ঘ সময় পানাহারে বিরত থাকতে হয়, তখন শসা খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে যায়। এতে পানির পরিমাণ এবং এর খাস্তা ভাব ফলের চেয়ে বেশি কার্যকরী।

শসা শুধু ওজন কমাতে সাহায্য করে না। শসা একটি আদর্শ খাবার। এক কাপ শসায় মাত্র ১৬ ক্যালোরি থাকে। এর উচ্চ পানি এবং কম ক্যালোরি উপাদান ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া ইফতারে বেশির ভাগ ভাজাপোড়াজাতীয় খাবার থাকে। ফলে রমজানের পর ওজন বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। তাই এই সময় ভারসাম্য বজায় রাখতে শসা খাওয়া উচিত।

কারণ শসায় ক্যালোরি খুব কম থাকায় প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল অনেক বেশি পাওয়া যায়। প্রায় ৩০০ গ্রাম আকৃতির খোসাসহ শসায় থাকে ৪৫ ক্যালোরি, ১১ গ্রাম কার্বস এবং দেড় গ্রাম আঁশ। ভিটামিন সির দৈনিক চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শসা থেকে পাওয়া যায়। এ ছাড়া শসায় ভিটামিন ‘কে’ প্রচুর থাকে। এতে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। কারণ শসা সবসময় খোসাসহ খাওয়া উচিত। শসায় ৯৬ শতাংশ পানি থাকে বলে ইফতারে শসা খেলে তা দিনের পানিশূন্যতা পূরণে জাদুর মতো কাজ করে। আর শসার খোসা ছিলে ফেললে এর আঁশ এবং অনেক পুষ্টি উপাদান কমে যায়।

শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য পানি অপরিহার্য। আমরা পানি পানের মাধ্যমে এই চাহিদা পূরণ করে থাকি। তবে আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় পানির প্রায় ৪০ শতাংশ খাবার থেকে আসতে পারে। শসায় ৯৬ শতাংশ পানি থাকে, যা দীর্ঘ সময় শরীর সজল রাখতে দারুণ কার্যকর।

আর পানিশূন্যতা কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রধান কারণ। রোজায় খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে অনেকের কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। শসায় পানি এবং পানিতে দ্রবণীয় আঁশ থাকে, যা অন্ত্রের পেশি সচল রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হজম প্রক্রিয়া সহজ করে থাকে। রমজানে এমনিতেই পানি পান কম হয়। তাই ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সুবিধামতো সময় অনুযায়ী শসা খাওয়া যেতে পারে।

তবে শসা অত্যন্ত পুষ্টিকর ও উপকারী খাবার হলেও এর কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থায় এড়িয়ে চলা বা সতর্কতার সঙ্গে খাওয়া উচিত। যাাদের হজমে সমস্যা বা আইবিএসের মতো পেটের রোগ আছে, তাদের ক্ষেত্রে শসা গ্যাস বা বদহজমের কারণ হতে পারে। এমন সমস্যায় অল্প পরিমাণে খেয়ে দেখা উচিত, এটি আপনার শরীরে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে কিনা। আর যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করছেন, তাদের অতিরিক্ত শসা খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। শসায় থাকা প্রচুর ভিটামিন কে রক্ত পাতলা করার ওষুধের কার্যকারিতায় বাধা দিতে পারে। এ ধরনের রোগীদের প্রতিদিন ভিটামিন কে গ্রহণের পরিমাণ স্থিতিশীল রাখা জরুরি।

 

ফরিদপুরে লুট হওয়া পুলিশের ২৭ রাউন্ড কার্তুজ-গ্রেনেড উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে লুট হওয়া পুলিশের ২৭ রাউন্ড কার্তুজ-গ্রেনেড উদ্ধার

ফরিদপুরের সদর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে পুলিশের লুট হওয়া ২৭ রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ, ১৩টি টিয়ার গ্যাস শেল ও ৭টি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১০।

​বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে কানাইপুর এলাকার আখ সেন্টার মাঠ সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত ভবনে অভিযান চালিয়ে এসব গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

​এসআরবি-১০ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল কানাইপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ওই ভবনে তল্লাশি চালিয়ে তাজা কার্তুজ ও দেশীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

​প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া গোলাবারুদগুলো ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিভিন্ন থানা ও পুলিশ বক্সে হামলা চালিয়ে লুট হওয়া অস্ত্রের অংশ।

​এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।

ফরিদপুরে ‘গাঙচিল সাহিত্য আসর’ অনুষ্ঠিত

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ‘গাঙচিল সাহিত্য আসর’ অনুষ্ঠিত

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফরিদপুরে কবি, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের অংশগ্রহণে ‘গাঙচিল সাহিত্য আসর’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের আলিপুর এলাকার সোহাগ ভিলায় এ সাহিত্য আসরের আয়োজন করা হয়।

​গাঙচিল সাহিত্য আসরের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়ারাদ হোসেন রিয়াদ (বন্ধু রিয়াদ)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি আব্দুর রাজ্জাক রাজা। সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন মোল্লার আমন্ত্রণে আয়োজিত এই আসরে জেলার প্রায় ৪১ জন কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমী অংশ নেন।

​দিনটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি, গান পরিবেশন এবং সাহিত্য বিষয়ক নানা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

​অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— মো. বাহারুল ইসলাম (বাহার), মো. ইকবাল হোসেন, অধ্যাপক রোকেয়া বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুর রহমান ফরিদ, শাহনাজ পারভিন, ডা. হাফিজুর রহমান হাফিজ, সালমা ইসলাম, পলাশ নন্দী, যুগল কুমার দাস মিলন, আফরোজ জাহান পপি, আবিদা সুলতানা, ডা. হাসিনা বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুদ্দীন শেখ, সুস্মিতা দাস, ঋষিতা দাস, সুমা সাহা, সিথী সাহা, রেজা হক, মিরাজ-ই-কবির খোকন, ইফরাজ হোসেন সায়ান, ইকারাদ হোসেন, মো. আক্তার হোসেন রিয়াদ, মো. শাহজাহান সরদার, আবু জাফর, মো. আব্দুছ ছামাদ, অজয় দাস তালুকদার, পারভীন, বাবল সরকার, সজল সিকদার বিদ্যুৎ, ফরিদ আহমেদ, শালমান শরিফ, দেবাশীষ মৌলি ও রোকিয়া হকসহ স্থানীয় গুণীজনেরা।

​আয়োজকরা জানান, নিয়মিত সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে স্থানীয় কবি-সাহিত্যিকদের মেলবন্ধন সুদৃঢ় করা এবং সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করাই ‘গাঙচিল সাহিত্য আসর’-এর মূল লক্ষ্য।

ফরিদপুরে নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারের দায়ে ৬ পরিবহনকে জরিমানা

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারের দায়ে ৬ পরিবহনকে জরিমানা

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ফরিদপুরে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারের দায়ে ছয়টি পরিবহনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

​মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার ফরিদপুর-মাগুরা মহাসড়কের বদরপুর-সালথা রাস্তার মোড় এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

​‘শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্ব মূলক প্রকল্প’-এর আওতায় পরিচালিত এ অভিযানে ৬টি পরিবহনের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি যানবাহনগুলো থেকে ১১টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।

​ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিচারিক দায়িত্ব পালন করেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. জিহাদ হোসেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ছিলেন ফরিদপুর জেলার আনসার সদস্যরা।

​পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবেশ সুরক্ষায় ও ক্ষতিকর শব্দদূষণ নিরসনে এ ধরনের অভিযান জেলা জুড়ে অব্যাহত থাকবে।