খুঁজুন
, ,

বয়স বাড়লে খাবার আগের মতো মজা লাগে না কেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৭:৫৪ পূর্বাহ্ণ
বয়স বাড়লে খাবার আগের মতো মজা লাগে না কেন?

একসময় যে চায়ের স্বাদে সকাল পূর্ণ হয়ে যেত, যে বিরিয়ানির গন্ধে হঠাৎ ক্ষুধা বেড়ে যেত, যে আমের মিষ্টি স্বাদ গ্রীষ্মকে আলাদা করে চিনিয়ে দিত; একসময় এসব কিছুই আর ভালো লাগে না। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই হঠাৎ খেয়াল করেন, কোনো খাবারই আর আগের মতো মজা লাগছে না!

এটা কি কেবলই নস্টালজিয়া? নাকি সত্যিই বয়সের সঙ্গে স্বাদের অনুভূতি বদলে যায়? বিজ্ঞান বলছে, এর পেছনে বাস্তব শারীরবৃত্তীয় কারণ রয়েছে।

স্বাদ কীভাবে কাজ করে

আমাদের জিবে থাকে হাজার হাজার টেস্ট বাড বা স্বাদগ্রাহী কোষ। এগুলো মিষ্টি, নোনতা, টক, তিতা ও উমামি—এই মৌলিক স্বাদগুলো শনাক্ত করে। একজন মানুষ জন্মের সময় প্রায় ৯ হাজার টেস্ট বাড নিয়ে জন্মায়। এগুলো নিয়মিত নতুন করে তৈরি হয়। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই পুনর্গঠনের গতি ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রায় ৫০ বছর বয়সের পর থেকে টেস্ট বাডের সংখ্যা কমতে শুরু করে। যে টেস্ট বাডগুলো অবশিষ্ট থাকে, সেগুলোরও সংবেদনশীলতা কমে যায়; খানিকটা ভোঁতা হয়ে যায়। ফলে খাবারের স্বাদ আর আগের মতো তীব্র লাগে না।

শুধু জিব নয়, ঘ্রাণশক্তিও গুরুত্বপূর্ণ

আমরা অনেক সময় ভাবি, স্বাদ শুধু জিভের বিষয়। আসলে খাবারের স্বাদ অনুভব করার বড় অংশই আসে ঘ্রাণ থেকে। খাবার মুখে গেলে তার গন্ধ নাকের ভেতরের অলফ্যাক্টরি রিসেপ্টরে পৌঁছায়। তখনই খাবারের পূর্ণ স্বাদ অনুভব করা যায়। সর্দি লাগলে সেটি বাধাগ্রস্ত হয় বলেই খাবার বিস্বাদ লাগে। আবার বয়স বাড়লেও ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়ায় খাবারের ফ্লেভার একঘেয়ে মনে হতে পারে।

বয়স্ক মানুষ কেন বেশি লবণ, মিষ্টি বা টক পছন্দ করেন

স্বাদ কমে গেলে মানুষ সাধারণত এমন স্বাদের দিকে ঝুঁকে পড়েন, যেগুলো সহজে অনুভূত হয়। তাই অনেকের মধ্যে বেশি লবণ খাওয়ার প্রবণতা, অতিরিক্ত মিষ্টি খাবারের প্রতি আকর্ষণ এবং বেশি ঝাল বা টক খাবারের চাহিদা তৈরি হয়। কারণ, তীব্র স্বাদগুলো কমে যাওয়া টেস্ট রেসপন্সকে উদ্দীপিত করে বা জাগিয়ে দেয়। তবে এর ঝুঁকিও আছে। কেননা, অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে জড়িত। অতিরিক্ত চিনির ফলে ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে। আবার ডায়াবেটিস থাকলে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

বয়সই একমাত্র কারণ নয়

সব মানুষের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন সমানভাবে হয় না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আরও কিছু বিষয় স্বাদের অনুভূতিকে প্রভাবিত করতে পারে। যেমন, ধূমপান, কিছু ওষুধ, ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগ, দাঁতের সমস্যা, নাকের সমস্যা, পানিশূন্যতা, কোভিড-পরবর্তী ঘ্রাণ হারানো ইত্যাদি।

মজার বিষয় হলো, খাবারের স্বাদে স্মৃতি ও আবেগও কাজ করে। শৈশবের খাবার প্রায়ই বেশি সুস্বাদু মনে হয়। কারণ, তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পরিবার, নিরাপত্তাবোধ, আবেগ, স্মৃতি ইত্যাদি। তাই অনেক সময় মানুষ ভাবেন, আগের খাবারের স্বাদই আলাদা ছিল। বাস্তবে এর একটি অংশ বায়োলজিক্যাল, আরেকটি ইমোশনাল নস্টালজিয়া।

তাহলে কী করা যায়

বয়স বাড়ার প্রক্রিয়াটি পুরো থামানো না গেলেও কিছু অভ্যাস স্বাদের অনুভূতি ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে।

১. পর্যাপ্ত পানি পান করুন: লালা বা স্যালাইভা স্বাদ অনুভব করতে সাহায্য করে। পানিশূন্যতা হলে স্বাদ কম লাগতে পারে।

২. ধূমপান এড়িয়ে চলুন: ধূমপান সরাসরি টেস্ট বাডের ক্ষতি করতে পারে।

৩. প্রাকৃতিক ফ্লেভার বাড়ান: খাবারে অতিরিক্ত লবণ না বাড়িয়ে সেখানে লেবু, ভিনেগার, পুদিনা, সরিষা এবং বিভিন্ন ধরনের লতাপাতা ব্যবহার করতে পারেন।

৪. নাক ও দাঁতের যত্ন নিন: কারণ, ঘ্রাণ ও মুখের স্বাস্থ্য স্বাদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

সূত্র: সায়েন্স ফোকাস

 

ফরিদপুরে গরুর ডাকে ঘুম ভাঙলো মালিকের, ধাওয়ায় গরু ফেলে পালাল চোর

নগরকান্দা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে গরুর ডাকে ঘুম ভাঙলো মালিকের, ধাওয়ায় গরু ফেলে পালাল চোর

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার একটি গ্রামে গভীর রাতে গরু চুরির চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে গরুর ডাকেই। গোহালে ঢুকে শিকল কেটে গরু নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলেও গরুর অস্বাভাবিক ডাক ও শব্দে মালিকের ঘুম ভেঙে যায়।

পরে পরিবারের সদস্যদের ধাওয়ায় চোর গরু রেখেই পালিয়ে যায়। পুরো ঘটনাটি বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হওয়ায় ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

বুধবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় ৪টার দিকে নগরকান্দা উপজেলার লস্কারদিয়া ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামের লাভলু শেখের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সিসিটিভির ৩ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এক ব্যক্তি বড় আকারের লোহার কাটার দিয়ে গোহালের শিকল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর গোহালের দরজার ছিটকিনি খুলতে গিয়ে বিকট শব্দ হয়। এতে গরুগুলো আতঙ্কিত হয়ে ছুটাছুটি শুরু করে এবং জোরে ডাকতে থাকে। একপর্যায়ে গরুর ডাক শুনে ঘুম ভেঙে যায় বাড়ির মালিকের। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তিনি ও পরিবারের অন্য সদস্যরা বাইরে বেরিয়ে এসে চিৎকার শুরু করলে চোর গরু ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়।

গরুর মালিক লাভলু হোসেন জানান, বাড়ি ও গোহালজুড়ে নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো রয়েছে। রাতের অন্ধকারে চোর তিনটি গরু চুরির উদ্দেশ্যে আসে। প্রথমে একটি সাদা রঙের ছোট বাছুরকে টেনে-হিঁচড়ে গোহাল থেকে বের করে নেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু বাছুরটির চিৎকার ও অন্য গরুগুলোর ডাকাডাকিতে পরিবারের সদস্যরা জেগে ওঠেন। পরে সবাই ‘চোর-চোর’ বলে চিৎকার করলে চোরের দল বাছুরটি রেখেই পালিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন এলাকায় গরু চুরির ঘটনা বেড়েছে। ফলে খামারি ও গৃহস্থদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, রাতের টহল জোরদার এবং গরু চুরির সঙ্গে জড়িত চক্রকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি দেখে অনেকেই গৃহপালিত পশুর নিরাপত্তায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের গুরুত্বের কথাও তুলে ধরছেন। স্থানীয়দের আশা, ভিডিও ফুটেজের সূত্র ধরে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সদরপুরে মাদক সেবন ও সাপ্লাইয়ের অপরাধে যুবকের ১৫ দিনের জেল-জরিমানা

শিশির খাঁন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:২২ অপরাহ্ণ
সদরপুরে মাদক সেবন ও সাপ্লাইয়ের অপরাধে যুবকের ১৫ দিনের জেল-জরিমানা

ফরিদপুরের সদরপুরে অভিযান চালিয়ে নুর ইসলাম (১৮) নামে এক ইয়াবাসেবী ও সাপ্লায়ারকে ৪ পিস ইয়াবা সহ আটক করে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত অনুমানিক সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের নয়াকান্দি গ্রামে সদরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আনজুম পিয়া এই দণ্ডাদেশ ও জরিমানা প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ও জরিমানা কৃত নুর ইসলাম নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের শ্রীরামদিয়া গ্রামের
আলামীন মাতুব্বরের ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আজ শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮ টার দিকে সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের নয়াকান্দি গ্রামে অভিযান চালিয়ে নুর ইসলাম (১৮) নামে এক ইয়াবাসেবী ও ইয়াবা সাপ্লায়ারকে আটক করা হয়।

তল্লাশীকালে তার কাছ থেকে ৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬ এর ৫ ধারা মোতাবেক তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জব্দকৃত ইয়াবা বড়ি জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগিতা করেন সদরপুর থানার একদল পুলিশ সদস্য ।

সদরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আনজুম পিয়া বলেন, সমাজে মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফরিদপুরে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে অবৈধ ডিএনসির অভিযোগ

এন কে বি নয়ন, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে অবৈধ ডিএনসির অভিযোগ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের এক পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার বিরুদ্ধে সরকারি কক্ষে অর্থের বিনিময়ে অবৈধভাবে ডিএনসি (ডাইলেশন অ্যান্ড কিউরেটেজ) করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ডিএনসির পর এক গৃহবধূর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

অভিযুক্ত পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার নাম জাহানারা বেগম। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, রোগীর কাছ থেকে কোনো টাকা নেননি।

ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের দক্ষিণ কান্দী গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী হিরামনি দুই মাসের গর্ভধারণজনিত শারীরিক জটিলতা নিয়ে ভাঙ্গা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে যান। সেখানে গর্ভপাতের উদ্দেশ্যে ডিএনসি করার জন্য তার পরিবারের কাছ থেকে আড়াই হাজার টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে সরকারি কার্যালয়ের একটি কক্ষেই পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা জাহানারা বেগম ডিএনসি করেন।

পরিবারের দাবি, ডিএনসির তিন দিন পর হিরামনির শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। পুনরায় জাহানারা বেগমের কাছে গেলে তিনি আবারও ডিএনসি করার কথা বলেন এবং এ জন্য আরও এক হাজার টাকা দাবি করেন। একই সঙ্গে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন।

কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে হিরামনিকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক গত বৃহস্পতিবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় এ ধরনের সেবার জন্য রোগীর কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার বিধান নেই। এছাড়া একজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার ডিএনসি করার আইনগত বা প্রশাসনিক এখতিয়ারও নেই। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী হিরামনি বলেন, “আমি অসুস্থ হওয়ার পর জাহানারা ম্যাডাম টাকা নিয়ে হাসপাতালের কক্ষেই আমার ডিএনসি করেন। পরে আবার অসুস্থ হলে তিনি বলেন, আবার ডিএনসি করতে হবে এবং টাকা নিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি হতে বলেন।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা জাহানারা বেগম বলেন, “আমি হিরামনির কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি। তিনি নিজের ইচ্ছায় অন্যত্র চলে গেছেন।”

ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সোহাগ মিয়া বলেন, “ডিএনসির পর অসুস্থ হয়ে ভর্তি হওয়া রোগী হিরামনির শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মা ও শিশু স্বাস্থ্যবিষয়ক মেডিকেল অফিসার ডা. ইব্রাহীম খলিল বলেন, একজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার ডিএনসি করার কোনো সুযোগ বা বিধান নেই। তবে তিনি ক্যামেরার সামনে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।