খুঁজুন
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

আলফাডাঙ্গা উপজেলার শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক শামসের উদ্দিন

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গা উপজেলার শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক শামসের উদ্দিন

শিক্ষা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। আর সেই আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়ার নিরলস কারিগর হয়ে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় প্রশংসা কুড়াচ্ছেন আলফাডাঙ্গা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শামসের উদ্দিন। শিক্ষার্থীদের প্রতি অসীম ভালোবাসা, সৃজনশীল পাঠদান ও নৈতিক শিক্ষার অনন্য প্রয়াসের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি উপজেলা পর্যায়ে “শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক (পুরুষ)” নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা পদক কমিটির কঠোর যাচাই-বাছাই শেষে গত ১৬ মে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। এ খবরে বিদ্যালয়জুড়ে বইছে আনন্দের আমেজ। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মুখে এখন একটাই নাম—“আলফাডাঙ্গার গর্ব শামসের উদ্দিন”।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছেন। আধুনিক ও আনন্দমুখর শিক্ষাপদ্ধতি, খেলার ছলে শেখানো, গল্প-ছড়া-অভিনয়ের মাধ্যমে পাঠ উপস্থাপন এবং হাতে-কলমে শিক্ষার প্রয়োগ তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। তার শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনা যেন এক আনন্দঘন উৎসবে পরিণত হয়।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, “স্যার শুধু আমাদের পড়ান না, তিনি আমাদের বন্ধু হয়ে পাশে থাকেন। তিনি আমাদের স্বপ্ন দেখতে শেখান, সাহস জোগান এবং ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা দেন।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) জেসমিন আরা সুলতানা বলেন, “শামসের উদ্দিন একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। শ্রেণিকক্ষের বাইরেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান মেলা, ক্রীড়া ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে তার সক্রিয় ভূমিকা বিদ্যালয়ের পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে। ৭০৬ শিক্ষার্থী ও ১৩ জন শিক্ষকের এই পরিবারে তার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার এই অর্জন পুরো বিদ্যালয়ের জন্য গর্বের।”

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ, নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং পিছিয়ে পড়া শিশুদের আলাদাভাবে যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রেও শামসের উদ্দিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার হোসেন বলেন, “একজন সৃজনশীল শিক্ষকই পারে একটি জাতির ভিত মজবুত করতে। শামসের উদ্দিন তার কর্মদক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে চলেছেন। তার এই অর্জন অন্য শিক্ষকদের জন্যও অনুপ্রেরণা।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রাথমিক শিক্ষা পদক কমিটির সভাপতি রিফাত নূর মৌসুম বলেন, “একজন আদর্শ শিক্ষক একটি প্রজন্মকে বদলে দিতে পারেন। শামসের উদ্দিন আলফাডাঙ্গার শিক্ষাঙ্গনে এমনই এক আলোকবর্তিকা হয়ে উঠেছেন। তার এই সম্মাননা শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা বহন করছে।”

স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে উচ্ছ্বাস। এক অভিভাবক বলেন, “আমার সন্তান আগে স্কুলে যেতে অনীহা প্রকাশ করত। এখন সে প্রতিদিন ভোরে উঠে স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। শুধু শামসের স্যারের জন্যই তার পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।”

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত শামসের উদ্দিন বলেন, “এই স্বীকৃতি শুধু আমার একার নয়। এটি আমার শিক্ষার্থী, সহকর্মী, অভিভাবক এবং বিদ্যালয় পরিবারের সবার অর্জন। একজন শিক্ষকের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা ও তাদের চোখের স্বপ্ন। আমি যতদিন শিক্ষকতা করব, শিশুদের মনন ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার কাজ করে যেতে চাই।”

ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ

ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মানবিক ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে সকল বন্দির মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সকালে জেলা কারাগার প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দিদের পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রীষ্মকালীন জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর ফল লিচু বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

লিচু বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া এবং জেলার মনির হোসেন। তারা বন্দিদের খোঁজখবর নেন এবং কারাগারের সার্বিক পরিবেশ ও বন্দিদের কল্যাণমূলক বিষয়গুলো পরিদর্শন করেন।

এ সময় জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া বলেন, বন্দিদের মানবিক মর্যাদা রক্ষা এবং তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে কারা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন কল্যাণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। বন্দিদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্য, চিকিৎসাসেবা, বিনোদন ও পুনর্বাসনমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি মৌসুমী ফল বিতরণও তার একটি অংশ।

তিনি আরও বলেন, কারাগার শুধু শাস্তি প্রদানের স্থান নয়, বরং সংশোধন ও পুনর্বাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বন্দিদের মানসিক বিকাশ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

লিচু বিতরণ পেয়ে বন্দিদের মধ্যেও সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়। কারা কর্তৃপক্ষের এমন উদ্যোগকে তারা ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।

ফরিদপুর জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, ভবিষ্যতেও বন্দিদের কল্যাণ ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সদরপুরের পদ্মাবেষ্টিত ইউনিয়নে নির্মাণ হচ্ছে পরিষদ ভবন, অবসান হবে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৮:১২ পূর্বাহ্ণ
সদরপুরের পদ্মাবেষ্টিত ইউনিয়নে নির্মাণ হচ্ছে পরিষদ ভবন, অবসান হবে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মাবেষ্টিত প্রত্যন্ত চরাঞ্চল দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন অবশেষে পেতে যাচ্ছে নিজস্ব ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। দীর্ঘদিন ধরে পরিষদ ভবন না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিতে ট্রলারে প্রায় দুই ঘণ্টা পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে যেতে হতো। প্রায় দুই হাজার পরিবারের এই ইউনিয়নে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে ইউনিয়নের নুরুদ্দিন সরদার কান্দী বাজার সংলগ্ন এলাকায় সেমি-পাকা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলাম।

এর আগে একই ইউনিয়নের উপজেলা প্রশাসন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সরদার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব ভবন না থাকায় প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণে তাদের নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হতো। নতুন ভবন নির্মিত হলে ইউনিয়নবাসী নিজ এলাকাতেই সহজে নাগরিক সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এতে চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

এদিকে বহুদিনের প্রত্যাশিত ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশা, দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে চরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।

প্রিয়জন হারানোর শোকে কাতর ব্যক্তিকে যে ৭ কথা বলা উচিত নয়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ণ
প্রিয়জন হারানোর শোকে কাতর ব্যক্তিকে যে ৭ কথা বলা উচিত নয়?

আপনার প্রিয়জন হারানোর শোকে কাতর কোনো বন্ধু বা আত্মীয়ের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা প্রায়ই বুঝতে পারি না কী বলা উচিত। আমরা তাদের সান্ত্বনা দিতে চাই, কিন্তু অনেক সময় আমাদের বলা কথাগুলো হিতে বিপরীত হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শোক কোনো সহজ বিষয় নয় এবং একে অন্যের জন্য আরামদায়ক করার কোনো সংক্ষিপ্ত পথ নেই।

নিচে এমন ৭টি কথার তালিকা দেওয়া হলো যা প্রিয়জন হারানো ব্যক্তিকে বলা থেকে বিরত থাকা উচিত:

১. সবকিছুই কোনো না কোনো কারণে ঘটে: এই কথাটি শোকাতুর ব্যক্তির কষ্টকে ছোট করে ফেলে। কারণ, সব শোকের পেছনে কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা থাকে না এবং কোনো কারণই প্রিয়জনকে হারানোর অভাব পূরণ করতে পারে না।

২. আমি ঠিক জানি আপনার কেমন লাগছে: শোক একটি অত্যন্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি এবং প্রত্যেকের অভিজ্ঞতা আলাদা। এমনকি আপনি নিজে কাউকে হারিয়ে থাকলেও, অন্যের শোকের সাথে নিজের তুলনা করা উচিত নয়।

৩. অন্তত আপনি প্রস্তুতির সময় পেয়েছিলেন: দীর্ঘ অসুস্থতার পর কেউ মারা গেলে অনেকেই এটি বলেন। কিন্তু প্রিয়জন চলে যাবে এটা আগে থেকে জানলেও তার চলে যাওয়ার কষ্ট বা ব্যথা একটুও কমে না।

৪. অন্তত আপনার অন্য সন্তান বা পরিবারের সদস্যরা তো আছে: এই কথার মাধ্যমে বোঝানো হয় যে একজনের অভাব অন্যজন দিয়ে পূরণ করা সম্ভব। এটি মৃত ব্যক্তির গুরুত্বকে খাটো করে দেখায়।

৫. শক্ত হোন: এই কথাটি শোকাতুর ব্যক্তির ওপর আবেগ চেপে রাখার জন্য এক ধরনের মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। শোকের সময় ভেঙে পড়াটাই স্বাভাবিক এবং অনেক সময় এটাই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

৬. এখন সব ভুলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: শোক কাটানোর কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। কাউকে ভুলে যাওয়া বা সরিয়ে দেওয়ার নাম শোক কাটিয়ে ওঠা নয়, বরং শোককে জীবনের অংশ হিসেবে মেনে নিতে শিখতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়।

৭. শুধু ভালো স্মৃতিগুলোর কথা ভাবুন: শোকের শুরুতে ভালো স্মৃতিগুলোও অনেক সময় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায় কারণ সেই মানুষটির অনুপস্থিতি আরও প্রকটভাবে অনুভূত হয়। শোকাতুর ব্যক্তি কীভাবে শোক পালন করবেন তা নির্ধারণ করে দেওয়া উচিত নয়।

সঠিকভাবে পাশে দাঁড়ানোর উপায়

সান্ত্বনা দেওয়ার বদলে আপনার উপস্থিতিই সবচেয়ে বড় সমর্থন হতে পারে। আপনি বলতে পারেন, ‘আমি জানি না কী বলা উচিত, তবে আমি তোমার পাশে আছি’। এছাড়া শুধু কথা না বলে ঘরের কাজে সাহায্য করা বা নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার মাধ্যমেও দীর্ঘমেয়াদী সমর্থন দেওয়া সম্ভব। মনে রাখবেন, লক্ষ্য শোক দূর করা নয়, বরং তাকে অনুভব করানো যে এই কঠিন যাত্রায় তিনি একা নন।

তথ্যসূত্র: ভেরিওয়েল মাইন্ড