খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২

ভাঙ্গায় সততার অনন্য দৃষ্টান্ত: দেড় লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন চায়ের দোকানি জুবায়ের

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৫ পিএম
ভাঙ্গায় সততার অনন্য দৃষ্টান্ত: দেড় লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন চায়ের দোকানি জুবায়ের

ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভার সামনে ছোট্ট একটি চায়ের দোকান। আকারে ছোট হলেও মানবিকতা ও সততার দিক থেকে যেন বিশাল এক প্রতিষ্ঠান। সেই দোকানের মালিক তরুণ উদ্যোক্তা জুবায়ের আবারও প্রমাণ করলেন—সততা এখনও বেঁচে আছে।

তান্দুরী চা-সহ প্রায় ৮০ ধরনের চা বিক্রি করেন জুবায়ের। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটে তার। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী—সব শ্রেণির মানুষ তার দোকানে আড্ডা ও চায়ের স্বাদ নিতে ভিড় করেন। হাসিমুখে আপ্যায়ন আর আন্তরিক ব্যবহারই তাকে সবার কাছে প্রিয় করে তুলেছে।

কয়েকদিন আগে তার দোকানে এক ক্রেতা অসাবধানতাবশত একটি ব্যাগ ফেলে যান। পরে ব্যাগটি খুলে দেখা যায়, এর ভেতরে রয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭০ টাকা। এত বড় অঙ্কের টাকা পেয়ে কেউ হয়তো প্রলোভনে পড়তে পারতেন। কিন্তু জুবায়ের সেটি নিজের কাছে না রেখে প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেন।

তিনি স্থানীয়ভাবে মাইকিং করান, পরিচিতজনদের মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে দেন এবং প্রশাসনের সহায়তাও চান। এ বিষয়ে সহযোগিতার জন্য তিনি স্থানীয় এসিল্যান্ড অফিসেও যান। জুবায়ের বলেন, “এই টাকা আমার নয়। যার টাকা, তাকে খুঁজে বের করাই আমার দায়িত্ব।”

অবশেষে খোঁজ মেলে টাকার প্রকৃত মালিকের। তিনি ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের বাসিন্দা মিরাজ শেখ (প্রায় ৭০)। বয়সের ভারে ন্যুব্জ এই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঈদের পর তার হৃদরোগের অস্ত্রোপচারের জন্যই টাকাটি জমা করা হয়েছিল। টাকা হারানোর পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং শারীরিক অবস্থারও অবনতি ঘটে।

পরিচয় ও প্রয়োজনীয় প্রমাণ যাচাই-বাছাই শেষে এক আবেগঘন মুহূর্তে জুবায়ের পুরো টাকাই মিরাজ শেখের হাতে তুলে দেন। উপস্থিত সবার চোখে তখন আনন্দাশ্রু। কৃতজ্ঞতায় আপ্লুত মিরাজ শেখ বলেন, “আজও যে এমন সৎ মানুষ আছে, তা না দেখলে বিশ্বাস করতাম না। আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন।”

শুধু এই ঘটনাই নয়, জানা গেছে জুবায়ের তার মাসিক আয়ের প্রায় ৩০ শতাংশ অসহায় মানুষের সহায়তা ও বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে ব্যয় করেন। স্থানীয়রা জানান, গোপনে তিনি অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থী ও রোগীর পাশে দাঁড়ান।

বর্তমান সময়ে যখন প্রতিনিয়ত চুরি-ডাকাতি ও অনৈতিক ঘটনার খবর শোনা যায়, তখন জুবায়েরের মতো তরুণরা সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। তার এই মহৎ উদ্যোগ ভাঙ্গা তো বটেই, পুরো ফরিদপুর জেলাজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে।

ফরিদপুরে গলা ও পায়ের রগ কেটে যুবককে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৪:০১ পিএম
ফরিদপুরে গলা ও পায়ের রগ কেটে যুবককে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি

ফরিদপুরের সদর উপজেলায় মো. ইকবাল শেখ (৪৭) নামে এক যুবককে গলা ও দুই পায়ের রগ কেটে হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে জিয়া মন্ডল (৫০) নামে অভিযুক্ত একজনকে ধরে গণপিটুনি দিয়েছেন স্থানীয় জনতা।

বুধবার (০৪ মার্চ) দিনগত রাতে সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের আফজাল মন্ডলের হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত ইকবাল শেখকে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ইকবাল শেখ ওই ইউনিয়নের ওয়েজউদ্দীন ফকিরের ডাঙ্গী গ্রামের মৃত রশিদ শেখের ছেলে। গণপিটুনির শিকার অভিযুক্ত জিয়া মন্ডল পার্শ্ববর্তী আলিমউদ্দিনের ডাঙ্গী গ্রামের ওয়াহিদ মন্ডলের ছেলে। তাকে পুলিশি পাহারায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জিয়া মন্ডল এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। মাদক কারবার নিয়ে ইকবাল শেখের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে গত কয়েকদিন ধরে ইকবালকে হুমকি দেয়া হচ্ছিল। এরই জেরে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাতে আফজাল মন্ডলের হাটের অদূরে একটি বাগানের ভেতর থেকে গোঙানির শব্দ শুনতে পান কয়েকজন। তারা সেখানে ছুটে গিয়ে ইকবাল শেখকে গলা ও পায়ের রগ কাটা অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তাদের চিৎকারে জিয়া মন্ডলসহ দুজন মোটরসাইকেলে করে পালানোর চেষ্টা করেন। স্থানীয়রা ধাওয়া দিলে মোটরসাইকেল নিয়ে সড়কের পাশে পড়ে গিয়ে জিয়া মন্ডলের পা ভেঙে যায়। তখন ক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণপিটুনি দেয়। তবে তার সঙ্গে থাকা অপর ব্যক্তি পালিয়ে যান।

আহত মো. ইকবাল শেখের ভাই মো. রফিক শেখ বলেন, আমার ভাইয়ের অবস্থা ভালো নয়, প্রচুর রক্ত দেয়া লাগছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাকে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে ও বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করা যাবে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

গ্রামবাসী ও এতিম শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফরিদপুরে বসুন্ধরা শুভ সংঘের ব্যতিক্রমী ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩৮ পিএম
গ্রামবাসী ও এতিম শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফরিদপুরে বসুন্ধরা শুভ সংঘের ব্যতিক্রমী ইফতার মাহফিল

পবিত্র রমজান মাসে সম্প্রীতি, মানবিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করতে ফরিদপুরে গ্রামবাসীদের নিয়ে ব্যতিক্রমী ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে বসুন্ধরা শুভ সংঘ ফরিদপুর জেলা শাখা।

বুধবার (০৪ মার্চ) সন্ধ্যায় জেলার নগরকান্দা উপজেলার লক্সরদিয়া ইউনিয়নের বিনোকদিয়া চেয়ারম্যানবাড়ী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে গ্রামের সাধারণ মানুষ, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও এতিম শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

ইফতার মাহফিলের আগে দেশ, জাতি এবং বসুন্ধরা গ্রুপের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের ইমাম হাফেজ আব্দুল আলীম মাতুব্বর। মোনাজাতে মানবতার সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোর অগ্রগতি এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রার্থনা করা হয়।

ইফতার মাহফিলে স্থানীয় গ্রামবাসীদের পাশাপাশি শাকপালদিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থী মো. তাজিবুল ও মো. হাসানসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানে এক মানবিক আবহ তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, লস্করদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহ মো. মশিউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সদস্য রিপন মিয়া, বসুন্ধরা শুভ সংঘের উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি মো. নুর ইসলাম, জেলা শাখার সভাপতি তন্ময় রায়, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক তিহান আহম্মেদ, নগরকান্দা উপজেলা শাখার প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি শাহ মো. তৌফিক রাজ, সহ-সভাপতি কাজল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক নাহিদ মাতুব্বর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সজল মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির হাসান এবং দপ্তর সম্পাদক রাজিব শেখসহ অর্ধশতাধিক মুসল্লি।

আয়োজকরা জানান, রমজানের পবিত্রতাকে সামনে রেখে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে একত্রিত করে ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তোলাই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও বসুন্ধরা শুভ সংঘ মানবিক ও সামাজিক বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

‘আগাম মিথ্যা হত্যা মামলার আশঙ্কা’—নগরকান্দায় শতাধিক গ্রামবাসীর মানববন্ধন

নগরকান্দা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম
‘আগাম মিথ্যা হত্যা মামলার আশঙ্কা’—নগরকান্দায় শতাধিক গ্রামবাসীর মানববন্ধন

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়নের বনগ্রাম বাজার এলাকায় আগাম মিথ্যা হত্যা মামলার আশঙ্কায় মানববন্ধন করেছেন শতাধিক গ্রামবাসী। 

মঙ্গলবার (০৪ মার্চ) বিকেলে নগরকান্দা–পুরাপাড়া সড়কের বনগ্রাম বাজারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জেরে একটি পক্ষ প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে মিথ্যা মামলা দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। সম্ভাব্য সেই ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচতেই তারা আগাম প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, ২০১৬ সালে পান্নু মুন্সি নামে এক ব্যক্তি ডায়রিয়াজনিত কারণে স্বাভাবিকভাবে মারা যান। কিন্তু মৃত্যুর প্রায় দুই ঘণ্টা পর তার মরদেহ দেলবাড়িয়া এলাকায় নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে বিকৃত করা হয় এবং ঘটনাটিকে হত্যা হিসেবে উপস্থাপন করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

পরে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট ও আদালতের পর্যবেক্ষণে মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে প্রমাণিত হয় বলে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম রবি। তিনি অভিযোগ করেন, ওই ঘটনায় তাকে ও তার পরিবারের সদস্যসহ একাধিক নিরীহ ব্যক্তিকে আসামি করে হয়রানি করা হয়েছিল।

গ্রামবাসীরা আরও অভিযোগ করেন, ২০১৯ সালে পার্শ্ববর্তী ভাঙা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সোহেল নামে এক ব্যক্তির ঘটনাতেও একই কৌশলে হত্যা মামলা দিয়ে কয়েকজন নিরীহ গ্রামবাসীকে ফাঁসানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, পান্নু মুন্সির ভাই রেজাউল মুন্সি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে রয়েছেন। তাকে কেন্দ্র করেও নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা হতে পারে, এমন গুঞ্জন রয়েছে। এ কারণে পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে তারা দাবি করেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে রেজাউল মুন্সি ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রেজাউল মুন্সি নিজ বাড়িতে অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। তবে মানববন্ধনে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তারা স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

এ বিষয়ে নগরকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ বলেন, “মানববন্ধনের বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তবে কেউ যদি আইনগত সহায়তার জন্য থানায় আসে, আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”

স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, অতীতের ঘটনাগুলোকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের সক্রিয় নজরদারি ও নিরপেক্ষ তদন্তই পারে সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে এবং এলাকায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে।

গ্রামবাসীরা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে এবং নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার না হন।