খুঁজুন
, ,

ভোট কেন্দ্রে নিকাব খুলেই কি দিতে হয় ভোট? জেনে নিন সত্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৪ পূর্বাহ্ণ
ভোট কেন্দ্রে নিকাব খুলেই কি দিতে হয় ভোট? জেনে নিন সত্য

আজ (বৃহস্পতিবার) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে একযোগে এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এবার ভোটারদের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণভোটও দিতে হবে। এদিকে, এবার ভোটগ্রহণের সময়ও এগিয়ে আনা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে আরও এক ঘণ্টা।

বহুল কাঙ্ক্ষিত এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হতে আর ৭ ঘণ্টারও কম সময় হাতে রয়েছে। এরই মাঝে গুগল ও স্যোশাল মিডিয়ায় দেখা গেছে, নির্বাচনে ঘিরে নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে মানুষ। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য একটি প্রশ্ন হলো, ভোটকেন্দ্রে পর্দানশীন নারীদের মুখের নিকাব খুলতে হবে কি না।

চলুন তাহলে জেনে নিই, ভোট কেন্দ্রে পর্দানশীন নারীরা কীভাবে ভোট প্রয়োগ করবেন

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, প্রথম পোলিং অফিসারের দায়িত্বই হলো ভোটারের চেহারার দিকে তাকানো। ওই কর্মকর্তার কাছে থাকা ভোটার তালিকার ছবির সাথে ভোটারের চেহারা মিলিয়ে দেখে তিনি উচ্চস্বরে ভোটারের নাম ও ভোটার নম্বর বলবেন।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, আইন অনুযায়ী ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে থাকবে। ভোট দেওয়ার আগে ভোটারের চেহারার সঙ্গে তালিকাভুক্ত ছবির মিল করতেই হবে। এটি ভোট পরিচালনা বিধির বাধ্যতামূলক অংশ।

তিনি বলেন, কেউ যদি মুখ না দেখান, তাহলে পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে ব্যালট পেপার দেওয়া যাবে না। তবে পর্দানশীন নারীদের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচনা করছে কমিশন।

ইসি বলেন, নারী ভোটার যদি পুরুষ কর্মকর্তার সামনে নেকাব খুলতে না চান, তাহলে মহিলা পোলিং অফিসারের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। নারী ভোটার নারীর কাছে মুখ খুললে পর্দা ভঙ্গ হবে না বলেও জানান এই নির্বাচন কমিশনার।

তিনি আরও বলেন, তবে কোনো কেন্দ্রে নারী কর্মকর্তা না থাকলে এবং কোনো নারী ভোটার মুখ দেখাতে না চাইলে তাকে ভোট দিতে বাধ্য করা যাবে না এবং ভোট না দেওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, দেশের নিবন্ধিত ৫৯ টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে ৫১ টি দল। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ মোট ৫১ দলের প্রার্থীরা নির্বাচন করছেন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সর্বোচ্চ ভোটার রয়েছে এবারের নির্বাচনে। সারাদেশের আসনভিত্তিক যে ভোটার তালিকা ইসি প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা গেছে, এবার ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ছয় কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার এবং নারী ভোটার ছয় কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার। এছাড়া হিজড়া ভোটার এক হাজার ১২০ জন।

ভাঙ্গায় বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারীসহ নিহত ২

আব্দুল মান্নান মুন্নু, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
ভাঙ্গায় বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারীসহ নিহত ২

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক পথচারী ও মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন।

​বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গা গোলচত্বর এলাকার রেল স্টেশন সড়কে হাসানের চায়ের দোকানের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

​নিহতরা হলেন— পার্শ্ববর্তী নগরকান্দা উপজেলা সদরের এনায়েত শেখের ছেলে মোটরসাইকেল চালক শাকিব শেখ (২২) এবং ভাঙ্গা উপজেলার ছেলাধরচর সদরদী গ্রামের ইলিয়াস শেখের ছেলে পথচারী হৃদয় শেখ (২৩)।

​হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে শাকিব তার মোটরসাইকেল (ঢাকা মেট্রো-ল ৫৬-১৮-৯৮) নিয়ে ভাঙ্গা গোলচত্বর থেকে বেপরোয়া গতিতে রেল স্টেশন সড়কের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে হাসানের চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে রাস্তা পার হতে যাওয়া পথচারী হৃদয়কে সজোরে ধাক্কা দেয় মোটরসাইকেলটি। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুজনেই সড়কে ছিটকে পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই পথচারী হৃদয়ের মৃত্যু হয়।

​পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মোটরসাইকেল চালক শাকিবকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।

​বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট আজাদুর রহমান আজাদ জানান, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় পথচারী ও চালক নিহত হয়েছেন। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ফরিদপুরে ভোজ্যতেলে অনিরাপদ ড্রাম বন্ধের তাগিদ, কম বয়সে বাড়ছে হৃদ্‌রোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ভোজ্যতেলে অনিরাপদ ড্রাম বন্ধের তাগিদ, কম বয়সে বাড়ছে হৃদ্‌রোগ

ভোজ্যতেল ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও সংরক্ষণে অনিরাপদ ড্রামের ব্যবহার বন্ধ করার লক্ষ্যে ফরিদপুরে এক এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং অনিরাপদ উপায়ে ভোজ্যতেল সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের কারণে জনস্বাস্থ্যের সম্ভাব্য ঝুঁকি কমাতে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর জোর দেওয়া হয় সভায়।

​বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ফরিদপুর পৌরসভার সভাকক্ষে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​ফরিদপুর পৌরসভার প্রশাসক মো. ইলিয়াছুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং ক্যাব ফরিদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

​মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও সাবেক সচিব এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান।

​বিশেষ অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুশতাক হাসান মুহ. ইফতিখার এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী।

​সভায় শিক্ষাবিদদের মধ্যে বক্তব্য ও উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এম এ হালিম, সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল্লাহ্ আল মাতিন, সরকারি ইয়াসিন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নিখিল চন্দ্র বিশ্বাস এবং ফরিদপুর মুসলিম মিশন কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ্ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।

​এছাড়া ফরিদপুর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাই জকি, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক প্রবীর কান্তি বালা, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়ালসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, আইনজীবী, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন।

​সভায় বক্তারা বলেন, ভোজ্যতেল পরিবহন ও সংরক্ষণে অনিরাপদ ড্রামের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। একদিনে এ ড্রামের ব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব না হলেও পর্যায়ক্রমে তা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

​বক্তারা আরও জানান, নিম্নমানের ও ভেজাল খাদ্য, বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত পোড়া তেলে তৈরি খাবার হৃদ্‌রোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে তুলনামূলক কম বয়সেও মানুষ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এটি রোধে খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।

​মুক্ত আলোচনায় চিকিৎসক, আইনজীবী, বিএসটিআই কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা বাজার তদারকি বৃদ্ধি, সচেতনতা সৃষ্টি এবং প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেন।

​সভায় ক্যাব ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক তারেক আইয়ুব খাঁন, সহ-সভাপতি আশরাফুজ্জামান দুলাল ও এস এম মনিরুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ রবিউল হাসান রাজীবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি মো. ইলিয়াছুর রহমান নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সভা শেষ করেন।

ফরিদপুরে সাংবাদিকের হস্তক্ষেপে রক্ষা পেল অর্ধশতাধিক ঘুঘু, উড়ল মুক্ত আকাশে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সাংবাদিকের হস্তক্ষেপে রক্ষা পেল অর্ধশতাধিক ঘুঘু, উড়ল মুক্ত আকাশে

প্রকৃতির অন্যতম বন্ধু ও অনিন্দ্য সুন্দর নানা প্রজাতির পাখি নির্বিচারে নিধন করে চলেছে একদল শিকারি। নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে প্রতিদিন ঘুঘুর মতো বহু পাখিকে ধরে বিক্রি করা হচ্ছে স্থানীয় বাজারে। তবে এবার এক সাংবাদিকের সময়োচিত হস্তক্ষেপে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে প্রায় অর্ধশত ঘুঘু পাখি।

​বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের মমিন খার হাটে ঘটনাটি ঘটে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের দুর্গম ধোলাই চরে দীর্ঘদিন ধরে একদল শিকারি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল পেতে বন্য পাখি শিকার করে আসছিল। পদ্মার দুর্গম চর হওয়ায় প্রশাসন ও স্থানীয়দের চোখ এড়িয়েই তারা নিয়মিত এসব পাখি আশপাশের হাটে বিক্রি করছিল।

​বুধবার দুপুরে মাসুদ নামের ষাটোর্ধ্ব এক শিকারি মমিন খার হাটে প্রায় ৬০টি ঘুঘু পাখি বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। প্রতি জোড়া ১০০ টাকা দরে বেশ কয়েকটি পাখি বিক্রির পর বিষয়টি নজরে আসে দৈনিক কালবেলা ও ঢাকা মেইল-এর ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মেহেদী সোহেলের।

​তিনি ঘটনার ভিডিও ধারণ শুরু করলে এবং বন্যপ্রাণী ও পাখি শিকার সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন করতে থাকলে শিকারি মাসুদ কোনোপায় না দেখে খাঁচাবন্দি প্রায় অর্ধশত ঘুঘু পাখি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। খাঁচা মুক্ত হয়ে মুহূর্তেই পাখিগুলো চরের মুক্ত আকাশে উড়ে যায়।

​এ বিষয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া জানান, পাখি ও বন্যপ্রাণী শিকার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

​তিনি বলেন, “সচেতন নাগরিকরা এ ধরনের শিকারিদের শনাক্ত করে প্রশাসনকে খবর দিলে দ্রুত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ ও পাখি শিকারের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”