খুঁজুন
শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ২৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

প্রবাসে রুটি-রুজির লড়াই, শেষ হলো দিপালীর জীবনের গল্প

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
প্রবাসে রুটি-রুজির লড়াই, শেষ হলো দিপালীর জীবনের গল্প

অভাব-অনটনের সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরানোর স্বপ্ন নিয়ে হাজার মাইল দূরের দেশ লেবাননে পাড়ি জমিয়েছিলেন ফরিদপুরের চরভদ্রাসনের দরিদ্র পরিবারের মেয়ে দিপালী (৩৪)। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের বলি হয়ে বৈরুতে বোমা হামলায় প্রাণ হারাতে হলো তাকে। দীর্ঘ এক মাস পর শুক্রবার (৮ মে) দেশে ফিরেছে তার মরদেহ। স্বজনদের আহাজারি আর এলাকাবাসীর অশ্রুসিক্ত বিদায়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন দিপালী।

জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল দিবাগত রাতে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দিপালীর মৃত্যু হয়। শুক্রবার সকালে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো এলাকায়।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ নেওয়া হয় দোহারের মৈনুট ঘাটে। পরে ট্রলারে করে চর শালেপুর মান্দারতলা ঘাটে পৌঁছানো হয়। সেখান থেকে ঘোড়ার গাড়িতে করে দিপালীর মরদেহ নেওয়া হয় মুন্সিরচর গ্রামের বাড়িতে।

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে বাড়ির পাশের মুন্সিরচর ঈদগাহ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় দুই শতাধিক মানুষ অংশ নেন। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন চরভদ্রাসন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) যায়েদ হোছাইন, ফরিদপুর প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের সহকারী পরিচালক আশিক সিদ্দিকী, প্রশিক্ষণ সেবা কর্মকর্তা শিমুল মাহামুন, অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রাম (ওকাপ)-এর ফিল্ড অফিসার মো. রেজাউল করিম, চরহরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর কবির এবং সাবেক চেয়ারম্যান কে এম ওবায়দুল বারী দিপু।

জানাজার আগে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) যায়েদ হোছাইনের মুঠোফোনের লাউডস্পিকারে দিপালীর বাবার সঙ্গে কথা বলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম। এ সময় তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, “আমাদের বোন দিপালী আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেছেন। তাকে আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। যেকোনো প্রয়োজনে প্রশাসন সবসময় আপনাদের পাশে থাকবে।”

পরিবার জানায়, দিপালী পরিবারের আর্থিক সংকট দূর করতে প্রথম ২০১১ সালে বিদেশে যান। কয়েক বছর পর দেশে ফিরে এলেও অভাব-অনটনের কারণে ২০২৪ সালে আবারও লেবাননে পাড়ি জমান। সেখানে একটি পরিবারের গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন তিনি।

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে গৃহকর্তার পরিবারের সঙ্গে বৈরুতে আশ্রয় নিয়েছিলেন দিপালী। কিন্তু সেই আশ্রয়স্থলই শেষ পর্যন্ত তার জন্য মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়।

  • দিপালী চরভদ্রাসন উপজেলার পূর্ব চরশালেপুর গ্রামের বাসিন্দা সেক মুকারের মেয়ে। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অবিবাহিত ছিলেন।

“বুন রে… তুই তো বলছিলি আবার বাড়ি আসবি… এভাবে আসবি ক্যান রে বুন..”,

নুর ইসলাম, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
“বুন রে… তুই তো বলছিলি আবার বাড়ি আসবি… এভাবে আসবি ক্যান রে বুন..”,

“ওরে বুনে, বুনে রে… আমার বুনের এমন হওয়ার কথা ছিলো রে… ওরে বুনে রে..”
বারবার বুক চাপড়ে এভাবেই চিৎকার করে কাঁদছিলেন লাইজু আক্তার। পাশে কাঠের কফিনে শুয়ে আছে তার বড় বোন দিপালী আক্তারের নিথর দেহ। দীর্ঘ এক মাস অপেক্ষার পর বোনকে ফিরে পেয়েছেন ঠিকই, কিন্তু জীবিত নয়, সাদা কাফনে মোড়ানো নিথর দেহ হয়ে।

শুক্রবার (০৮ মে) সকালে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল পূর্ব শালেপুর মুন্সিরচর গ্রামে এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্যে দেখা যায়। লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত বাংলাদেশি নারী শ্রমিক দিপালী আক্তারের (৩৪) মরদেহ যখন গ্রামের বাড়ির উঠোনে পৌঁছায়, তখন পুরো এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।

নিস্তব্ধ চরাঞ্চলের কাঁচা পথ। চারদিকে ভোরের শীতল হাওয়া। সেই নির্জন চরে ঘোড়ার গাড়িতে করে বয়ে আনা হচ্ছিল দিপালীর কফিন। ট্রলার থেকে নামিয়ে আদারচর ঘাট পেরিয়ে যখন মরদেহটি গ্রামের দিকে নেওয়া হচ্ছিল, তখন ঘোড়ার গাড়ির পাশে হাঁটছিলেন স্বজনরা। কারও চোখে পানি, কারও মুখে নীরবতা। শুধু ছোট বোন লাইজুর কান্না বারবার ভেঙে দিচ্ছিল সেই নিস্তব্ধতা।

“বুন রে… তুই তো বলছিলি আবার বাড়ি আসবি… এভাবে আসবি ক্যান রে বুন..”, কফিন লাশ, আর পাশেই কবর খুঁড়ার সময় এভাবে বিলাপ করছিলেন তিনি। উপস্থিত গ্রামবাসী, স্বজন, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের লোকজনের মধ্যে অনেকেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দিপালীর মরদেহবাহী উড়োজাহাজ অবতরণ করে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাবা শেখ মুকা, বড় ভাই শেখ ওবায়দুল্লাহ ও ছোট বোন লাইজু আক্তার। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সরকারি ব্যবস্থাপনায় অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ নিয়ে রাতেই গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তারা। রাত সাড়ে তিনটার দিকে পৌঁছান ঢাকার দোহার উপজেলার মৈনট ঘাটে। ভোর হওয়ার অপেক্ষার পর ট্রলারে করে পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে চরভদ্রাসনের আদারচর ঘাটে পৌঁছানো হয়। এরপর শুরু হয় শেষ যাত্রার সবচেয়ে বেদনাদায়ক অংশ, ঘোড়ার গাড়িতে করে নির্জন চর পেরিয়ে বাবার ভিটায় ফেরা।

সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ির উঠোনে পৌঁছায় দিপালীর মরদেহ। কফিন নামানোর সঙ্গে সঙ্গে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা-বাবা, ভাই-বোন ও স্বজনরা। কেউ মাথায় হাত দিয়ে বিলাপ করছেন, কেউ কফিনে হাত রেখে নির্বাক দাঁড়িয়ে আছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিপালী ছিলেন পরিবারের একমাত্র ভরসা। ছোটবেলা থেকেই অভাবের সংসারে বড় হয়েছেন তিনি। পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে খুব অল্প বয়সেই বিদেশে পাড়ি জমান। লেবাননে গৃহকর্মীর কাজ করে বছরের পর বছর সংসারের হাল ধরেছিলেন। তার পাঠানো টাকায় চলত পুরো পরিবার।

ছোট বোন লাইজু আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার বোনটা নিজের সুখের কথা কখনো ভাবেনি। শুধু পরিবারের জন্য কষ্ট করেছে। এত বছর বিদেশে থেকেও বলত, ‘তোদের জন্যই সব করছি।’ আজ সেই বোনটাই লাশ হয়ে ফিরল।”

জানা গেছে, ২০১১ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে লেবাননে পাড়ি জমান দিপালী। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে তিনিই ছিলেন পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। গত ৮ এপ্রিল বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় গুরুতর আহত হন তিনি। পরে রফিক হারিরি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। যুদ্ধাবস্থা ও আন্তর্জাতিক আনুষ্ঠানিকতার কারণে মরদেহ দেশে ফিরতে সময় লাগে প্রায় এক মাস।

শুক্রবার (৮ মে) সকাল ১০টায় নিজ বাড়িতে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও শত শত গ্রামবাসী অংশ নেন। পরে সকাল ১১টার দিকে বাবার ভিটার পাশেই দাফন করা হয় দিপালীকে।

দাফনের সময়ও থামছিল না লাইজুর কান্না। কবরের পাশে দাঁড়িয়ে বারবার বলছিলেন, “ওরে বুনে রে… তুই এত দূরে গিয়া আর ফিরলি না রে..”

যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন থেকে দিপালীর শেষ ফেরা যেন শুধু একটি মরদেহের প্রত্যাবর্তন নয়, এটি এক প্রবাসী নারীর অপূর্ণ স্বপ্ন, এক পরিবারের ভাঙা নির্ভরতা আর এক বোনের আজীবনের কান্নার গল্প হয়ে থাকবে ভবিষ্যতে।

ফরিদপুরে হামের ভয়াবহ থাবা: চার মাসে আক্রান্ত ১ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ১০

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে হামের ভয়াবহ থাবা: চার মাসে আক্রান্ত ১ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ১০

ফরিদপুরে হামের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশুদের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও এ রোগ ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বেগ বাড়ছে স্বাস্থ্য বিভাগে। চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় ১ হাজার ৬৫ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ইতোমধ্যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

শুক্রবার (০৮ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আরও ৫৪ জন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে এ সময়ে নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলাভিত্তিক আক্রান্তের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে সালথা উপজেলায়। সেখানে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ২০ জন। এছাড়া বোয়ালমারীতে ১৪ জন, সদরপুরে ১২ জন, আলফাডাঙ্গায় ১০ জন, ভাঙ্গায় ৮ জন, ফরিদপুর সদরে ৫ জন, চরভদ্রাসনে ৪ জন, মধুখালীতে ৩ জন এবং নগরকান্দায় ২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

হাম আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দুই হাসপাতালেই রোগীর চাপ বাড়ছে।

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে নতুন ভর্তি হয়েছেন ১৫ জন রোগী। আগে ভর্তি ছিলেন আরও ৪০ জন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ৫৫ জন হাম আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ১৩ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ পর্যন্ত হাসপাতালটি থেকে মোট ২২৪ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন।

অন্যদিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৩৯ জন এবং পুরাতন রোগী রয়েছেন ৪৬ জন। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৮৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটি থেকে ২৮ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ পর্যন্ত মোট ৬০৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, জেলায় বর্তমানে দুই হাসপাতালে মোট ১৪০ জন হাম আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোতে পৃথক ওয়ার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো টিকা গ্রহণ না করলে শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও আক্রান্ত হতে পারেন। তাই অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে এবং শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করতে হবে।”

কবিগুরুর জন্মবার্ষিকীতে ফরিদপুরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
কবিগুরুর জন্মবার্ষিকীতে ফরিদপুরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুরে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৮ মে) সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ফরিদপুর শহরের বাংলাদেশ শিশু একাডেমি অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিন্টু বিশ্বাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. রায়হান গফুর, সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ এস এম আব্দুল হালিম, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিষ্ণুপদ ঘোষাল, ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মফিজ ইমাম মিলন এবং নাট্যকুঞ্জের সভাপতি নীরব ইমতিয়াজ শান্ত। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন, সাহিত্যকর্ম এবং বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে তাঁর অসামান্য অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে স্থানীয় শিশু শিল্পীদের অংশগ্রহণে আবৃত্তি, নৃত্য ও সংগীত পরিবেশিত হয়। পাশাপাশি শিল্পকলা একাডেমি ও শিশু একাডেমির প্রতিযোগীরাও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নিয়ে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন।