খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন, ১৪৩২

তৃণমূল থেকে বিভাগীয় স্বীকৃতি—ফরিদপুরের আফরোজা ইয়াসমিন ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ বিজয়ী

মো. সৈকত হাসান, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৮ পিএম
তৃণমূল থেকে বিভাগীয় স্বীকৃতি—ফরিদপুরের আফরোজা ইয়াসমিন ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ বিজয়ী

সমাজ উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন ও মানবকল্যাণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফরিদপুরের আফরোজা ইয়াসমিন অর্জন করেছেন “ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কার–২০২৫”। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায়ে নিরলস সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন।

সোমবার (০২ মার্চ) মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের আয়োজনে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পুরস্কারপ্রাপ্ত নারীরা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী গোলাম তৌসিফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। এছাড়া ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোসা. জান্নাতুল সুলতানা এবং মহিলা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসউদা জেসিও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিভাগের ১৩টি জেলা থেকে মোট ৫৭টি আবেদন জমা পড়ে। প্রার্থীদের সামাজিক অবদান, নেতৃত্বগুণ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং সমাজে ইতিবাচক প্রভাবের বিভিন্ন দিক কঠোরভাবে মূল্যায়ন করে সমাজ উন্নয়ন ক্যাটাগরিতে আফরোজা ইয়াসমিনকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

আফরোজা ইয়াসমিন দীর্ঘদিন ধরে নারী শিক্ষা বিস্তার, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সহায়তা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে, যা স্থানীয় সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হয়েছে।

বক্তারা বলেন, তার এ অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং সমাজের অন্যান্য নারীদের এগিয়ে আসার প্রেরণা। তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করা নারীদের স্বীকৃতি প্রদান তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং সমাজ উন্নয়নে নারীদের অংশগ্রহণ আরও জোরদার করে।

উল্লেখ্য, গত ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে একই ক্যাটাগরিতে তিনি ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী নির্বাচিত হন। তিনি ফরিদপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বগঙ্গাবর্দী গ্রামের বাসিন্দা।

পুরস্কার গ্রহণের পর আফরোজা ইয়াসমিন বলেন, “এই সম্মাননা আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও সমাজের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।”

মশার কয়েলেই সর্বনাশ! মধুখালীতে পুড়ল বসতঘর, মারা গেল গরু-ছাগল

মো. ইনামুল খন্দকার, মধুখালী:
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
মশার কয়েলেই সর্বনাশ! মধুখালীতে পুড়ল বসতঘর, মারা গেল গরু-ছাগল

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের ডুমাইন পূর্বপাড়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি দরিদ্র পরিবারের বসতবাড়ি ও গোয়ালঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

রবিবার (০১ মার্চ) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে দিনমজুর মো. মিঠু শেখের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গোয়ালঘরে জ্বালানো মশার কয়েল থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে হঠাৎ আগুনের শিখা দেখা দিলে মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে বসতঘর, রান্নাঘর ও গোয়ালঘরে। দাহ্য উপকরণ থাকার কারণে আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এতে ঘরের আসবাবপত্র, খাদ্যশস্যসহ গৃহস্থালির প্রায় সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ ঘটনায় একটি গাভী গরু ও দুটি ছাগল আগুনে পুড়ে মারা যায়। এছাড়া ঘরে সংরক্ষিত পেঁয়াজ, রসুন, ধান ও চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ওই পরিবারের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

আগুন লাগার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং পানি ও বালু দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়, তবে ততক্ষণে সবকিছু পুড়ে যায়।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে। মাথা গোঁজার ঠাঁই ও খাদ্য সংকটে পড়েছে তারা। এলাকাবাসী জানায়, দিনমজুর মিঠু শেখের এই বাড়িটিই ছিল তার একমাত্র সম্বল।

সোমবার (০২ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং দ্রুত আর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি যেন দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সে জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারিভাবেও সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মধুখালী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আলীমুজ্জামান, জেলা জামায়াতের সূরা সদস্য মাওলানা শহিদুল ইসলাম, উপজেলা সেক্রেটারি নওসের আলী চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রদান এবং পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি এমন দুর্ঘটনা এড়াতে ঘরে আগুন ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান সচেতন মহল।

রমজানে নিরাপদ ইফতার নিশ্চিত করতে ফরিদপুরে ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণ

রেজাউল করিম বিপুল, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:২০ পিএম
রমজানে নিরাপদ ইফতার নিশ্চিত করতে ফরিদপুরে ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণ

পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত ইফতার প্রস্তুত ও বিক্রি নিশ্চিত করতে ফরিদপুরে ইফতার বিক্রেতা ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। সচেতনতা বৃদ্ধির এই উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ মালিক ও খাদ্য প্রস্তুতকারীরা অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে ফরিদপুর শহরের ইমাম উদ্দিন চত্বরে অবস্থিত অ্যাবলুম ক্যাফেটেরিয়া বারবিকিউ শাখায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও ফরিদপুর রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় শহরের প্রায় ৩০টি রেস্তোরাঁর মালিক, ব্যবস্থাপক ও খাদ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ফরিদপুর কার্যালয়ের কর্মকর্তা আজমুল ফুয়াদ নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, রমজান মাসে ইফতারের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাবারের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। তাই ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিপণন কর্মকর্তা সাহাদাত হোসেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান, ফরিদপুর রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম এবং সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহেলসহ সংশ্লিষ্টরা।

প্রশিক্ষণে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ছিল—খাদ্য প্রস্তুতের আগে ও পরে হাত ধোয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক ব্যবহার, গ্লাভস, মাস্ক, এপ্রোন ও হেড কভার পরিধান করা, রান্নাঘরের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জীবাণুমুক্ত বাসনপত্র ব্যবহার নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে কাঁচা ও রান্না করা খাবার আলাদা রাখা, ফলমূল ও শাকসবজি ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা এবং নিরাপদ উৎসের পানি ফুটিয়ে ব্যবহার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

খাবার সঠিক তাপমাত্রায় রান্না করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংরক্ষণ করাও প্রশিক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। বিশেষ করে রান্না করা খাবার দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করতে হলে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া একবার ব্যবহৃত তেল পুনরায় ব্যবহার না করা, অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার পরিহার করা এবং ক্ষতিকর কৃত্রিম রং ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণে খোলা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইফতার তৈরি ও বিক্রি, বাসি বা পঁচা উপকরণ ব্যবহার, খবরের কাগজ বা কালিযুক্ত কাগজে খাবার পরিবেশন এবং শিল্পে ব্যবহৃত রং ব্যবহার না করার ব্যাপারেও সতর্ক করা হয়। বক্তারা বলেন, এসব অনিয়ম মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে।

আয়োজকরা জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হবে। কর্মশালা শেষে ফরিদপুর জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির উদ্যোগে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

উনি নেই, তাই মনে হচ্ছে রোজাটা কেমন ফিকে ফিকে লাগছে: পরীমনি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:০০ পিএম
উনি নেই, তাই মনে হচ্ছে রোজাটা কেমন ফিকে ফিকে লাগছে: পরীমনি

এবারের রমজান অনেকটা আলাদা। জীবনের প্রতিটা বাঁকে ছায়ার মতো পাশে থাকা প্রিয় নানুভাই আজ নেই বলে জানিয়েছেন ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি।

সেই সঙ্গে সেহরি কিংবা ইফতারের সময়গুলো নানুভাইয়ের স্মৃতিতে বড্ড বেশি ভারাক্রান্ত হয়ে উঠছে বলেও জানান তিনি। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের ব্যক্তিজীবন, আসন্ন ঈদ এবং ক্যারিয়ারের নানা দিক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন পরীমনি।

অভিনেত্রী বলেন, বাসায় মুরব্বিরা নেই। তাই নানুভাইকে খুব মিস করছি। রোজার দিনে নানুভাইয়ের মেমোরিগুলোই আসলে বেশি মনে পড়ে। কারণ উনার জন্য সেহরি বানানো, ইফতারের আয়োজন করা— সব কিছুই উনাকে ঘিরেই ছিল আমার। উনি নেই, তাই মনে হচ্ছে রোজাটা কেমন একটা ফিকে ফিকে লাগছে বলে জানান তিনি।

পরীমনি বলেন, ইফতারিতে ভাজাপোড়া খাওয়া হয় না। আমি দুধ-কলা-ভাত বেশি পছন্দ করি। শরবত আর খেজুর দিয়েই সেরে ফেলি।’ তিনি বলেন, ঈদ কেন্দ্র করে আলাদা করে কেনাকাটা করার অভ্যাস নেই তার।

তবে নিজের চেয়েও ইন্ডাস্ট্রির ভালো থাকাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। আমাদের ইন্ডাস্ট্রি এবং আমাদের সিনেমা আমি চাই প্রত্যেকটা সিনেমাই ভালো করুক এবং ব্যবসায় সফল হোক। এখন ইন্ডাস্ট্রির জন্য এটা খুবই দরকার বলে জানান পরীমনি।

বর্তমান সিনেমার নতুন কাজ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, আপাতত যে কাজের জন্য আসছি, সেটিকেই ফোকাস করতে চাই। এখনই ঘটা করে সব কিছু বলে দেওয়ার তাড়া নেই। ইনশাআল্লাহ সামনে আপনাদের সব জানাব।