খুঁজুন
, ,

ঘাড় ও বগলে কালচে দাগ কেন হয়? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৬:২৮ পূর্বাহ্ণ
ঘাড় ও বগলে কালচে দাগ কেন হয়? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

অনেকের ঘাড়, বগল কিংবা শরীরের ভাঁজে অন্য জায়গার তুলনায় কালচে দাগ দেখা যায়। অনেকেই এটিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি মনে করে বেশি করে ঘষে বা সাবান ব্যবহার করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি সব সময় পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; বরং এটি কোনো শারীরিক সমস্যার লক্ষণও হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডভিত্তিক অ্যানেসথেসিওলজি ও ইন্টারভেনশনাল পেইন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. কুনাল সুদ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। গত ৪ মার্চ তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এক ভিডিও বার্তায় জানান, ঘাড় বা বগলের ত্বক গাঢ় হয়ে যাওয়ার একটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের নাম রয়েছে— Acanthosis Nigricans।

কেন হয় এই কালচে দাগ?

চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই অবস্থায় ত্বক শুধু গাঢ়ই হয় না, বরং একটু মোটা ও মসৃণ বা ভেলভেটের মতো দেখায়। অনেকেই এটিকে ময়লা বা অপরিষ্কার ভাবলেও আসলে তা নয়। ঘষে পরিষ্কার করার চেষ্টা করলে সাধারণত কোনো পরিবর্তন হয় না।

ডা. কুনাল সুদের মতে, এই সমস্যাটি বেশিভাগ ক্ষেত্রেই শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বেশি থাকা বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ কারণে এটি অনেক সময় প্রিডায়াবেটিস, টাইপ ২ ডায়াবেটিস কিংবা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)–এর মতো সমস্যার সঙ্গে দেখা যায়।

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কী?

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে শরীরের পেশি, চর্বি ও লিভারের কোষগুলো ইনসুলিন হরমোনের প্রতি ঠিকমতো সাড়া দেয় না। অথচ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইনসুলিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যখন কোষগুলো ইনসুলিনের প্রতি সাড়া কম দেয়, তখন রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে অগ্ন্যাশয়কে আরও বেশি ইনসুলিন তৈরি করতে হয়। এই পরিস্থিতিই অনেক সময় ত্বকের এমন কালচে দাগের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

চিকিৎসা কী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, Acanthosis Nigricans নিজে থেকে সংক্রামক বা মারাত্মক রোগ নয়। তবে এর পেছনে থাকা কারণগুলো শনাক্ত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

ডা. কুনাল সুদের মতে, শুধু ত্বক ঘষে পরিষ্কার করার চেষ্টা করে লাভ নেই। বরং শরীরের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

কীভাবে ঝুঁকি কমানো যায়?

স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান Cleveland Clinic জানায়, কিছু জীবনধারাগত পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমানো সম্ভব। যেমন—

পুষ্টিকর খাবার খাওয়া : অতিরিক্ত চিনি ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার কমিয়ে প্রোটিন ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া।

নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম : ব্যায়াম করলে শরীরের পেশি রক্তের গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে, ফলে ইনসুলিনের প্রয়োজনীয়তা কমে।

অতিরিক্ত ওজন কমানো : অনেক ক্ষেত্রে ওজন কমালে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সও কমে যায়।

পরীক্ষা করা জরুরি

বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি ঘাড় বা বগলে এমন কালচে দাগ দেখা যায় এবং তা দীর্ঘদিন থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। অনেক সময় A1C পরীক্ষা করা হয়, যার মাধ্যমে গত তিন মাসে রক্তে গ্লুকোজের গড় মাত্রা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

চিকিৎসকদের মতে, শরীরের ত্বকে অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে তা অবহেলা না করে কারণ খুঁজে বের করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অনেক সময় ছোট একটি লক্ষণই বড় কোনো শারীরিক সমস্যার আগাম ইঙ্গিত দিতে পারে।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

সকালে হাঁটার সেরা সময় কোনটি, জানুন প্রস্তুতির নিয়ম

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
সকালে হাঁটার সেরা সময় কোনটি, জানুন প্রস্তুতির নিয়ম

