খুঁজুন
, ,

কোন সময় গোসল করলে শরীর থাকে সবচেয়ে সুস্থ?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্ণ
কোন সময় গোসল করলে শরীর থাকে সবচেয়ে সুস্থ?

অনেকের দিনের শুরুই হয় গোসল দিয়ে। সকাল সকাল গোসল সেরে তারপর নাশতা, অফিস কিংবা দিনের অন্যান্য কাজ; এটাই দক্ষিণ এশিয়ার অনেক মানুষের অভ্যাস। কিন্তু বিশ্বের সব জায়গায় কি একই রীতি? আসলে তা নয়। পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশে আবার দিনের শেষে গোসল করাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তাহলে প্রশ্ন হলো, শরীরের জন্য কোন সময় গোসল করা ভালো? সকালে, নাকি রাতে? এ নিয়ে সংস্কৃতি, অভ্যাস এবং বিজ্ঞানের মধ্যে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা।

সকালে গোসলের অভ্যাস

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে, বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশে সকালে গোসল করার প্রচলন বহু পুরোনো। প্রাচীন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গ্রন্থেও সকালের স্নানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রাচীন ভারতীয় শাস্ত্র ও আয়ুর্বেদে বলা হয়েছে, সকালে গোসল করলে শরীর সতেজ হয় এবং মনও চাঙা হয়ে ওঠে। এতে শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, অলসতা কমে এবং দিনের কাজ শুরু করার জন্য শক্তি পাওয়া যায়।

এ ছাড়া গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার দেশগুলোতে ঘাম ও গরম থেকে স্বস্তি পেতেও সকালের গোসল অনেকের কাছে বেশ কার্যকর।

কেন রাতে গোসল পছন্দ পূর্ব এশিয়ায়?

অন্যদিকে জাপান, চীন বা দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশে আবার দিনের শেষে গোসল করাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সারাদিনের কাজ শেষে শরীর ও মনকে স্বস্তি দেওয়ার একটি উপায় হিসেবে তারা রাতের গোসলকে দেখে।

বিজ্ঞান কী বলছে?

গবেষকদের মতে, সকাল ও রাত; দুই সময়েই গোসলের কিছু উপকারিতা রয়েছে।

সকালে গোসল করলে মস্তিষ্ক দ্রুত সতেজ হয়ে ওঠে এবং শরীর ‘অ্যালার্ট’ অবস্থায় চলে যায়। ফলে কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়তে পারে।

অন্যদিকে ঘুমানোর অন্তত এক থেকে দেড় ঘণ্টা আগে হালকা গরম পানিতে গোসল করলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে মেলাটোনিন নামের একটি হরমোনের নিঃসরণ বাড়তে সাহায্য করে, যা ভালো ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

তাহলে কোন সময়টি ভালো?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গোসলের সেরা সময় আসলে নির্ভর করে ব্যক্তির জীবনযাত্রা ও দৈনন্দিন অভ্যাসের ওপর।

আপনি যদি সকালে কাজ শুরু করার আগে শরীরকে সতেজ করতে চান, তাহলে সকালে গোসল করা উপকারী হতে পারে। আবার দিনের ক্লান্তি দূর করে শান্ত ঘুম চাইলে রাতে গোসল করাও ভালো একটি অভ্যাস।

অনেকেই এখন আধুনিক জীবনযাত্রায় দুই সময়েই গোসল করার অভ্যাস গড়ে তুলছেন, সকালে সতেজ থাকতে এবং রাতে ক্লান্তি দূর করতে।

সূত্র : টিভি নাইন বাংলা

আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) নেতৃবৃন্দ।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

​এ সময় ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক আজিজ, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য কৃষিবিদ শাহরিয়ার আজম ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. রঞ্জুসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

​সাক্ষাৎকালে নেতারা ইউএনওর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সঙ্গে তারা আলফাডাঙ্গা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও স্থানীয় সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়?

ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়? এ প্রশ্নের উত্তর অনেকেরই অজানা। গবেষকদের মতে, শরীরে জমে থাকা চর্বির বড় একটি অংশ শেষ পর্যন্ত শ্বাসের সঙ্গে কার্বন ডাই-অক্সাইড হিসেবে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার (০১ সেপ্টেম্বর) ইউরো নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব বার্মিংহামের দুই গবেষক ‘দ্য কনভারসেশন’-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে জানান, শরীরের চর্বি কমার প্রক্রিয়া শুরু হয় যখন খাবার থেকে পাওয়া শক্তির চেয়ে শরীরের শক্তির চাহিদা বেশি হয়। তখন শরীর জমিয়ে রাখা চর্বি থেকে শক্তি নেওয়া শুরু করে।

খাবারের চর্বি হজমের পর ফ্যাটি অ্যাসিডে ভেঙে যায়। শরীর প্রয়োজনীয় অংশ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে। অতিরিক্ত অংশ ট্রাইগ্লিসারাইডে রূপান্তরিত হয়ে চর্বি কোষে জমা থাকে।

শরীরে মূলত দুই ধরনের চর্বি জমে- ত্বকের নিচে থাকা সাবকিউটেনিয়াস ফ্যাট এবং শরীরের ভেতরে বিভিন্ন অঙ্গের চারপাশে জমা ভিসেরাল ফ্যাট।

শরীরে ক্যালরি ঘাটতি তৈরি হলে হরমোন ও স্নায়ুর সংকেতের মাধ্যমে চর্বি কোষে জমে থাকা ট্রাইগ্লিসারাইড ভাঙতে শুরু করে। এরপর ফ্যাটি অ্যাসিড কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ায় গিয়ে শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। এ সময় কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি তৈরি হয়।

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, শরীর থেকে হারানো চর্বির প্রায় ৮৪ শতাংশ কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হয়ে শ্বাসের সঙ্গে বের হয়ে যায়। বাকি প্রায় ১৬ শতাংশ পানি হিসেবে ঘাম, প্রস্রাবসহ বিভিন্ন শারীরিক তরলের মাধ্যমে বের হয়।

তবে এই হারগুলো আনুমানিক বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। শরীরের সব ধরনের নির্গমন নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা কঠিন।

গবেষকরা আরও বলেন, দ্রুত শ্বাস নিলেই চর্বি কমে না। শ্বাস-প্রশ্বাস চর্বি ভাঙার কারণ নয়; বরং চর্বি ভাঙার পর তৈরি হওয়া পদার্থ শরীর থেকে বের হওয়ার একটি পথ।

শরীরে ক্যালরি ঘাটতি তৈরি করাই চর্বি কমানোর মূল বিষয়। খাবার নিয়ন্ত্রণ ও শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে এই ঘাটতি তৈরি করা যায়।

সূত্র: ইউরো নিউজ

সালথায় আড়াই লাখ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
সালথায় আড়াই লাখ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ

ফরিদপুরের সালথায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে অন্তত আড়াই লাখ টাকা মূল্যের ৫০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরাটিয়া বিলে এ অভিযান চালানো হয়। পরে জব্দ করা জালগুলো আইন ও বিধি অনুযায়ী আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

​ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দবির উদ্দিন।

​অভিযানকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসু, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আনিসুর রহমানসহ পুলিশ বাহিনীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন জানান, চায়না দুয়ারী জাল মাছের পোনা ও জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। দেশে সব ধরনের নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।

​একই সঙ্গে নিষিদ্ধ জালের অশুভ প্রভাব থেকে দেশীয় প্রজাতি রক্ষায় স্থানীয় সাধারণ জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।