খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে খাল পুনঃখনন দেখিয়ে বন বিভাগের দুই শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে খাল পুনঃখনন দেখিয়ে বন বিভাগের দুই শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সরকারি খাল পুনঃখনন প্রকল্পকে ঘিরে বন বিভাগের সামাজিক বনায়নের কয়েকশ গাছ কেটে ফেলার অভিযোগে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, খাল খননের প্রয়োজনের অতিরিক্ত গাছ কেটে প্রভাবশালীরা তা লোপাট করেছে। এ ঘটনায় রাজনৈতিক প্রভাব, বন বিভাগের তদারকির দুর্বলতা এবং সামাজিক বনায়ন কমিটির ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের তীর উঠেছে স্থানীয় রাজনৈতিক বিএনপি নেতাদের দিকেও। যদিও ওই নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের নদীয়ারচাঁদ এলাকার ‘মধুমতি নদী থেকে কামারগ্রাম সুইচগেট পর্যন্ত’ প্রায় দুই কিলোমিটার খালের পুনঃখনন কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় বোয়ালমারীতে তিনটি খাল পুনঃখননের কাজ হচ্ছে। এর মধ্যে এই খালটির কাজ ঘিরেই সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক।

সোমবার (১৮ মে) এ ঘটনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শিব্বির আহমেদকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী শনিবার (২৩ মে) সরেজমিন তদন্ত কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তদন্তে কতগুলো গাছ কাটা হয়েছে, প্রয়োজনের অতিরিক্ত গাছ কাটা হয়েছে কিনা এবং কারা জড়িত, এসব বিষয় খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ফরিদপুর বন বিভাগের উদ্যোগে গুনবহা ইউনিয়নের তালতলা থেকে ভেন্নাতলা বাজার পর্যন্ত সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১০ হাজার গাছ রোপণ করা হয়। দীর্ঘদিনে নদের খালের দুই পাড়জুড়ে গড়ে ওঠে সবুজ বেষ্টনী। ওইসব গাছের মধ্যে অধিকাংশই ছিল মেহগনি ও শিশু প্রজাতির।

অভিযোগ উঠেছে, খাল পুনঃখননের সময় খালের দক্ষিণ পাড় থেকে অন্তত দুই থেকে তিন শতাধিক গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী কাটা গাছ বন বিভাগের জিম্মায় জমা না দিয়ে সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “খাল কাটার নামে বৃক্ষ নিধন” শিরোনামে ভিডিও ও পোস্ট ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।

এরপর গত রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রাকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে সামাজিক বনায়ন কমিটির সভাপতি ও নদেরচাঁদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হেমায়েতউদ্দিনের বাড়ি থেকে কেটে ফেলা প্রায় শতাধিক গাছের কান্ড ও গুড়ি জব্দ করা হয়। ঘটনার পর থেকেই হেমায়েতউদ্দিন পলাতক রয়েছেন বলে সূত্র জানায়।

স্থানীয়ভাবে অভিযোগ উঠেছে, গুনবহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলামের সমর্থকরাই গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত। তবে তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, খাল খনন প্রকল্পের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত থাকলেও গাছ কাটার ঘটনায় তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এদিকে বন বিভাগের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গাছ না কেটেও খাল খনন করা যেত। তাতে খাল থেকে যে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে, সেই মাটি ধরে রাখতে গাছ থাকলে আরো ভালো হয়।

উপজেলা বন কর্মকর্তা দীন মোহাম্মদ মোল্লা বলেন, খাল ও খালপাড়ের গাছ পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু ক্ষেত্রে খননকাজের সুবিধার্থে গাছ অপসারণের প্রয়োজন হতে পারে, তবে নিয়মের বাইরে কোনো কর্মকান্ড গ্রহণযোগ্য নয়। বন বিভাগ থেকে কাউকে গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের কথা প্রথমদিকে তো শুনতেই চান না তারা, পরে না হয় আপনারা লেখালেখি করার কারণে হইতো সম্ভব হয়েছে গাছ কাটা ঠেকানো।

বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রাকিবুল ইসলাম বলেন, বোয়ালমারী পাট উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। খালে পানি না থাকায় কৃষকরা পাট জাগ দিতে সমস্যায় পড়ছেন। খাল খননের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ সম্ভব হলে কৃষকরা উপকৃত হবেন। তবে নিয়মের বাইরে কোনো গাছ কাটা হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি জমির গাছ কেউ ব্যক্তিগতভাবে নিতে পারবে না; নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

ফরিদপুর বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বন বিভাগের অনুমোদন ছাড়া কোনো গাছ কাটার সুযোগ নেই। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, উদ্ধারকৃত গাছের গুড়ি গুলি নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।

ফরিদপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল-প্রাইভেটকার শোভাযাত্রা

মানিক কুমার দাস, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ৯:২০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল-প্রাইভেটকার শোভাযাত্রা

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফরিদপুরে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থকদের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আকাশি-সাদা জার্সি, হাতে আর্জেন্টিনার জাতীয় পতাকা আর প্রিয় দলের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে শহরের বিভিন্ন সড়ক।

শুক্রবার (০৩ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে শহরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের সামনে থেকে আর্জেন্টিনা সমর্থক গোষ্ঠীর উদ্যোগে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়। এতে শতাধিক মোটরসাইকেল এবং একাধিক প্রাইভেট কার অংশ নেয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার নির্ধারিত স্থানে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া সমর্থকদের অধিকাংশের গায়ে ছিল আর্জেন্টিনা দলের জার্সি। কেউ জাতীয় পতাকা উড়িয়েছেন, কেউ আবার প্রিয় খেলোয়াড়দের ছবি সংবলিত ব্যানার ও পতাকা বহন করেছেন। পুরো আয়োজনে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, যা পথচারীদেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

আয়োজকদের দাবি, ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা এবং প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানাতেই তাদের এ ব্যতিক্রমী আয়োজন। তারা বলেন, গত বিশ্বকাপের মতো এবারও আর্জেন্টিনা দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে শিরোপা জিতবে বলে তারা আশাবাদী।

সমর্থকদের অনেকেই জানান, বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের মধ্যকার একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ দেখতে চান তারা। তাদের ভাষায়, ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই দুই দলের মধ্যে, আর এমন একটি ফাইনাল বিশ্বকাপকে আরও স্মরণীয় করে তুলবে।

শোভাযাত্রা ঘিরে শহরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন স্থান থেকে সাধারণ মানুষ শোভাযাত্রা উপভোগ করেন এবং অনেকেই মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এমন আয়োজন আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

ফরিদপুরের সদরপুরে কালেমা খচিত পতাকার মিছিল

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের সদরপুরে কালেমা খচিত পতাকার মিছিল

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় কালেমা খচিত সাদা পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, এ আয়োজনের মাধ্যমে মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ইসলামী চেতনা আরও উজ্জীবিত হবে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে সদরপুর সর্বস্তরের মুসলিম জনতার ব্যানারে উপজেলা সদরের বিশ্ব জাকের মঞ্জিল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি সদর বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিলে বিভিন্ন বয়সী প্রায় দুই শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন। তাদের হাতে কালেমা খচিত সাদা পতাকা ও বিভিন্ন ধর্মীয় স্লোগানসংবলিত ব্যানার দেখা যায়।

সভায় উপজেলা পরিষদের পেশ ইমাম মাওলানা আমির হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় কালিমার পতাকা অবমাননা হয়েছে। কোন ভাবেই এ পতাকার অবমাননা বরদাস্ত করা হবে না।

কর্মসূচির আয়োজক মুফতি মোহাম্মদ জাকির হুসাইন ফরিদী বলেন, এই আয়োজনের উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া নয়। মানুষের মধ্যে ইসলামের মৌলিক শিক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও কালেমার গুরুত্ব তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের উদ্যোগ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসকে আরও উজ্জীবিত করবে।

টাকা দিতে অস্বীকৃতি, ফরিদপুরে ব্যবসায়ীর দুই হাত কুপিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
টাকা দিতে অস্বীকৃতি, ফরিদপুরে ব্যবসায়ীর দুই হাত কুপিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কোড়কদী এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে নগদ ১ লাখ ৯২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুইজনকে আসামি করে মধুখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

শুক্রবার (০৩ জুলাই) বিকেলে আহত ব্যবসায়ী রনি শেখের বাবা খালেক শেখ বাদী হয়ে মধুখালী থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কোড়কদী গ্রামের বাসিন্দা রনি শেখ (৩০) স্থানীয় কোড়কদী বাজারে বিকাশ, নগদ, ফ্লেক্সিলোড ও কসমেটিকসের ব্যবসা করেন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টা ১৫ মিনিটে তিনি দোকান বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কোড়কদী এলাকার ভেজাল মণ্ডল ও গোসাই চন্দ্র সরকারের বাড়ির মাঝামাঝি সরকারি পাকা সড়কে পৌঁছালে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে। অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা প্রথমে রনির কাছে থাকা টাকা দাবি করে। তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে থাকা ধারালো চাপাতি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ডান ও বাম হাতের ওপর এলোপাতাড়ি কোপ দেওয়া হয়। পরে তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়।

একপর্যায়ে রনি শেখ মাটিতে লুটিয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলে তার সঙ্গে থাকা ব্যবসার নগদ ১ লাখ ৯২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আকাশ বিশ্বাস (২৫), পিতা- মৃত নিপেন্দ্র বিশ্বাস, সাং- কোড়কদী মাঝিপাড়া এবং জিহাদ শেখ (২৭), পিতা- আক্কাচ শেখ, সাং- কোড়কদী বাবুপাড়াকে নামীয় আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও দুইজনকে আসামি করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, কিছুক্ষণ পর ওই সড়ক দিয়ে সাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় বাসিন্দা মিলন বিশ্বাস আহত রনি শেখকে রাস্তার পাশে ঘাসের মধ্যে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে রনি শেখকে উদ্ধার করে দ্রুত মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিছুটা সুস্থ হলে রনি শেখ তার ওপর হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনার বিস্তারিত পরিবারের সদস্যদের জানান। পরে এলাকাবাসী ও স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে শুক্রবার বিকেলে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় বলে জানান বাদী।

এ বিষয়ে মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকদেব রায় বলেন, “এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”