খুঁজুন
সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

ফরিদপুর-১ আসনে বিএনপি প্রার্থীর হলফনামা: সম্পদের পাহাড়, ব্যবসা ও ঋণে রহস্য

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪০ এএম
ফরিদপুর-১ আসনে বিএনপি প্রার্থীর হলফনামা: সম্পদের পাহাড়, ব্যবসা ও ঋণে রহস্য

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদপুর-১ (মধুখালী–বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা) আসনে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী খন্দোকার নাসিরুল ইসলামের দাখিল করা হলফনামা ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় তাঁর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পদ, আয়-ব্যয়, দায়-দেনা ও মামলার তথ্য উঠে এলেও ব্যবসার প্রকৃতি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ না থাকায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল।

হলফনামা অনুযায়ী, খন্দোকার নাসিরুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন ১৫ নভেম্বর ১৯৫৮ সালে। তাঁর পিতা খন্দোকার ফজলুল করীম এবং মাতা বেগম আনোয়ারা করীম। স্ত্রী লায়লা আরজুমান বানু। তাঁদের স্থায়ী ঠিকানা ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর গ্রাম। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে তিনি বি.এস.সি ডিগ্রিধারী। নিজের ও স্ত্রীর পেশা হিসেবে উভয়ের ক্ষেত্রেই ‘ব্যবসা’ উল্লেখ করা হয়েছে।

আয় ও আয়ের উৎস:

হলফনামায় প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থীর বার্ষিক আয়ের উৎস তিনটি খাতে দেখানো হয়েছে। কৃষিখাত থেকে আয় ৩ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট ও অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ আয় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ব্যবসা থেকে বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তবে কোন ধরনের ব্যবসা, কোথায়, কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই আয়—সে বিষয়ে কোনো তথ্য সংযুক্ত করা হয়নি।

অস্থাবর সম্পদ:

প্রার্থীর অস্থাবর সম্পদের তালিকায় নগদ অর্থ রয়েছে ৭ লাখ ৮০ হাজার ৮২৭ টাকা। ব্যাংকে জমা অর্থ দেখানো হয়েছে ৯১ হাজার ৯৪৫ টাকা। বন্ড ও ঋণপত্রে বিনিয়োগ রয়েছে ৮ লাখ টাকা। স্বর্ণালংকার হিসেবে ১৮ ভরি উল্লেখ করা হয়েছে, যা উপহার হিসেবে প্রাপ্ত বলে দাবি করা হয়েছে। আসবাবপত্রও উপহার হিসেবে পাওয়া বলে উল্লেখ রয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্রের মূল্য দেখানো হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

স্থাবর সম্পদ:

স্থাবর সম্পদের ক্ষেত্রে তাঁর নামে কৃষি জমি রয়েছে মোট ৫৮০ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং অকৃষি জমি ২২ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এছাড়া বাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ জমির একাংশে ২ হাজার ৪২০ বর্গফুট আয়তনের একটি দ্বিতল ভবন রয়েছে, যা পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রীর নামে কৃষি জমি দেখানো হয়েছে ৩০০ শতাংশ।

দায় ও ঋণের হিসাব:

হলফনামায় দায়ের অংশটি সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নিজের দায় হিসেবে তিনি দেখিয়েছেন ৫ লাখ টাকা—হাত লোন ও ধার হিসেবে। তবে স্ত্রীর দায় দেখানো হয়েছে বিপুল অঙ্কের—১০ কোটি ৭৭ লাখ ৫১ হাজার টাকা।
ব্যাংক ঋণের বিবরণীতে দেখা যায়, ঢাকা ব্যাংক থেকে যৌথভাবে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ৭ কোটি ৫৫ লাখ ৫৭ হাজার ১২৮ টাকা। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) থেকে তাঁর স্ত্রীর নামে ঋণ রয়েছে ১০ কোটি ৭৭ লাখ ৫১ হাজার ৮৫ টাকা। এছাড়া ঢাকা ব্যাংক থেকেই আরও ১৬ কোটি ৯৭ লাখ ১৯ হাজার ২৪১ টাকা ঋণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা কোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর বা ডিরেক্টর হওয়ার সুবাধে নেওয়া হয়েছে বলে হলফনামায় লেখা আছে। তবে সেই প্রতিষ্ঠানটির নাম বা কার্যক্রম সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মামলা সংক্রান্ত তথ্য:

খন্দোকার নাসিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মোট ১০টি মামলার তথ্য হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলা বিচারাধীন এবং আটটি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে বা চূড়ান্ত রিপোর্ট (এফআরটি) দাখিল হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন:

