খুঁজুন
সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১৬ চৈত্র, ১৪৩২

তেল মজুদ রেখেও বিক্রি বন্ধ—ভাঙ্গায় ফিলিং স্টেশন মালিককে জরিমানা

আব্দুল মান্নান মুন্নু, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
তেল মজুদ রেখেও বিক্রি বন্ধ—ভাঙ্গায় ফিলিং স্টেশন মালিককে জরিমানা

ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌর এলাকায় তেল মজুদ থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখার অভিযোগে একটি ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার (২৯ মার্চ) রাতে আতাদী এলাকার সুগন্ধা ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদরুল আলম। এ সময় ভাঙ্গা থানা পুলিশের একটি দল তাকে সহায়তা করে। অভিযানে দেখা যায়, ফিলিং স্টেশনটিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল মজুদ থাকা সত্ত্বেও ‘তেল নেই’ অজুহাতে পাম্পটি বন্ধ রাখা হয়েছে।

স্থানীয় ভোক্তাদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তারা জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারেননি। অনেকেই তেল না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হন। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে।

পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পাম্প মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে এবং দ্রুত জ্বালানি বিক্রি স্বাভাবিক করার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়।

এ বিষয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদরুল আলম জানান, “সুগন্ধা ফিলিং স্টেশনে তেল মজুদ থাকার পরও বিক্রি বন্ধ রাখায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা করা হয়েছে এবং স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

এদিকে একই রাতে পার্শ্ববর্তী কর্না ফিলিং স্টেশনেও অভিযান চালানো হয়। সেখানে তেল সরবরাহ না থাকায় পাম্পটি বন্ধ পাওয়া যায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তেল প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে পুনরায় কার্যক্রম চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের বাজার স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থ রক্ষায় অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

তেল সংকটে বাড়তে পারে সাপ্তাহিক ছুটি, সিদ্ধান্ত হতে পারে বৃহস্পতিবার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
তেল সংকটে বাড়তে পারে সাপ্তাহিক ছুটি, সিদ্ধান্ত হতে পারে বৃহস্পতিবার

দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জালানি তেলের ওপর সৃষ্টি হওয়া চাপের প্রভাব কমাতে এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। জ্বালানি খাতের ওপর চাপ কমাতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জালানি তেলের ওপর সৃষ্টি হওয়া চাপের প্রভাব কমাতে এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। জ্বালানি খাতের ওপর চাপ কমাতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠেয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। নতুন সরবরাহ কমে আসায় বিদ্যমান মজুত দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবছে বলে জানা গেছে।

একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা অথবা বাসা থেকে অফিস (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) কর্মসূচি চালুর বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

সূত্র জানিয়েছে, জ্বালানি সাশ্রয়ের উপায় খুঁজতে ইতোমধ্যে প্রতিটি সরকারি সংস্থাকে নিজস্ব সাশ্রয়ী প্রস্তাব তৈরি করতে বলা হয়েছে। আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনার পরই সাপ্তাহিক ছুটি বা অফিসের সময়সূচি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

পরিবহন খাতে জ্বালানির ব্যবহার কমাতে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছে সরকার। বিশেষ করে বড় শহরগুলোতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত কমিয়ে কীভাবে জ্বালানি সাশ্রয় করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে।

এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় রবিবার (২৯ মার্চ) সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ১১টি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মাঠ প্রশাসনের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই নির্দেশনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি অফিস কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

গণভোট অধ্যাদেশ ল্যাপস হয়ে গেছে, গণভোটের কার্যকারিতাও শেষ: আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
গণভোট অধ্যাদেশ ল্যাপস হয়ে গেছে, গণভোটের কার্যকারিতাও শেষ: আইনমন্ত্রী

বিশেষ কমিটির পর্যালোচনার পর ‘আপাতত’ ১৩৩টি অধ্যাদেশের কোনোটিই চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তবে ‘গণভোট অধ্যাদেশ’-এর বর্তমান আইনি অবস্থান নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি সুস্পষ্ট করে তিনি বলেছেন, ‘গণভোট অধ্যাদেশ তো ল্যাপস (তামাদি) হয়ে গেছে বা ইনফ্যাকচুয়াস (অকার্যকর) হয়ে গেছে। এর তো আর কার্যকারিতাই নেই। ওইটির অধীনে একটি গণভোট হয়েছিল, সেটির কার্যকারিতাও শেষ। আমরা বিষয়টিকে সেভাবেই দেখছি।’

রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সরকার সরাসরি বাতিলের পথে না হেঁটে একটি নিয়মতান্ত্রিক আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘১৩৩টি আইনের ওপর আমাদের বিশেষ কমিটির বিস্তারিত আলোচনার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, কোনো আইনই চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে না। আমরা এগুলোকে আরও যাচাই-বাছাই করে, স্টেকহোল্ডারদের (অংশীজন) সঙ্গে কথা বলে ফ্রেশ (নতুন) বিল আকারে পার্লামেন্টে আনব।’

আইন প্রণয়ন, সংশোধন বা বাতিলের সাংবিধানিক ও সংসদীয় রীতির বিষয়টিও মন্ত্রীর ব্রিফিংয়ে উঠে আসে। আইনগুলো কবে নাগাদ চূড়ান্ত হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে আগামী ২ তারিখের মধ্যে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন দেওয়ার কথা জানান আইনমন্ত্রী। পুরো প্রক্রিয়াটি ৩০ দিনের মধ্যে শেষ করার বিষয়ে আশ্বস্ত করে আইনি কাঠামোর ধাপগুলো তিনি তুলে ধরেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এই আইনগুলোকে বিল আকারে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। আইন মন্ত্রণালয় সেটি ভেটিং করার পর আমরা পার্লামেন্টে তুলব। এরপর পার্লামেন্ট সিদ্ধান্ত নেবে।’

যেসব বিল শেষ পর্যন্ত সংসদ অনুমোদন করবে না, সেগুলোর আইনি পরিণতি কী হবে, সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, “যেগুলো আমরা পাস করব না, সেগুলো ল্যাপস (তামাদি) হয়ে যাবে।” তবে ঠিক কয়টি আইন বা বিল যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পাঠানো হচ্ছে কিংবা শেষ পর্যন্ত কতগুলো বাতিল হতে পারে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা উল্লেখ করেননি তিনি। এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন আইনমন্ত্রী।

বিদ্যমান বিতর্কিত আইনগুলোর মধ্যে ‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট’ এবং নতুন সংস্কারের অংশ হিসেবে ‘পুলিশ কমিশন’ গঠনের বিষয়ে জনপরিসরে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী তাৎক্ষণিক বা সরাসরি কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন। তবে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, আইনি ও কাঠামোগত এই বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য ও দিকনির্দেশনা থাকবে।

সূত্র : বাংলা স্ট্রিম

সালথায় নসিমন-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল বৃদ্ধ’র

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
সালথায় নসিমন-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল বৃদ্ধ’র

ফরিদপুরের সালথায় নসিমন- ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ইকরাম মোল্লা (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ’র।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ইকরাম মোল্যা পাশ্ববর্তী বোয়ালমারী উপজেলার কুমড়োল গ্রামের মৃত আমির হোসেন মোল্লার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের কামরুল মেম্বারের বাড়ি সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর সালথার দিক থেকে আসা ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ও অপর দিকে যদুনন্দী থেকে আসা পিয়াজ ভর্তি নসিমন মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় ইজিবাইকে থাকা যাত্রী ইকরাম মোল্লা ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাকি ৪/৫ জন যাত্রী আহত হলে তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হযেছে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, সড়ক দূর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃতের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতপূর্বক পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

তিনি আরো বলেন, নসিমন গাড়ির ড্রাইভার দ্রুত ঘটনাস্থল হইতে কৌশলে পালিয়ে যায়। দুর্ঘটনা কবলিত ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ও নসিমন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। বর্তমানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।