খুঁজুন
সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩০ চৈত্র, ১৪৩২

নগরকান্দায় টোলের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, কঠোর অবস্থানে বিএনপি নেতারা

এহসানুল হক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় টোলের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, কঠোর অবস্থানে বিএনপি নেতারা

ফরিদপুরের নগরকান্দা পৌর এলাকায় সড়কে টোল আদায়ের নামে পুনরায় চাঁদাবাজির পায়তারা চলছে—এমন অভিযোগ তুলে এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা। তারা বলছেন, সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে কোনো ধরনের ইজারা বা টোল আদায় বরদাশত করা হবে না।

নগরকান্দা উপজেলা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, “ইজারার নামে কোনো চাঁদাবাজি হতে দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের দুঃখকষ্ট বুঝতে হবে। বিগত সরকারের আমলে টোল ও ইজারার নামে সড়কে ব্যাপক হয়রানি হয়েছে। বিশেষ করে অটোচালক ও ভ্যানচালকদের কাছ থেকেও জোরপূর্বক টাকা আদায় করা হতো, যা ছিল অত্যন্ত অমানবিক।”

তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগিতায় এসব টোল আদায় বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু এ বছর আবার টোল আদায়ের জন্য ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানতে পেরেছি, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।” তিনি নগরকান্দার সাধারণ মানুষের পক্ষে সব ধরনের যানবাহনের ওপর টোল আরোপের বিরোধিতা করেন এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথাও জানান।

একই বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ বলেন, “নগরকান্দা পৌর এলাকায় টোলের নামে কোনো চাঁদাবাজি হতে দেওয়া হবে না। গত বছর এই টোল আদায় বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু এ বছর আবার সড়কে টোল আদায়ের জন্য দরপত্র প্রকাশের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে, যা জনস্বার্থের পরিপন্থী।”

তিনি আরও দাবি করেন, ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুর পক্ষ থেকেও টোলের নামে চাঁদাবাজি বন্ধ রাখার নির্দেশনা রয়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দ্রুত টোল আদায়ের পরিকল্পনা বাতিল করার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে জানতে নগরকান্দা পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা হক তানিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহরাজ শারবীন বলেন, “বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। পৌরসভা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, টোলের নামে অতীতে বিভিন্ন সময়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। তাই পুনরায় এমন উদ্যোগ বন্ধ করে জনবান্ধব সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সালথায় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে মাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করল সন্তানরা

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০৮ অপরাহ্ণ
সালথায় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে মাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করল সন্তানরা

ফরিদপুরের সালথায় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে সালিশ বৈঠকের মধ্যে মনোয়ারা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধ সৎ মাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে তারই সন্তানদের বিরুদ্ধে। হামলার পর গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কাঠালবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলা ঠেকাতে গিয়ে মনোয়ারার আপন ছেলেও আহত হয়েছেন।

আহত মনোয়ারা বেগম (৬০) কাঠালবাড়িয়া গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী। অপর আহত ব্যক্তি আব্দুর রাজ্জাক (২৯) মনোয়ারা বেগমের গর্ভজাত ছেলে।

আহত মনোয়ারার পরিবার ও স্থানীয়রা সুত্রে জানা গেছে, পারিবারিক সম্পত্তি ও বসতভিটা নিয়ে মনোয়ারা বেগমের সঙ্গে তার সৎ সন্তান হিরু মাতুব্বর (৩৫), রিপন মাতুব্বর (৪৩) ও ফিরোজ মাতুব্বরের (৪০) বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে গত শনিবার সৎ সন্তানরা মনোয়ারাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

পরদিন রবিবার রাতে বিষয়টি সালিশের মাধ্যমে মিমাংসার জন্য উদ্যোগ নেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরে গ্রামবাসী ও গন্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ওই সালিশ বৈঠক বসে। কিন্তু সালিশের একপর্যায়ে মনোয়ারাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে তার সৎ ছেলে হিরু, রিপন ও ফিরোজ। এতে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

এ সময় হামলা থেকে মাকে রক্ষা করতে গেলে তার ছেলে আব্দুর রাজ্জাকও আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

এ বিষয় হামলাকারী সন্তানদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা হলেও পলাতক থাকায় তাদেরকে পাওয়ার যায়নি।

সোমবার সকালে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল-নগরকান্দা) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, হামলার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। আহত ওই নারী বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তবে তার পরিবারকে থানায় একটি এজাহার দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

ফরিদপুরে চিকিৎসা খাতে নতুন দিগন্ত: হ্যাপি হসপিটালে সফল টোটাল হিপ রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে চিকিৎসা খাতে নতুন দিগন্ত: হ্যাপি হসপিটালে সফল টোটাল হিপ রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি

ফরিদপুরে আধুনিক চিকিৎসাসেবার অগ্রযাত্রায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপিত হলো। শহরের হ্যাপি হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে টোটাল হিপ রিপ্লেসমেন্ট (THR) সার্জারি, যা জেলার স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে প্রখ্যাত অর্থোপেডিক্স ও আর্থ্রোস্কোপিক সার্জন ডা. মুহাম্মদ এ হাসানের নেতৃত্বে দক্ষ মেডিকেল টিমের মাধ্যমে জটিল এই অপারেশনটি সম্পন্ন হয়। রোগীর দীর্ঘদিনের হিপ জয়েন্টের সমস্যার সমাধানে এই সার্জারিটি অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, টোটাল হিপ রিপ্লেসমেন্ট একটি উচ্চমাত্রার জটিল ও প্রযুক্তিনির্ভর অপারেশন, যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত হিপ জয়েন্ট অপসারণ করে কৃত্রিম জয়েন্ট প্রতিস্থাপন করা হয়। এ ধরনের সার্জারির জন্য উন্নত সরঞ্জাম, অভিজ্ঞ সার্জন এবং দক্ষ টিমওয়ার্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—যা হ্যাপি হসপিটাল সফলভাবে নিশ্চিত করতে পেরেছে।

এর আগে ডা. মুহাম্মদ এ হাসান ফরিদপুরে প্রথমবারের মতো ‘নী আর্থ্রোস্কোপি’ (Knee Arthroscopy) সার্জারি চালু করে আধুনিক অর্থোপেডিক চিকিৎসায় নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং রোগীবান্ধব চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যেই আস্থা অর্জন করেছেন রোগীদের মধ্যে। এবার টোটাল হিপ রিপ্লেসমেন্ট সার্জারির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিনি তার দক্ষতা ও অগ্রসর চিন্তাধারার আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।

হ্যাপি হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্তৃপক্ষের পক্ষে ড. সৈয়দ হাসানুল কবীর মিশু এ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “এটি শুধু আমাদের হাসপাতালের জন্য নয়, বরং সমগ্র ফরিদপুরবাসীর জন্য একটি গর্বের বিষয়। এখন উন্নত চিকিৎসার জন্য আর রাজধানী ঢাকা বা বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। এখানেই রোগীরা বিশ্বমানের সেবা পাচ্ছেন।”

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতেও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণে হ্যাপি হসপিটাল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয়ে তারা ফরিদপুরসহ আশেপাশের জেলার রোগীদের জন্য নির্ভরযোগ্য চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।

এই সফল অপারেশন ফরিদপুরে উন্নত চিকিৎসাসেবার প্রসারে নতুন আশার সঞ্চার করেছে এবং স্থানীয়ভাবে জটিল অস্ত্রোপচারের সুযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও অনেকাংশে কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফরিদপুরে যাত্রীবাহী বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাস উল্টে খাদে: নিহত-২, আহত-৩০

ভাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে যাত্রীবাহী বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাস উল্টে খাদে: নিহত-২, আহত-৩০

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও বাঙ্গি বোঝাই একটি পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাস খাদে পড়ে উল্টে গিয়ে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে ফরিদপুর-ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কের বাবলাতলা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের পরপরই যাত্রীবাহী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে প্রায় ৩০ ফুট গভীর খাদে পড়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই এক যাত্রীর মৃত্যু হয় এবং গুরুতর আহত আরও একজনকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন—ভাঙ্গা পৌরসভার কৈডুবী সদরদী গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর মোল্লা (৪০), পিতা সেকেন মোল্লা এবং একই এলাকার আলমগীর শেখ (৪২), পিতা নেছার উদ্দিন শেখ।

দুর্ঘটনার পরপরই ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তারা বাসের ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। গুরুতর আহত প্রায় ১৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত যাত্রীরা জানান, তারা ফরিদপুর থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। বাবলাতলা এলাকায় পৌঁছানোর পর হঠাৎ বিকট শব্দে বাসটি কেঁপে উঠে এবং মুহূর্তেই খাদে পড়ে যায়। অনেকেই বাসের ভেতর অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে জ্ঞান ফিরলে নিজেকে হাসপাতালে দেখতে পান।

আহত এক দম্পতি জানান, দুর্ঘটনায় তারা মাথা ও পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। এছাড়া দুর্ঘটনার সময় অনেক যাত্রীর নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন হারিয়ে গেছে, যা তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ মামুন মিয়া জানান, ফরিদপুর থেকে ছেড়ে আসা শাহ ফরিদ পরিবহনের একটি বাস বাবলাতলা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বাঙ্গি বোঝাই পিকআপের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়।

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে আহতদের হাসপাতালে পাঠায় এবং পিকআপটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আবু জাফর জানান, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অন্তত ২৫ জন আহত যাত্রীকে উদ্ধার করেন। উদ্ধার কার্যক্রম কিছু সময় ধরে চলতে থাকে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।