খুঁজুন
রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১ চৈত্র, ১৪৩২

অল্প সিঁড়ি উঠতেই শ্বাস ফুলে যায় কেন? জানুন কারণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ এএম
অল্প সিঁড়ি উঠতেই শ্বাস ফুলে যায় কেন? জানুন কারণ

আপনি কি কখনো লক্ষ্য করেছেন, সিঁড়ি ওঠার পর শ্বাস ফোলা হয়ে যায় বা মনে হয় শ্বাস নেওয়া কষ্টকর হচ্ছে? যদি হ্যাঁ, তবে আপনি একা নন। আসলে, ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অ্যাথলেটরাও মাঝে মাঝে এই সমস্যার মুখোমুখি হন।

উদাহরণস্বরূপ, চারবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়া অ্যাথলেট এমিলিয়া বনি এক টুইটে জানিয়েছেন, কয়েকটি মঞ্জিল উঠার পরও তার শ্বাস ফোলা হয়ে যায়।

কেন সিঁড়ি ওঠা আমাদের ফুসফুসের জন্য শ্বাস নেওয়া কঠিন করে তোলে, চলুন জেনে নিই বিস্তারিত

সিঁড়ি ওঠার সময় শরীরের প্রতিক্রিয়া

মাটি বরাবর দৌড়ানো বা হাঁটার তুলনায় সিঁড়ি ওঠার সময় শরীর একটি ভিন্ন ধরনের চাপের মুখোমুখি হয়। এটি মূলত পেশীর কারণে ঘটে।

মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর টিমোথি জে. মাইকেল বলেন, আমাদের পেশীর দুটি ধরনের ফাইবার রয়েছে। প্রথমতো স্লো-টুইচ ফাইবার। এই ফাইবার ক্লান্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং দীর্ঘ সময়ের শারীরিক কার্যকলাপের সময় শরীরকে স্থিতিশীল রাখে। দ্বিতীয়তো ফাস্ট-টুইচ ফাইবার। এই ফাইবার তখন কাজ করে যখন শরীরকে হঠাৎ করে শক্তিশালী কাজ করতে হয়, যেমন লাফ দেওয়া বা সিঁড়ি চড়া। সিঁড়ি ওঠা শরীরের জন্য একটি শক্তিশালী কাজ, তাই ফাস্ট-টুইচ ফাইবার বেশি সক্রিয় হয়।

মিডওয়েস্টার্ন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিওলজিস্ট প্রফেসর ফ্রাঙ্ক হোয়াইট জানান, সিঁড়ি ওঠার সময় শরীরে কার্বন ডাই অক্সাইড ও হাইড্রোজেন সংক্রান্ত সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। ফলে, যত বেশি পদক্ষেপ নেন, তত দ্রুত ক্লান্তি আসে এবং শ্বাস ফোলা শুরু হয়।

অন্যান্য কারণ যা শ্বাস ফোলা ঘটায়

১. মহাকর্ষার বিরুদ্ধে কাজ

আমাদের শরীর মাটি বরাবর চলার জন্য ডিজাইন করা। কিন্তু সিঁড়ি ওঠার সময় আমরা আমাদের ওজন উপরের দিকে তুলছি। ফলে পা এবং পেশীতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে, যা শ্বাস নেওয়া কঠিন করে তোলে।

২. প্রস্তুতি না থাকা

ম্যারাথন বা কোনো রেসে আগে শরীরকে প্রস্তুত করা হয়, যেমন ওয়ার্ম-আপ করা হয় যাতে শরীর এবং ফুসফুস কাজের জন্য প্রস্তুত থাকে। দৈনন্দিন জীবনে যখন হঠাৎ সিঁড়ি ওঠা হয়, তখন শরীর প্রস্তুত থাকে না, ফলে অক্সিজেনের ঘাটতি এবং শ্বাস ফোলার সমস্যা দেখা দেয়।

৩. অপ্রচলিত পেশীর ব্যবহার

দৌড়ের সময় প্রধানত পায়ের পেশী কাজ করে, কিন্তু সিঁড়ি ওঠার সময় অন্য পেশীও সক্রিয় হয় যা সাধারণত ব্যবহার হয় না। এই কারণে কয়েকটি মঞ্জিল উঠতেও ফুসফুসের উপর চাপ পড়ে।

