খুঁজুন
, ,

আলফাডাঙ্গা উপজেলার শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক শামসের উদ্দিন

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গা উপজেলার শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক শামসের উদ্দিন

শিক্ষা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। আর সেই আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়ার নিরলস কারিগর হয়ে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় প্রশংসা কুড়াচ্ছেন আলফাডাঙ্গা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শামসের উদ্দিন। শিক্ষার্থীদের প্রতি অসীম ভালোবাসা, সৃজনশীল পাঠদান ও নৈতিক শিক্ষার অনন্য প্রয়াসের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি উপজেলা পর্যায়ে “শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক (পুরুষ)” নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা পদক কমিটির কঠোর যাচাই-বাছাই শেষে গত ১৬ মে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। এ খবরে বিদ্যালয়জুড়ে বইছে আনন্দের আমেজ। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মুখে এখন একটাই নাম—“আলফাডাঙ্গার গর্ব শামসের উদ্দিন”।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছেন। আধুনিক ও আনন্দমুখর শিক্ষাপদ্ধতি, খেলার ছলে শেখানো, গল্প-ছড়া-অভিনয়ের মাধ্যমে পাঠ উপস্থাপন এবং হাতে-কলমে শিক্ষার প্রয়োগ তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। তার শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনা যেন এক আনন্দঘন উৎসবে পরিণত হয়।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, “স্যার শুধু আমাদের পড়ান না, তিনি আমাদের বন্ধু হয়ে পাশে থাকেন। তিনি আমাদের স্বপ্ন দেখতে শেখান, সাহস জোগান এবং ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা দেন।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) জেসমিন আরা সুলতানা বলেন, “শামসের উদ্দিন একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। শ্রেণিকক্ষের বাইরেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান মেলা, ক্রীড়া ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে তার সক্রিয় ভূমিকা বিদ্যালয়ের পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে। ৭০৬ শিক্ষার্থী ও ১৩ জন শিক্ষকের এই পরিবারে তার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার এই অর্জন পুরো বিদ্যালয়ের জন্য গর্বের।”

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ, নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং পিছিয়ে পড়া শিশুদের আলাদাভাবে যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রেও শামসের উদ্দিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার হোসেন বলেন, “একজন সৃজনশীল শিক্ষকই পারে একটি জাতির ভিত মজবুত করতে। শামসের উদ্দিন তার কর্মদক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে চলেছেন। তার এই অর্জন অন্য শিক্ষকদের জন্যও অনুপ্রেরণা।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রাথমিক শিক্ষা পদক কমিটির সভাপতি রিফাত নূর মৌসুম বলেন, “একজন আদর্শ শিক্ষক একটি প্রজন্মকে বদলে দিতে পারেন। শামসের উদ্দিন আলফাডাঙ্গার শিক্ষাঙ্গনে এমনই এক আলোকবর্তিকা হয়ে উঠেছেন। তার এই সম্মাননা শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা বহন করছে।”

স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে উচ্ছ্বাস। এক অভিভাবক বলেন, “আমার সন্তান আগে স্কুলে যেতে অনীহা প্রকাশ করত। এখন সে প্রতিদিন ভোরে উঠে স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। শুধু শামসের স্যারের জন্যই তার পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।”

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত শামসের উদ্দিন বলেন, “এই স্বীকৃতি শুধু আমার একার নয়। এটি আমার শিক্ষার্থী, সহকর্মী, অভিভাবক এবং বিদ্যালয় পরিবারের সবার অর্জন। একজন শিক্ষকের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা ও তাদের চোখের স্বপ্ন। আমি যতদিন শিক্ষকতা করব, শিশুদের মনন ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার কাজ করে যেতে চাই।”

শীতকালে কলা খেলে কি আসলেই ক্ষতি হয়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
শীতকালে কলা খেলে কি আসলেই ক্ষতি হয়?

শীতের আগমন ঘটলেই খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানাবিধ প্রশ্ন ও ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়। এর মধ্যে অন্যতম বহুল প্রচলিত একটি ধারণা হলো, শীতের দিনে বা রাতে কলা খেলে ঠান্ডা লাগা বা সর্দি-কাশির সমস্যা বেড়ে যায়। কিন্তু আধুনিক পুষ্টি বিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য কি এই ধারণাকে সমর্থন করে?

দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক স্বাস্থ্য ও লাইফস্টাইল প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, শীতকালে খাদ্যতালিকা থেকে কলাকে পুরোপুরি বাদ দেওয়া একদমই উচিত নয়। যদিও সর্দি-কাশি, সাইনাস বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভোগা রোগীদের ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্কতা প্রয়োজন, তবুও শীতকালীন প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটাতে কলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৈজ্ঞানিক তথ্য ও বিশ্বমানের স্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণার ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত এই ফিচারে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো শীতকালে কলা খাওয়ার উপকারিতা, সতর্কতা এবং এর পিছনের বিজ্ঞান।১. পুষ্টির উপাদান ও শীতকালীন স্বাস্থ্য রক্ষা শীতের ঠান্ডা আবহাওয়ায় অনেকেরই হাড়ের নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতে এবং তা মজবুত করতে নিয়মিত ক্যালসিয়াম ও প্রয়োজনীয় খনিজ গ্রহণ করা জরুরি।

দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলা হলো পুষ্টির একটি অন্যতম শক্তিশালী উৎস। কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ফোলেট, নিয়াসিন, রিবোফ্লাভিন এবং ভিটামিন বি৬। এই সকল পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে এবং শীতকালে সুস্থ রাখতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে।

২. হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক গবেষণার তথ্য

নিয়মিত কলা খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কলায় বিদ্যমান আঁশ বা ফাইবার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লিডস-এর একটি গবেষণার তথ্য উদ্ধৃত করে জানানো হয়, ফাইবার সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ বাড়ালে তা কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ এবং করোনারি হার্ট ডিজিজ—উভয় ধরণের হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। এছাড়া কলায় থাকা পটাশিয়াম হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে এবং মস্তিষ্ককে সতেজ ও সতর্ক রাখতে সাহায্য করে।

৩. হজম প্রক্রিয়া ও দীর্ঘক্ষণ শক্তি বজায় রাখা

কলায় দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয়—দুই ধরনের ফাইবারই প্রচুর পরিমাণে থাকে। দ্রবণীয় ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে ধীরগতির করে, যার ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা অনুভূত হয়। এই কারণেই সকালের নাস্তায় কলা অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে সারাদিনের শুরুতে প্রয়োজনীয় শক্তি পাওয়া যায় এবং বারবার ক্ষুধা না লাগে।

৪. শীতের রাতে কলা খাওয়া: সম্ভাবনা ও বিতর্ক

শীতের রাতে কলা খাওয়া যাবে কি না—তা নিয়ে অনেকের মনেই সংশয় থাকে। প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাতে মিষ্টি বা অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছা জাগলে তার একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে কলা। এছাড়া সন্ধ্যায় বা জিম করার পর কলা খেলে এতে থাকা পটাশিয়াম পেশির ক্লান্তি দূর করে এবং রাতে দ্রুত ঘুমাতে সাহায্য করে।

তবে আয়ুর্বেদিক মতামত অনুযায়ী, রাতে কলা খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো; কারণ এটি হজম হতে বেশি সময় নেয়, কাশির প্রকোপ বাড়াতে পারে এবং শরীরে কিছুটা অলসতা তৈরি করতে পারে।

৫. কারা সতর্ক থাকবেন এবং কখন কলা এড়িয়ে চলবেন?

শীতকালে কলা অত্যন্ত উপকারী হলেও কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা আবশ্যক। চিকিৎসা বিজ্ঞান ও গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, যারা সাধারণ সর্দি-কাশি, সাইনাস বা অন্যান্য শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত, তাদের শীতকালে রাতে কলা খাওয়া সীমিত করা বা এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ শ্লেষ্মা বা মিউকাসের সংস্পর্শে এলে এটি কিছুটা ইরিটেশন বা অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে।

সালথায় ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীদের সড়ক-আড্ডায় নিষেধাজ্ঞা, অমান্য করলেই ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
সালথায় ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীদের সড়ক-আড্ডায় নিষেধাজ্ঞা, অমান্য করলেই ব্যবস্থা

ক্লাস চলার সময়ে নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে রাস্তাঘাট বা অপ্রয়োজনীয় স্থানে ঘোরাফেরা করলে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এমন কঠোর নির্দেশ দিয়েছে ফরিদপুরের সালথা উপজেলা প্রশাসন।

​বুধবার (০৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সালথা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সালথা উপজেলার সকল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ক্লাস চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় কোনো শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে বা অপ্রয়োজনীয় স্থানে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর অভিভাবককে উপজেলা প্রশাসনে বা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না মর্মে অভিভাবকের কাছ থেকে উপযুক্ত মুচলেকা গ্রহণ সাপেক্ষে শিক্ষার্থীকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

​উপজেলা প্রশাসন জানায়, এই নির্দেশনা অত্যন্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার স্বার্থেই মূলত এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে সালথা উপজেলা প্রশাসন।

সালথায় জমিতে বেড়া দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
সালথায় জমিতে বেড়া দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুরের সালথায় ফসলি জমির সীমানায় বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় অন্তত ১৫টি বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

​বুধবার (০৪ নভেম্বর) বিকেলে সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

​স্থানীয়রা জানান, এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও ফসলি জমি নিয়ে মেহেরদিয়া গ্রামের মো. কালাম মুন্সীর সঙ্গে নুর ইসলাম মুন্সীর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার দুপুরে কালাম মুন্সী তাঁর ফসলি জমির সীমানায় বেড়া দিতে গেলে নুর ইসলামের সমর্থকরা তাঁকে মারধর করেন।

​এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয়পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাঠে জড়ো হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এ সময় হামলা চালিয়ে অন্তত ১৫টি বসতঘর ভাঙচুর করে সংঘর্ষকারীরা।

​এ ঘটনায় কালাম মুন্সী ও শাহজাহান মাতুব্বরসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।

​সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, ‘জমিতে বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।’

​এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।