খুঁজুন
, ,

নগরকান্দায় সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় অভিযোগ দায়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ
নগরকান্দায় সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় অভিযোগ দায়ের

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার এক সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নগরকান্দা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও যুগান্তরের সাংবাদিক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বাবু (৪৯) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে নগরকান্দা বাজারে শাহিন মিয়ার চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন। এ সময় পূর্ব বিরোধের জের ধরে একই উপজেলার মিরাকান্দা গ্রামের বাসিন্দা মো. লিয়াকত আলী (৫৫) হঠাৎ সেখানে এসে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার ওপর হামলা চালায়।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, লিয়াকত আলী একটি কাঠের বাটাম দিয়ে তার মাথা লক্ষ্য করে আঘাত করার চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এতে তার বাঁম হাতের বাহুতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত জখম হন। তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি উপস্থিত লোকজনকে উদ্দেশ করে হুমকি দেন যে, এ ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিলে তাকে প্রাণনাশ করা হবে।

ঘটনার পর আহত মিজানুর রহমান বাবু নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করে পরে নগরকান্দা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত লিয়াকত আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘সাংবাদিক মিজান বাবু তার সামনেই এলোপাতাড়ি অশালীন ভাষায় গালাগালি করতে থাকেন। এসময় তিনি তাকে গালাগালি থেকে বিরত থাকতে বললে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তবে তিনি দাবি করেন, তিনি কাউকে আঘাত করেননি।’

এ ব্যাপারে নগরকান্দা প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত আলী শরীফ বলেন, একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা বড় দুঃখজনক। স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য অন্তরায়। এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্বে এ হামলা সাথে জড়িতদের তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ বলেন, “ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহরাজ শারবীন বলেন, “সাংবাদিকের ওপর হামলার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য হুমকি এবং তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

ফরিদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ফরিদপুরে ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার দায়ে মো. লালন মোল্লা (৫৪) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে পুলিশি প্রহরায় ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালত ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত লালন মোল্লা ফরিদপুর শহরের পশ্চিম আলীপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি একটি ভবনের কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার স্ত্রী সাজেদা বেগম (৪০) ছিলেন বোয়ালমারী উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের ভাটদি গ্রামের বাসিন্দা।

২০০৪ সালে সাজেদা বেগমকে বিয়ে করেন লালন মোল্লা। এটি ছিল লালনের দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথম স্ত্রীর সংসারে তার এক ছেলে সন্তান রয়েছে। তবে সাজেদা-লালন দম্পতির কোনো সন্তান ছিল না।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, বিয়ের পর থেকেই মাদক কেনার টাকার জন্য স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে যৌতুক এনে দিতে চাপ দিতেন লালন। নির্যাতনের মুখে কয়েক দফায় সাজেদা বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিলেও তা বন্ধ হয়নি। সর্বশেষ ২০২২ সালের ৯ আগস্ট তিনি স্ত্রীর কাছে আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না পেয়ে তাকে একাধিকবার মারধর করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালের ২৩ আগস্ট ভোর ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে স্ত্রী সাজেদা বেগমকে হত্যা করেন লালন মোল্লা।

ঘটনার দিনই নিহতের ছোট বোন মাজেদা বেগম বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় লালন মোল্লাকে একমাত্র আসামি করা হয়।

মামলাটির তদন্ত করেন কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জগন্নাথ দাস। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১১ জানুয়ারি আদালতে লালন মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বিচারিক কার্যক্রম শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।

রায়ের বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, যৌতুক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের বার্তা দিতেই আদালত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়েছেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ রায় সমাজে যৌতুক ও পারিবারিক সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে এবং সম্ভাব্য অপরাধীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।

টানা ৭ দিনের বৃষ্টিতে ফরিদপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত, ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১০৫ মিমি বৃষ্টিপাত

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৪ অপরাহ্ণ
টানা ৭ দিনের বৃষ্টিতে ফরিদপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত, ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১০৫ মিমি বৃষ্টিপাত

মৌসুমি বায়ুর সক্রিয় প্রভাবে টানা সাত দিনের ভারী থেকে মাঝারি বৃষ্টিতে ফরিদপুরের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। শহরের বিভিন্ন সড়ক, অলিগলি ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন কর্মজীবনেও এর প্রভাব পড়েছে।

ফরিদপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রোববার সকাল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় সর্বোচ্চ ১০৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আর গত সাত দিনে মোট ২৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে জেলার অন্যতম সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড।

টানা বর্ষণের কারণে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার এলাকা এবং আবাসিক এলাকার নিচু স্থানগুলোতে পানি জমে রয়েছে। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক এলাকায় রিকশা ও ছোট যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। খেটে খাওয়া নিম্নআয়ের মানুষের আয়-রোজগারও কমে গেছে।

এদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন স্থানে আমন ধানের বীজতলা ও শাকসবজির ক্ষেতে পানি জমে কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

ফরিদপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদুল হক ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে জানান, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী ১৮ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত বৃষ্টির এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মাঝে মাঝে ভারী বর্ষণ ও দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই অপ্রয়োজনে জলাবদ্ধ এলাকায় চলাচল না করা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নের দাবিও জোরালো হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অল্প সময়ের ভারী বৃষ্টিতেই অনেক এলাকায় পানি জমে যাওয়ায় প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই ধরনের দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হয়। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, বিশ্ববিদ্যালয় ও ৬ লেন সড়কের জোরালো দাবি

আব্দুল মান্নান মুন্নু, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ
ভাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, বিশ্ববিদ্যালয় ও ৬ লেন সড়কের জোরালো দাবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরিশাল সফরকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে ঢাকা-ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা গোলচত্বর ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ জড়ো হন।

সকাল ৬টা থেকেই ভাঙ্গা গোলচত্বর থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। প্রধানমন্ত্রীকে এক নজর দেখতে এবং শুভেচ্ছা জানাতে তাদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

সকাল আনুমানিক ৭টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ভাঙ্গা গোলচত্বরে পৌঁছালে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা হাজারো মানুষ হাত নেড়ে তাকে স্বাগত জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও গাড়ি থেকে হাত নেড়ে উপস্থিত জনতার শুভেচ্ছার জবাব দেন। পুরো এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। সফরকে ঘিরে সকাল থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।

স্বাগত জানাতে আসা ভাঙ্গা ও সদরপুরের নেতাকর্মীদের মধ্যে আইয়ুব মোল্লা, স্বরন, এম এম সিদ্দিক মিয়া, জাহাঙ্গীর হোসেন, একরামুল, মিলন, ফজলে সুবাহান শামিম, তুরান রহমানসহ জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভাঙ্গার উন্নয়নে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরেন। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে—ভাঙ্গায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার ভাঙ্গা ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় ক্রমবর্ধমান সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়ককে ৬ লেনে উন্নীত করা এবং দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একটি আধুনিক ট্রমা সেন্টার স্থাপন।

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই প্রথম ভাঙ্গা হয়ে বরিশাল সফরে গেছেন। তার সফর সফল করতে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের নেতৃত্বে ভাঙ্গার হাজারো নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত হয়েছেন।”

তারা আরও বলেন, “ভাঙ্গাসহ দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে শহিদুল ইসলাম বাবুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন। তাই আমরা তাকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চাই। পাশাপাশি ভাঙ্গার সার্বিক উন্নয়নে আমাদের উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে ভাঙ্গাজুড়ে সকাল থেকে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এ সফরের মাধ্যমে ভাঙ্গা ও দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।