খুঁজুন
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১ বৈশাখ, ১৪৩৩

ফরিদপুর-১ আসনে বিএনপি প্রার্থীর হলফনামা: সম্পদের পাহাড়, ব্যবসা ও ঋণে রহস্য

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪০ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর-১ আসনে বিএনপি প্রার্থীর হলফনামা: সম্পদের পাহাড়, ব্যবসা ও ঋণে রহস্য

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদপুর-১ (মধুখালী–বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা) আসনে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী খন্দোকার নাসিরুল ইসলামের দাখিল করা হলফনামা ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় তাঁর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পদ, আয়-ব্যয়, দায়-দেনা ও মামলার তথ্য উঠে এলেও ব্যবসার প্রকৃতি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ না থাকায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল।

হলফনামা অনুযায়ী, খন্দোকার নাসিরুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন ১৫ নভেম্বর ১৯৫৮ সালে। তাঁর পিতা খন্দোকার ফজলুল করীম এবং মাতা বেগম আনোয়ারা করীম। স্ত্রী লায়লা আরজুমান বানু। তাঁদের স্থায়ী ঠিকানা ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর গ্রাম। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে তিনি বি.এস.সি ডিগ্রিধারী। নিজের ও স্ত্রীর পেশা হিসেবে উভয়ের ক্ষেত্রেই ‘ব্যবসা’ উল্লেখ করা হয়েছে।

আয় ও আয়ের উৎস:

হলফনামায় প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থীর বার্ষিক আয়ের উৎস তিনটি খাতে দেখানো হয়েছে। কৃষিখাত থেকে আয় ৩ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট ও অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ আয় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ব্যবসা থেকে বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তবে কোন ধরনের ব্যবসা, কোথায়, কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই আয়—সে বিষয়ে কোনো তথ্য সংযুক্ত করা হয়নি।

অস্থাবর সম্পদ:

প্রার্থীর অস্থাবর সম্পদের তালিকায় নগদ অর্থ রয়েছে ৭ লাখ ৮০ হাজার ৮২৭ টাকা। ব্যাংকে জমা অর্থ দেখানো হয়েছে ৯১ হাজার ৯৪৫ টাকা। বন্ড ও ঋণপত্রে বিনিয়োগ রয়েছে ৮ লাখ টাকা। স্বর্ণালংকার হিসেবে ১৮ ভরি উল্লেখ করা হয়েছে, যা উপহার হিসেবে প্রাপ্ত বলে দাবি করা হয়েছে। আসবাবপত্রও উপহার হিসেবে পাওয়া বলে উল্লেখ রয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্রের মূল্য দেখানো হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

স্থাবর সম্পদ:

স্থাবর সম্পদের ক্ষেত্রে তাঁর নামে কৃষি জমি রয়েছে মোট ৫৮০ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং অকৃষি জমি ২২ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এছাড়া বাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ জমির একাংশে ২ হাজার ৪২০ বর্গফুট আয়তনের একটি দ্বিতল ভবন রয়েছে, যা পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রীর নামে কৃষি জমি দেখানো হয়েছে ৩০০ শতাংশ।

দায় ও ঋণের হিসাব:

হলফনামায় দায়ের অংশটি সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নিজের দায় হিসেবে তিনি দেখিয়েছেন ৫ লাখ টাকা—হাত লোন ও ধার হিসেবে। তবে স্ত্রীর দায় দেখানো হয়েছে বিপুল অঙ্কের—১০ কোটি ৭৭ লাখ ৫১ হাজার টাকা।
ব্যাংক ঋণের বিবরণীতে দেখা যায়, ঢাকা ব্যাংক থেকে যৌথভাবে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ৭ কোটি ৫৫ লাখ ৫৭ হাজার ১২৮ টাকা। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) থেকে তাঁর স্ত্রীর নামে ঋণ রয়েছে ১০ কোটি ৭৭ লাখ ৫১ হাজার ৮৫ টাকা। এছাড়া ঢাকা ব্যাংক থেকেই আরও ১৬ কোটি ৯৭ লাখ ১৯ হাজার ২৪১ টাকা ঋণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা কোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর বা ডিরেক্টর হওয়ার সুবাধে নেওয়া হয়েছে বলে হলফনামায় লেখা আছে। তবে সেই প্রতিষ্ঠানটির নাম বা কার্যক্রম সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মামলা সংক্রান্ত তথ্য:

খন্দোকার নাসিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মোট ১০টি মামলার তথ্য হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলা বিচারাধীন এবং আটটি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে বা চূড়ান্ত রিপোর্ট (এফআরটি) দাখিল হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন:

হলফনামায় ব্যবসা থেকে আয়ের কথা বলা হলেও নিজের ও স্ত্রীর ব্যবসার ধরন, প্রতিষ্ঠানের নাম, শেয়ার বা মালিকানা কাঠামো কোথাও উল্লেখ নেই। একইভাবে বিপুল অঙ্কের ব্যাংক ঋণ কোন কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর কার্যক্রম কী—সে বিষয়েও তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। ফলে নির্বাচন-পূর্ব সময়ে প্রার্থীর আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

তাঁদের মতে, একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর আর্থিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানা ভোটারদের অধিকার। হলফনামা আইনগত নথি হওয়ায় এখানে অস্পষ্টতা থাকলে তা নির্বাচন কমিশনের নজরে আনা প্রয়োজন। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশন কী অবস্থান নেয় এবং প্রার্থী পক্ষ থেকে আরও ব্যাখ্যা আসে কি না—সেদিকেই এখন দৃষ্টি রাজনৈতিক মহলের।

ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ২৩ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন- উপজেলার বুরাইচ ইউনিয়নের টিকরপাড়া গ্রামের মো. লিটন মোল্লা (৩৩), একই ইউনিয়নের কটুরাকান্দি গ্রামের সবুজ মোল্লা (২৩) ও টাবনী গ্রামের আলী শরীফ (২০)।

ভুক্তভোগী নারীর এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই তরুণীর সঙ্গে মো. লিটন মোল্লার গত দুই মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে লিটন মোল্লা বিয়ের প্রলোভনে ওই তরুণীকে সবুজ মোল্লার বাড়িতে নিয়ে যান। পরে লিটন, সবুজ ও আলী শরীফ ওই তরুণীকে গণধর্ষণ করেন।

এদিকে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালিত ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে ওই তরুণী বাদী হয়ে ওই তিন ব্যক্তিকে আসামি মামলা দায়ের করেন। পরে বিকেলের মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে ‘

ওসি আরও বলেন, গ্রেফতার হওয়া তিন আসামিকে শুক্রবার আদালতে পাঠানো হবে।

“আধুনিকতার দূরত্ব মুছে ফিরে আসুক বিদ্যুৎহীন সন্ধ্যার উঠোনের আড্ডা”

শরিফুল ইসলাম
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
“আধুনিকতার দূরত্ব মুছে ফিরে আসুক বিদ্যুৎহীন সন্ধ্যার উঠোনের আড্ডা”

একসময় গ্রামবাংলার সন্ধ্যা ছিলো অন্যরকম এক পরিবেশ। বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকার নেমে এলে মানুষ একে একে জড়ো হতো কারও বাড়ির উঠোনে। শুরু হতো গানের আসর – কখনও ভাটিয়ালি, কখনও পালাগান, আবার কখনও মুর্শিদী গানে। আপন মুর্শিদের প্রতি আবেগে ঝড়তো চোখের জল।

সেই আসর ছিল না শুধু বিনোদনের জায়গা, বরং ছিল ইহলৌকিক ও পারলৌকিক সংযোগস্থল। দিনভর ক্লান্তি, দুঃখ-কষ্ট, অভিমান – সব কিছু মিলিয়ে যেত একসাথে বসার আনন্দে।

আজ প্রযুক্তির যুগে আমরা অনেক এগিয়েছি, কিন্তু সেই উঠোনভরা সম্প্রীতি যেন হারিয়ে গেছে। বিদ্যুতের আলো আমাদের ঘর আলোকিত করেছে ঠিকই, কিন্তু মানুষের মন যান্ত্রিক ও স্বার্থের আখরা বানিয়েছে । এখন প্রত্যেকে নিজ নিজ মোবাইল বা টেলিভিশনের পর্দায় ডুবে থাকে; পাশের মানুষের সাথে কথা বলার সময়ও যেন কমে গেছে।

গ্রামের সেই সন্ধ্যার গান আমাদের শিখিয়েছে – সম্পর্ক গড়তে বড় আয়োজন লাগে না, দরকার শুধু আন্তরিকতা আর একসাথে থাকার ইচ্ছা। সমাজে ভেদাভেদ, হিংসা, দূরত্ব কমাতে আবারও দরকার এমন ছোট ছোট উদ্যোগ।

হয়তো আমরা পুরোপুরি সেই দিনগুলো ফিরিয়ে আনতে পারব না, কিন্তু চেষ্টা করলে অন্তত মানুষের মাঝে হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসা আর ভ্রাতৃত্ববোধকে জাগিয়ে তুলতে পারি।

লেখক: সাংবাদিক, ফরিদপুর

‘ফেলো’ সম্মাননা পেলেন ফরিদপুর-৩ আসনের এমপি নায়াব ইউসুফ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
‘ফেলো’ সম্মাননা পেলেন ফরিদপুর-৩ আসনের এমপি নায়াব ইউসুফ

ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ দেশের সর্বোচ্চ কৌশলগত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) থেকে ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/১’ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। কোর্সটি সম্পন্ন করার মাধ্যমে তিনি ‘ফেলো অব দ্য ক্যাপস্টোন কোর্স’ হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন, যা দেশের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত।

রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গত ৫ এপ্রিল শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সমাপ্ত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যা কোর্সটির গুরুত্ব ও মর্যাদাকে আরও স্পষ্ট করে।

এনডিসির কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল এমডি ফয়জুর রহমান স্বাক্ষরিত সনদপত্রে উল্লেখ করা হয়, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নায়াব ইউসুফ জাতীয় নিরাপত্তা, কৌশলগত নেতৃত্ব, নীতি প্রণয়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনা বিষয়ে উচ্চতর জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তিরাই বেশি থাকেন, ফলে এখানে অর্জিত অভিজ্ঞতা বাস্তব নীতিনির্ধারণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ক্যাপস্টোন কোর্সটি মূলত দেশের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারক, সামরিক কর্মকর্তা, বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের জন্য বিশেষভাবে পরিকল্পিত একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।

এতে অংশগ্রহণকারীদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামো, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ভূরাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, সংকট ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

কোর্স চলাকালে বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা, গ্রুপ আলোচনা, কেস স্টাডি এবং বাস্তবভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা সমসাময়িক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে গভীরভাবে কাজ করার সুযোগ পান। এছাড়া নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সমন্বিত নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নায়াব ইউসুফ এই প্রশিক্ষণে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তার নেতৃত্বগুণ, বিশ্লেষণী দক্ষতা এবং নীতি নির্ধারণের সক্ষমতা আরও সমৃদ্ধ করেছেন। সহপাঠী ও প্রশিক্ষকদের মূল্যায়নেও তিনি একজন মনোযোগী ও দক্ষ অংশগ্রহণকারী হিসেবে প্রশংসিত হন।

ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নায়াব ইউসুফ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার এই নতুন অর্জন ভবিষ্যতে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।