খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২

ডায়াবেটিস সচেতনতায় ফরিদপুরে আলোচনা সভা: ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগে স্বাস্থ্যসেবা জোরদারের আহ্বান

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:২১ পিএম
ডায়াবেটিস সচেতনতায় ফরিদপুরে আলোচনা সভা: ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগে স্বাস্থ্যসেবা জোরদারের আহ্বান

ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতি-এর উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।

ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন মেডিকেল কলেজ ভবনের হলরুম-১ এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সদস্য সচিব আব্দুস সামাদ। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিন্টু বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) রায়হান গফুর, সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান, ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একেএম কিবরিয়া স্বপন এবং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সভাপতি প্রফেসর ডা. মুস্তাফিজুর রহমান শামীমসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আলোচনা সভায় ডায়াবেটিস রোগের কারণ, লক্ষণ, ঝুঁকিপূর্ণ জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস হৃদরোগ, কিডনি জটিলতা, স্ট্রোক ও দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের মতো গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে রক্তে শর্করা পরীক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, চিকিৎসা সেবায় ফরিদপুর জেলা ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসায় ফরিদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠান সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে।

সভায় দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে সেবামূলক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ডায়াবেটিক সমিতির কমিটি গঠন এবং স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। ফরিদপুরবাসীর মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে আলোচনা সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

‘আগাম মিথ্যা হত্যা মামলার আশঙ্কা’—নগরকান্দায় শতাধিক গ্রামবাসীর মানববন্ধন

নগরকান্দা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম
‘আগাম মিথ্যা হত্যা মামলার আশঙ্কা’—নগরকান্দায় শতাধিক গ্রামবাসীর মানববন্ধন

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়নের বনগ্রাম বাজার এলাকায় আগাম মিথ্যা হত্যা মামলার আশঙ্কায় মানববন্ধন করেছেন শতাধিক গ্রামবাসী। 

মঙ্গলবার (০৪ মার্চ) বিকেলে নগরকান্দা–পুরাপাড়া সড়কের বনগ্রাম বাজারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জেরে একটি পক্ষ প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে মিথ্যা মামলা দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। সম্ভাব্য সেই ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচতেই তারা আগাম প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, ২০১৬ সালে পান্নু মুন্সি নামে এক ব্যক্তি ডায়রিয়াজনিত কারণে স্বাভাবিকভাবে মারা যান। কিন্তু মৃত্যুর প্রায় দুই ঘণ্টা পর তার মরদেহ দেলবাড়িয়া এলাকায় নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে বিকৃত করা হয় এবং ঘটনাটিকে হত্যা হিসেবে উপস্থাপন করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

পরে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট ও আদালতের পর্যবেক্ষণে মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে প্রমাণিত হয় বলে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম রবি। তিনি অভিযোগ করেন, ওই ঘটনায় তাকে ও তার পরিবারের সদস্যসহ একাধিক নিরীহ ব্যক্তিকে আসামি করে হয়রানি করা হয়েছিল।

গ্রামবাসীরা আরও অভিযোগ করেন, ২০১৯ সালে পার্শ্ববর্তী ভাঙা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সোহেল নামে এক ব্যক্তির ঘটনাতেও একই কৌশলে হত্যা মামলা দিয়ে কয়েকজন নিরীহ গ্রামবাসীকে ফাঁসানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, পান্নু মুন্সির ভাই রেজাউল মুন্সি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে রয়েছেন। তাকে কেন্দ্র করেও নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা হতে পারে, এমন গুঞ্জন রয়েছে। এ কারণে পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে তারা দাবি করেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে রেজাউল মুন্সি ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রেজাউল মুন্সি নিজ বাড়িতে অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। তবে মানববন্ধনে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তারা স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

এ বিষয়ে নগরকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ বলেন, “মানববন্ধনের বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তবে কেউ যদি আইনগত সহায়তার জন্য থানায় আসে, আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”

স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, অতীতের ঘটনাগুলোকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের সক্রিয় নজরদারি ও নিরপেক্ষ তদন্তই পারে সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে এবং এলাকায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে।

গ্রামবাসীরা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে এবং নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার না হন।

সালথায় হাইব্রিড পেঁয়াজের দানায় ভাগ্য বদল, হাইস্কুল শিক্ষক এখন সফল উদ্যোক্তা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫১ এএম
সালথায় হাইব্রিড পেঁয়াজের দানায় ভাগ্য বদল, হাইস্কুল শিক্ষক এখন সফল উদ্যোক্তা

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের দরগা গট্টি গ্রামে হাইব্রিড পেঁয়াজের দানা (বীজ) চাষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এক স্কুলশিক্ষক। তিনি গট্টি ইউনিয়নের দরগা গট্টি গ্রামের বাসিন্দা এবং গট্টি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। পাঠদানের পাশাপাশি কৃষিকাজে সম্পৃক্ত হয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন—ইচ্ছা ও উদ্যোগ থাকলে বিকল্প আয়ের পথ তৈরি করা সম্ভব।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে নিজস্ব প্রায় দুই বিঘা জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে হাইব্রিড পেঁয়াজের দানা চাষ শুরু করেন তিনি। শুরুতে নানা প্রতিকূলতা থাকলেও সঠিক পরিচর্যা, সময়মতো সেচ ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তিনি ভালো ফলন পান। বাজারে পেঁয়াজের বীজের চাহিদা বেশি থাকায় উৎপাদিত দানা বিক্রি করে তিনি উল্লেখযোগ্য লাভের মুখ দেখবেন-এমনটাই আশা করছেন ওই এলাকার চাষিরা।

এ ব্যাপারে শিক্ষক জীবন কুমার বিশ্বাস ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে জানান, “শুধু চাকরির আয়ের ওপর নির্ভর না করে কৃষিকে আধুনিক পদ্ধতিতে করলে বাড়তি আয় সম্ভব। হাইব্রিড পেঁয়াজের দানা চাষ তুলনামূলকভাবে লাভজনক। ভবিষ্যতে আবাদ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।”

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, এ অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া হাইব্রিড পেঁয়াজের দানা উৎপাদনের জন্য উপযোগী।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদর্শন শিকদার ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে জানান, “অনেকেই শুধু পেঁয়াজ চাষ করেন, কিন্তু বীজ উৎপাদনে আগ্রহ কম। এই শিক্ষক উদ্যোগ নিয়ে সফল হওয়ায় অন্য কৃষকরাও উৎসাহিত হবেন। আমরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছি।”

তিনি বলেন, এ উপজেলায় মোট ৪০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের দানা চাষ করছেন চাষিরা। যেটা বিঘা অনুপাতে প্রায় ২০০ বিঘা।

স্থানীয় কৃষকরাও তার সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। কেউ কেউ ইতোমধ্যে আগামী মৌসুমে পেঁয়াজের দানা চাষের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, মানসম্মত বীজ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হলে কৃষকরা সহজেই তা সংগ্রহ করতে পারবেন এবং বাইরের এলাকার ওপর নির্ভরতা কমবে।

শিক্ষকতার পাশাপাশি কৃষিকাজে এই সাফল্য প্রমাণ করে—শিক্ষিত যুবসমাজ চাইলে আধুনিক কৃষিতে যুক্ত হয়ে স্বাবলম্বী হতে পারে। সালথার দরগা গট্টি গ্রামের এই উদ্যোগ এখন অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার গল্প।

তারাবিতে ভুলে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে গেলে করণীয় কী?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৭ এএম
তারাবিতে ভুলে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে গেলে করণীয় কী?

রমজানে বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা ব্যাপকভাবে যেসব ইবাদত করে থাকেন, তার একটি হলো তারাবি নামাজ। এই নামাজের বিশেষ ফজিলত রয়েছে।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে তারাবি পড়ার প্রতি উৎসাহিত করেছেন। এক হাদিসে তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও পরকালের আশায় রমজানের রাতে তারাবির সালাত আদায় করবে, তার অতীতের পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। (নাসায়ি : ২২০৫)

তারাবি নামাজ সুন্নতে মুয়াক্কাদা। অপারগতা ছাড়া তা পরিত্যাগকারী গোনাহগার হবে। রমজানে প্রতিদিন এশার ফরজ নামাজ পড়ার পরে বিতিরের আগে তারাবি নামাজ পড়তে হয়।

এ নামাজ সাধারণত দুই রাকাত করে পড়া হয়। দুই রাকাত পড়ে বৈঠক ও সালাম ফেরানোর মাধ্যমে তারাবি নামাজ শেষ হয়। এরপর আবার নতুন করে দুই রাকাত তারাবি পড়া হয়। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, অনেকে দ্বিতীয় রাকাতে না বসে ভুলে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে যখন ভুলের কথা মনে পড়ে, তখন তারা দ্বিধায় পড়ে যান যে কী করবেন।

চলুন তাহলে জেনে নিই, তারাবিতে ভুলে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে গেলে করণীয় কী

ইসলামি গবেষণা পত্রিকা মাসিক আল কাউসারে বলা হয়েছে, তারাবির নামাজে প্রত্যেক দুই রাকাত শেষে বৈঠক করা ফরজ। ভুলবশত কেউ দুই রাকাতের পর বৈঠক না করে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে গেলে নিয়ম হলো, তৃতীয় রাকাতের সিজদা করার আগে আগে ভুলটি বুঝতে পারলে বৈঠকে ফিরে আসা এবং নামাজ শেষে সাহু সিজদা করা। কিন্তু এক্ষেত্রে তৃতীয় রাকাতের সিজদা করে নিলে এরপর আর বৈঠকে ফিরে আসার সুযোগ থাকে না এবং ফরজ বৈঠক ছাড়ার কারণে পূর্বের দুই রাকাত বাতিল হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে তৃতীয় রাকাতের সাথে যদি আরও এক রাকাত মিলিয়ে চার রাকাত পড়ে নেয় এবং নামাজ শেষে সাহু সিজদা করে, তাহলে পরবর্তী দুই রাকাত সহিহ বলে ধর্তব্য হয়।

তাই এমন ক্ষেত্রে তৃতীয় রাকাতের পর আরও এক রাকাত পড়ে নিলে পরবর্তী দুই রাকাত তারাবি নামাজ হিসেবে গণ্য হবে এবং এক্ষেত্রে পূর্বের দুই রাকাত বাতিল গণ্য হবে। (আলমাবসূত, সারাখসী : ২/১৪৭, আলমুহীতুল বুরহানী : ২/২৬৩, ফাতাওয়া খানিয়া : ১/২৩৯, ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/১১৮)

সূত্র : মাসিক আল কাউসার