খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে সড়ক নির্মাণ কাজে অনিয়মকে পুজি করে দুইলাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সড়ক নির্মাণ কাজে অনিয়মকে পুজি করে দুইলাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

ফরিদপুর পৌরসভার একটি সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। একই সাথে নির্মাণ শ্রমিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও কাজে বাঁধা দেয়ারও অভিযোগ উঠেছে। তবে, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ওই পক্ষটি।

ফরিদপুর পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার প্রকৌশলী বিভাগের অধীনে ১৪নং ওয়ার্ডের হাড়োকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ৩৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৩৮৮ মিটার ইউনিব্লক সড়ক নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছেন। কাজটি বাস্তবায়ন করছেন মেসার্স মির্জা কনস্ট্রাকশন নামে সিরাজগঞ্জের একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এছাড়া কাজটির তদারকিতে রয়েছেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দা মুরাদ শেখ নামে এক ব্যক্তি এবং গত তিনমাস আগে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

জানা যায়, গত শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সড়ক নির্মাণ কাজে বাঁধা দেন স্থানীয় ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাহার শেখের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি। তাঁরা নির্মাণ শ্রমিকদের হাত-পা কেটে ফেলার হুমকিও দেন বলে করিম আলী শেখ নামে এক শ্রমিক অভিযোগ করেন। এছাড়া দুই লাখ টাকা চাদা দাবির অভিযোগ করেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মুরাদ শেখ।

ঘটনাটি নিয়ে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটি নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। সেখানে প্রায় ২০ জনের একদল লোক অবস্থান করছেন। তাঁদের নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় বাহার শেখ ও শামিম হোসেন ওরফে সামিউল নামে দুই ব্যক্তিকে। এ সময় তাঁরা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে বলে ঘুরে ঘুরে সাংবাদিকদের সামনে উত্থাপন করেন।

তাঁরা অভিযোগ করে বলেন, ব্যবহৃত ব্লকের মধ্যে নিম্নমানের উপদান রয়েছে, পুরুত্ব (এসএ) ৬ ইঞ্চির পরিবর্তে তিন ইঞ্চি রয়েছে। এছাড়া পলিথিন ও ময়লা মিশ্রিত মাটি ব্যবহার, নিম্নমানের ইট-খোয়ার ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব অভিযোগ তুলে কখনও আবার নির্মাণ শ্রমিকদের ওপর চড়াও হোন, কখনও আবার কাজ বন্ধ রাখার জন্য শ্রমিকদের নির্দেশ দেন। এক পর্যায়ে সেখানে কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপস্থিত হোন এবং কাজে বাঁধা না দেয়ার জন্য নির্দেশ দেন।

এ সময় অভিযোগ তুলে মুরাদ শেখ বলেন, ‘তিনমাস যাবৎ কাজ চলতেছে এখানে কিন্তু হঠাৎ করেই এসে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে বাহার শেখকে আমার বাসায় আসতে বলি এবং আসার পরে জানতে চাই কি কারণে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তখন বাহার আমাকে বলে ঠিকাদারকে আমাদের দুই লাখ টাকা দিতে বলেন। আমার বাসার মধ্যেই বসে এই টাকা চেয়েছে, তখন বাহারের সাথে সুব্রত নামে এক লোকও উপস্থিত ছিল। পরবর্তীতে আমি ঠিকাদারকে বিষয়টি জানিয়েছিলাম এবং গতকাল পৌরসভায় জানানো হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে বাহার শেখের কাছে জানতে চাইলে তিনি পাল্টা অভিযোগ করেন। বাহার শেখ বলেন, শুক্রবার ইফতারির পরে মুরাদ শেখ নিজেই আমাকে দেখা করতে বলে এবং কয় টাকা ঘুষ দেয়া লাগবে-সেটা আমি দেখব। সে আমাকে প্রলোভন দেখিয়ে ও মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে তাঁর বাসায় ডেকে নেয়। আমি ভিডিওর মাধ্যমে অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়েছে এবং ঠিকাদার চক্রটি আমাকে ফাঁদে আটকিয়ে ফেলায়ছে।

এদিকে অনিয়মের বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে নির্মাণকাজের দায়িত্বরত উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. লাইজিং হোসেন রাজু বলেন, কাজে কিছুটা অনিয়ম হচ্ছে আমিও দেখেছি এবং সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এটাকে পুজি করে স্থানীয় একটি গ্রুপ টাকা দাবি করেছে বলে শুনেছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর প্রশাসক স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. সোহরাব হোসেন বলেন, কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি এবং ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। এছাড়া চাঁদা দাবির বিষয়ে কেউ আমার কাছে অভিযোগ দেয়নি।

টেকনাফে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত সেনা সদস্য তিতাসের ফরিদপুরের বাড়িতে শোকের মাতম

হাসান মাতুব্বর (শ্রাবণ), ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৪৬ অপরাহ্ণ
টেকনাফে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত সেনা সদস্য তিতাসের ফরিদপুরের বাড়িতে শোকের মাতম

কক্সবাজারের ​টেকনাফে মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযানে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত সেনা সদস্য তিতাস শেখের (২৮) বাড়িতে এখন শোকের মাতম। ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামের এই তরুণ সেনাসদস্যের আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার ও এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। শুক্রবার (০৬ নভেম্বর) সকালে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামে তিতাস শেখের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় এ দৃশ্য।

​পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিতাস শেখের পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সামরিক বন্ধন রয়েছে। তাঁর বাবা আফজাল শেখ একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য এবং ছোট ভাই আকরাম হোসেনও বর্তমানে সেনাবাহিনীতে কর্মরত রয়েছেন। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিতাস ছিলেন সবার বড়। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে যোগ দেন ২০১৭ সালে। সেনাবাহিনীর ১ বীর ইউনিটের সদস্য হিসেবে তিনি টেকনাফের রঙ্গীখালী আর্মি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। চার বছর আগে পাশের গ্রামের সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের কোনো সন্তান ছিল না। আগামী ডিসেম্বরে স্ত্রীকে নিজের কর্মস্থলে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিতাস, কিন্তু সেই স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল।

​আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথবাহিনীর অভিযানকালে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে তিতাস শেখের বুকের বাঁ পাশে গুলি লাগে। পরে তাঁকে প্রথমে লেদা আইআরসি রোহিঙ্গা হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আটটা আটচল্লিশ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

​নিহত সেনাসদস্যের মা রেখা বেগম জানান, গত বুধবার রাতে ছেলের সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয়েছিল। তখন তিতাস তাঁকে বলেছিলেন, ‘আগামীকাল বিকেলে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে যাব, দোয়া কইরো মা।’ কিন্তু ছেলের সেই কথাই যে শেষ কথা হবে, তা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি। স্বামীকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। আর ছেলেকে হারিয়ে নির্বাক বাবা আফজাল শেখের চোখ বেয়ে ঝরছে অবিরাম অশ্রু।

​নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন জানান, সেনাবাহিনীর সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে হেলিকপ্টারযোগে শুক্রবার বিকেলে তিতাসের মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। পরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদানসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।

​ছেলের এমন বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগে পরিবারটি গর্বিত হলেও তাঁর এই চলে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না শোকে বিহ্বল স্বজনেরা।

ফরিদপুরে মাদ্রাসার শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে বৃদ্ধের ৭ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মাদ্রাসার শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে বৃদ্ধের ৭ বছরের কারাদণ্ড

ফরিদপুরের মধুখালীতে মাদ্রাসার আবাসিক ১১ বছর বয়সী এক শিশুছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মো. সাহেদ আলী (৭৭) নামে এক বৃদ্ধকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রায়ে জরিমানার অর্থ আদায় করে ভুক্তভোগী ওই শিশুকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

​বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

​মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৮ জুন রাত ১টার দিকে মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রীদের কক্ষে ঢুকে ঘুমন্ত শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন সাহেদ আলী। তিনি ওই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও এক শিক্ষকের বাবা। এ সময় শিশুটির চিৎকারে তিনি স্থান ত্যাগ করেন।

​ঘটনার কয়েক দিন পর শিশুটি তার মাকে বিষয়টি জানালে, ৭ জুলাই শিশুটির মা বাদী হয়ে সাহেদ আলীকে একমাত্র আসামি করে মধুখালী থানায় একটি মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নাজিম উদ্দীন ফকির।

​আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, “দরিদ্র পরিবারের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে শিশুটির সঙ্গে আসামি যে অপরাধ করেছেন, তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। এ রায়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না—এ রায়ে সেই বার্তাই ফুটে উঠেছে।”

আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি আচ্চু, সম্পাদক তামিম

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি আচ্চু, সম্পাদক তামিম

Oplus_131072

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি পদে সৈয়দ আমিনুর রহমান আচ্চু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে তামিম আহমেদ মিলন নির্বাচিত হয়েছেন।

​বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে ফল ঘোষণা করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ও নির্বাচনের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আশরাফুর রহমান।

​ঘোষিত ফলাফলে জানা যায়, ২১ জন ভোটারের মধ্যে ১৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সভাপতি পদে সৈয়দ আমিনুর রহমান আচ্চু ৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সেকেন্দার শেখ পেয়েছেন ৮ ভোট (১৮টি ভোটের মধ্যে ১৭টি বৈধ)।

​সহ-সভাপতি পদে ১টি ভোটে তাজমিনউর রহমান তুহিন নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আজিজুর রহমান দুলাল পেয়েছেন ৭ ভোট।

​সাধারণ সম্পাদক পদে তামিম আহমেদ মিলন ১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম আজম মনি পেয়েছেন ৫ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ তিনটি পদের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তামিম আহমেদ মিলন। বাকি পদগুলোতে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

​নির্বাচন শেষে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সদ্য সাবেক সভাপতি এনায়েত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন সন্তোষ প্রকাশ করেন।

​নবনির্বাচিত সভাপতি সৈয়দ আমিনুর রহমান আচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক তামিম আহমেদ মিলন প্রেসক্লাবের উন্নয়ন, সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা রক্ষায় সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

​প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আশরাফুর রহমান জানান, সুশৃঙ্খল ও সুষ্ঠু পরিবেশের মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।