খুঁজুন
সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

সুন্দর আছে, কিন্তু দর্শক নেই—বাংলাদেশি পর্যটনের সংকট কোথায়?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫৪ পূর্বাহ্ণ
সুন্দর আছে, কিন্তু দর্শক নেই—বাংলাদেশি পর্যটনের সংকট কোথায়?

বিস্তৃত ম্যানগ্রোভ বন, সবুজ চা-বাগানে ঘেরা পাহাড় আর রেকর্ড দৈর্ঘ্যের সমুদ্রসৈকত থাকা সত্ত্বেও বিশ্বের বেশিরভাগ পর্যটকের কাছে বাংলাদেশ এখনো প্রায় অচেনা একটি দেশ। দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর হলেও আন্তর্জাতিক পর্যটনের মানচিত্রে তেমন জায়গা করে নিতে পারেনি।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে বিদেশি পর্যটক এসেছেন মাত্র ছয় লাখ ৫০ হাজারের মতো, যা প্রতিবেশী ভারত বা শ্রীলঙ্কার তুলনায় অনেক কম। ১৭ কোটির বেশি মানুষের দেশ, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি আর শহুরে জীবনের আকর্ষণ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এখনো মূলধারার পর্যটন গন্তব্য হয়ে উঠতে পারেনি।

বিদেশি ট্যুর অপারেটরদের মতে, বাংলাদেশের প্রতি মানুষের একটি নেতিবাচক ধারণা কাজ করে। অনেকের মনে দেশটি মানেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্যা বা রাজনৈতিক অস্থিরতার খবর। ফলে দেশের সৌন্দর্য আর বৈচিত্র্য আড়ালে থেকে যায়।

দেশের ভেতরের পর্যটন উদ্যোক্তারা বলছেন, এই ধারণা বাস্তব চিত্রের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। তাদের মতে, বাংলাদেশে এমন অনেক অভিজ্ঞতা আছে যা আধুনিক পর্যটকেরা খুঁজছেন। ঢাকার মতো ব্যস্ত ও ঘনবসতিপূর্ণ শহরের জীবন, চা-বাগানে ঘেরা শ্রীমঙ্গল, আর কক্সবাজারের দীর্ঘ সাদা বালুর সৈকত পর্যটকদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা দিতে পারে।

অনেক বিদেশি পর্যটকই বলছেন, বাংলাদেশে এসে তারা বাস্তব ও প্রাণবন্ত স্থানীয় জীবন দেখার সুযোগ পেয়েছেন। নদীপথে যাতায়াত, গ্রামীণ বাজার, নৌকাভর্তি ফলমূল আর মানুষের আন্তরিক ব্যবহার তাদের মুগ্ধ করেছে। ঢাকার পুরান শহরের কোলাহল, নদীবন্দর, ভাসমান বাজার এবং ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো আলাদা এক অভিজ্ঞতা তৈরি করে।

তবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। পশ্চিমা দেশগুলোতে বাংলাদেশকে মূলত পোশাকশিল্প বা দারিদ্র্যপীড়িত দেশ হিসেবেই দেখা হয়। গণমাধ্যমে প্রায়ই বন্যা, রাজনৈতিক সহিংসতা বা সামাজিক সমস্যার খবর উঠে আসে। এর ফলে দেশটি পর্যটন গন্তব্য হিসেবে নজরে আসে না।

অনলাইনে অনেক ভিডিও ও ব্লগে ঢাকার অতিরিক্ত ভিড়, ট্রেনের ছাদে যাত্রা বা বর্জ্য ব্যবস্থার সমস্যা তুলে ধরা হয়। এতে কৌতূহল তৈরি হলেও অনেক সময় দেশের নেতিবাচক দিকটাই বেশি সামনে আসে। স্থানীয় গাইডরা বলছেন, পর্যটকদের উচিত আইন মেনে চলা এবং দেশের প্রকৃতি ও সংস্কৃতিকে সম্মান করা। তারা পরিবেশবান্ধব পর্যটন, গ্রামীণ হোমস্টে আর প্রকৃতিনির্ভর ভ্রমণকে গুরুত্ব দিতে চান।

অন্যদিকে, কিছু উদ্যোক্তার মতে, বাস্তবতা লুকানোও ঠিক নয়। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প, জাহাজ নির্মাণ ও ভাঙার শিল্প কিংবা শ্রমজীবী মানুষের জীবন দেখলে দেশের অর্থনীতি ও সমাজকে ভালোভাবে বোঝা যায়। পর্যটন বাড়লে বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে এবং স্থানীয় মানুষের আয় বাড়তে পারে বলেও তারা মনে করেন।

ঢাকার বাইরে সুন্দরবন বাংলাদেশের অন্যতম বড় আকর্ষণ। ইউনেসকো ঘোষিত এই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারসহ নানা বন্যপ্রাণী দেখার সুযোগ রয়েছে। নদীঘেরা এলাকায় কমিউনিটি পর্যটনের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষ গাইড বা ইকো রিসোর্টে কাজ করে বাড়তি আয় করতে পারছেন।

শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান এলাকায়ও স্থানীয় উদ্যোগে হোমস্টে ও ট্রেকিংয়ের ব্যবস্থা গড়ে উঠছে। এসব প্রকল্প স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।

তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নিরাপত্তা ইস্যু অনেক পর্যটকের জন্য উদ্বেগের কারণ। নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা বা অতীতের অস্থিরতার কারণে বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশে ভ্রমণ বিষয়ে সতর্কতা জারি করে। এতে অনেক পর্যটক দ্বিধায় পড়েন, যদিও অনেক অভিজ্ঞ ভ্রমণকারী এসব ঝুঁকি বিবেচনা করেই বাংলাদেশে আসছেন।

বিদেশি ট্যুর অপারেটরদের মতে, যারা বাংলাদেশে আসেন তারা সাধারণত অভিজ্ঞ ও ভিন্নধর্মী জায়গা দেখতে আগ্রহী। তারা বিলাসবহুল সুবিধার চেয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতাকে বেশি গুরুত্ব দেন। ফলে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে হলেও সাহসী ও অনুসন্ধানী পর্যটকদের তালিকায় জায়গা করে নিচ্ছে।

বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা বিশাল হলেও ভাবমূর্তি, অবকাঠামো ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ বড় বাধা হয়ে আছে। তবে প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও মানুষের আন্তরিকতায় বাংলাদেশ আলাদা এক অভিজ্ঞতা দিতে পারে। হয়তো দেশটি কখনোই ব্যাপক গণপর্যটনের গন্তব্য হবে না, কিন্তু যারা সত্যিকারের বাংলাদেশকে জানতে চান, তাদের জন্য এই দেশটি হতে পারে এক অনন্য ও স্মরণীয় ভ্রমণস্থান। সঠিক পরিকল্পনা, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং ইতিবাচক উপস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করতে পারে বৈশ্বিক পর্যটন মানচিত্রে।

সূত্র : CNN

আম কাটার আগে কেন পানিতে ভিজিয়ে রাখা জরুরি?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ
আম কাটার আগে কেন পানিতে ভিজিয়ে রাখা জরুরি?

বাজারে হিমসাগরসহ বিভিন্ন প্রজাতির আম পাওয়া যাচ্ছে। আমের এই মৌসুমে সবার বাসায়ই আম থাকে। অনেকে তিন বেলায় প্রিয় ফলটি খেতে ভালোবাসেন। পাকা আম কাটার আগে অনেকেই পানিতে ভিজিয়ে রাখেন না। এটি ভুল। আম কাটার আগে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখার উপকারিতার কথা বলা হয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘এই সময়’-এর এক প্রতিবেদনে। 

পাকা আম কাটার আগে পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন কেন?

আম পরিষ্কারের জন্য পানিতে ভিজিয়ে রাখা জরুরি। শুধু ধুয়ে নিলে খোসায় থাকা জীবাণু পরিষ্কার হয় না। গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য এবং পোকামাকড় তাড়ানোর জন্য রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়। সেগুলো আমের খোসাতে থেকে যায়। আম পানিতে  ভিজিয়ে রাখলে সেই সব কীটনাশক, রাসায়নিক বেরিয়ে যায়।

