খুঁজুন
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

তৃণমূল থেকে বিভাগীয় স্বীকৃতি—ফরিদপুরের আফরোজা ইয়াসমিন ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ বিজয়ী

মো. সৈকত হাসান, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ
তৃণমূল থেকে বিভাগীয় স্বীকৃতি—ফরিদপুরের আফরোজা ইয়াসমিন ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ বিজয়ী

সমাজ উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন ও মানবকল্যাণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফরিদপুরের আফরোজা ইয়াসমিন অর্জন করেছেন “ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কার–২০২৫”। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায়ে নিরলস সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন।

সোমবার (০২ মার্চ) মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের আয়োজনে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পুরস্কারপ্রাপ্ত নারীরা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী গোলাম তৌসিফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। এছাড়া ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোসা. জান্নাতুল সুলতানা এবং মহিলা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসউদা জেসিও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিভাগের ১৩টি জেলা থেকে মোট ৫৭টি আবেদন জমা পড়ে। প্রার্থীদের সামাজিক অবদান, নেতৃত্বগুণ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং সমাজে ইতিবাচক প্রভাবের বিভিন্ন দিক কঠোরভাবে মূল্যায়ন করে সমাজ উন্নয়ন ক্যাটাগরিতে আফরোজা ইয়াসমিনকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

আফরোজা ইয়াসমিন দীর্ঘদিন ধরে নারী শিক্ষা বিস্তার, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সহায়তা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে, যা স্থানীয় সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হয়েছে।

বক্তারা বলেন, তার এ অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং সমাজের অন্যান্য নারীদের এগিয়ে আসার প্রেরণা। তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করা নারীদের স্বীকৃতি প্রদান তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং সমাজ উন্নয়নে নারীদের অংশগ্রহণ আরও জোরদার করে।

উল্লেখ্য, গত ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে একই ক্যাটাগরিতে তিনি ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী নির্বাচিত হন। তিনি ফরিদপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বগঙ্গাবর্দী গ্রামের বাসিন্দা।

পুরস্কার গ্রহণের পর আফরোজা ইয়াসমিন বলেন, “এই সম্মাননা আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও সমাজের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।”

কুরআন অবমাননার অভিযোগে ফরিদপুরে মানববন্ধন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
কুরআন অবমাননার অভিযোগে ফরিদপুরে মানববন্ধন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

পবিত্র কুরআন শরিফ অবমাননার অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। “সচেতন নাগরিকবৃন্দ, ফরিদপুর” ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন সামাজিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, আলফাডাঙ্গা উপজেলার প্রদীপ পাল নামীয় একটি ফেসবুক আইডি থেকে কুরআন শরিফ অবমাননাকর পোস্ট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে, যা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে এবং সমাজে উত্তেজনা ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ফরিদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক কাজী রিয়াজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম রাকিবুল ইসলাম, সদস্য সচিব আশিকুর রহমান সজল, সালমান রহমান পিয়াল, সহ-মুখপাত্র মাশরাফি আফ্রিদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে এমন অবমাননাকর কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা অবিলম্বে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি জোরদারের আহ্বান জানান।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাদের প্রতিবাদ জানান এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। বক্তারা আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা জরুরি, যাতে গুজব বা উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি না হয়।

মানববন্ধন শেষে আন্দোলনকারীরা ফরিদপুরের পুলিশ সুপারের নিকট একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়।

ফরিদপুরে হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু, ঝুঁকিতে শতাধিক শিশু

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু, ঝুঁকিতে শতাধিক শিশু

ফরিদপুরে হামের উপসর্গে একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সর্বশেষ শনিবার (১৮ এপ্রিল) আট মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫ জনে। একই সময়ে আক্রান্তের সংখ্যাও আশঙ্কাজনক হারে দিনে দিনে বাড়ছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ফরিদপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ মৃত শিশু আবদুল্লাহ (৮ মাস) শহরের পশ্চিম আলীপুর এলাকার বাসিন্দা। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শুক্রবার দিবাগত রা ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর শহরের আলীপুর এলাকার আব্দুল্লাহ নামে শিশুটি হামের উপসর্গ নিয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলেও রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায়নি। তবে উপসর্গের ভিত্তিতে চিকিৎসকরা এটিকে ‘ক্লিনিক্যালি হামজনিত মৃত্যু’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

বর্তমানে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও সদর জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন আরো ১৬ জন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩৫৭ জন রোগী হামের চিকিৎসা নিয়েছেন। মৃতদের মধ্যে ফরিদপুর ছাড়াও গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও রাজবাড়ী জেলার শিশুরা রয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দাবি, হামজনিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির ব্যাপারে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। শনিবার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। তবে শুধু জেলা ও উপজেলা হলরুমে সভা করেই স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। শনিবার পর্যন্ত ই্উনিয়ন বা ওয়ার্ড পর্যায়ে কোন সভা বা ক্যাম্পেইন করার কথা শুনতে পারেননি শিশুদের অভিভাবকরা। এমন অভিযোগ জানিয়েছেন কয়েকজন অভিভাবকরা।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে টিকার আওতায় আনতে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত দেশব্যাপী হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, পূর্বে টিকা নেওয়া থাকলেও এই ক্যাম্পেইনে প্রতিটি শিশুকে অতিরিক্ত এক ডোজ টিকা দেওয়া হবে, যা তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরো বাড়াবে।

সিভিল সার্জন বলেন, হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকার কোনো বিকল্প নেই। সকল অভিভাবককে শিশুদের নির্ধারিত কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে টিকা দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ইউনিয়নের গ্রামঞ্চলে এখনো কোন ক্যাম্পেইন বা সভা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে সিভিল সার্জন বলেন, সময় কম পাওয়ায় এখনো গ্রামঞ্চলে ক্যাম্পেইন হয়নি। তবে জেলা ও উপজেলায় ক্যাম্পেইন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রচারের জন্য কোন সভা বা ক্যাম্পেইন হবে না, বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য কর্মীরা প্রচারণা করবেন।

ফরিদপুরে ২০ এপ্রিল থেকে দেওয়া হবে হামের টিকা, চলবে ১০ মে পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ২০ এপ্রিল থেকে দেওয়া হবে হামের টিকা, চলবে ১০ মে পর্যন্ত

ফরিদপুরে হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে জাতীয় পর্যায়ের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১১টায় ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে সদর হাসপাতালের তৃতীয় তলার মিলনায়তনে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের উদ্দেশে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশে সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে সরকার এই বিশেষ ক্যাম্পেইন হাতে নিয়েছে। এর আওতায় প্রতিটি শিশুকে বিনামূল্যে এক ডোজ হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা প্রদান করা হবে।

তিনি আরও জানান, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত দেশব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে। ফরিদপুর জেলায় মোট ২,৬৯৩টি টিকাদান কেন্দ্রে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে ৭৩৮টি স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র, ১০টি অতিরিক্ত কেন্দ্র, ১৪টি বিশেষ টিকাদান কেন্দ্র এবং ১,৯৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত অস্থায়ী কেন্দ্র।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পূর্বে নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় ৯ ও ১৫ মাস বয়সে টিকা গ্রহণ করলেও এই ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশু অতিরিক্ত একটি ডোজ টিকা পাবে। এতে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও জোরদার হবে। তবে দুটি ডোজের মধ্যে অন্তত ২৮ দিনের ব্যবধান বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ফরিদপুর জেলায় এ ক্যাম্পেইনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৫ জন শিশু। জেলার ৯টি উপজেলা, ৭৯টি ইউনিয়ন, ২৩৭টি ওয়ার্ড এবং পৌরসভার ২৭টি ওয়ার্ড এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ক্যাম্পেইন সফল করতে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে। মসজিদসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ইমামদের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দিতে চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে।

এ সময় বক্তব্য রাখেন প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক পান্না বালা। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, “হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এই ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপপ্রচার রোধ করে সবাইকে সচেতন করতে পারলে আমরা একটি সুস্থ ও নিরাপদ প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারব।” তিনি এ কার্যক্রম সফল করতে সাংবাদিকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।