খুঁজুন
, ,

দৈনন্দিন এই ১৫ অভ্যাস গোপনে আপনার দাঁত নষ্ট করে দিচ্ছে

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ
দৈনন্দিন এই ১৫ অভ্যাস গোপনে আপনার দাঁত নষ্ট করে দিচ্ছে

আমরা অনেকেই মনে করি দাঁতের ক্যাভিটি বা সেনসিটিভিটি বোধহয় কেবল ভাগ্যের দোষ। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, দাঁতের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যার প্রায় ৭০ শতাংশই আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসের ফল। ছোট ছোট কিছু ভুল কাজ দিনের পর দিন করার ফলে আমাদের দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয় এবং অকালেই দাঁত নষ্ট হয়ে যায়।

আপনার অজান্তেই দাঁতের ক্ষতি করছে এমন ১৫টি অভ্যাস এবং তা থেকে বাঁচার উপায় নিচে তুলে ধরা হলো।

দাঁত মাজার ভুল পদ্ধতি

১. খাওয়ার পরপরই ব্রাশ করা: টকজাতীয় খাবার বা কোমল পানীয় খাওয়ার পর দাঁতের এনামেল সাময়িকভাবে নরম থাকে। ঠিক সেই মুহূর্তেই ব্রাশ করলে এনামেল দ্রুত ক্ষয় হয়। তাই খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর ব্রাশ করা উচিত।

২. অতিরিক্ত জোরে ব্রাশ করা: খুব জোরে বা শক্ত ব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজলে মাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দাঁতের শিকড় বেরিয়ে পড়ে সেনসিটিভিটি তৈরি করে। সবসময় নরম ব্রাশ ব্যবহার করা ভালো।

৩. পুরানো টুথব্রাশ ব্যবহার: একটি ব্রাশ ৩-৪ মাসের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। পুরানো ব্রাশের ব্রিসল কার্যকর থাকে না এবং সেখানে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে।

৪. জিভ পরিষ্কার না করা: জিভ ব্যাকটেরিয়ার প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র। জিভ পরিষ্কার না করলে সেই জীবাণুগুলো দাঁতে ছড়িয়ে পড়ে দুর্গন্ধ ও প্লাক তৈরি করে।

খাদ্যাভ্যাসের ক্ষতিকর দিক

৫. ধীরে ধীরে দীর্ঘক্ষণ ধরে পানীয় পান করা: চুমুক দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে সোডা বা চা পান করলে মুখ দীর্ঘক্ষণ অ্যাসিডিক পরিবেশে থাকে, যা এনামেলের জন্য চরম ক্ষতিকর।

৬. আঠালো ‘স্বাস্থ্যকর’ খাবার: কিশমিশ বা শুকনো ফলের মতো আঠালো খাবার দাঁতের ফাঁকে দীর্ঘক্ষণ লেগে থাকে, যা ব্যাকটেরিয়ার জন্ম দেয়। এই ধরনের খাবার খাওয়ার পর জল দিয়ে মুখ ধোয়া জরুরি।

৭. লেবু জল বা ভিনেগারের অতিরিক্ত ব্যবহার: ওজন কমাতে লেবু জল বা অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার উপকারী হলেও এর অ্যাসিড দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে। এসব পানীয় পান করার সময় স্ট্র ব্যবহার করা ভালো।

৮. সুপারি ও তামাক সেবন: সুপারি বা গুটখা চিবানো দাঁতের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এটি দাঁতের ক্ষয়, দাগ এবং মুখে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

জীবনযাত্রা ও মানসিক চাপ

৯. মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া: ঘুমের সময় মুখ দিয়ে শ্বাস নিলে মুখ শুকিয়ে যায় এবং লালার প্রবাহ কমে যায়। লালা দাঁতকে অ্যাসিড থেকে রক্ষা করে, তাই মুখ শুকিয়ে গেলে ক্যাভিটির ঝুঁকি বাড়ে।

১০. দাঁতে দাঁত ঘষা: অনেকে ঘুমের মধ্যে বা মানসিক চাপে দাঁত কিড়মিড় করেন। এতে দাঁতে সূক্ষ্ম ফাটল ধরে এবং দাঁত ক্ষয়ে যায়।

১১. দাঁতকে যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা: দাঁত দিয়ে প্যাকেট খোলা বা সুতো কাটার মতো কাজ করলে দাঁত চিপ বা ভেঙে যেতে পারে।

১২. পর্যাপ্ত জল পান না করা: ডিহাইড্রেশন বা জলের অভাব লালা নিঃসরণ কমিয়ে দেয়। লালা হলো দাঁতের সুরক্ষার প্রথম ঢাল, তাই পর্যাপ্ত জল পান করা দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।

অবহেলা ও ভুল ধারণা

১৩. ফ্লস না করা: শুধু ব্রাশ করলে দাঁতের মাত্র ৬০ শতাংশ পরিষ্কার হয়। বাকি ৪০ শতাংশ ময়লা থেকে যায় দাঁতের চিপে, যা কেবল ফ্লসিংয়ের মাধ্যমে পরিষ্কার করা সম্ভব।

