খুঁজুন
সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

ফরিদপুরে কুকুর–বিড়ালের কামড়ে আতঙ্ক, মিলছে না এন্টিরেবিস ভ্যাকসিন

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৭ এএম
ফরিদপুরে কুকুর–বিড়ালের কামড়ে আতঙ্ক, মিলছে না এন্টিরেবিস ভ্যাকসিন

ফরিদপুরে দিন দিন বাড়ছে কুকুর ও বিড়ালের কামড়ের ঘটনা। অথচ এই মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির সময়েই সংকট দেখা দিয়েছে জীবনরক্ষাকারী এন্টিরেবিস ভ্যাকসিনের। সরকারি হাসপাতাল থেকে শুরু করে বেসরকারি ফার্মেসি—কোথাও মিলছে না পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন। ফলে আতঙ্ক, উৎকণ্ঠা আর অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন কামড়ে আক্রান্ত ভুক্তভোগীরা।

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে শুধুমাত্র এই হাসপাতাল থেকেই ১৬ হাজার ২১৭ জনকে এন্টিরেবিস ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮৬ জন এবং বিড়ালসহ অন্যান্য প্রাণীর কামড়ে আহত হয়েছেন ১১ হাজার ১৩৮ জন। চিকিৎসকদের মতে, এই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে ফরিদপুরে রেবিস ঝুঁকি কতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমানে সেই ঝুঁকি মোকাবিলার প্রধান অস্ত্র এন্টিরেবিস ভ্যাকসিনই মিলছে না। গত ৩-৪ দিন ধরে জেলার বিভিন্ন ফার্মেসিতে একাধিক কোম্পানি ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ রেখেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। সরকারি হাসপাতালেও ১৫ দিন ধরে ভ্যাকসিন সরবরাহ নেই বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে এসে তারা ভ্যাকসিন না পেয়েই ফিরে যাচ্ছেন। সদর উপজেলার কানাইপুর এলাকার বাসিন্দা রিকশাচালক আব্দুল মালেক বলেন, “রাস্তার কুকুর কামড় দেওয়ার পর ডাক্তার বললো দ্রুত ভ্যাকসিন নিতে। হাসপাতালে এসে শুনি ভ্যাকসিন নাই। বাইরে ফার্মেসি ঘুরেও পাইনি। এখন খুব ভয় লাগতেছে।”

একই অভিজ্ঞতার কথা জানান ভাঙ্গা উপজেলার গৃহবধূ নাসরিন আক্তার। তিনি বলেন, “আমার ছোট ছেলেকে বিড়াল কামড়েছে। রেবিস হলে তো বাঁচার সুযোগ নাই। কিন্তু কোথাও ভ্যাকসিন পাচ্ছি না। সন্তানকে নিয়ে কী করবো বুঝতে পারছি না।”

চিকিৎসকরা বলছেন, রেবিস একটি শতভাগ প্রাণঘাতী রোগ, তবে সময়মতো ভ্যাকসিন নিলে তা পুরোপুরি প্রতিরোধযোগ্য। ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “কামড়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ভ্যাকসিন না থাকলে আমরা রোগীদের কীভাবে সুরক্ষা দেব?”

এ বিষয়ে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘কে বলেন, “গত ১৫ দিন ধরে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে কোনো ভ্যাকসিন সাপ্লাই নেই। দুই-তিনদিন ধরে ফার্মেসীতেও পাওয়া যাচ্ছেনা। তবে, ভ্যাকসিন সংকটের বিষয়টি আমরা ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করেছি। যোগাযোগ রাখছি, টেন্ডারও হয়েছে। আশা করছি অতিদ্রুতই এর সমাধান হবে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।” তবে কবে নাগাদ ভ্যাকসিন সরবরাহ স্বাভাবিক হবে—এ প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর দিতে পারেননি তিনি।

সচেতন নাগরিক মহল বলছে, এটি শুধু একটি ওষুধ সংকট নয়, এটি একটি বড় জনস্বাস্থ্য সংকট। ফরিদপুর নাগরিক মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর কান্তি বালা ‘ফরিদপুর প্রতিদিন’কে বলেন, “রেবিস কোনো সাধারণ রোগ নয়। একটি কামড় মানেই একটি জীবন ঝুঁকিতে। অথচ আমরা দেখছি দায়িত্বশীল মহলের গাফিলতি। আগে থেকেই যদি পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুত রাখা হতো, তাহলে আজ মানুষ এভাবে দিশেহারা হতো না।”

তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য বিভাগের উচিত তিন বছরের জন্য একটি চাহিদা করে ভ্যাকসিন সরবরাহ করা। যাতে কোনো বছরই সংকট না হয়। এছাড়া একটি ভ্যাকসিন চারজনকে দিতে হয়। যেটা নাগরিকের জন্য কিনতেও সমস্যা। তাই সরকারকেই এই ভ্যাকসিন সরবারহ করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু ভ্যাকসিন সরবরাহ নয়, একই সঙ্গে কুকুর ও বিড়ালের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। নিয়মিত টিকাদান, স্ট্রিট ডগ ম্যানেজমেন্ট এবং জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। না হলে এই সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, শহর ও গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে অসংখ্য ভবঘুরে কুকুর। বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। অথচ পৌরসভা কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেবিস প্রতিরোধে তিনটি বিষয় একসঙ্গে জরুরি—পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন নিশ্চিত করা, দ্রুত চিকিৎসাসেবা এবং প্রাণী নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি। এই তিনটির যেকোনো একটি ব্যাহত হলে মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে।

ফরিদপুরে কুকুর–বিড়ালের কামড়ের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে অবিলম্বে ভ্যাকসিন সংকট সমাধান না হলে বড় ধরনের স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখনই যদি স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে উদ্যোগ না নেন, তাহলে এই নীরব সংকট যে কোনো সময় প্রাণঘাতী রূপ নিতে পারে।

ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

সোহাগ মাতুব্বর, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:২৫ পিএম
ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভাঙ্গা উপজেলার হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে হাসপাতালের চেয়ারম্যান সহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মানবসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। দক্ষ ও মানবিক মনোভাবসম্পন্ন সেবাকর্মী তৈরি করতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চাও প্রয়োজন। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ভবিষ্যতে মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করার আহ্বান জানান।

ইফতার মাহফিলে হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের বিভিন্ন ট্রেডের প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। ইফতারের আগে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রমজানের তাৎপর্য, সংযম ও মানবিকতার শিক্ষা নিয়ে বক্তব্য রাখেন উপস্থিত অতিথিরা।

পরে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং হাসপাতালের সার্বিক উন্নতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের কল্যাণ এবং সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। একই সঙ্গে রমজানের পবিত্রতা ও সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে নতুন করে অনুপ্রাণিত হতে সহায়তা করে।

সর্বশেষে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার গ্রহণ করেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও প্রশিক্ষণার্থীদের অংশগ্রহণে এ ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

‘দৃষ্টির চশমা’

গোলাম কিবরিয়া
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:১২ পিএম
‘দৃষ্টির চশমা’

নিশুতি রাত, থমথমে ভাব, পুকুর ঘাটের পাড়ে,
দুইটি মানুষ বসলো এসে খুব সাবধানে আড়ে।
এক পাড়ে এক পাকা চোর, অন্য পাড়ে মুমিন,
দুজনারই ব্যস্ততা আজ বেড়েছে অন্তহীন।

​চোর বেচারা হাত ধুয়ে নেয়, পোটলাটি তার পাশে,
ওপার পানে তাকিয়ে সে মুচকি মনে হাসে।
ভাবছে, “আহা! ওই বেটা তো মস্ত বড় চোর,
নিশ্চয় সেও সিঁধ কেটেছে ওস্তাদ বড় জোর!”

​মনেহয় সে কোনো বাড়ির সিন্দুক করেছে ফাঁকা,
আমার চেয়েও বেশি হয়তো মাল রয়েছে রাখা!
বড্ড সেয়ানা চোর তো ওটা, বসলো জলের ধারে,
কাজ সেরে আজ ফুরফুরে সে, শান্তি খোঁজে পাড়ে।

​ওপার পাড়ে ধার্মিক জন করছে ওযু ধীর,
ভাবছে, “আহা! ওই পাড়ে কে? বড্ড খোদাভীর!
আমার চেয়েও মস্ত বড় বুজুর্গ এক পীর,
ইবাদতে মত্ত হতে তাই তো হলেন স্থির।”

​তাহাজ্জুদের এই বেলাতে আমার সাথে জাগে,
খোদার প্রেমে মশগুল সে, মরণ কিসের আগে?
আহা! কপাল আমার ভালো, এমন সাথী পেলাম,
দূর থেকেই সেই বুজুর্গে জানাই হাজার সালাম!

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান,
বরগুনা সরকারি কলেজ

ফরিদপুরে ঈদের প্রধান জামাত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮ টায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪২ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের প্রধান জামাত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮ টায়

পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৬ উদযাপনকে সামনে রেখে ফরিদপুর জেলায় সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বাকাহীদ হোসেন, পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সুস্মিতা সাহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রামানন্দ পালসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

সভায় আসন্ন ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফরিদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় জেলার প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে বিকল্প হিসেবে জেলার বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত আয়োজনের ব্যবস্থা রাখা হবে।

এছাড়া ঈদ উপলক্ষে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা না করার বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঈদকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়। বিশেষ করে ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয় যে, ঈদ যাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি বাস টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা সভায় বলেন, ঈদ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। তাই এই উৎসবকে ঘিরে মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

সভায় আরও জানানো হয়, ঈদের সময় হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিভাগসহ জরুরি সেবাগুলো চালু রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন।