খুঁজুন
সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে এক্স-রে সেবা ব্যাহত, চরম ভোগান্তিতে রোগীরা

হারুন-অর-রশীদ ও আবরাব নাদিম ইতু, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে এক্স-রে সেবা ব্যাহত, চরম ভোগান্তিতে রোগীরা

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে রেডিও টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফার) না থাকায় নিয়মিত এক্স-রে সেবা ব্যাহত হচ্ছে। সপ্তাহে মাত্র দুই দিন এক্স-রে করা হলেও সেসব পরীক্ষার রিপোর্ট না পাওয়ায় রোগীদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে। ফলে অনেক রোগী বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত খরচ করে শহরের বিভিন্ন বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক্স-রে করাতে বাধ্য হচ্ছেন।

বর্তমানে হাসপাতালটিতে সপ্তাহে মাত্র দুই দিন—শনিবার ও মঙ্গলবার—এক্স-রে করা হচ্ছে। বাকি দিনগুলোতে এ সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। এতে প্রতিদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা বহু রোগী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে না পেরে বিপাকে পড়ছেন।

ফরিদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে, ফরিদপুর পৌরসভার পাশেই অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল। ১৯১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে শহরবাসীর প্রাথমিক চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসাস্থল হিসেবে পরিচিত। যদিও শহরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে, তবে সেটি শহর থেকে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে হওয়ায় অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য জেনারেল হাসপাতালেই আসেন।

কিন্তু হাসপাতালে এসে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করতে পারায় অনেক রোগীকেই পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। এক্স-রে সেবা সীমিত হয়ে পড়ায় এ সুযোগে সক্রিয় হয়ে উঠেছে কিছু দালালচক্র। তারা অসহায় রোগীদের বিভিন্ন বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে গিয়ে এক্স-রে করাতে প্রলুব্ধ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী রোগীরা জানান, সপ্তাহে দুই দিন এক্স-রে করা হলেও হাসপাতাল থেকে কোনো রিপোর্ট দেওয়া হয় না। ফলে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আবারও বাইরে থেকে এক্স-রে করাতে হচ্ছে।

শহরের টেপাখোলা এলাকার বাসিন্দা সঞ্জয় কর্মকার বলেন, “গত সপ্তাহে রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে আমার হাত ভেঙে যায়। তখন জেনারেল হাসপাতালে এসে চিকিৎসকের পরামর্শে এক্স-রে করতে বলা হয়। কিন্তু সেদিন এখানে এক্স-রে করা সম্ভব হয়নি। আজ আবার হাতের অবস্থা দেখানোর জন্য এক্স-রে করতে বলা হয়েছে, কিন্তু আজও এখানে করা গেল না। বাধ্য হয়ে বাইরে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বাড়তি টাকা দিয়ে এক্স-রে করাতে হলো।”

আরেক ভুক্তভোগী রোগী মোছা. সালমা বেগম বলেন, “সরকারি হাসপাতালে কম খরচে চিকিৎসা পাবো এই আশায় এখানে এসেছিলাম। কিন্তু এক্স-রে না হওয়ায় বাইরে গিয়ে করতে হয়েছে। এতে আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য চিকিৎসা ব্যয় অনেক বেড়ে যাচ্ছে।”

হাসপাতালের ভেতরে কিছু দালাল সক্রিয় রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন রোগী ও তাদের স্বজনরা। তারা বলেন, হাসপাতালে এক্স-রে না হওয়ায় অনেক সময় কিছু লোক এসে রোগীদের নির্দিষ্ট কিছু বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

এ বিষয়ে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, “বর্তমানে হাসপাতালে রেডিওগ্রাফারের পদটি শূন্য রয়েছে। তাই নিয়মিত এক্স-রে সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আপাতত চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন রেডিওগ্রাফারকে সপ্তাহে দুই দিন এনে এক্স-রে করানো হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, শূন্য পদ পূরণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অনেক আগেই চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। দ্রুত পদটি পূরণ হলে আবারও নিয়মিত এক্স-রে সেবা চালু করা সম্ভব হবে।

স্থানীয়দের দাবি, শহরের গুরুত্বপূর্ণ এই হাসপাতালে দ্রুত রেডিওগ্রাফার নিয়োগ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ এক্স-রে সেবা চালু করা হলে রোগীদের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।

আম কাটার আগে কেন পানিতে ভিজিয়ে রাখা জরুরি?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ
আম কাটার আগে কেন পানিতে ভিজিয়ে রাখা জরুরি?

বাজারে হিমসাগরসহ বিভিন্ন প্রজাতির আম পাওয়া যাচ্ছে। আমের এই মৌসুমে সবার বাসায়ই আম থাকে। অনেকে তিন বেলায় প্রিয় ফলটি খেতে ভালোবাসেন। পাকা আম কাটার আগে অনেকেই পানিতে ভিজিয়ে রাখেন না। এটি ভুল। আম কাটার আগে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখার উপকারিতার কথা বলা হয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘এই সময়’-এর এক প্রতিবেদনে। 

পাকা আম কাটার আগে পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন কেন?

আম পরিষ্কারের জন্য পানিতে ভিজিয়ে রাখা জরুরি। শুধু ধুয়ে নিলে খোসায় থাকা জীবাণু পরিষ্কার হয় না। গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য এবং পোকামাকড় তাড়ানোর জন্য রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়। সেগুলো আমের খোসাতে থেকে যায়। আম পানিতে  ভিজিয়ে রাখলে সেই সব কীটনাশক, রাসায়নিক বেরিয়ে যায়।

কীটনাশক সাফ হলেও আমে থাকা অ্যান্টি-নিউট্রিয়েন্টও বিপজ্জনক হতে পারে। আমের খোসায় ফাইটিক অ্যাসিড নামের অ্যান্টি-নিউট্রিয়েন্ট রয়েছে। এই ধরনের উপাদান আমের পুষ্টি শোষণে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই আম খেয়েও এর কোনও পুষ্টিগুণ পাবেন না। আম পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ফাইটিক অ্যাসিডের পরিমাণ কমে যায়। এতে আমের ভিটামিন এবং খনিজ শরীর সহজে শোষণ করতে পারে।

ফাইটিক অ্যাসিডের পাশাপাশি আমের খোসায় এমন অনেক উপাদান থাকে যেগুলি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাছাড়া আম খেলে শরীরের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পায় এবং পেটের গণ্ডগোল দেখা দেয়। আম খাওয়ার আগে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এই সমস্যা এড়ানো যায়।

আমের বোঁটা থেকে আঠালো কষ বের হয়। সেগুলো শুধু পানি দিয়ে ধুলে পরিষ্কার হয় না। আবার ওই কষ ত্বকের সংস্পর্শে এলে, ঠোঁটে লাগলে চুলকানি, র‍্যাশ হয়ে থাকে। আবার কষ খেয়ে ফেললে গলা চুলকায়। আম পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ওই কষ সম্পূর্ণরূপে পরিষ্কার হয়ে যায়।

কতক্ষণ আম পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন?

খাওয়ার আগে ১-২ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখা উচিত। হাতে কম সময় থাকলে অন্তত ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা পানিতে নয়, ঘরের তাপমাত্রায় থাকা পানিতে ভেজানো উচিত।

সূত্র: এই সময়

ভালো থাকতে চাইলে যাদের সঙ্গ এড়িয়ে চলবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ণ
ভালো থাকতে চাইলে যাদের সঙ্গ এড়িয়ে চলবেন?

আমাদের চারপাশে নানা রকমের মানুষ থাকেন। সবার মন মানসিকতা এক রকম হয় না। কারও কারও সঙ্গ জীবনে অনুপ্রেরণা জোগায়। এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। আবার কিছু মানুষের নেতিবাচক আচরণের কারণে মানসিক টানাপোড়ন দেখা দেয়। এসব মানুষের সঙ্গ নিজের অজান্তেই আমাদের ভেতরের শক্তি নষ্ট করে দেয়।

মানসিকভাবে নিজেকে ভালো রাখতে কিছু মানুষের সঙ্গ এড়িয়ে চলা খুবই জরুরি। ভারতীয় গণমাধ্যম ‘এই সময়ে’র এক প্রতিওবদনে এমনই কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। যেমন-

যারা সব সাফল্যের মধ্যে খুঁত খোঁজেন

কিছু কিছু মানুষ আছে যারা কখনওই কোনও কিছুতে সন্তুষ্ট হন না। তাদের জীবনে সব সময়ই কোনও না কোনও সমস্যা লেগেই থাকে। সাফল্য পেলেও তার খুঁত খোঁজেন। সব কিছু নিয়েই তারা অভিযোগ করেন। কেউ ভালো পরামর্শ দিলেও তারা সেটাকে ভালোভাবে নেন না। এই ধরনের মানুষদের সঙ্গে বেশি সময় কাটালে আপনার নিজের ভিতরের থাকা ইতিবাচক মনোভাবে কমতে থাকবে। জীবনে শান্তি পেতে চাইলে এদের থেকে দূরে থাকাই ভালো।

যারা কখনও ভুল স্বীকার করেন না

মানুষ মাত্রই ভুল করে। কিন্তু অনেকেই আছেন ভুল করলেও স্বীকার করেন না। এমনকী কেউ কেউ কখনও ক্ষমা চায় না। নিজের ভুলের দায় তারা অন্যের উপর চাপাতে পছন্দ করেন। কেউ কষ্ট পেলে কিনা সেটা বোঝার চেষ্টা করে না। এমন মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন থাকলে আত্মসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সম্পর্ক তখন মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই বারবার একই আচরণ করলে সম্পর্কের সীমা নির্ধারন করা জরুরি।

যারা সব সময় অন্যকে ছোট করে বা সন্দেহ প্রকাশ করে

কেউ কেউ আছেন যারা অন্যের  কোনও স্বপ্ন বা ইচ্ছাকে কখনওই সমর্থন করেন না। বরং কেউ নতুন কিছু করতে গেলেই তার যোগ্যতার উপর সন্দেহ প্রকাশ করেন। ‘তোমার দ্বারা এটা হবে না’ বা ‘তুমি এই কাজের যোগ্য নও’— এমন নেতিবাচক কথাবার্তা বলে তারা আরেকজনের আত্মবিশ্বাস ভেঙে দেয়ার চেষ্টা করে। এই সমস্ত ব্যক্তিরা পরোক্ষ ভাবে অন্যের ক্ষতি চায়। তাই এই ধরনের মানুষের থেকে দূরে থাকাই ভালো।

পরনিন্দা ও পরচর্চা করা ব্যক্তি

আমাদের চারপাশে এমন অনেকেই আছেন যারা অন্য মানুষের বদনাম বা গসিপ করতে পছন্দ করেন। অন্যের জীবনের ভুলত্রুটি নিয়ে আলোচনা করে তারা আনন্দ পান। , মনে রাখবেন—যারা আপনার সামনে অন্যের নামে খারাপ কথা বলছেন, সে অন্যের সামনে আপনার নামেও একই কাজ করতে পারেন। তাই এদের থেকে দূরে থাকাই ভালো।

বিশেষজ্ঞের মতে, সব সম্পর্ক ভেঙে ফেলতে হবে, বিষয়টা এমন নয়। তবে নিজের মানসিক শান্তি ও আত্মসম্মান রক্ষার জন্য কিছু মানুষের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করা জরুরি।  প্রয়োজন হলে ব্যক্তিগত পরিসরে সম্পর্কের সীমানা নির্ধারন করুন।

সূত্র : এই সময়

৬ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ফরিদপুর মেডিকেলের ইন্টার্ন ডাক্তারদের

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
৬ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ফরিদপুর মেডিকেলের ইন্টার্ন ডাক্তারদের

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অযৌক্তিক ও চিকিৎসা বিরোধী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং চিকিৎসক সমাজ ঘোষিত ছয় দফা বাস্তবায়নের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্ম বিরতি শুরু করেছে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের, ইন্টার্ন  ও ট্রেইনি ডাক্তার সহ মেডিক্যাল শিক্ষার্থীবৃন্দ।

 রবিবার (০৭ জুন) সকালে ছয় দফা দাবি নিয়ে তারা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ  মিছিল করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল  ক্যাম্পাসে। দাবি না মানা পর্যন্ত তাদের এই কর্মবিরতি চলবে বলে জানান ইন্টার্নাল ডাক্তার নেতৃবৃন্দ।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস কাউন্সিলের সভাপতি ডা. সাকিব হাসান লস্কর জানান, হাসপাতালের সকল ইন্টার্ন চিকিৎসকগণ কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের সাথে সংহতি প্রকাশ করে ৬ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ঘোষণা করেছেন।

আজ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে বেলা সাড়ে ১১ টায় সকল ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ এক যোগে দাবি আদায়ের লক্ষে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেন।  মানববন্ধনে সকল মিডলেভেল চিকিৎসক, ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ করেন।

তাদের ৬ দফা দাবি সমূহ হলো ১. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক এফসিপিএস পার্ট-১ উত্তীর্ণ বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়নের নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির প্রস্তাবনা বাতিল করতে হবে। ২. বিএমইউ ও বিসিপিএস-এর ভর্তি পরীক্ষার ফি কমিয়ে ৫০০-১০০০ টাকার মধ্যে আনতে হবে। ৩. নতুন পে-স্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বেতন নুনতম ৩০,০০০ টাকা এবং ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন আনুষঙ্গিক ভাতাসহ ৯ম গ্রেডের সমপর্যায়ে নির্ধারণ করে প্রতি মাসের বেতন প্রতি মাসেই পরিশোধ করতে হবে। ৪. স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে। ৫. বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা পূর্বের ন্যায় সাধারণ প্রার্থীদের তুলনায় ২ বছর বেশি অর্থাৎ ৩৪ বছর করতে হবে। ৬. বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য সুস্পষ্ট বেতন কাঠামো প্রণয়ন করতে হবে (শ্রম আইন ২০০৬-এর যথাযথ প্রয়োগ এবং পে-স্কেলের আদর্শ অনুসরণ করে)।