৪. অক্সিজেনের অভাব

প্রতিটি ব্যক্তির সক্ষমতা আলাদা। কেউ চার মঞ্জিলও শ্বাস ফোলা ছাড়াই উঠতে পারে, আবার কেউ দুই মঞ্জিলের পরেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এটি তখন ঘটে যখন শরীর অনুভব করে যে অতিরিক্ত অক্সিজেন খরচ হচ্ছে।

৫. ঘাম আসা

সিঁড়ি ওঠার সময় ঘাম আসা মানেই আপনি আনফিট, বিষয়টি এমন নয়। ফিট মানুষও দ্রুত ঘামতে পারে। কারণ এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখার প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া।

উপসংহার

সিঁড়ি ওঠার সময় শ্বাস ফোলা হওয়া একটি সাধারণ ব্যাপার। এটি পেশীর অতিরিক্ত ব্যবহার, মহাকর্ষার বিরুদ্ধে কাজ, প্রস্তুতির অভাব এবং অক্সিজেনের চাহিদার কারণে হয়। এটি শরীরের ফিটনেসের অভাব নয়, বরং শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।

সূত্র : জিও নিউজ

দুই যুগ পর দেশে ফিরে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ঈদ উপহার, গরিবদের সাথে ইফতার

হাসান মাতুব্বর (শ্রাবণ), ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:১০ পিএম
দুই যুগ পর দেশে ফিরে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ঈদ উপহার, গরিবদের সাথে ইফতার

প্রায় দুই যুগ পর দেশের মাটিতে ফিরেই দুই সহস্রাধিক হতদরিদ্র ও এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছেন কাজাখস্তান প্রবাসী নেতা ফরহাদ ওহাব আকন। এছাড়া একই সাথে স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের মাঝে ঈদ উপহার তুলে দেন তিনি।

শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের আকনের ডাঙ্গী গ্রামের নিজ বাড়ির আঙিনায় এই আয়োজন করা হয়। এর আগে সকালেই দেশে ফিরে আসেন তিনি।

জানা যায়, ফরহাদ ওহাব আকন বাংলাদেশ-কাজাখস্তান কমিউনিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন এবং ২০০২ সাল থেকে দেশটিতে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন। শনিবার সকালে দেশে ফিরেই ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের সম্মানার্থে এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। এতে স্থানীয়দের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

ইফতারের পূর্বে আলোচনা সভায় ফরহাদ ওহাব আকন বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি এলাকাবাসীর উন্নয়নে নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন যাবৎ কাজাখস্তানে অবস্থান করে শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত রয়েছি। দেশটিতে বাংলাদেশের কোনো দূতাবাস নেই। ২০২৪ সালে আমাকে সেখানকার প্রবাসীরা সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করেন। মাত্র দুই বছরে সেখানের বাংলাদেশীদের পাশে দাড়িয়ে তাদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। তাদের বেকার সমস্যা থেকে মৌলিক অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছি।’

তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘সুদীর্ঘ দুই যুগের বেশি সময় বিদেশের মাটিতে অবস্থান করে যা আয় করেছি তার সবই দেশের মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেছি, নিজের জন্য আজও কিছু করি নাই। কারন, বিদেশে থাকলেও সব সময় দেশের মানুষের জন্য মন কেঁদেছে। এলাকার মানুষের কথা ভেবে কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে বিভিন্ন সময় সাধ্যানুযায়ী সাহায্য সহযোগিতা করে আসছি। ভবিষ্যতেও আমার ইউনিয়ন ও উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের পাশে থেকে সাহায্য সহযোগিতা করে যাব।’

এ সময় তাঁর বাবা সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা ওহাব আকনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সদরপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বদিউজ্জামান বধু, সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম কবির মোল্যা, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সাত্তার মিয়া প্রমুখ।

ফরিদপুরে মাদক বিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে নারী-পুরুষসহ গ্রেপ্তার ৩৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৩ পিএম
ফরিদপুরে মাদক বিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে নারী-পুরুষসহ গ্রেপ্তার ৩৬

ফরিদপুর জেলা শহরে অসামাজিক কর্মকান্ড ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন অন্তত ৩৬ জন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে। টানা কয়েক ঘন্টার এ অভিযানে শহরের বস্তি এলাকা ও আবাসিক হোটেলগুলোতে তল্লাশি চালানোর কারণে মাদক কারবারি ও অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িতদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) ভোররাত থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত শহরের লক্ষ্মীপুর রেলবস্তি, পূর্ব খাবাসপুর, হাজী শরিয়াতুল্লাহ বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ, আনসার এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা অংশ নেন।