কারও জন্য ভোরের সময়টি আরামদায়ক, আবার কারও জন্য সূর্য ওঠার পরের সময়টি বেশি স্বস্তিদায়ক হতে পারে। তাই নিজের জীবনযাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হাঁটার সময় নির্ধারণ করাই ভালো।
ভোরের সময়

নিরিবিলি পরিবেশে হাঁটতে পছন্দ করলে সূর্যোদয়ের আগের সময়টি বেছে নিতে পারেন। এ সময় সাধারণত চারপাশ শান্ত থাকে এবং যানবাহনের ব্যস্ততাও তুলনামূলক কম থাকে।

ফলে অনেকের কাছে এই সময়ের হাঁটা মানসিক প্রশান্তি এনে দিতে পারে।
তবে ভোরে বাইরে বের হওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে। পর্যাপ্ত আলো না থাকলে নির্জন রাস্তায় হাঁটা এড়িয়ে চলা উচিত।

সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৮টা

যারা খুব ভোরে উঠতে পারেন না, তাদের জন্য সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৮টার মধ্যে হাঁটা সুবিধাজনক হতে পারে। এ সময় দিনের আলো পর্যাপ্ত থাকে এবং অনেক দিনেই তাপমাত্রা তুলনামূলক সহনীয় থাকে।

সকালের আলো শরীরে ভিটামিন ডি তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে শুধু হাঁটার সময়কে ভিটামিন ডি পাওয়ার প্রধান উপায় হিসেবে দেখা ঠিক নয়; প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন ডি গ্রহণের বিষয়টিও বিবেচনা করতে হবে।

অফিস বা অন্যান্য কাজে বের হওয়ার আগে এই সময়টুকু হাঁটার জন্য নির্ধারণ করা গেলে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তোলা সহজ হয়।

সকাল ৮টা থেকে ১০টা

যারা রাতে দেরিতে ঘুমান কিংবা সকালে তুলনামূলক দেরিতে ঘুম থেকে ওঠেন, তারাও দিনের শুরুতে হাঁটার অভ্যাস করতে পারেন। খুব ভোরে উঠতে না পারলেও নিয়মিত হাঁটা থেকে নিজেকে বঞ্চিত করার প্রয়োজন নেই।

যাদের ভোরের ঠান্ডা বা ঠান্ডাজনিত অস্বস্তি বেশি হয়, তারা কিছুটা রোদ ওঠার পর হাঁটতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতে পারেন। তবে দিনের তাপমাত্রা বেশি হলে অতিরিক্ত গরমে দীর্ঘ সময় হাঁটা এড়িয়ে চলা উচিত।

আরেকটি বিষয় হলো—ভারী খাবার খাওয়ার পরপরই দ্রুত হাঁটতে বের হওয়া ঠিক নয়। খাবারের পর পর্যাপ্ত সময় রেখে হালকা হাঁটা তুলনামূলক আরামদায়ক হতে পারে।

হাঁটার আগে প্রস্তুতি জরুরি

ঘুম থেকে উঠেই দ্রুত হাঁটা বা দৌড় শুরু করা উচিত নয়। দীর্ঘ সময় বিশ্রামের পর শরীরকে ধীরে ধীরে সক্রিয় করে নেওয়া দরকার। এ জন্য হাঁটার আগে ৫ থেকে ১০ মিনিট হালকা ওয়ার্ম-আপ করা যেতে পারে।

প্রথমে ঘাড় ধীরে ডানে-বাঁয়ে হেলিয়ে কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখতে পারেন। এরপর কাঁধ সামনে ও পেছনে বৃত্তাকারে ঘোরানো যেতে পারে। এতে শরীরের ওপরের অংশের জড়তা কমাতে সহায়তা করতে পারে।

শরীরের নমনীয়তা বাড়াতে এক হাত মাথার ওপর তুলে শরীর সামান্য বিপরীত দিকে বাঁকানো যায়। একইভাবে দুই পায়ের পেশি প্রস্তুত করতে এক পা সামনে রেখে হালকা স্ট্রেচ করা যেতে পারে।

হাঁটার আগে গোড়ালিও কিছুক্ষণ ঘোরানো ভালো। এতে পায়ের গোড়ালি ও আশপাশের জয়েন্টগুলোকে নড়াচড়ার জন্য প্রস্তুত করা যায়।

