খুঁজুন
, ,

ছাত্রদলের সাবেক ৭ শীর্ষনেতা যাচ্ছেন সংসদে, থাকতে পারেন মন্ত্রিসভায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:১০ অপরাহ্ণ
ছাত্রদলের সাবেক ৭ শীর্ষনেতা যাচ্ছেন সংসদে, থাকতে পারেন মন্ত্রিসভায়

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক ৭ শীর্ষনেতা। তাদের মধ্যে পাঁচজন ছিলেন ছাত্রদলের সভাপতি, অন্য দুজন দায়িত্ব পালন করেছেন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। বিজয়ী সাত নেতার মধ্যে পাঁচজন এবার প্রথমবার সংসদ যাচ্ছেন, বাকি দুজনের মধ্যে একজন তৃতীয়বার এবং অন্যজন দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে।

ফজলুল হক মিলন
এবারের নির্বাচনে বিজয়ী ছাত্রদলের সাবেক শীর্ষনেতার মধ্যে রয়েছেন ১৯৯৩-৯৬ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ফজলুল হক মিলন। তিনি গাজীপুর-৫ আসন থেকে (কালীগঞ্জ ও সিটি করপোরেশন আংশিক) ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৬৯ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী খায়রুল আহসান পেয়েছেন ৭৮ হাজার ১২৩ ভোট।এর আগে ২০০১ সালের নির্বাচনেও ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে এ আসন (তৎকালীন গাজীপুর-৩) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ফজলুল হক মিলন। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে স্মরণীয় ভূমিকা পালনকারী এই নেতা বর্তমানে গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। এর আগে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি
ছাত্রদলের সাবেক সভাপতিদের মধ্যে এবারের নির্বাচনে বিজয়ী তালিকার আরেক নাম শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ১৯৯৬-৯৮ সাল মেয়াদে ছাত্রদলের নেতৃত্ব দেওয়া এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসন থেকে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫ ভোট পেয়ে এবার তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৯ ভোট।এর আগে ২০০১ ও ২০০৮ সালেও লক্ষ্মীপুর সদর আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এ্যানি। ছাত্রদলের দাপুটে এই নেতা বিএনপির রাজনীতিতেও বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তিনি বর্তমানে দলের যুগ্ম মহাসচিব। এর আগে বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এ্যানি। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটির সমন্বয়ক ও লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়কের মতো দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন। এবারের মন্ত্রিসভায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে।

আজিজুল বারী হেলাল
ছাত্রদলের রাজনীতিতে আরেক আলোচিত নাম আজিজুল বারী হেলাল। বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক তিনি। ২০০৩-০৪ সাল মেয়াদে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পর ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি সংগঠনটির সভাপতি ছিলেন।এবার খুলনা-৪ আসন (রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া) থেকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন হেলাল। ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের এসএম সাখাওয়াত হোসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৩০ ভোট। ছাত্ররাজনীতিতে দক্ষতার প্রমাণ দেওয়া আজিজুল বারী হেলাল কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে এবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। জামায়াতের প্রার্থী আহছান হাবিব মাসুকে ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ২০০৯-১২ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন তিনি। পরে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।এবারের নির্বাচনে একটি মাত্র পরিবারের দুজন সদস্য একই জেলার দুটি আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সেই গর্বিত পরিবারের একজন হলেন টুকু। এবারের নির্বাচনে তার বড়ভাই বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিনটুও টাঙ্গাইল থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১ লাখ ৩৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে জামায়াত প্রার্থীকে হারিয়ে তিনি তৃতীয়বারের মতো টাঙ্গাইল-২ আসন (গোপালপুর-ভূয়াপুর) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপির এর আগের সরকারে শিক্ষা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ড হওয়ার পর টানা ১৭ বছর কারাবন্দি ছিলেন তিনি। এই সময়ে পিন্টুর আসনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন তার ছোটভাই টুকু। এবার মন্ত্রিসভায় দুই ভাইয়ের মধ্যে কেউ একজন থাকবেন বলে বিশ্বাস তাদের অনুসারীদের।

রাজীব আহসান
বরিশাল-৪ আসন (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-কাজিরহাট) থেকে এবার বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন রাজিব আহসান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।২০১৫-১৯ মেয়াদে ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন রাজিব। এখন তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক। বিগত সরকারের আমলে সারা দেশে তার বিরুদ্ধে ৩১২টি মামলা হয়। এর মধ্যে চার মামলায় তাকে সাড়ে আট বছরের সাজাও দেন আদালত।

আমিরুল ইসলাম খান আলিম
সিরাজগঞ্জ-৫ (চৌহালী-বেলকুচি-এনায়েতপুর) আসনে এবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম। ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৯৭ ভোট পেয়েছেন তিনি।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আলী আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ১৮৮ ভোট। ২০০৯-১২ মেয়াদে সুলতান টুকুর সময়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আমিরুল ইসলাম আলিম। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন।

হাবিবুর রশিদ হাবিব
২০১২ সালে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা হাবিবুর রশিদ হাবিব এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকা-৯ আসন (খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা) থেকে।১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়ে আলোচিত দুই প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ও এনসিপির জাভেদ রাসিনকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন হাবিব। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এই আসন থেকে নির্বাচিত হওয়ায় ক্লিন ইমেজের হাবিব তারেক রহমান মন্ত্রিসভায় জায়গা পাবেন বলে শোনা যাচ্ছে।

 

 

নগরকান্দায় উদয়ন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নতুন পোশাক উপহার

এহসানুল হক মিয়া, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় উদয়ন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নতুন পোশাক উপহার

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার জুঙ্গুরদী উদয়ন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এ টি এম নুরুল আলম মনা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নগরকান্দা প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত আলী শরীফ। লস্করদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এ এফ এম সিদ্দিকিল আলম বাবলুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ফেরদৌসুর রহমান মুন্সী, মিজানুর রহমান মিজান, মোস্তফা মুন্সী, সাহিদ মেম্বার, মিরাজ মুন্সী, সহিদ মিয়া, রিজু খান ও রোকেয়া বেগমসহ অন্যরা।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস তুলে দেওয়া হয়। নতুন পোশাক পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

ফরিদপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় স্কুলে যাওয়ার পথে আট বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় আকিদুল শেখ (২৫) নামের এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. আবুল বাশার মিঞা এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ প্রহরায় কারাগারে পাঠানো হয়।

​দণ্ডপ্রাপ্ত আকিদুল শেখ আলফাডাঙ্গা উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের সেলিম শেখের ছেলে।

​মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২০ জুন সকাল ১০টার দিকে নওয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী স্কুলে যাচ্ছিল। আগের দিনের বৃষ্টিতে স্কুলে যাওয়ার রাস্তায় পানি ও কাদা জমে ছিল। এ সময় আকিদুল শিশুটিকে কাদা রাস্তা পার করে স্কুলে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে পার্শ্ববর্তী একটি বাঁশবাগানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যান।

​ঘটনার পর রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি বিদ্যালয়ে পৌঁছালে শিক্ষকরা তার পরিবারকে খবর দেন। প্রথমে তাকে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

​এ ঘটনায় ২১ জুন শিশুটির বাবা শংকর কুমার মন্ডল বাদী হয়ে আকিদুল শেখকে আসামি করে আলফাডাঙ্গা থানায় মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত আজ এই রায় দেন।

​রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের জঘন্য অপরাধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থার গুরুত্ব দিয়েছেন আদালত।”

ফরিদপুরে ৭ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবাসহ কক্সবাজারের যুবক গ্রেপ্তার

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ৭ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবাসহ কক্সবাজারের যুবক গ্রেপ্তার

কক্সবাজার পৌরসভা এলাকা থেকে ইয়াবার বড় চালানের খবর পেয়েই তৎপর হন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) সদস্যরা। দীর্ঘ নজরদারি শেষে ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকা থেকে আটক করা হয় তরুণ মাদক কারবারি মো. হারুন রশীদকে (২৪)।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চালানের সাত হাজার নয়শত (৭,৯০০) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।

​মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে ১১ টার মধ্যে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানাধীন ভাঙ্গা বাসস্টপ সংলগ্ন ভাঙ্গা-বরিশাল কাউন্টারের পশ্চিম পাশে পাকা রাস্তার ওপর এক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে টেকনাফ-কক্সবাজার রুট দিয়ে আসা যুবকদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়। পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে মো. হারুন রশীদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​গ্রেফতারকৃত হারুন রশীদ কক্সবাজার পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টেকপাড়া এলাকার (ইউনুছ এর বাড়ির ভাড়াটিয়া) মৃত সিদ্দিক মিয়া ও মৃত রেনুয়ারা বেগমের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ফরিদপুরসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছিল।

​এ বিষয়ে ফরিদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শিরিন আক্তার ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে জানান, “মাদক সরবরাহ ও পাচারের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত জিরো টলারেন্স অভিযান চলছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আমরা বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ হারুনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় নিয়মিত ধারায় ১টি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।”

​ডিএনসি ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের পরিচালিত এ অভিযানে আটক আসামিকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে। মাদকের এই বড় সিন্ডিকেটের পেছনে আর কারা জড়িত রয়েছে, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।