খুঁজুন
, ,

তেল সংকটে বাড়তে পারে সাপ্তাহিক ছুটি, সিদ্ধান্ত হতে পারে বৃহস্পতিবার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
তেল সংকটে বাড়তে পারে সাপ্তাহিক ছুটি, সিদ্ধান্ত হতে পারে বৃহস্পতিবার

দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জালানি তেলের ওপর সৃষ্টি হওয়া চাপের প্রভাব কমাতে এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। জ্বালানি খাতের ওপর চাপ কমাতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জালানি তেলের ওপর সৃষ্টি হওয়া চাপের প্রভাব কমাতে এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। জ্বালানি খাতের ওপর চাপ কমাতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠেয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। নতুন সরবরাহ কমে আসায় বিদ্যমান মজুত দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবছে বলে জানা গেছে।

একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা অথবা বাসা থেকে অফিস (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) কর্মসূচি চালুর বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

সূত্র জানিয়েছে, জ্বালানি সাশ্রয়ের উপায় খুঁজতে ইতোমধ্যে প্রতিটি সরকারি সংস্থাকে নিজস্ব সাশ্রয়ী প্রস্তাব তৈরি করতে বলা হয়েছে। আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনার পরই সাপ্তাহিক ছুটি বা অফিসের সময়সূচি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

পরিবহন খাতে জ্বালানির ব্যবহার কমাতে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছে সরকার। বিশেষ করে বড় শহরগুলোতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত কমিয়ে কীভাবে জ্বালানি সাশ্রয় করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে।

এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় রবিবার (২৯ মার্চ) সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ১১টি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মাঠ প্রশাসনের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই নির্দেশনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি অফিস কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

ফরিদপুরে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ ও HPV টিকা নিয়ে সচেতনতা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ ও HPV টিকা নিয়ে সচেতনতা সভা

জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি (HPV) টিকার গুরুত্ব তুলে ধরে ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হলো সচেতনতামূলক কর্মসূচি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের বেগম রোকেয়া ছাত্রী হোস্টেলের হলরুমে এ সভার আয়োজন করে ‘স্বপ্নগড়ি ফাউন্ডেশন, ফরিদপুর’।

​কর্মসূচিতে কলেজের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

​অনুষ্ঠানে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যাপক আব্দুল হালিম মিয়ার সভাপতিত্বে এবং তুহিন বিন আলমগীরের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বপ্নগড়ি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ডা. মো. মিজানুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. সাবরিনা গিয়াস।

​মূল প্রবন্ধে ডা. সাবরিনা গিয়াস বলেন, “উচ্চঝুঁকির এইচপিভি সংক্রমণ জরায়ুমুখের ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান কারণ। কিশোরী বয়সে এই টিকা গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।” টিকার পাশাপাশি নির্দিষ্ট বয়সে নিয়মিত জরায়ুমুখের ক্যান্সার স্ক্রিনিং করার আহ্বান জানান তিনি। একই সাথে বাংলাদেশ সরকার নির্ধারিত বয়সের কিশোরীদের জন্য বিনামূল্যে এইচপিভি টিকা প্রদান করছে বলেও উল্লেখ করেন।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. মো. মিজানুর রহমান বলেন, জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো ও টিকাদানে উৎসাহিত করা জরুরি। আর্থিক কারণে কেউ যাতে বঞ্চিত না হন, সেজন্য স্বপ্নগড়ি ফাউন্ডেশন একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এই ফাউন্ডেশনের আওতায় দুটি এইচপিভি টিকা গ্রহণ করলে তৃতীয় টিকাটি বিনামূল্যে দেওয়া হবে।

​বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাজেন্দ্র কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর ওবায়দুর রহমান, সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর তারেক হোসাইন ও রাজবাড়ী কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল প্রফেসর আব্দুল হামিদ মোল্লা বলেন, ক্যান্সারের চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ বড়। তাই পরিবার ও সমাজে ইতিবাচক সচেতনতা সৃষ্টি করা দরকার।

​সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আব্দুল হালিম মিয়া বলেন, এই ধরনের আলোচনা শিক্ষার্থীদের নিজেদের সুরক্ষার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজকে সচেতন করার সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।

​অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বেগম রোকেয়া ছাত্রী হোস্টেলের হল সুপার, প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নারীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নারীর

ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মাসুদা বেগম (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয় জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে নতুন করে ২৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে ওই নারীর মৃত্যুর বিষয়টি জানা যায়।

এর আগে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে তার মৃত্যু হয়। মাসুদা বেগম ফরিদপুর শহরের আলিপুর এলাকার বাসিন্দা। জ্বর নিয়ে তিনি গত ২৬ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাসুদা বেগম ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।

সিভিল সার্জন জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ২৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত ১০৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ফরিদপুরে প্রায় ৭০০ জন ডেঙ্গু রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।

নগরকান্দায় উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

জাকির হোসেন, নগরকান্দা:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় ৬টি জাতের চারা গাছ বিতরণ ও রোপণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের আওতায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

​মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নগরকান্দার রামনগর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে চারা গাছগুলো স্থানীয় ইউপি সদস্যদের (মেম্বার) হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন চেয়ারম্যান মো. কায়মদ্দীন মন্ডল।

​অনুষ্ঠানে ইউপি চেয়ারম্যান মো. কায়মদ্দীন মন্ডল বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের বিকল্প নেই। বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় আমাদের বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। নিজ নিজ জায়গা থেকে পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আসা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।”

​তিনি ইউনিয়নের ফাঁকা রাস্তার পাশ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদসহ সুবিধাজনক স্থানে চারাগুলো রোপণের নির্দেশ দেন।

​চেয়ারম্যানের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ইউপি সদস্য মো. মুরাদ হোসেন বলেন, “পরিষদের সব সদস্য মিলে নির্দেশিত স্থানে চারাগুলো রোপণ করব। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও বাড়ির আশপাশের খালি জায়গায় গাছ লাগানোর আহ্বান জানাচ্ছি।”

​কর্মসূচিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ রামনগর ইউনিয়ন পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।