খুঁজুন
রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬ বৈশাখ, ১৪৩৩

ফরিদপুরের ডিসি অফিসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, সুযোগ পাচ্ছে ৯ জন নিরাপত্তা প্রহরী

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের ডিসি অফিসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, সুযোগ পাচ্ছে ৯ জন নিরাপত্তা প্রহরী

ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখা থেকে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে জনবল নিয়োগের জন্য দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ভূমি সংস্কার বোর্ডের নির্দেশনা এবং “আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবা গ্রহণ নীতিমালা, ২০২৫” অনুসরণ করে জেলার ৯টি উপজেলা ভূমি অফিসের জন্য নিরাপত্তা প্রহরী (নৈশ প্রহরী) পদে জনবল সরবরাহ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ক্যাটাগরি-৫ এর আওতায় মোট ৯ জন নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগ দেওয়া হবে। এ পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে এবং ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণি পাস থাকতে হবে। তবে সরাসরি ব্যক্তিগত নিয়োগ নয়, বরং সরকার অনুমোদিত নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে জনবল সরবরাহ করা হবে।

আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে জেলা প্রশাসক, ফরিদপুর-এর অনুকূলে এক হাজার টাকার পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে আগামী ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে অফিস চলাকালীন সময়ে দরপত্র সংগ্রহ করতে হবে। ফটোকপি গ্রহণযোগ্য হবে না। জমাকৃত দরপত্র ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখ দুপুর ১টার মধ্যে সিলগালা খামে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখায় জমা দিতে হবে। একই দিন দুপুর আড়াই টায় দরপত্র উপস্থিত দরদাতাদের সামনে খোলা হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সেবাকর্মীদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে এবং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সার্ভিস চার্জ ন্যূনতম ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগের ক্ষেত্রে আনসার সদস্যদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

দরপত্রে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকে বৈধ ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট নিবন্ধন, আয়কর সনদ এবং সরকারি প্রকল্পে কমপক্ষে তিন বছরের জনবল সরবরাহের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা অনুযায়ী লাইসেন্স নবায়ন বাধ্যতামূলক।

চুক্তির মেয়াদ ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়োজিত কর্মীদের পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি সম্পাদনের পরই জনবল কাজে যোগ দিতে পারবে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে এবং কর্তৃপক্ষ যেকোনো দরপত্র গ্রহণ বা বাতিলের পূর্ণ অধিকার সংরক্ষণ করে।

নামাজে রাকাত সংখ্যা ভুলে গেলে করণীয়

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৯ পূর্বাহ্ণ
নামাজে রাকাত সংখ্যা ভুলে গেলে করণীয়

আল্লাহতায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন শুধু তাঁর ইবাদতের জন্য। আর ইবাদতের শ্রেষ্ঠতম রূপ হলো নামাজ। নামাজ শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং সামাজিক ও আধ্যাত্মিক জীবনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘নামাজ হলো দ্বীনের স্তম্ভ।’ অর্থাৎ, নামাজ ছাড়া ধর্মের ভিত্তি গড়ে ওঠে না।

রাসুল (সা.)-এর ভাষায়, ‘আমার চোখের স্নিগ্ধতা বা প্রশান্তি রয়েছে নামাজে।’ এ থেকেই বোঝা যায়, নামাজ শুধু শরীয়তের বিধান নয়, বরং তা একজন মুমিনের আত্মিক প্রশান্তির উৎস।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে’ (সুরা আনকাবুত : ৪৫)। অর্থাৎ, প্রকৃত নামাজি সব ধরনের অশ্লীলতা ও অনৈতিকতা থেকে নিজেকে দূরে রাখেন।

তাই নিজেকে প্রকৃত নামাজি হিসেবে গড়ে তুলতে নামাজে একাগ্রতা অবলম্বন করতে হবে। এমনভাবে নামাজ পড়তে হবে, যেন আল্লাহ আমাকে দেখছেন। হাদিসে এসেছে, ‘আল্লাহর ইবাদত করো এমনভাবে, যেন তাঁকে তুমি দেখতে পাচ্ছ। আর যদি দেখতে না পাও, তবে তিনি যেন তোমাকে দেখছেন।’ (বোখারি : ৫০, মুসলিম : ৮)

কিন্তু অনেক নামাজি প্রায় একটা সমস্যায় ভুগে থাকেন। সেটা হলো, মাঝেমধ্যেই নামাজের রাকাত সংখ্যা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন। আদায়কৃত নামাজ তিন রাকাত হলো না চার রাকাত হলো, বিষয়টি মনে করতে পারেন না। আবার অনেকের নামাজের ভেতরেই সন্দেহ তৈরি হয়। ফলে কেউ সন্দেহ নিয়ে নামাজ শেষ করেন। আবার কেউ নতুন করে নামাজ আদায় করে থাকেন। এই অবস্থায় কীভাবে নামাজ আদায় করতে হবে, ফরিদপুর প্রতিদিনের পাঠকদের জন্য তা সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো—

ফুক্বাহায়ে কেরাম বলছেন, কেউ যদি এমন সমস্যার মুখোমুখি হন, তবে তিনি চিন্তা করে দেখবেন যে, তিনি আসলে কত রাকাত পড়েছেন। তখন প্রবল ধারণা যেটির পক্ষে সায় দেবে, তার ওপর ভিত্তি করে বাকি নামাজ পূর্ণ করবেন। আর যদি নামাজের রাকাতসংখ্যার ব্যাপারে প্রবল ধারণা না হয়, তাহলে কম সংখ্যাটা ধরবেন এবং এ হিসেবে বাকি নামাজ পূর্ণ করে সিজদা সাহু দেবেন

প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, নামাজে কত রাকাত পড়েছেন আপনার সন্দেহ হচ্ছে— তিন রাকাত নাকি চার রাকাত। এ ক্ষেত্রে প্রথম কথা হলো, যদি আপনার প্রবল ধারণা হয়, আমার কমেরটাই বেশি মনে হচ্ছে, অর্থাৎ তিন আর চারের মধ্যে সন্দেহকালে তিন রাকাতই বেশি মনে পড়ছে, তবে এ অবস্থায় আরেক রাকাত পড়ে সিজদা সাহু করে নেবেন। আর যদি দুটোই সমান সমান মনে হয়, অর্থাৎ তিনের পক্ষে মন টানে আবার চারের পক্ষেও মন টানে, তাহলে কমটা ধরে আরও এক রাকাত পড়ে সিজদা সাহু দিয়ে নামাজ শেষ করবেন। নামাজ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

হাদিস শরিফে হজরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কারো যদি নামাজের মধ্যে সন্দেহ হয়, ফলে সে জানে না যে এক রাকাত পড়ল না কি দুই রাকাত, তাহলে সে যেন এক রাকাত ধরে নিয়ে নামাজ পড়ে। আর যদি দুই রাকাত পড়ল না তিন রাকাত, তা না জানে তাহলে যেন দুই রাকাত ধরে নামাজ পড়ে এবং (এসব ক্ষেত্রে) সালাম ফেরানোর পূর্বে দুটি সিজদা আদায় করে (অর্থাৎ সিজদা সাহু করে)।’ (তিরমিজি : ৩৯৮)

শুক্রবারে মারা গেলে কি কবরের আজাব মাফ হয়?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩০ পূর্বাহ্ণ
শুক্রবারে মারা গেলে কি কবরের আজাব মাফ হয়?

শুদ্ধতা আর শুভ্রতার মহোৎসবে পরিপূর্ণ দিবসের নাম শুক্রবার। পুরো সপ্তাহের ক্লান্ত দেহ, অতৃপ্ত মন এ দিনটিতে সুখের পরশে জেগে ওঠে। উল্লাসে মাতে। হাদিস শরিফে এসেছে, জুমার দিন কেবল মোহাম্মদি উম্মাতেরই বৈশিষ্ট্য।

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতকে জুমার দিন সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা অজ্ঞ রেখেছেন। ইহুদিদের ফজিলতপূর্ণ দিবস ছিল শনিবার। খ্রিষ্টানদের ছিল রোববার। অতঃপর আল্লাহ তায়ালা আমাদের দুনিয়ায় পাঠালেন এবং জুমার দিনের ফজিলত দান করলেন। সিরিয়ালে শনি ও রোববারকে শুক্রবারের পেছনে রাখা হয়েছে। কারণ, দুনিয়ার এই সিরিয়ালের মতো কেয়ামতের দিনও ইহুদি-খ্রিষ্টানরা মুসলমানদের পেছনে থাকবে। আমরা উম্মত হিসেবে সবার শেষে এলেও কেয়ামতের দিন সবার ওপরে থাকব। (মুসলিম : ১৪৭৩)

জুমাবারের ফজিলত সম্পর্কে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন ফরজ গোসলের মতো গোসল করে এবং প্রথম প্রহরে মসজিদে যায়, সে যেন একটি উট কোরবানি করল। দ্বিতীয় প্রহরে গেলে গরু কোরবানির সওয়াব, তৃতীয় প্রহরে গেলে ভেড়া, চতুর্থ প্রহরে গেলে মুরগি এবং পঞ্চম প্রহরে গেলে ডিম কোরবানির সওয়াব পাবে। এরপর যখন ইমাম খুতবা দিতে মিম্বারে ওঠেন, তখন ফেরেশতারা আর আমল লেখেন না, তারা খুতবা শুনতে থাকেন। (বোখারি : ৮৮১)

কিন্তু আমাদের সমাজে অনেকে জুমার দিনের অতিরিক্ত গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে বলেন, ‘এ দিন কেউ মৃত্যুবরণ করলে তার কবরের সব আজাব মাফ। তিনি বিনা হিসেবে জান্নাতে চলে যাবেন।’

চলুন, জেনে নিই শরিয়তের এই কথার বাস্তবতা কতটুকু—

হাদিসের ভাষ্য

আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে মুসলমান জুমার দিনে কিংবা জুমার রাতে মৃত্যুবরণ করবে, নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা তাকে কবরের ফিতনা থেকে বাঁচিয়ে রাখবেন। (তিরমিজি : ১০৯৫)

ইসলামি স্কলারদের ভাষ্য

উল্লিখিত হাদিসের আলোকে ইসলামি স্কলাররা বলছেন, শুক্রবারে মৃত্যুবরণ করলে বিনা হিসাবে জান্নাত বা কিয়ামত পর্যন্ত কবরের আজাব মাফ এ কথা বলার কোনো সুযোগ নেই।

এ সম্পর্কে মুল্লা আলী কারী (রহ.) বলেন, জুমার দিনে বা রাতে যে মারা যাবে, তার থেকে কবরের আজাব উঠিয়ে নেওয়ার কথা প্রমাণিত। তবে কিয়ামত পর্যন্ত আজাব আর ফিরে আসবে না এ কথার কোনো ভিত্তি আমার জানা নেই (মিনাহুর রাওদিল আযহার ফি শরহি ফিকহিল আকবার : পৃষ্ঠা ২৯৫-২৯৬)।

একইভাবে কথা বলেছেন খ্যাতিমান ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহও। নিজের ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত; এই সময়ে মধ্যে কোনো মুসলিম ব্যক্তির মৃত্যু হলে আল্লাহ তায়ালা তাকে বিশেষ মর্যাদা দিয়ে থাকেন। অর্থাৎ তাকে কবরের আজাব ও ফিতনা থেকে মুক্তি দান করেন। আর স্বাভাবিকতই কেউ যদি কবরের অজাব থেকে মুক্তি লাভ করেন, তাহলে কিয়ামতের দিনের হাশরের মাঠে হিসাব-নিকাশ তার জন্য সহজ হয়ে যাবে বলে আশা করা যায়।

আহমাদুল্লাহ জানান, এ সম্পর্কে তিরমিজি শরিফে উসমান ইবনে আওফান (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কবর হলো আখিরাতের ঘাঁটিগুলোর মধ্যে প্রথম ঘাঁটি। এই ঘাঁটিতে যদি কারও জন্য প্রশ্নোত্তর সহজ করে দেওয়া হয়, এই ঘাঁটিতে যদি কেউ কোনো বড় বিপদে না পড়েন অর্থাৎ সহজেই পার পেয়ে যান, তাহলে পরবর্তী ধাপগুলো ও তিনি সহজেই উত্তীর্ণ হতে পারবেন; সেই আশা করা যায়। আর যদি কবরের ঘাঁটি কারও জন্য কঠিন হয়ে যায়, তাহলে পরবর্তী যে ধাপগুলো রয়েছে সেগুলো আরও কঠিন হবে।

এই হাদিসগুলোর আলোকে আশা বোঝা যায়, জুমার দিনে কারও মৃত্যু হলে সেটা একটি ভালো বা শুভ সংকেত। অর্থাৎ বলা যায়, সেই ব্যক্তি ভালো মৃত্যুবরণ করলেন এবং এর ফলে তার আখিরাতের প্রতিটি ধাপ তার জন্য সহজ হবে আশা করা যায়। তবে একটি কথা মনে রাখতে হবে, আমরা নিশ্চিত করে বলতে পারি না যে জুমার দিনে কেউ মৃত্যুবরণ করলে তিনি সরাসরি জান্নাতে যাবেন এবং তার কবর আজাব কেয়ামত পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। হ্যাঁ, সেই মৃত ব্যক্তির জন্য সুধারণা রাখা ভালো।

সূত্র : কালবেলা

বজ্রপাত থেকে বাঁচার দোয়া ও তাসবিহ

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৯ পূর্বাহ্ণ
বজ্রপাত থেকে বাঁচার দোয়া ও তাসবিহ

বর্ষাকালে প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বজ্র-নিনাদের কারণে মানুষ আতঙ্কিত হয়। এটি কখনো কখনো কারো প্রাণ কেড়ে নেয়। কাউকে আবার অসুস্থ ও আহত করে। এসব আল্লাহর নিরঙ্কুশ অস্তিত্বের প্রমাণ বহন করে।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘বজ্রনাদ তাঁরই ভয়ে তাঁর প্রশংসা বর্ণনা করে আর ফেরেশতারাও (তাঁর তাসবিহ পাঠ করেন)। তিনি গর্জনকারী বজ্র প্রেরণ করেন। তা দিয়ে যাকে ইচ্ছে আঘাত করেন, আর তারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতণ্ডা করে। অথচ তিনি মহাশক্তিশালী।’ (সুরা রাদ : ১৩)

বজ্রপাত থেকে বাঁচার দোয়া

বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য মহানবী (সা.) একটি বিশেষ দোয়া শিখিয়েছেন। এ দোয়া পাঠ করা হলে ইনশাল্লাহ বজ্রপাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বজ্রের আওয়াজ শুনতেন তখন এ দোয়া পড়তেন—

اللَّهُمَّ لاَ تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلاَ تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লা-তাক্বতুলনা বিগাজাবিকা, ওয়া লা-তুহলিকনা বিআ’জাবিকা, ওয়া আ’ফিনা-ক্বাবলা জা-লিকা।

অর্থ : হে আল্লাহ, আপনি আমাকে আপনার গজব দিয়ে হত্যা করে দেবেন না এবং আপনার আজাব দিয়ে ধ্বংস করে দেবেন না। এসবের আগেই আপনি আমাকে পরিত্রাণ দিন। (তিরমিজি: ৩৪৫০)

তাসবিহ

মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বায় বজ্রপাত থেকে বাঁচতে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। ইবনে আবি জাকারিয়া বর্ণনা করেছেন, ‘যে ব্যক্তি বজ্রের আওয়াজ শুনে এ দোয়া পড়বে, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’, সে বজ্রে আঘাতপ্রাপ্ত হবে না। (হাদিস নম্বর ২৯২১৩)

সূত্র : কালবেলা