যৌথ বাহিনীর সদস্যরা শহরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও সন্দেহভাজন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মাদক সেবন ও অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িতদের আটক করেন। পরে ফরিদপুর সার্কিট হাউসে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।

অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন, সেনাবাহিনীর মেজর রোকনুজ্জামান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল সুলতানা ও আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ডোপ টেস্টের মাধ্যমে আটককৃত ৩৬জনের মধ্যে ২৮ জনকে মাদকসেবী হিসেবে শনাক্ত করা হয়। আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দেন। এছাড়া শহরের কয়েকটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কর্মকাডে জড়িত থাকার অভিযোগে বাকি ৮ নারীকে কারাদন্ড দেওয়া হয়। অভিযান চলাকালে আটক কয়েকজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিন্টু বিশ্বাস বলেন, সরকারের নির্দেশনায় ভোর চারটা থেকে লক্ষ্মীপুর রেলবস্তি, পূর্ব খাবাসপুর, হাজী শরিয়াতুল্লাহ বাজার এলাকায় জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‍্যাব, আনসার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অংশ নেয়। এ সময় মাদক সেবনের অভিযোগে ৩৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদড ও অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে এবং ৩ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ফরিদপুরে জুলাই আহত যোদ্ধার ওপর হামলার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫৩ পিএম
ফরিদপুরে জুলাই আহত যোদ্ধার ওপর হামলার অভিযোগ

ফরিদপুরের নগরকান্দায় জমির সীমানা ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে জুলাই আন্দোলনে আহত এক যুবদল কর্মীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। তবে পুলিশ বলছে, এটি মূলত দুইপক্ষের মধ্যে চলাচলের রাস্তা নিয়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা, পরিকল্পিত হামলার প্রমাণ মেলেনি।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের কল্যাণপটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত তরিকুল ইসলাম সুজন (৩২) বর্তমানে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তরিকুল ইসলাম সুজন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় পুলিশের গুলিতে আহত হন। পরে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার আন্দোলন সংক্রান্ত কেস আইডি নম্বর-৯২১৫ বলে জানা গেছে।

সুজন নগরকান্দা উপজেলার কল্যানপট্টি গ্রামের আবু জাফর মোল্লার ছেলে। তিনি মা জয়নব বেগম ও স্ত্রী আলো বেগমকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করেন।

পুলিশ, পরিবার ও অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির পাশের একটি চলাচলের রাস্তার উপর বেড়া নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী হাসেন মাতুব্বর ও বিকুল মাতুব্বরের সঙ্গে সুজনদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সুজন তখন ঢাকায় সিএমএইচে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ সময় প্রতিবেশীরা ওই রাস্তার একটি অংশে টিন দিয়ে বেড়া নির্মাণের চেষ্টা করলে তার মা জয়নব বেগম বাধা দেন। এ ঘটনায় সুজন গত ৫ মার্চ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগ করার জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষরা তার ওপর হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন সুজন।

আহত তরিকুল ইসলাম সুজন নিজেকে যুবদল কর্মী দাবি করে জানান, শনিবার সকালে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ সময় তার মা ও স্ত্রী এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয়। এমনকি হামলার সময় তার স্ত্রীর ভিডিও করলে মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলার অভিযোগও করেন তিনি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ফেসবুক লাইভে এসে সুজন বলেন, অভিযোগ করার কারণেই প্রতিবেশী হাসেন মাতুব্বর ও বিকুল মাতুব্বর গংরা তার ওপর হামলা করেছে। তাকে কুপিয়েছে, তার বৃদ্ধ মায়ের গায়েও হাত তুলেছে। এছাড়া সুজনের স্ত্রীকে মারধর করে তার মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলেছে হামলাকারীরা। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাসেন মাতুব্বর ও বিকুল মাতুব্বর গংদের কারো বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ বলেন, বিষয়টি মূলত চলাচলের রাস্তা ও জমির সীমানা নিয়ে দুইপক্ষের বিরোধ। আজকে দুইপক্ষের ধাক্কাধাক্কির সময় সুজনের পা টিনে কেটে যাওয়ার কথা শুনেছি। পরিকল্পিত হামলার ঘটনার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তিনি আরো বলেন, দুইপক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। যেহেতু সুজন জুলাই আন্দোলনে আহত একজন যোদ্ধা, তাই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই দেখা হচ্ছে এবং যাতে ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা না থাকে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।