খুঁজুন
সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

সুন্দর আছে, কিন্তু দর্শক নেই—বাংলাদেশি পর্যটনের সংকট কোথায়?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫৪ এএম
সুন্দর আছে, কিন্তু দর্শক নেই—বাংলাদেশি পর্যটনের সংকট কোথায়?

বিস্তৃত ম্যানগ্রোভ বন, সবুজ চা-বাগানে ঘেরা পাহাড় আর রেকর্ড দৈর্ঘ্যের সমুদ্রসৈকত থাকা সত্ত্বেও বিশ্বের বেশিরভাগ পর্যটকের কাছে বাংলাদেশ এখনো প্রায় অচেনা একটি দেশ। দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর হলেও আন্তর্জাতিক পর্যটনের মানচিত্রে তেমন জায়গা করে নিতে পারেনি।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে বিদেশি পর্যটক এসেছেন মাত্র ছয় লাখ ৫০ হাজারের মতো, যা প্রতিবেশী ভারত বা শ্রীলঙ্কার তুলনায় অনেক কম। ১৭ কোটির বেশি মানুষের দেশ, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি আর শহুরে জীবনের আকর্ষণ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এখনো মূলধারার পর্যটন গন্তব্য হয়ে উঠতে পারেনি।

বিদেশি ট্যুর অপারেটরদের মতে, বাংলাদেশের প্রতি মানুষের একটি নেতিবাচক ধারণা কাজ করে। অনেকের মনে দেশটি মানেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্যা বা রাজনৈতিক অস্থিরতার খবর। ফলে দেশের সৌন্দর্য আর বৈচিত্র্য আড়ালে থেকে যায়।

দেশের ভেতরের পর্যটন উদ্যোক্তারা বলছেন, এই ধারণা বাস্তব চিত্রের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। তাদের মতে, বাংলাদেশে এমন অনেক অভিজ্ঞতা আছে যা আধুনিক পর্যটকেরা খুঁজছেন। ঢাকার মতো ব্যস্ত ও ঘনবসতিপূর্ণ শহরের জীবন, চা-বাগানে ঘেরা শ্রীমঙ্গল, আর কক্সবাজারের দীর্ঘ সাদা বালুর সৈকত পর্যটকদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা দিতে পারে।

অনেক বিদেশি পর্যটকই বলছেন, বাংলাদেশে এসে তারা বাস্তব ও প্রাণবন্ত স্থানীয় জীবন দেখার সুযোগ পেয়েছেন। নদীপথে যাতায়াত, গ্রামীণ বাজার, নৌকাভর্তি ফলমূল আর মানুষের আন্তরিক ব্যবহার তাদের মুগ্ধ করেছে। ঢাকার পুরান শহরের কোলাহল, নদীবন্দর, ভাসমান বাজার এবং ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো আলাদা এক অভিজ্ঞতা তৈরি করে।

তবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। পশ্চিমা দেশগুলোতে বাংলাদেশকে মূলত পোশাকশিল্প বা দারিদ্র্যপীড়িত দেশ হিসেবেই দেখা হয়। গণমাধ্যমে প্রায়ই বন্যা, রাজনৈতিক সহিংসতা বা সামাজিক সমস্যার খবর উঠে আসে। এর ফলে দেশটি পর্যটন গন্তব্য হিসেবে নজরে আসে না।

অনলাইনে অনেক ভিডিও ও ব্লগে ঢাকার অতিরিক্ত ভিড়, ট্রেনের ছাদে যাত্রা বা বর্জ্য ব্যবস্থার সমস্যা তুলে ধরা হয়। এতে কৌতূহল তৈরি হলেও অনেক সময় দেশের নেতিবাচক দিকটাই বেশি সামনে আসে। স্থানীয় গাইডরা বলছেন, পর্যটকদের উচিত আইন মেনে চলা এবং দেশের প্রকৃতি ও সংস্কৃতিকে সম্মান করা। তারা পরিবেশবান্ধব পর্যটন, গ্রামীণ হোমস্টে আর প্রকৃতিনির্ভর ভ্রমণকে গুরুত্ব দিতে চান।

অন্যদিকে, কিছু উদ্যোক্তার মতে, বাস্তবতা লুকানোও ঠিক নয়। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প, জাহাজ নির্মাণ ও ভাঙার শিল্প কিংবা শ্রমজীবী মানুষের জীবন দেখলে দেশের অর্থনীতি ও সমাজকে ভালোভাবে বোঝা যায়। পর্যটন বাড়লে বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে এবং স্থানীয় মানুষের আয় বাড়তে পারে বলেও তারা মনে করেন।

ঢাকার বাইরে সুন্দরবন বাংলাদেশের অন্যতম বড় আকর্ষণ। ইউনেসকো ঘোষিত এই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারসহ নানা বন্যপ্রাণী দেখার সুযোগ রয়েছে। নদীঘেরা এলাকায় কমিউনিটি পর্যটনের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষ গাইড বা ইকো রিসোর্টে কাজ করে বাড়তি আয় করতে পারছেন।

শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান এলাকায়ও স্থানীয় উদ্যোগে হোমস্টে ও ট্রেকিংয়ের ব্যবস্থা গড়ে উঠছে। এসব প্রকল্প স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।

তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নিরাপত্তা ইস্যু অনেক পর্যটকের জন্য উদ্বেগের কারণ। নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা বা অতীতের অস্থিরতার কারণে বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশে ভ্রমণ বিষয়ে সতর্কতা জারি করে। এতে অনেক পর্যটক দ্বিধায় পড়েন, যদিও অনেক অভিজ্ঞ ভ্রমণকারী এসব ঝুঁকি বিবেচনা করেই বাংলাদেশে আসছেন।

বিদেশি ট্যুর অপারেটরদের মতে, যারা বাংলাদেশে আসেন তারা সাধারণত অভিজ্ঞ ও ভিন্নধর্মী জায়গা দেখতে আগ্রহী। তারা বিলাসবহুল সুবিধার চেয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতাকে বেশি গুরুত্ব দেন। ফলে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে হলেও সাহসী ও অনুসন্ধানী পর্যটকদের তালিকায় জায়গা করে নিচ্ছে।

বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা বিশাল হলেও ভাবমূর্তি, অবকাঠামো ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ বড় বাধা হয়ে আছে। তবে প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও মানুষের আন্তরিকতায় বাংলাদেশ আলাদা এক অভিজ্ঞতা দিতে পারে। হয়তো দেশটি কখনোই ব্যাপক গণপর্যটনের গন্তব্য হবে না, কিন্তু যারা সত্যিকারের বাংলাদেশকে জানতে চান, তাদের জন্য এই দেশটি হতে পারে এক অনন্য ও স্মরণীয় ভ্রমণস্থান। সঠিক পরিকল্পনা, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং ইতিবাচক উপস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করতে পারে বৈশ্বিক পর্যটন মানচিত্রে।

সূত্র : CNN

শবে কদরের বিশেষ নামাজ ও আমলের বিধান

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫১ এএম
শবে কদরের বিশেষ নামাজ ও আমলের বিধান

লাইলাতুল কদর বা শবে কদর বছরের শ্রেষ্ঠ রাত। এই রাত হাজার বছরের চেয়ে উত্তম। রমজানের শেষ দশকের কোনো এক রাতে এই পবিত্র রজনী। নির্দিষ্ট করে লাইলাতুল কদর চিহ্নিত করা হয়নি। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘তোমরা শেষ দশকের বেজোড় রাতে শবে কদর তালাশ করো।’ (বোখারি : ২০১৭)

মহিমান্বিত এই রজনী ঘিরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেক ধারণা প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ‘শবে কদরের বিশেষ নামাজ ও আমল’। বিভিন্ন পুস্তিকায় এই নামাজ ও আমল নিয়ে বিভিন্ন নিয়মের কথাও লেখা থাকে।

আবার কেউ কেউ দাবি করেন, বিশেষ সুরা দিয়ে নামাজ পড়া বা নির্ধারিত রাকাত নামাজ বিশেষ সুরা দ্বারা আদায় করতে হয়। তাই প্রশ্ন জাগে, হাদিস শরিফে এই রাতে বিশেষ পদ্ধতির কোনো নামাজ বা আমল আছে কি? থাকলে এ ব্যাপারে শরয়ি বিধান কী?

এ প্রসঙ্গে রাজধানীর জামিয়া ইকরার ফাজিল মুফতি ইয়াহইয়া শহিদ বলেন, কোরআন-হাদিসে শবে কদর বা শবে বরাতের জন্য বিশেষ পদ্ধতির কোনো নামাজ নেই। সবসময় যেভাবে নামাজ পড়া হয়, সেভাবেই পড়বেন। অর্থাৎ দুই রাকাত করে যত রাকাত সম্ভব হয় আদায় করবেন এবং যে সুরা দিয়ে সম্ভব হয় পড়বেন। তদ্রূপ রোজা বা অন্যান্য আমলেরও বিশেষ কোনো পন্থা নেই।

এই দুই রাতে কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজকার, দোয়া-ইস্তেগফার ইত্যাদি নেক আমল যে পরিমাণ সম্ভব হয়, আদায় করবেন। তবে নফল নামাজ দীর্ঘ করা এবং সিজদায় দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করা উচিত, যা হাদিস থেকে প্রতীয়মান হয়।

বিভিন্ন বই-পুস্তকে নামাজে যে নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন লেখা আছে, অর্থাৎ এত রাকাত হতে হবে, প্রতি রাকাতে এই এই সুরা এতবার পড়তে হবে- এগুলো ঠিক নয়। হাদিস শরিফে এ ধরনের কোনো নিয়ম নেই, এগুলো মানুষের মনগড়া পন্থা।

নফল আমল আদায়ের পদ্ধতি কী?

বিশুদ্ধ মতানুসারে, শবে বরাত ও শবে কদরের নফল আমলগুলো একাকী করণীয়। ফরজ নামাজ তো অবশ্যই মসজিদে জামাতের সঙ্গে আদায় করতে হবে। এরপর যা কিছু নফল পড়ার তা নিজ নিজ ঘরে একাকী পড়বেন। এসব নফল আমলের জন্য দলে দলে মসজিদে এসে সমবেত হওয়ার প্রমাণ হাদিস শরিফে নেই , এমনকি সাহাবায়ে কেরামের যুগেও এর রেওয়াজ ছিল না। তবে কোনো আহ্বান ও ঘোষণা ছাড়া এমনিই কিছু লোক যদি মসজিদে এসে যায়, তাহলে প্রত্যেকে নিজ নিজ আমলে মশগুল থাকবে, একে অন্যের আমলে ব্যাঘাত সৃষ্টির কারণ হবে না। (ইকতিজাউস সিরাতিল মুস্তাকিম : ২/৬৩১-৬৪১ ও মারাকিল ফালাহ : পৃ. ২১৯)

সূত্র : কালবেলা

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী নির্ধারণ করল সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৫ এএম
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী নির্ধারণ করল সরকার

ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ ধর্মগুরুদের জন্য সম্মানী চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ।

রোববার (৮ মার্চ) মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাবিউল্লাহ জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার করে টাকা পাবেন। আর প্রতিটি মন্দিরের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, এ থেকে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। এ ছাড়া প্রতি খ্রিস্টান চার্চের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা, সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরতদেরকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা করে বছরে ২ বার এবং দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনের ক্ষেত্রে ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ইসমাইল জাবিউল্লাহ। তবে যেসব মসজিদ সরকারি ও দেশি বা বিদেশি সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত, সেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার বাইরে থাকবে।

তিনি আরও জানান, এ সম্মানী দেওয়ার ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরে মার্চ-জুনে ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। সম্মানীগুলো ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে দেওয়া হবে।

রোজার মাসে দোয়া কবুলের বিশেষ দুই সময়? জেনে নিন

মুফতী নিজাম উদ্দিন আল আদনান
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৬ এএম
রোজার মাসে দোয়া কবুলের বিশেষ দুই সময়? জেনে নিন

আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস রমজান। এ মাসে রহমতের বৃষ্টিতে মানবআত্মা পবিত্র হয়। শুদ্ধতার মিছিলে আলোড়ন তোলে।

পবিত্র এই মাসে ভোরের সাহরি থেকে সন্ধ্যার ইফতার, দিনের রোজা থেকে রাতের তারাবিহ—প্রতিটি ইবাদতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে দোয়া ও ইসতেগফার।

হজরত সালমান ফারসি (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) শাবান মাসের শেষ দিন আমাদের মাঝে খতিব হিসেবে দাঁড়ালেন, বললেন মাহে রমজান এমন একটি মাস যার প্রথম ভাগে রহমত, মধ্যবর্তী ভাগে মাগফিরাত বা ক্ষমা আর শেষ ভাগে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। (সহিহ ইবনে খুজাইমা : ১৮৮৭)

রমজানে কখন দোয়া কবুল হয়?

দোয়া কবুলের নির্ধারিত কোনো মুহূর্ত নেই। বান্দা যখনই আল্লাহর দরবারে হাত পাতে, তিনি সাড়া দেন। তবে, কিছু বিশেষ মুহূর্তে, বিশেষ দিনে আল্লাহ বান্দার মোনাজাত বিশেষভাবে কবুল করেন। রহমতের পেয়ালা ঢেলে দেন।

এ ক্ষেত্রে হাদিসে এসেছে, রমজানে দুই সময়ে বান্দার দোয়া বেশি কবুল হয়। কারণ, এই সময়গুলোয় বান্দার প্রতি মহান রাব্বুল আলামিনের করুণা থাকে।

১. ইফতারের সময় দোয়া

মহানবী (সা.) বলেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। ন্যায়পরায়ণ বাদশা, রোজাদার যখন সে ইফতার করে এবং মজলুম ব্যক্তির দোয়া।’ (তিরমিজি : ৩৫৯৮, ইবনে মাজাহ : ১৭৫২)

২. শেষরাতের দোয়া

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মহামহিম আল্লাহ তায়ালা প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকাকালে নিকটবর্তী আসমানে (প্রথম আসমান) অবতরণ করে ঘোষণা করতে থাকেন, কে আছে এমন যে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দেব। কে আছ এমন যে আমার কাছে চাইবে? আমি তাকে তা দেব। কে আছ এমন আমার কাছে ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করব। (বোখারি : ১০৭৯)

লেখক : মুহতামিম, জামিয়াতুল কোরআন, ঢাকা

সাবেক সভাপতি, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