পানি পান করাও গুরুত্বপূর্ণ

হাঁটতে বের হওয়ার আগে পর্যাপ্ত পানি পান করা ভালো অভ্যাস। ঘুম থেকে উঠে কিছুটা পানি পান করে ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর হাঁটতে বের হতে পারেন। তবে কতটা পানি প্রয়োজন, তা ব্যক্তিভেদে আলাদা হতে পারে।

হাঁটার সময়ও শরীরের সংকেতের প্রতি খেয়াল রাখা জরুরি। মাথা ঘোরা, বুকব্যথা, অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট বা দুর্বলতা অনুভূত হলে হাঁটা বন্ধ করে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়মিত থাকা। একদিন অনেকক্ষণ হাঁটার চেয়ে প্রতিদিন নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা বেশি কার্যকর। নিজের ঘুম ও কাজের সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে উপযুক্ত সময় বেছে নিয়ে হাঁটাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তুললেই ধীরে ধীরে শরীর ও মন দুটিই সক্রিয় রাখার সুযোগ তৈরি হবে।

সালথায় জলাশয়ের পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দেড় বছরের শিশুর

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
সালথায় জলাশয়ের পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দেড় বছরের শিশুর

ফরিদপুরের সালথায় বাড়ির পাশের জলাশয়ের পানিতে ডুবে নাদিয়া নামে দেড় বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মধ্যবালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নাদিয়া মধ্যবালিয়া গ্রামের মো. মিন্টু বেপারী ও মোসা. সাজেদা বেগমের মেয়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক মিয়া জানান, সকালে নাদিয়ার মা বাড়ির উঠানে মেয়েকে রেখে পাশে বাঁশের কঞ্চি কাটছিলেন। একপর্যায়ে নাদিয়া সেখান থেকে সরে গিয়ে বাড়ির পাশের একটি নিচু জলাশয়ের পানিতে পড়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

ঘটনার পর শিশুটির পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

মিথ্যা মামলা দায়ের: ফরিদপুরে স্বামী-স্ত্রীর ৩ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
মিথ্যা মামলা দায়ের: ফরিদপুরে স্বামী-স্ত্রীর ৩ বছরের কারাদণ্ড

মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করে আদালতের সময় নষ্ট এবং বিবাদীকে হয়রানির অভিযোগে ফরিদপুরে এক নারী ও তার স্বামীকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন।

​দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন—মামলার বাদী রিনা আক্তার এবং তার স্বামী ১ নম্বর সাক্ষী মাসুদ বেপারী। তারা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী.

​আদালত সূত্রে জানা যায়, অদ্য ০৭/১০/২০২৬ তারিখে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে উল্লেখিত মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে বাদী রিনা আক্তার এবং তার স্বামী মাসুদ বেপারী বিজ্ঞ আদালতে জবানবন্দি ও সাক্ষ্য প্রদান করেন। পরবর্তীতে বিবাদী/আসামিপক্ষের আইনজীবী সাক্ষীদের বিশদ জেরা করেন।

​জেরার একপর্যায়ে বাদী রিনা আক্তার ও ১ নম্বর সাক্ষী মাসুদ বেপারীর প্রদত্ত জবাবে পরস্পরবিরোধী ও অসত্য তথ্যের প্রমাণ মেলে। তাদের জবানবন্দি ও জেরার জবাব বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞ বিচারক শামীমা পারভীন নিশ্চিত হন যে, ব্যক্তিগত আক্রোশ ও বিবাদীকে সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।

​আদালত সূত্র আরও নিশ্চিত করে, সাক্ষ্যের ভিত্তিতে মামলাটি যে সম্পূর্ণ বানোয়াট তা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিবাদীকে অন্যায্য হয়রানি এবং আদালতের মূল্যবান সময় নষ্ট করার অপরাধে বিচারক শামীমা পারভীন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানে বাদী রিনা আক্তার ও তার স্বামী মাসুদ বেপারীকে ৩ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

​রায় ঘোষণার পরপরই আদালত কক্ষে অবস্থানরত দুই আসামিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় এবং সাজা পরোয়ানা মূলে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন জানান,মিথ্যা মামলা প্রতিরোধে আদালতের এই কঠোর অবস্থান সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে।