খুঁজুন
শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

পর্নো সাইটে নিজের আপত্তিকর ছবি দেখে যে কারণে চমকেছিলেন জাহ্নবী?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩০ পূর্বাহ্ণ
পর্নো সাইটে নিজের আপত্তিকর ছবি দেখে যে কারণে চমকেছিলেন জাহ্নবী?

বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর কিশোর বয়সে ভীতিকর এক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছেন। মাত্র ১৫ বছর বয়সে পর্নো সাইটে নিজের আপত্তিকর ছবি দেখতে পান। শুরুতে বিষয়টিকে অনলাইনের অংশ হিসেবেই মেনে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু এই ঘটনা তার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলেছে।

কয়েক দিন আগে রাজ শামানির পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে ভয়ংকর সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছিলেন তিনি। জাহ্নবী কাপুর সরাসরি জানান তিনি ঠিক জানেন না এটা ডিপফেক হতে পারে তবে তেমন কিছুই ছিল এবং তিনি একটি পর্নো সাইটে তার একটি ছবি দেখেছিলেন।

ঘটনাটি জাহ্নবীর স্কুলে আইটি ক্লাসে ঘটেছিল। তার ভাষ্যমতে তাদের স্কুলে আইটি ক্লাস ছিল। ছেলেরা মজা করার জন্য এসব সাইটে যেত এবং সেখানে তার ছবিও ছিল। আর এটা স্কুলেই ঘটেছিল তাই এটি খুব ভয়ংকর অভিজ্ঞতা ছিল।

তারপরও বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন জাহ্নবী। তা জানিয়ে তিনি বলেন একটা সময় তিনি ভেবেছিলেন এর মূল্য তাকে দিতে হবে কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব ক্ষেত্রে কোনো নৈতিকতা থাকে না।

এখন জাহ্নবীর দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি এই ধরনের ছবি এখনো তাকে প্রভাবিত করে। জাহ্নবী কাপুর জানান এটা নিয়ে তিনি শান্তিতে নেই। তার এমন কিছু ছবি বাইরে ঘুরছে এমনকি অফিশিয়াল সংবাদমাধ্যমেও শেয়ার করা হচ্ছে যেগুলো পুরোপুরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে বানানো। তিনি কখনো ওই ধরনের পোশাক পরেননি বা ওইভাবে ছবিও তোলেননি।

এসব ছবি জাহ্নবীর ওপরে কীভাবে প্রভাব ফেলছে তা ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন এসব এমনভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয় যেন এগুলো তিনি প্রকাশ করেছেন। এতে নির্দিষ্ট একটা ধারণা তৈরি হয়। আগামীকাল যদি কোনো পরিচালককে তিনি বলেন যে তিনি কিছু পোশাক পরতে স্বচ্ছন্দবোধ করেন না তখন কেউ ওই ছবিগুলো দেখিয়ে বলতে পারে তিনি তো আগে এটা করেছেন। তারা না বললেও এটা মনে প্রশ্ন জাগাবে।

বিষয়টি জাহ্নবী কাপুরকে কষ্ট দেয়। তবে সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি সামলানোর উপায়ও খুঁজে পেয়েছেন। তিনি বলেন তার মনে হয় না অভিযোগ করার মতো খুব শক্তিশালী কণ্ঠ তার আছে। একটা মানসিকতা আছে যে তার জীবনে এত কিছু আছে তাই একটু সহ্য করা উচিত এবং অভিযোগ করা উচিত নয়। তাই তিনি মনে করেন না তার কণ্ঠের তেমন কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা আছে। এর বিরুদ্ধে কথা বললে প্রতিক্রিয়া আসবে আর সেটা হয়তো মূল সমস্যাটাকেই আড়াল করে দেবে।

‘ধড়ক’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন জাহ্নবী। এরপর ‘রুহি’ ‘গুঞ্জন সাক্সেনা দ্য কার্গিল গার্ল’ ‘ঘোস্ট স্টোরিজ’ ও ‘পরম সুন্দরী’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। দক্ষিণী সিনেমায়ও অভিষেক হয়েছে তার। ‘দেবারা’ শিরোনামের এই সিনেমায় নায়ক হিসেবে পেয়েছেন জুনিয়র এনটিআরকে।

জাহ্নবী কাপুর অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘সানি সংস্কারি কি তুলসি কুমারী’। সিনেমাটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন বরুণ ধাওয়ান। জাহ্নবীর পরবর্তী সিনেমা ‘পেদ্দি’। সিনেমাটিতে রাম চরণের বিপরীতে অভিনয় করছেন এই অভিনেত্রী। তেলেগু ভাষার এই সিনেমা পরিচালনা করছেন বুচি বাবু সানা। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৩০ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে এটি।

সূত্র : কালবেলা

রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন, দ্রুত ফাঁসির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন, দ্রুত ফাঁসির দাবি

ঢাকার পল্লবীতে আলোচিত রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয় ছাত্র শক্তি ফরিদপুর জেলা শাখা।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে শহরের প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এ মানববন্ধনে সংগঠনটির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

বক্তারা বলেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা দিন দিন উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধর্ষণ, হত্যা ও সহিংসতার মতো অপরাধ সমাজে ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। এসব অপরাধ দমনে দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তির বিকল্প নেই। তারা অভিযোগ করেন, অনেক সময় বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ায় অপরাধীরা পার পেয়ে যায়, ফলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা আরও বেড়ে যায়।

মানববন্ধনে বক্তারা রামিসা হত্যার বিচার ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করে দোষীদের ফাঁসির রায় কার্যকর করার দাবি জানান। একই সঙ্গে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ছাত্র শক্তি ফরিদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক সাইদুল ইসলাম, সদস্য সচিব সজল, যুগ্ম-আহ্বায়ক বৈশাখী ইসলাম বর্ষা, মুখ্য সমন্বয়ক রাতুল, সাংগঠনিক সম্পাদক জনি বিশ্বাসসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

“রাতজাগা ফরিদপুর রেলস্টেশনের নীরবতা”

হারুন-অর-রশীদ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
“রাতজাগা ফরিদপুর রেলস্টেশনের নীরবতা”

গভীর রাত। নিস্তব্ধ হয়ে আছে ফরিদপুর রেলস্টেশন। দিনের কোলাহল, মানুষের হাঁকডাক আর ট্রেনের তীব্র শব্দ যেন রাতের আঁধারের কাছে হার মেনে চুপ করে গেছে। চারদিকে শুধু অন্ধকারের বিস্তার। দূরে দূরে দাঁড়িয়ে থাকা ল্যাম্পপোস্টগুলো ধিকিধিকি জ্বলছে, যেন ক্লান্ত প্রহরী হয়ে রাত পাহারা দিচ্ছে। সেই ম্লান আলো এসে পড়ছে রেললাইনের উপর, আর লোহার পাতগুলো চিকচিক করে উঠছে এক অদ্ভুত বিষণ্ন সৌন্দর্যে।

প্ল্যাটফর্মে কোথাও কোনো ভিড় নেই। নেই ব্যস্ত মানুষের ছুটে চলা, নেই চায়ের দোকানের কাপে কাপে ধোঁয়া ওঠা গল্প। শুধু হালকা বাতাস বয়ে যাচ্ছে নীরবে। মাঝে মাঝে দূর থেকে ভেসে আসছে কুকুরের ডাক, আর তাতে নিস্তব্ধ রাত আরও গভীর হয়ে উঠছে। বৃষ্টির পানিতে জমে থাকা ছোট ছোট জলকাদায় ল্যাম্পপোস্টের আলো পড়ে যেন ভাঙা আয়নার মতো ঝিলমিল করছে।

এই রাতের রেলস্টেশন যেন এক নিঃসঙ্গ কবিতা। এখানে দাঁড়ালে মনে হয়, জীবনের কত গল্প এই প্ল্যাটফর্ম চুপচাপ নিজের বুকে জমিয়ে রেখেছে। কত মানুষের বিদায়, কত প্রতীক্ষা, কত অশ্রু আর কত স্বপ্ন এই রেললাইন ধরে দূরে কোথাও হারিয়ে গেছে। দিনের ব্যস্ত শহর ঘুমিয়ে পড়লেও রেলস্টেশন যেন জেগে থাকে স্মৃতির পাহারায়।

ফরিদপুর রেলস্টেশনের এই নিরব রাত মানুষকে অদ্ভুত এক অনুভূতির ভেতর ডুবিয়ে দেয়। এখানে দাঁড়িয়ে মনে হয়, পৃথিবীর সমস্ত শব্দ থেমে গেলেও কিছু অনুভূতি কখনো থামে না। অন্ধকারের মাঝেও মিটমিটে আলো যেমন জ্বলে থাকে, তেমনি মানুষের জীবনেও আশা নামের ছোট্ট আলোটি কখনো নিভে যায় না।

লেখক: সংবাদকর্মী, ফরিদপুর।

কঠিন চাপের মুখে শান্ত থাকার ১০ উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
কঠিন চাপের মুখে শান্ত থাকার ১০ উপায়

জীবন যখন এলোমেলো হয়ে যায়, তখন কেবল ‘শান্ত হও’ কথাটি শুনলে বিরক্তি জাগাই স্বাভাবিক। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজের মাথা ঠান্ডা রাখা কোনো অলৌকিক ক্ষমতা নয়, বরং এটি একটি চর্চানির্ভর দক্ষতা।

মনোবিজ্ঞানীরা এমন কিছু কার্যকরী কৌশলের কথা বলেন যা আমাদের মস্তিষ্ক ও শরীরকে পরিস্থিতির সাথে নতুনভাবে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।

চলুন জেনে নিই চাপের মুখে শান্ত থাকার ১০টি বৈজ্ঞানিক উপায়-

১. শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম (বক্স ব্রিদিং)

আতঙ্কিত হলে আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাস অগভীর হয়ে যায়, যা মস্তিষ্ককে বিপদের সংকেত দেয় [৩]। এটি কাটাতে ‘বক্স ব্রিদিং’ পদ্ধতি ব্যবহার করুন—৪ সেকেন্ড ধরে শ্বাস নিন, ৪ সেকেন্ড ধরে রাখুন, ৪ সেকেন্ড ধরে শ্বাস ছাড়ুন এবং আবার ৪ সেকেন্ড বিরতি দিন। এটি হৃদস্পন্দন কমিয়ে মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে।

২. নিয়ন্ত্রণের গণ্ডি ছোট করে আনা

যেসব বিষয় আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই (যেমন- অন্যের খারাপ মেজাজ বা বাজারের পরিস্থিতি) তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করলে উদ্বেগ আরও বাড়ে। তাই আপনার মনোযোগ কেবল সেই কাজে দিন যা আপনি এই মুহূর্তে করতে পারেন। ছোট কোনো কাজ, যেমন: টেবিল গুছানো বা একটি জরুরি ইমেল পাঠানো, আপনার অসহায়ত্বের বোধ কমিয়ে দেবে।

৩. বর্তমানের সাথে সংযোগ স্থাপন (৫-৪-৩-২-১ পদ্ধতি)

চাপের সময় মন প্রায়ই ভবিষ্যতের খারাপ চিন্তায় ডুবে যায়। মনকে বর্তমানে ফিরিয়ে আনতে এই পদ্ধতিটি কার্যকর: চারপাশে দেখুন এবং মুখে নাম বলুন ৫টি দেখার মতো জিনিসের, ৪টি স্পর্শ করা যায় এমন জিনিসের, ৩টি শোনার মতো শব্দের, ২টি গন্ধের এবং ১টি স্বাদের। এটি আপনার মস্তিষ্ককে কাল্পনিক বিপদ থেকে সরিয়ে বাস্তবের তথ্যে নিবদ্ধ করে।

