খুঁজুন
, ,

‘গাঁয়ের কাসেম সরদারকে আজ ভুলে গেছে সবাই’

হারুন-অর-রশীদ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৫১ পূর্বাহ্ণ
‘গাঁয়ের কাসেম সরদারকে আজ ভুলে গেছে সবাই’

গাঁয়ের গোরস্থানটা আজ অদ্ভুত শান্ত। রাতের হালকা বৃষ্টিতে মাটিগুলো নরম হয়ে সমতল হয়ে গেছে, যেন কেউ যত্ন করে সব কবরের দাগ মুছে দিয়েছে। ভোরের মিষ্টি হাওয়া গায়ে এসে লাগে, আর পাশের মেহগনি গাছটায় বসে ‘বউকথা কও’ পাখিটা একটানা ডেকে চলেছে। এই নির্জনতার মাঝেই, এক টুকরো মাটির নিচে নিঃশব্দে শুয়ে আছেন আমাদের গ্রামের কাসেম সরদার—যার জীবনের গল্প কেউ আর মনে রাখেনি, অথচ ভুলে যাওয়ার মতো ছিল না তার কষ্টগুলো।

একসময় এই মানুষটিই ছিলেন গ্রামের চেনা মুখ। মাটির বাড়ির সামনে বাঁশের বেঞ্চে বসে থাকতেন, পরনে মলিন লুঙ্গি আর পুরনো গেঞ্জি। বয়সের ভারে শরীর নুয়ে গিয়েছিল, কিন্তু চোখে ছিল এক ধরনের আশা—যে আশা মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে শেষ পর্যন্ত। আমি যখনই ওনার বাড়ির পাশ দিয়ে যেতাম, দূর থেকে ডাক দিতেন, “মিয়াসাব, একটু শুনবেন?”

আমি কাছে গেলে ধীরে ধীরে বলতেন, “চেয়ারম্যানরে কইয়া দেন না, একটা বয়স্ক ভাতার কার্ড পাইলে বাঁচতাম। আর কতো দিন মানুষের কাছে হাত পাতুম?” কথাগুলো বলার সময় তার গলায় কাঁপন থাকত, চোখে জমে উঠত অসহায়তার জল।

কাসেম সরদার একসময় খেটে খাওয়া মানুষ ছিলেন। দিনমজুরির কাজ করতেন, কারও জমিতে ধান কাটতেন, কারও বাড়িতে মাটি কাটতেন। ঘরে পড়ে যাওয়ার পর থেকেই জীবনটা যেন একেবারে থমকে যায়। দু’টি ছেলে ছিল, সে নিজের সংসার নিয়ে ব্যস্ত। বাবার খোঁজ নেওয়ার সময় বা ইচ্ছে—দুটোরই অভাব ছিল তার জীবনে।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজ করার শক্তি কমে আসে। একসময় পুরোপুরি কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। তখন শুরু হয় অন্যের দয়ার ওপর বেঁচে থাকা। কখনো পাশের বাড়ি থেকে একবেলা ভাত, কখনো মসজিদের সামনে বসে দু’একজনের দেওয়া কিছু টাকা—এভাবেই চলছিল তার দিন।

গ্রামের অনেকেই জানত তার কষ্টের কথা, কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি সত্যিকারেরভাবে। হয়তো সবাই ভেবেছে, “কেউ না কেউ তো দেখবেই।” আর সেই “কেউ”টা কখনোই আসেনি।

একদিন ঈদের সকালে তাকে দেখেছিলাম ঈদের মাঠে। মানুষজন নামাজ শেষে কোলাকুলি করছে, নতুন কাপড়ের গন্ধে চারপাশ ভরে গেছে। আর এক কোণে বসে ছিলেন কাসেম সরদার—চুপচাপ। কাছে গিয়ে হাতে কিছু টাকা দিয়েছিলাম। তিনি মাথা নিচু করে বলেছিলেন, “আল্লাহ আপনাকে ভালো রাখুক মিয়াসাব। এই টাকায় দুইদিন ভালো খাইতে পারুম।”

সেদিন কে জানত, সেটাই হবে আমাদের শেষ দেখা!

এর কিছুদিন পরেই খবর এল—কাসেম সরদার আর নেই। কেউ ঠিক বলতে পারল না কবে মারা গেছেন। হয়তো একা ঘরে, নীরবে, কারও অজান্তেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলেছেন। তার মৃত্যুতেও কোনো হাহাকার ছিল না, কোনো ভিড় ছিল না—ছিল শুধু কিছু আনুষ্ঠানিকতা।

তাকে গ্রামের গোরস্থানে দাফন করা হলো। প্রথম দিকে তার ছেলেটা এসে কবরে বাঁশের খুঁটি পুঁতে দিয়েছিল, যেন চিহ্নটা বোঝা যায়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই খুঁটিগুলো পচে গেল, পড়ে গেল, আর একসময় হারিয়েও গেল। এখন তার কবরটা অন্য কবরগুলোর সঙ্গে মিশে গেছে—চেনার উপায় নেই।

আজ আমি দাঁড়িয়ে আছি সেই গোরস্থানে। চোখের সামনে অসংখ্য সমতল মাটি, কিন্তু কোনটা যে কাসেম সরদারের—তা জানার কোনো উপায় নেই। মনে হয়, মানুষটা যেমন জীবনে হারিয়ে গিয়েছিলেন, মৃত্যুতেও তেমনি হারিয়ে গেলেন।

পাখিরা এখনও ডাকে। সকালে ‘বউকথা কও’, রাতে কুক চড়ুই—এই পাখিরাই এখন তার নিত্যসঙ্গী। মানুষ তাকে ভুলে গেছে, কিন্তু প্রকৃতি যেন ভুলেনি। বাতাসে, মাটিতে, পাখির ডাকে—কোথাও না কোথাও এখনও রয়ে গেছে তার অস্তিত্ব।

মাঝে মাঝে মনে হয়, কাসেম সরদার কি সত্যিই কিছু চাইতেন? না, খুব বেশি কিছু না—একটা বয়স্ক ভাতার কার্ড, দু’বেলা পেট ভরে খাওয়ার নিশ্চয়তা, আর একটু সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার সুযোগ। এই সামান্য চাওয়াটুকুও আমরা দিতে পারিনি।

আজ এই গোরস্থানে দাঁড়িয়ে বুকের ভেতর একটা অপরাধবোধ কাজ করে। মনে হয়, আমি যদি আরেকটু চেষ্টা করতাম! যদি একটু জোর দিয়ে বলতাম! হয়তো তার জীবনের শেষটা একটু ভালো হতে পারত।

কিন্তু “যদি” শব্দটা বড় নিষ্ঠুর। এটা শুধু আফসোস বাড়ায়, বাস্তব বদলায় না।

কাসেম সরদারের গল্পটা আসলে শুধু একজন মানুষের গল্প নয়—এটা আমাদের সমাজের গল্প। যেখানে অসহায় মানুষগুলো নীরবে বেঁচে থাকে, নীরবে কষ্ট পায়, আর একদিন নীরবেই চলে যায়।

একদিন হয়তো এই গ্রামের নতুন প্রজন্ম জানবেই না—কাসেম সরদার নামে কেউ ছিল। তার নাম মুছে যাবে, তার স্মৃতি হারিয়ে যাবে, আর সে পরিণত হবে ধূলোমাখা ইতিহাসের এক অচেনা অংশে।

তবুও কোথাও না কোথাও, এই মাটির গভীরে, হয়তো এখনও তার একটা দীর্ঘশ্বাস রয়ে গেছে— একটা অপূর্ণ চাওয়ার দীর্ঘশ্বাস।

– লেখক: হারুন-অর-রশীদ, সংবাদকর্মী, ফরিদপুর।

ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল শিশু আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল শিশু আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় বিষাক্ত সাপের কামড়ে সেক আব্দুল্লাহ (৫) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আব্দুল্লাহ উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নের চর অমরাপুর গ্রামের সেক শাহেদের ছেলে। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল পরিবারের সবার ছোট এবং অত্যন্ত আদরের সন্তান।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৯টার দিকে বাড়ির পেছনে খেলাধুলা করছিল আব্দুল্লাহ। এ সময় একটি কংক্রিটের স্ল্যাবের নিচে থাকা বিষাক্ত সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। কামড় খাওয়ার পর শিশুটি বাড়িতে এসে মাকে জানায়, তাকে ‘ব্যাঙে কামড় দিয়েছে’। প্রথমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে না নেওয়ায় পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে নিয়ে যান, যিনি নিজেকে ঝাড়ফুঁক ও চিকিৎসাজ্ঞানসম্পন্ন বলে পরিচয় দেন।

শিশুটির চাচি আখি আক্তার জানান, স্থানীয় শহীদ ফকির নামে এক ব্যক্তির কাছে নেওয়ার পর তিনি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেন, এটি সাপের কামড় নয়। তার কথায় আশ্বস্ত হয়ে কিছু সময় সেখানে কাটানো হয়। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই আব্দুল্লাহর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে শুরু করে।

পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও দুপুরের দিকে শিশুটি মারা যায়।

গাজিরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “প্রথমে শিশুটিকে স্থানীয় এক ফকিরের কাছে নেওয়া হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।”

আব্দুল্লাহর অকাল মৃত্যুতে পরিবারজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো চর অমরাপুর গ্রাম। প্রতিবেশীরাও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

নগরকান্দায় স্ত্রীর তালাকের এক সপ্তাহ পর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল জামাতার মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় স্ত্রীর তালাকের এক সপ্তাহ পর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল জামাতার মরদেহ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে শ্বশুরবাড়িতে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আব্দুল কারিম মুন্সী (৪২) নামে এক ব্যক্তি।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের আলগাদিয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল কারিম মুন্সী ভাঙ্গা উপজেলার কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের মৃত জালাল মুন্সীর ছেলে। তিনি নগরকান্দার আলগাদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওমর আলী শেখের জামাতা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল কারিম ও তার স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং কোনো স্থায়ী পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এসব কারণে তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি লেগেই থাকত। একপর্যায়ে কোরবানির ঈদের প্রায় এক সপ্তাহ আগে তার স্ত্রী একতরফাভাবে তাকে তালাক দেন।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের ধারণা, তালাকের পর থেকেই আব্দুল কারিম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। ঘটনার আগের রাতে তিনি শ্বশুরবাড়িতে আসেন। পরে শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় শ্বশুর ওমর আলী শেখের টিনশেড বসতঘরের সিঁড়ির আড়ার সঙ্গে দড়ি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে খবর পেয়ে নগরকান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানি আজাদ জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফরিদপুরে রাতে স্বামীর সাথে ঝগড়া, ভোরে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে রাতে স্বামীর সাথে ঝগড়া, ভোরে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নে শ্বশুরের সেবাযত্নকে কেন্দ্র করে স্বামীর সঙ্গে বিরোধের জেরে রিমা আক্তার (৩৩) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২০ জুন) ভোরে সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াজউদ্দিন মুন্সির ডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রিমা আক্তার ওই এলাকার শাহেদ আলীর স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের জননী ছিলেন। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রিমার শ্বশুর জহির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন। তাকে দেখাশোনা ও সেবাযত্ন করার বিষয় নিয়ে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় শ্বশুরের দেখভাল করা নিয়ে রিমা আক্তার ও তার স্বামী শাহেদ আলীর মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে রিমা আক্তার স্বামীকে বিভিন্ন কথা বলেন। পরে রাতের খাবার খেয়ে স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন।

পরদিন শনিবার ভোরে শাহেদ আলী ঘুম থেকে উঠে ঘরের বাইরে গেলে ওই সুযোগে রিমা আক্তার ঘরের বাঁশের ধরনার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।কিছুক্ষণ পর তার মেয়ে সাবিহা (৯) মাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। পরে শাহেদ আলী ওড়না কেটে তাকে নিচে নামালেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল বাশার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে এসআই খায়রুল বাশার বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”