খুঁজুন
, ,

শিক্ষার্থী ২৩৩, খাবার ২৯০ প্যাকেট: ফরিদপুরে স্কুল ফিডিংয়ে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
শিক্ষার্থী ২৩৩, খাবার ২৯০ প্যাকেট: ফরিদপুরে স্কুল ফিডিংয়ে অনিয়মের অভিযোগ

ফরিদপুর সদর উপজেলার ১৪৮ নম্বর ধোপাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হেনা পারভীনের বিরুদ্ধে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে অনিয়ম, অতিরিক্ত শিক্ষার্থী দেখিয়ে খাবার গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা আদায় এবং বিদ্যালয় চলাকালে প্রাইভেট পড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ফরিদপুর প্রেসক্লাবে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) ফরিদপুর প্রেসক্লাব বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে এসব তথ্য তুলে ধরেন বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক।

অভিযোগে বলা হয়, হেনা পারভীন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা নেওয়া এবং বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালে স্কুলের শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার করে প্রাইভেট পড়ানোর অভিযোগ রয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালুর পর অনিয়মের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। বিদ্যালয়ে প্রকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৩৩ জন হলেও IPMS সফটওয়্যারে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী দেখিয়ে ২৯০ পিস খাবার গ্রহণ করা হতো। অতিরিক্ত খাবার গোপনে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দেওয়া হতো বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষকরা।

শিক্ষকরা জানান, বিষয়টি তারা সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোকলেসুর রহমানকে মৌখিকভাবে অবহিত করেন। পরে গত ২৫ জুন তিনি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর হেনা পারভীনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তার জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে মুরসালিন মৃধাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এরপর থেকেই বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য সহকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি এবং বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের ব্যবহার করে অস্থিরতা তৈরির অভিযোগ করা হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের পাঠদানসহ স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি শিক্ষকদের।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আরেক সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা উজ্জল কুমার বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে পরিদর্শন খাতায় হেনা পারভীনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কিছু বিষয় লিপিবদ্ধ করেছিলেন। পরবর্তীতে ওই খাতার সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষকরা।

এদিকে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে অনেক শিক্ষক মুখ খুলতে পারছেন না বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে হেনা পারভীনের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। পরে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সুশান্ত কুমার বাড়ৈর বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগটি খতিয়ে দেখার বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি ‘ফরিদপুর প্রতিদিন’-কে বলেন, লিখিত অভিযোগটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ স্কুল ফিডিংয়ের খাবার নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত উদঘাটন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ও পাঠদান কার্যক্রম নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

চরভদ্রাসনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
চরভদ্রাসনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।

​উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ হলরুমে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জুলহাস হোসেন সৌরভের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চরভদ্রাসন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর চন্দ্রমোহন হালদার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার মো. মাকসুদুর রহমান, থানা কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সফর আলী, কৃষি কর্মকর্তা ইমরান বিন ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজিজুর রহমান খান, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম।

​আলোচনা সভায় বক্তারা শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষক সমাজকে সম্মানের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরেন।

​অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান এবং উপজেলার নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকমণ্ডলী উপস্থিত ছিলেন।

সদরপুরে স্কুল ভবনের উদ্বোধন ঘিরে বিরোধ, ৬ দিন ধরে ক্লাসে আসছে না ৩০ শিক্ষার্থী

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
সদরপুরে স্কুল ভবনের উদ্বোধন ঘিরে বিরোধ, ৬ দিন ধরে ক্লাসে আসছে না ৩০ শিক্ষার্থী

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের চর চাঁদপুর কোলচুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিরোধের জেরে প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করে দিয়েছে। স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির নির্দেশে গত ছয় দিন ধরে অভিভাবকেরা সন্তানদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।

​বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হঠাৎ করে উদ্বোধনের তারিখ জানানোয় কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে দাওয়াত দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে দাবি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।

​তবে অনুষ্ঠানে দাওয়াত না পেয়ে ক্ষুব্ধ হন স্থানীয় প্রভাবশালী কামরুল হাসান। অভিযোগ রয়েছে, এরপর তিনি স্থানীয় অভিভাবকদের নিয়ে সভা করে শিক্ষার্থীদের অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করার নির্দেশ দেন। তার প্রভাবেই অনেকে সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে সাহস পাচ্ছেন না। কেউ কেউ পার্শ্ববর্তী অন্যান্য স্কুলে সন্তানদের ভর্তির চেষ্টা করছেন।

​১০৭ জন শিক্ষার্থীর এই বিদ্যালয়ে আগে নিয়মিত ৬৫ থেকে ৭০ জন উপস্থিত থাকলেও, গত ছয় দিন ধরে উপস্থিতি নেমে এসেছে ২৫ থেকে ৩০ জনে। ফলে স্বাভাবিক পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

​বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল আজিজ বলেন, “হঠাৎ বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী না আসায় স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

​প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী খান জানান, “ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হঠাৎ উদ্বোধনের কথা জানানোয় কাউকে দাওয়াত দেওয়ার সুযোগ পাইনি। বিষয় টি কামরুল হাসানকে বুঝিয়ে বললেও তিনি কর্ণপাত করেননি।”

​তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কামরুল হাসান দাবি করেন, “অভিভাবকেরা নিজ ইচ্ছায় সন্তানদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন না। সেখানে ঠিকমতো পড়াশোনা হয় না এবং শিক্ষকেরা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।” পাশাপাশি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠনে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তোলেন তিনি।

​এ বিষয়ে সদরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মামুনুর রহমান জানান, প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে বিষয়টি তিনি জেনেছেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৭ বছর ধরে ঘরের খুঁটিতে বাঁধা লিমনের জীবন

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
১৭ বছর ধরে ঘরের খুঁটিতে বাঁধা লিমনের জীবন

বয়সের হিসাবে ২০ ছুঁয়েছেন, কিন্তু জীবনের গতি থেমে গেছে মাত্র তিন বছর বয়সেই। এরপর থেকেই এক পায়ে লোহার শিকল পেঁচিয়ে ঘরের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে তাঁকে। এভাবেই শিকলবন্দি অবস্থায় কেটে গেছে জীবনের দীর্ঘ ১৭টি বছর।

​করুণ এই গল্পটি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের উজিরপুর গ্রামের। দিনমজুর মো. হাফেজ শরিফের ছেলে লিমন শরিফের সারাদিনের জীবন এখন কাটছে মাত্র কয়েক ফুট লোহার শিকলের পরিধিতে।

​পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মাত্র তিন বছর বয়সে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে লিমনের জীবন অস্বাভাবিক হয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে কমে যায় কথা বলার সক্ষমতা। বর্তমানে বাবা-মা ছাড়া অন্য কারো সঙ্গে তেমন কথা বলতে পারেন না তিনি, চলাফেরাও করতে পারেন না স্বাভাবিক মানুষের মতো।

​শিকলবন্দি রাখার কারণ জানাতে গিয়ে বাবা হাফেজ শরিফ বলেন, “কোনো বাবা-মা চায় না নিজের সন্তানকে এভাবে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে। কিন্তু ওকে মুক্ত রাখলে বাড়ি থেকে দূরে চলে যায়—কখনো উঁচু গাছে উঠে পড়ে, আবার কখনো পুকুরে নেমে যায়। নিজের নিরাপত্তার বোধটুকুও তার নেই। গ্রাম ঘুরে তাকে খুঁজে আনতে হয়। বাধ্য হয়েই নিরাপত্তার স্বার্থে গত ১৭ বছর ধরে ওকে এভাবে শিকলে আটকে রাখতে হচ্ছে।”

​তিন শতক জমির ওপর পলিথিন ও প্লাস্টিকের বস্তা দিয়ে ঘেরা জরাজীর্ণ এক টিনের ঘরে বাস পরিবারটির। দিনমজুরির সামান্য আয়ে সংসার চালানোই যেখানে দায়, সেখানে লিমনের মতো একজন মানসিক ভারসাম্যহীন সন্তানের উন্নত চিকিৎসা চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ইতিপূর্বে সাধ্যমতো চিকিৎসা করালেও অর্থের অভাবে তা আর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

​স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ওয়াহিদুল আলী বলেন, “লিমন মানসিকভাবে অসুস্থ এবং তার একটি সরকারি প্রতিবন্ধী কার্ড রয়েছে। পরিবারটি মারাত্মক আর্থিক সংকটে রয়েছে, তাদের থাকার ঘরটির অবস্থাও করুণ। লিমনের সুচিকিৎসা ও পরিচর্যা নিশ্চিত করতে সরকারি ও সামাজিক সহায়তা প্রয়োজন।”

​বিষয়টি জানতে পেরে পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবির উদ্দিন। তিনি জানান, দ্রুতই পরিবারটিকে ঘরের জন্য টিনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি লিমনের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সরকারি সহায়তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে উপজেলা প্রশাসন।