৪. মনের নেতিবাচক বয়ান বদলে ফেলা

নিজের সাথে নেতিবাচক কথা বলা বন্ধ করুন। ‘সব শেষ হয়ে গেল’—এমনটি না ভেবে নিজেকে বলুন, ‘পরিস্থিতি কিছুটা জটিল, তবে আমি ধাপে ধাপে এটি সামাল দিতে পারব’ । একে মনোবিজ্ঞানের ভাষায় ‘কগনিটিভ রিফ্রেমিং’ বলা হয়, যা আপনাকে পঙ্গু করে দেওয়ার মতো ভীতি থেকে রক্ষা করে।

৫. দশ সেকেন্ডের বিরতি

বিপদের সময় আমরা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখাই, যা প্রায়শই ভুল হয়। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া বা উত্তর দেওয়ার আগে অন্তত ১০ সেকেন্ডের একটি বাধ্যতামূলক বিরতি নিন । এই সামান্য সময় আপনাকে আবেগপ্রবণ প্রতিক্রিয়ার বদলে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।

৬. শরীরের যত্ন নেওয়া

যদি আপনার শরীরে ঘুম, পানি বা পুষ্টিকর খাবারের অভাব থাকে, তবে ছোটখাটো সমস্যাও পাহাড়ের মতো মনে হবে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং হাইড্রেটেড থাকা বিলাসিতা নয়, বরং মানসিক স্থিরতার জন্য অপরিহার্য। একটি সুস্থ শরীর স্বাভাবিকভাবেই কম স্ট্রেস হরমোন তৈরি করে।

৭. তথ্যের জোয়ার নিয়ন্ত্রণ

চাপের সময় সারাক্ষণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা নিউজ পোর্টাল স্ক্রল করা আগুনের ওপর পেট্রোল ঢালার মতো কাজ করে। অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য কঠোর সীমানা নির্ধারণ করুন। তথ্য যত কম প্রবেশ করবে, মনের স্বচ্ছতা তত বাড়বে।

৮. কঠোর আত্ম-সমালোচনা বন্ধ করুন

নিজের ভেতরের নেতিবাচক সমালোচককে বিদায় দিন। নিজেকে দোষারোপ করলে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। একজন ভালো কোচের মতো নিজেকে সমর্থন করুন এবং মনে করিয়ে দিন যে আপনি এর আগেও অনেক কঠিন সময় পার করেছেন।

৯. বিশ্বস্ত মানুষের সাথে কথা বলা

মানুষের সাথে সংযোগ স্ট্রেসের জন্য প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে [৮]। এমন কোনো বন্ধু বা মেন্টরের কাছে মনের ভার নামিয়ে ফেলুন যিনি আপনাকে তাৎক্ষণিক সমাধান দিতে না গিয়ে কেবল মন দিয়ে শুনবেন। এটি আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করে এবং সমস্যাকে ছোট করে দেখতে সাহায্য করে।

১০. ছোট ছোট রুটিন মেনে চলা

পারিপার্শ্বিক অবস্থা যখন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে, তখন ছোট ছোট রুটিন আপনাকে মানসিকভাবে নিরাপদ রাখবে। সকালে নিয়ম করে কফি বানানো, দুপুরের বিরতিতে ১০ মিনিট হাঁটা বা ঘুমানোর আগে ডায়েরি লেখা—এই ছোট কাজগুলো আপনার মস্তিষ্ককে মনে করিয়ে দেয় যে আপনি এখনও পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে আছেন। মনে রাখবেন, বাইরের বিশৃঙ্খলা আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও, নিজের ভেতরের শান্তি ধরে রাখার চাবিকাঠি কিন্তু আপনার হাতেই।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া