খুঁজুন
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩

ফরিদপুরে ঢেউখালিতে দুইশো বছরের ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মৎস্য মেলা

তানভীর তুহিন, সদরপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ঢেউখালিতে দুইশো বছরের ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মৎস্য মেলা

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালি বাজারে বসেছে প্রায় দুইশত বছরের ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মৎস্য মেলা। বাংলা নববর্ষের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করতে বুধবার (১৫ এপ্রিল) বৈশাখের দ্বিতীয় দিনে একদিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়। ভোর ৬টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলা এ মেলায় বরাবরের মতোই ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও জমজমাট বেচাকেনা।

সদরপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ সারা বছর অপেক্ষা করেন এই বিশেষ দিনের জন্য। বৈশাখের শুরুতেই আয়োজিত এই মৎস্য মেলা গ্রামীণ জীবনে যেন উৎসবের রূপ নেয়। সকাল হতেই ঢেউখালি বাজারে নেমে আসে মানুষের ঢল—ক্রেতা, বিক্রেতা ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, দুইশত বছর আগে শুরু হওয়া এই মেলা এখনো তার ঐতিহ্য ও জৌলুস অটুট রেখেছে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসা এই আয়োজন কেবল কেনাবেচার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা মাছ ব্যবসায়ীরা বড় বড় মাছ নিয়ে পসরা সাজান। বিশাল আকৃতির মাছগুলোই প্রথমে নজর কাড়ে দর্শনার্থীদের। আকার ও প্রজাতি ভেদে দাম তুলনামূলক বেশি হলেও ক্রেতাদের আগ্রহে ভাটা পড়েনি। দরদাম আর বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ।

এ মেলায় পুকুর ও বিলের মাছের পাশাপাশি পদ্মা, আড়িয়াল খাঁ ও ভূবনেশ্বর নদীর বড় আকারের মাছ বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আনা ইলিশ, চিংড়ি, রুই, কাতল, বোয়াল, গজার ও আইড়সহ নানা প্রজাতির মাছ দেখতে ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। অনেক মাছের আকার এতটাই বড় যে তা দেখতে আলাদা আকর্ষণ তৈরি হয়।

মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে তারা প্রতিবছরই মেলায় অংশ নেন এবং ক্রেতাদের হাতে ভালো মানের মাছ তুলে দিতে সচেষ্ট থাকেন।

অন্যদিকে, বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ক্রেতারাও মাছের বৈচিত্র্য ও মেলার পরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। প্রতিবছর এই মেলায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকার মাছ বিক্রি হয় বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের মতে, এই মেলা শুধু বিনোদনের উৎস নয়—গ্রামীণ অর্থনীতির জন্যও তা গুরুত্বপূর্ণ। একদিনের এই আয়োজনকে ঘিরে বাড়ে ব্যবসা-বাণিজ্য, সৃষ্টি হয় অস্থায়ী কর্মসংস্থান এবং প্রাণ ফিরে পায় পুরো এলাকা।

‘বর্তমান সরকার কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী’: অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ
‘বর্তমান সরকার কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী’: অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, বর্তমান সরকার কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী। দেশের সংকটময় সময়ে জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একের পর এক কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত “সমতাভিত্তিক আঞ্চলিক উন্নয়ন” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, সরকার গঠনের পরপরই কৃষক, খামারী ও মৎস্যজীবীদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিম্ন আয়ের মানুষের সহায়তায় দ্রুত সময়ের মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয়েছে, যা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করেছে।

উপদেষ্টা তিতুমীর বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি কর্মসংস্থানই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। কিন্তু পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক কাঠামোতে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি। বর্তমানে দেশে বেকারত্ব একটি বড় চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে নারী ও উচ্চশিক্ষিত তরুণদের মধ্যে এই হার উদ্বেগজনক।”

তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছরে মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠেছে এবং দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বাস্তবমুখী ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

সমতাভিত্তিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, দেশের সব অঞ্চলে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে এ ধরনের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগেও এই কার্যক্রম চালানো হবে।

এর আগে দিনব্যাপী সফরের অংশ হিসেবে উপদেষ্টা জেলার শিল্প ও গবেষণা খাতের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো পরিদর্শন করেন। তিনি শহরতলীর গেরদা ইউনিয়নের বাখুন্ডা এলাকায় অবস্থিত জোবায়দা করিম জুট মিল ঘুরে দেখেন। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী পরিদর্শনে তিনি পাটজাত পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন এবং বহুমুখী পণ্যের সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

এ সময় তিনি শ্রমিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের কাজের পরিবেশ, সুযোগ-সুবিধা ও সমস্যার বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং শিল্পখাতের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরে তিনি দেশের একমাত্র নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেন। সেখানে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ডিজিটাল প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের চলমান গবেষণা কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। নদী ব্যবস্থাপনা, ভাঙন রোধ এবং টেকসই উন্নয়নে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

দিনব্যাপী সফরের বিভিন্ন কর্মসূচিতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, পার্শ্ববর্তী জেলার সংসদ সদস্যরা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা আঞ্চলিক বৈষম্য কমিয়ে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

নগরকান্দায় দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল সাবেক ডাককর্মীর

নগরকান্দা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল সাবেক ডাককর্মীর

ফরিদপুরের নগরকান্দায় দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের ধাক্কায় কাজী আব্দুল মান্নান (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের কাজী কড়িয়াল গ্রাম এলাকায় ফরিদপুর–ভাঙ্গা সড়কে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে সড়ক পার হয়ে নিজ বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন কাজী আব্দুল মান্নান। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী মোটরসাইকেল তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত কাজী আব্দুল মান্নান কাজী কড়িয়াল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ডাক বিভাগে কর্মরত ছিলেন এবং অবসরে জীবনযাপন করছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ডাঙ্গী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আবুল কালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের পর শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

এদিকে দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকাহত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, ফরিদপুর–ভাঙ্গা সড়কে প্রায়ই দ্রুতগতির যানবাহনের কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা সড়কে গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন এবং নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

ইতালির স্বপ্ন দেখিয়ে কোটি টাকার ফাঁদ, লিবিয়ায় বন্দি যুবক—ভাঙ্গায় মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে মামলা

ভাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ণ
ইতালির স্বপ্ন দেখিয়ে কোটি টাকার ফাঁদ, লিবিয়ায় বন্দি যুবক—ভাঙ্গায় মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে মামলা

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবককে বিদেশে পাচার ও বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চারজনকে আসামি করে মানবপাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় জসিম সরদার নামে একজন আসামিকে গ্রেফতার করে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের নওপাড়া এলাকার মনিরুজ্জামান মিয়া (৫১) তার ছেলে মো. মিনহাজ মিয়া (২১)-কে বৈধভাবে বিমানে ইতালি পাঠানোর জন্য স্থানীয় কয়েকজন দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অভিযুক্তরা ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে প্রথমে ২৬ লাখ টাকা দাবি করে এবং ভুক্তভোগী পরিবার তাদের কথায় বিশ্বাস করে ধাপে ধাপে সেই অর্থ প্রদান করে।

অভিযোগ অনুযায়ী, লিবিয়ায় অবস্থানরত মূল আসামি মনির সরদারের (৪৮) নির্দেশে তার স্ত্রী ও সহযোগীরা অর্থ সংগ্রহ ও বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করেন। অপর আসামিরা হলেন পপি আক্তারী (৩৫), জসিম সরদার (৪৭) এবং রেজাউল কাজী (৫৫)। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা একত্রিত হয়ে একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্র হিসেবে কাজ করছিল।

পরিবারের দাবি, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে প্রথম দফায় ২৬ লাখ টাকা পরিশোধের পর ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে মিনহাজ মিয়াকে ঢাকা থেকে সরাসরি ইতালি না পাঠিয়ে দুবাই হয়ে লিবিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের হাতে আটক অবস্থায় আছেন বলে জানানো হয়।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর পরিবারকে তার ওপর নির্যাতনের ভিডিও পাঠানো হয় এবং আরও ৬ লাখ টাকা দাবি করা হয়। নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হলে পরিবারটি বাধ্য হয়ে নিজেদের জমি বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রায় ৭ শতাংশ জমি ৪ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে তা আসামিদের নামে দলিল করে দিতে বাধ্য হন ভুক্তভোগীর বাবা। পরে আরও ১৮ লাখ টাকা বিভিন্ন পর্যায়ে প্রদান করা হয় বলে দাবি করা হয়।

এত বড় অঙ্কের অর্থ নেওয়ার পরও ভুক্তভোগীকে দেশে ফেরত না পাঠিয়ে পুনরায় টাকা দাবি করা হয় এবং তাকে লিবিয়ায় আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই।

এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, মানবপাচার প্রতিরোধ আইনে চারজনকে আসামি করে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে জসিম সরদার নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, বিষয়টি মানবপাচার চক্রের আন্তর্জাতিক সংযোগ থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে পুরো ঘটনার প্রকৃত চিত্র জানা যাবে।