কীটনাশক সাফ হলেও আমে থাকা অ্যান্টি-নিউট্রিয়েন্টও বিপজ্জনক হতে পারে। আমের খোসায় ফাইটিক অ্যাসিড নামের অ্যান্টি-নিউট্রিয়েন্ট রয়েছে। এই ধরনের উপাদান আমের পুষ্টি শোষণে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই আম খেয়েও এর কোনও পুষ্টিগুণ পাবেন না। আম পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ফাইটিক অ্যাসিডের পরিমাণ কমে যায়। এতে আমের ভিটামিন এবং খনিজ শরীর সহজে শোষণ করতে পারে।

ফাইটিক অ্যাসিডের পাশাপাশি আমের খোসায় এমন অনেক উপাদান থাকে যেগুলি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাছাড়া আম খেলে শরীরের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পায় এবং পেটের গণ্ডগোল দেখা দেয়। আম খাওয়ার আগে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এই সমস্যা এড়ানো যায়।

আমের বোঁটা থেকে আঠালো কষ বের হয়। সেগুলো শুধু পানি দিয়ে ধুলে পরিষ্কার হয় না। আবার ওই কষ ত্বকের সংস্পর্শে এলে, ঠোঁটে লাগলে চুলকানি, র‍্যাশ হয়ে থাকে। আবার কষ খেয়ে ফেললে গলা চুলকায়। আম পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ওই কষ সম্পূর্ণরূপে পরিষ্কার হয়ে যায়।

কতক্ষণ আম পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন?

খাওয়ার আগে ১-২ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখা উচিত। হাতে কম সময় থাকলে অন্তত ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা পানিতে নয়, ঘরের তাপমাত্রায় থাকা পানিতে ভেজানো উচিত।

সূত্র: এই সময়

ভালো থাকতে চাইলে যাদের সঙ্গ এড়িয়ে চলবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ণ
ভালো থাকতে চাইলে যাদের সঙ্গ এড়িয়ে চলবেন?

আমাদের চারপাশে নানা রকমের মানুষ থাকেন। সবার মন মানসিকতা এক রকম হয় না। কারও কারও সঙ্গ জীবনে অনুপ্রেরণা জোগায়। এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। আবার কিছু মানুষের নেতিবাচক আচরণের কারণে মানসিক টানাপোড়ন দেখা দেয়। এসব মানুষের সঙ্গ নিজের অজান্তেই আমাদের ভেতরের শক্তি নষ্ট করে দেয়।

মানসিকভাবে নিজেকে ভালো রাখতে কিছু মানুষের সঙ্গ এড়িয়ে চলা খুবই জরুরি। ভারতীয় গণমাধ্যম ‘এই সময়ে’র এক প্রতিওবদনে এমনই কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। যেমন-

যারা সব সাফল্যের মধ্যে খুঁত খোঁজেন

কিছু কিছু মানুষ আছে যারা কখনওই কোনও কিছুতে সন্তুষ্ট হন না। তাদের জীবনে সব সময়ই কোনও না কোনও সমস্যা লেগেই থাকে। সাফল্য পেলেও তার খুঁত খোঁজেন। সব কিছু নিয়েই তারা অভিযোগ করেন। কেউ ভালো পরামর্শ দিলেও তারা সেটাকে ভালোভাবে নেন না। এই ধরনের মানুষদের সঙ্গে বেশি সময় কাটালে আপনার নিজের ভিতরের থাকা ইতিবাচক মনোভাবে কমতে থাকবে। জীবনে শান্তি পেতে চাইলে এদের থেকে দূরে থাকাই ভালো।

যারা কখনও ভুল স্বীকার করেন না

মানুষ মাত্রই ভুল করে। কিন্তু অনেকেই আছেন ভুল করলেও স্বীকার করেন না। এমনকী কেউ কেউ কখনও ক্ষমা চায় না। নিজের ভুলের দায় তারা অন্যের উপর চাপাতে পছন্দ করেন। কেউ কষ্ট পেলে কিনা সেটা বোঝার চেষ্টা করে না। এমন মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন থাকলে আত্মসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সম্পর্ক তখন মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই বারবার একই আচরণ করলে সম্পর্কের সীমা নির্ধারন করা জরুরি।

যারা সব সময় অন্যকে ছোট করে বা সন্দেহ প্রকাশ করে

কেউ কেউ আছেন যারা অন্যের  কোনও স্বপ্ন বা ইচ্ছাকে কখনওই সমর্থন করেন না। বরং কেউ নতুন কিছু করতে গেলেই তার যোগ্যতার উপর সন্দেহ প্রকাশ করেন। ‘তোমার দ্বারা এটা হবে না’ বা ‘তুমি এই কাজের যোগ্য নও’— এমন নেতিবাচক কথাবার্তা বলে তারা আরেকজনের আত্মবিশ্বাস ভেঙে দেয়ার চেষ্টা করে। এই সমস্ত ব্যক্তিরা পরোক্ষ ভাবে অন্যের ক্ষতি চায়। তাই এই ধরনের মানুষের থেকে দূরে থাকাই ভালো।

পরনিন্দা ও পরচর্চা করা ব্যক্তি

আমাদের চারপাশে এমন অনেকেই আছেন যারা অন্য মানুষের বদনাম বা গসিপ করতে পছন্দ করেন। অন্যের জীবনের ভুলত্রুটি নিয়ে আলোচনা করে তারা আনন্দ পান। , মনে রাখবেন—যারা আপনার সামনে অন্যের নামে খারাপ কথা বলছেন, সে অন্যের সামনে আপনার নামেও একই কাজ করতে পারেন। তাই এদের থেকে দূরে থাকাই ভালো।

বিশেষজ্ঞের মতে, সব সম্পর্ক ভেঙে ফেলতে হবে, বিষয়টা এমন নয়। তবে নিজের মানসিক শান্তি ও আত্মসম্মান রক্ষার জন্য কিছু মানুষের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করা জরুরি।  প্রয়োজন হলে ব্যক্তিগত পরিসরে সম্পর্কের সীমানা নির্ধারন করুন।

সূত্র : এই সময়

৬ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ফরিদপুর মেডিকেলের ইন্টার্ন ডাক্তারদের

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
৬ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ফরিদপুর মেডিকেলের ইন্টার্ন ডাক্তারদের

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অযৌক্তিক ও চিকিৎসা বিরোধী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং চিকিৎসক সমাজ ঘোষিত ছয় দফা বাস্তবায়নের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্ম বিরতি শুরু করেছে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের, ইন্টার্ন  ও ট্রেইনি ডাক্তার সহ মেডিক্যাল শিক্ষার্থীবৃন্দ।

 রবিবার (০৭ জুন) সকালে ছয় দফা দাবি নিয়ে তারা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ  মিছিল করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল  ক্যাম্পাসে। দাবি না মানা পর্যন্ত তাদের এই কর্মবিরতি চলবে বলে জানান ইন্টার্নাল ডাক্তার নেতৃবৃন্দ।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস কাউন্সিলের সভাপতি ডা. সাকিব হাসান লস্কর জানান, হাসপাতালের সকল ইন্টার্ন চিকিৎসকগণ কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের সাথে সংহতি প্রকাশ করে ৬ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ঘোষণা করেছেন।

আজ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে বেলা সাড়ে ১১ টায় সকল ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ এক যোগে দাবি আদায়ের লক্ষে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেন।  মানববন্ধনে সকল মিডলেভেল চিকিৎসক, ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ করেন।

তাদের ৬ দফা দাবি সমূহ হলো ১. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক এফসিপিএস পার্ট-১ উত্তীর্ণ বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়নের নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির প্রস্তাবনা বাতিল করতে হবে। ২. বিএমইউ ও বিসিপিএস-এর ভর্তি পরীক্ষার ফি কমিয়ে ৫০০-১০০০ টাকার মধ্যে আনতে হবে। ৩. নতুন পে-স্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বেতন নুনতম ৩০,০০০ টাকা এবং ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন আনুষঙ্গিক ভাতাসহ ৯ম গ্রেডের সমপর্যায়ে নির্ধারণ করে প্রতি মাসের বেতন প্রতি মাসেই পরিশোধ করতে হবে। ৪. স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে। ৫. বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা পূর্বের ন্যায় সাধারণ প্রার্থীদের তুলনায় ২ বছর বেশি অর্থাৎ ৩৪ বছর করতে হবে। ৬. বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য সুস্পষ্ট বেতন কাঠামো প্রণয়ন করতে হবে (শ্রম আইন ২০০৬-এর যথাযথ প্রয়োগ এবং পে-স্কেলের আদর্শ অনুসরণ করে)।