১৪. চিকিৎসায় দেরি করা: দাঁতে ফাটল বা ফিলিং নষ্ট হলে ব্যথা না থাকলেও দ্রুত চিকিৎসা করানো উচিত। অবহেলা করলে পরবর্তীতে রুট ক্যানালের মতো জটিল চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

১৫. গুগল দেখে নিজে চিকিৎসা করা: দাঁতের ব্যথায় চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে অনলাইনে সমাধান খোঁজা বিপজ্জনক। সামান্য সমস্যা অবহেলার কারণে বড় রূপ নিতে পারে।

শেষ কথা

দাঁতের সুরক্ষা শুরু হয় সচেতনতা থেকে। আপনার এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলোই ভবিষ্যতে দাঁতের বড় খরচ এবং কষ্ট থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে। তাই আজই এই অভ্যাসগুলো ত্যাগ করুন এবং সুস্থ হাসি নিশ্চিত করুন।

তথ্যসূত্রশশানে ডেন্টাল.কম

ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল শিশু আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল শিশু আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় বিষাক্ত সাপের কামড়ে সেক আব্দুল্লাহ (৫) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আব্দুল্লাহ উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নের চর অমরাপুর গ্রামের সেক শাহেদের ছেলে। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল পরিবারের সবার ছোট এবং অত্যন্ত আদরের সন্তান।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৯টার দিকে বাড়ির পেছনে খেলাধুলা করছিল আব্দুল্লাহ। এ সময় একটি কংক্রিটের স্ল্যাবের নিচে থাকা বিষাক্ত সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। কামড় খাওয়ার পর শিশুটি বাড়িতে এসে মাকে জানায়, তাকে ‘ব্যাঙে কামড় দিয়েছে’। প্রথমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে না নেওয়ায় পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে নিয়ে যান, যিনি নিজেকে ঝাড়ফুঁক ও চিকিৎসাজ্ঞানসম্পন্ন বলে পরিচয় দেন।

শিশুটির চাচি আখি আক্তার জানান, স্থানীয় শহীদ ফকির নামে এক ব্যক্তির কাছে নেওয়ার পর তিনি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেন, এটি সাপের কামড় নয়। তার কথায় আশ্বস্ত হয়ে কিছু সময় সেখানে কাটানো হয়। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই আব্দুল্লাহর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে শুরু করে।

পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও দুপুরের দিকে শিশুটি মারা যায়।

গাজিরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “প্রথমে শিশুটিকে স্থানীয় এক ফকিরের কাছে নেওয়া হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।”

আব্দুল্লাহর অকাল মৃত্যুতে পরিবারজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো চর অমরাপুর গ্রাম। প্রতিবেশীরাও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

নগরকান্দায় স্ত্রীর তালাকের এক সপ্তাহ পর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল জামাতার মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় স্ত্রীর তালাকের এক সপ্তাহ পর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল জামাতার মরদেহ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে শ্বশুরবাড়িতে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আব্দুল কারিম মুন্সী (৪২) নামে এক ব্যক্তি।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের আলগাদিয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল কারিম মুন্সী ভাঙ্গা উপজেলার কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের মৃত জালাল মুন্সীর ছেলে। তিনি নগরকান্দার আলগাদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওমর আলী শেখের জামাতা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল কারিম ও তার স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং কোনো স্থায়ী পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এসব কারণে তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি লেগেই থাকত। একপর্যায়ে কোরবানির ঈদের প্রায় এক সপ্তাহ আগে তার স্ত্রী একতরফাভাবে তাকে তালাক দেন।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের ধারণা, তালাকের পর থেকেই আব্দুল কারিম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। ঘটনার আগের রাতে তিনি শ্বশুরবাড়িতে আসেন। পরে শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় শ্বশুর ওমর আলী শেখের টিনশেড বসতঘরের সিঁড়ির আড়ার সঙ্গে দড়ি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে খবর পেয়ে নগরকান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানি আজাদ জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফরিদপুরে রাতে স্বামীর সাথে ঝগড়া, ভোরে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে রাতে স্বামীর সাথে ঝগড়া, ভোরে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নে শ্বশুরের সেবাযত্নকে কেন্দ্র করে স্বামীর সঙ্গে বিরোধের জেরে রিমা আক্তার (৩৩) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২০ জুন) ভোরে সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াজউদ্দিন মুন্সির ডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রিমা আক্তার ওই এলাকার শাহেদ আলীর স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের জননী ছিলেন। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রিমার শ্বশুর জহির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন। তাকে দেখাশোনা ও সেবাযত্ন করার বিষয় নিয়ে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় শ্বশুরের দেখভাল করা নিয়ে রিমা আক্তার ও তার স্বামী শাহেদ আলীর মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে রিমা আক্তার স্বামীকে বিভিন্ন কথা বলেন। পরে রাতের খাবার খেয়ে স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন।

পরদিন শনিবার ভোরে শাহেদ আলী ঘুম থেকে উঠে ঘরের বাইরে গেলে ওই সুযোগে রিমা আক্তার ঘরের বাঁশের ধরনার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।কিছুক্ষণ পর তার মেয়ে সাবিহা (৯) মাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। পরে শাহেদ আলী ওড়না কেটে তাকে নিচে নামালেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল বাশার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে এসআই খায়রুল বাশার বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”