হলফনামায় ব্যবসা থেকে আয়ের কথা বলা হলেও নিজের ও স্ত্রীর ব্যবসার ধরন, প্রতিষ্ঠানের নাম, শেয়ার বা মালিকানা কাঠামো কোথাও উল্লেখ নেই। একইভাবে বিপুল অঙ্কের ব্যাংক ঋণ কোন কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর কার্যক্রম কী—সে বিষয়েও তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। ফলে নির্বাচন-পূর্ব সময়ে প্রার্থীর আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

তাঁদের মতে, একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর আর্থিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানা ভোটারদের অধিকার। হলফনামা আইনগত নথি হওয়ায় এখানে অস্পষ্টতা থাকলে তা নির্বাচন কমিশনের নজরে আনা প্রয়োজন। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশন কী অবস্থান নেয় এবং প্রার্থী পক্ষ থেকে আরও ব্যাখ্যা আসে কি না—সেদিকেই এখন দৃষ্টি রাজনৈতিক মহলের।

ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

সোহাগ মাতুব্বর, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:২৫ পিএম
ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভাঙ্গা উপজেলার হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে হাসপাতালের চেয়ারম্যান সহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মানবসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। দক্ষ ও মানবিক মনোভাবসম্পন্ন সেবাকর্মী তৈরি করতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চাও প্রয়োজন। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ভবিষ্যতে মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করার আহ্বান জানান।

ইফতার মাহফিলে হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের বিভিন্ন ট্রেডের প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। ইফতারের আগে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রমজানের তাৎপর্য, সংযম ও মানবিকতার শিক্ষা নিয়ে বক্তব্য রাখেন উপস্থিত অতিথিরা।

পরে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং হাসপাতালের সার্বিক উন্নতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের কল্যাণ এবং সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। একই সঙ্গে রমজানের পবিত্রতা ও সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে নতুন করে অনুপ্রাণিত হতে সহায়তা করে।

সর্বশেষে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার গ্রহণ করেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও প্রশিক্ষণার্থীদের অংশগ্রহণে এ ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

‘দৃষ্টির চশমা’

গোলাম কিবরিয়া
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:১২ পিএম
‘দৃষ্টির চশমা’

নিশুতি রাত, থমথমে ভাব, পুকুর ঘাটের পাড়ে,
দুইটি মানুষ বসলো এসে খুব সাবধানে আড়ে।
এক পাড়ে এক পাকা চোর, অন্য পাড়ে মুমিন,
দুজনারই ব্যস্ততা আজ বেড়েছে অন্তহীন।

​চোর বেচারা হাত ধুয়ে নেয়, পোটলাটি তার পাশে,
ওপার পানে তাকিয়ে সে মুচকি মনে হাসে।
ভাবছে, “আহা! ওই বেটা তো মস্ত বড় চোর,
নিশ্চয় সেও সিঁধ কেটেছে ওস্তাদ বড় জোর!”

​মনেহয় সে কোনো বাড়ির সিন্দুক করেছে ফাঁকা,
আমার চেয়েও বেশি হয়তো মাল রয়েছে রাখা!
বড্ড সেয়ানা চোর তো ওটা, বসলো জলের ধারে,
কাজ সেরে আজ ফুরফুরে সে, শান্তি খোঁজে পাড়ে।

​ওপার পাড়ে ধার্মিক জন করছে ওযু ধীর,
ভাবছে, “আহা! ওই পাড়ে কে? বড্ড খোদাভীর!
আমার চেয়েও মস্ত বড় বুজুর্গ এক পীর,
ইবাদতে মত্ত হতে তাই তো হলেন স্থির।”

​তাহাজ্জুদের এই বেলাতে আমার সাথে জাগে,
খোদার প্রেমে মশগুল সে, মরণ কিসের আগে?
আহা! কপাল আমার ভালো, এমন সাথী পেলাম,
দূর থেকেই সেই বুজুর্গে জানাই হাজার সালাম!

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান,
বরগুনা সরকারি কলেজ

ফরিদপুরে ঈদের প্রধান জামাত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮ টায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪২ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের প্রধান জামাত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮ টায়

পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৬ উদযাপনকে সামনে রেখে ফরিদপুর জেলায় সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বাকাহীদ হোসেন, পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সুস্মিতা সাহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রামানন্দ পালসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

সভায় আসন্ন ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফরিদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় জেলার প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে বিকল্প হিসেবে জেলার বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত আয়োজনের ব্যবস্থা রাখা হবে।

এছাড়া ঈদ উপলক্ষে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা না করার বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঈদকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়। বিশেষ করে ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয় যে, ঈদ যাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি বাস টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা সভায় বলেন, ঈদ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। তাই এই উৎসবকে ঘিরে মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

সভায় আরও জানানো হয়, ঈদের সময় হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিভাগসহ জরুরি সেবাগুলো চালু রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন।