খুঁজুন
সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২১ বৈশাখ, ১৪৩৩

ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের পুকুর দখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:১১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের পুকুর দখলের অভিযোগ

ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের দৃষ্টিনন্দন পুকুরের একটি অংশ ভরাট করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। তবে অভিযুক্তদের দাবি, পৌরসভা থেকে লিজ নেওয়া জায়গায় তারা স্থাপনা নির্মাণ করছেন। কলেজের পুকুর ও পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলেজের পূর্বপাশে বীর মুক্তিযোদ্ধা নওফেল গেটসংলগ্ন একটি বড় পুকুর রয়েছে। পুকুরের পূর্বপাশে বিভিন্ন সময়ে অন্তত চারটি ঝুপড়ি ও বাঁশ-খুঁটির টিনশেড দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি স্থানে মাটি ফেলে ভরাট করা হয়েছে। সেখানে পাকা স্থাপনা নির্মাণের প্রস্তুতি হিসেবে আরসিসি পিলার বসানোর কাজ চলছিল এবং ইতোমধ্যে অন্তত পাঁচটি বড় গর্ত খোঁড়া হয়েছে।

২০১১ ও ২০১২ সালে সাবেক পৌর মেয়র শেখ মাহতাব আলী মেথুর স্বাক্ষরে ফরিদপুর পৌরসভা থেকে শাহীন তালুকদার ও মেহেদী হাসান শামীম তালুকদার নামে দুই ব্যক্তিকে লিজ দেওয়া হয়। তারা শহরের কমলাপুর কুঠিবাড়ী এলাকার মৃত শাহাজাহান তালুকদারের ছেলে। মেহেদী হাসান শামীম তালুকদার বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি বলেন, শাহীন তালুকদার প্রতিবন্ধী এবং আমার প্রতিবেশী হওয়ায় তার অনুরোধে ঘরটি করে দিচ্ছি। তারা প্রায় ১২ বছর আগে লিজ নিয়েছেন। আমি তাদের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে কাজ করছি। সবকিছু বৈধ কাগজপত্র অনুযায়ী করা হচ্ছে। আমরা কলেজের কোনো জায়গা দখল করছি না।

এব্যাপারে কলেজটির অধ্যক্ষ প্রফেসর এস এম আবদুল হালিম অভিযোগ করে বলেন, পৌরসভার লিজের বাইরে কলেজের জায়গাও দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমি ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে আছি। সকালে বিষয়টি জানতে পেরে পৌর প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের মৌখিকভাবে জানিয়েছি। এখানে পাকা স্থাপনা হয়ে গেলে আর কিছু করার থাকবে না। এতে কলেজের সৌন্দর্য ও পুকুরের পরিবেশ নষ্ট হবে। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

অধ্যক্ষ বলেন, ওরা আমাকে ফোন করে বলেছে—বিগত ১৭ বছরে কিছু করতে পারিনি, এখন একটু সুযোগ দিতে হবে। শুনেছি ছাত্রদলের নেতারাও এতে জড়িত।

এ বিষয়ে ফরিদপুর পৌর প্রশাসক (স্থানীয় সরকারের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক) মো. সোহরাব হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পৌরসভা থেকে লোক পাঠানো হয়েছে। সেখানে একটি পুরোনো লিজের কাগজ দেখানো হয়েছে। আপাতত কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। ঈদের পর লিজের কাগজ যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফরিদপুর বিআরটিএতে দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ, তদন্ত ও বরখাস্তের দাবিতে স্মারকলিপি

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২:৪৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর বিআরটিএতে দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ, তদন্ত ও বরখাস্তের দাবিতে স্মারকলিপি

ফরিদপুর বিআরটিএ কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা কথিত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, সাময়িক বরখাস্ত এবং বিভাগীয় তদন্তের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (০৪ মে) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি জমা দেন আন্দোলনকারীরা।

স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ফরিদপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে মোটরযান পরিদর্শক মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি চলছে। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয় এবং হয়রানির শিকার হতে হয় প্রতিনিয়ত। এতে জনসাধারণের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, নিজের দুর্নীতি আড়াল করতে মেহেদী হাসান ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করছেন। ফলে সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিকরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন এবং অনেকে প্রতিবাদ করতে ভয় পাচ্ছেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সমাজকর্মী খায়রুল রোমান বলেন, “মেহেদী হাসান যেখানে দায়িত্ব পালন করেন, সেখানেই দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ফরিদপুরেও তিনি একইভাবে অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন নিজের অপরাধ ঢাকতে এবং আমাদের কণ্ঠরোধ করতে মিথ্যা মামলা দিয়েছেন। আমরা এর বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবো।”

স্মারকলিপিতে আন্দোলনকারীরা চার দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী নিরপরাধ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার, অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে নিরপেক্ষ ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করে আইনের আওতায় শাস্তি নিশ্চিত করা এবং বিআরটিএ কার্যালয়কে দালালমুক্ত ও স্বচ্ছ সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা।

আন্দোলনকারীরা সতর্ক করে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন।

এদিকে, স্মারকলিপির অনুলিপি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যবৃন্দ, বিআরটিএ চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

খাঁচায় বন্দি রেখে পাখি পালন করা কি জায়েজ?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৮:৩৯ পূর্বাহ্ণ
খাঁচায় বন্দি রেখে পাখি পালন করা কি জায়েজ?

আকাশের নীল মায়ায় পাখিরা ডানা মেলে উড়ে বেড়ায়, কিচিরমিচির সুরে মন ভরিয়ে তোলে। কিন্তু আজকাল আমাদের সমাজে দেখা যায়, শখের বসে এই স্বাধীন প্রাণীদের লোহার খাঁচায় বন্দি করে রাখা হচ্ছে।

টিয়া, ময়না কিংবা নানা রঙের বিদেশি পাখি ধরে এনে চার দেয়ালের ভেতরে আটকে রাখা হচ্ছে কেবল মানুষের আনন্দের জন্য।

অথচ ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে প্রাণীর প্রতি দয়া দেখাতে, তাদের কষ্ট না দিতে। তাই প্রশ্ন জাগে, আমাদের এই শখ কি আল্লাহর বানানো প্রাণীর হক নষ্ট করছে না? পাখিদের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে আনন্দ করা কি ইসলামের চোখে বৈধ, নাকি জুলুমের নামান্তর?

চলুন তাহলে জেনে নিই, খাঁচায় বন্দি রেখে পাখি পালন জায়েজ আছে কি না—

রাজধানীর জামিয়া ইসলামিয়া বায়তুস সালামের সিনিয়র মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী বলেন, খাঁচার ভেতরে সেই সমস্ত পাখি পুষতে পারেন, যে পাখিগুলো সাধারণত বাইরে অন্যান্য পাখিদের সঙ্গে উড়ে আত্মরক্ষা করতে পারে না। যেমন টিয়া পাখির কথা বলতে পারেন। এরা নরমালি অন্যান্য পাখিদের মতো উড়ে আত্মরক্ষা করতে পারে না।

কিন্তু যে পাখিগুলো নরমালি উড়ে বেড়ায়, নিজেকে আত্মরক্ষা করতে সামর্থ্যবান, এজাতীয় পাখিকে খাঁচায় বন্দি রেখে পালন করা যাবে না। এটা জুলুম হবে।

কিছু কিছু মানুষ আছে, পাখি ধরে নিয়ে আসতেছে কিন্তু বাচ্চা পাখি থেকে যাচ্ছে, আবার বাচ্চা ধরে নিয়ে আসতেছে মা-পাখি থেকে যাচ্ছে—নবীজি (সা.) এমনটা করতে নিষেধ করেছেন। মনে রাখতে হবে, আমাদের ফূর্তি যেন তাদের কষ্টের কারণ না হয়।

খাঁচায় পাখি পালার শর্ত ও নিয়ম

শখের বশে খাঁচায় পাখি পালতে গেলে যথাযথভাবে পাখিগুলোর পরিচর্যা করতে হবে। দানাপানি দিতে না পারলে বা আদর-যত্ন সম্ভব না হলে কিংবা কোনো কারণে পাখি কষ্ট পেলে খাঁচায় আটকে রাখা জায়েজ হবে না। বরং ছেড়ে দেওয়া আবশ্যক।

ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘এক নারীকে একটি বিড়ালের জন্য শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সে তাকে বেঁধে রেখেছিল এবং অবশেষে বিড়ালটি মারা গিয়েছিল, পরিণতিতে নারী তারই কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করল। সে যখন তাকে বেঁধে রেখেছিল, তখন তাকে আহার ও পানি দিত না এবং তাকে ছেড়েও দিত না যে, সে কীটপতঙ্গ ধরে খাবে।’ (বোখারি : ২৩৬৫, মুসলিম : ২২৪২)

সূত্র : কালবেলা

সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন ট্রেন্ড ‘ক্রেয়ন আর্ট’, যেভাবে সহজেই তৈরি করবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৮:২২ পূর্বাহ্ণ
সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন ট্রেন্ড ‘ক্রেয়ন আর্ট’, যেভাবে সহজেই তৈরি করবেন?

সোশ্যাল মিডিয়ার জগতে ট্রেন্ড খুব দ্রুত বদলে যায়। কখনো জিবলি অ্যানিমেশন স্টাইল, আবার কখনো থ্রিডি ক্যারিকেচার। নতুন নতুন ভিজ্যুয়াল কনটেন্টে ব্যবহারকারীরা নিয়মিত মেতে ওঠেন। এবার সেই ধারায় নতুন সংযোজন হয়েছে ‘ক্রেয়ন ড্রয়িং’ স্টাইলের প্রোফাইল ছবি, যা ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

এই স্টাইলে তৈরি ছবিগুলো দেখতে অনেকটা শিশুদের হাতে আঁকা ছবির মতো। রঙিন মোম পেন্সিলের হালকা ছোঁয়ায় অগোছালো কিন্তু একই সঙ্গে সরল ও আবেগঘন এক অনুভূতি তৈরি করে।

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রোফাইল ছবি এই স্টাইলে রূপান্তর করে শেয়ার করছেন, যা দ্রুত ভাইরাল হয়ে উঠছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও এই ট্রেন্ড ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জনপ্রিয়তার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, এটি মানুষের শৈশবের স্মৃতি জাগিয়ে তোলে—যখন সাদা কাগজে রঙ-পেন্সিলে আঁকিবুঁকি ছিল আনন্দের অংশ।

দ্বিতীয়ত, এআই প্রযুক্তির কারণে এখন খুব সহজেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে এমন আর্টিস্টিক ছবি তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে, যা আগে সময়সাপেক্ষ ও জটিল ছিল। তৃতীয়ত, প্যাস্টেল রঙের ব্যবহার, স্কেচের স্বাভাবিক অগোছালো ভাব এবং উজ্জ্বল ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট এই ট্রেন্ডকে আলাদা ও চোখে পড়ার মতো করে তুলেছে।

সোশ্যাল মিডিয়া পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহের দিকে এই ‘ক্রেয়ন ড্রয়িং’ স্টাইলের জনপ্রিয়তা বাড়তে শুরু করে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

কীভাবে বানাবেন আপনার ‘ক্রেয়ন’ প্রোফাইল?

এই ট্রেন্ডে অংশ নেওয়া খুবই সহজ, বিশেষ কোনো ডিজাইন দক্ষতারও প্রয়োজন নেই।

ধাপগুলো:

আপনার ফেসবুক প্রোফাইলের একটি স্ক্রিনশট বা পরিষ্কার ছবি নিন (যেখানে মুখ স্পষ্ট দেখা যায়)

পর্যাপ্ত আলোযুক্ত ছবি ব্যবহার করলে ফলাফল ভালো হবে

ছবিটি ChatGPT-এ আপলোড করুন

ইংরেজি প্রম্পট:

Please recreate the entire image in a crayon drawing style. Simplify the details so that it looks like it was drawn by a 10-year-old child. Do not use the original colors from the image. Make the overall look feel like it was drawn on a sheet of white paper, with a very cute and playful vibe. You can add adorable elements such as flowers, candies, stars, clouds, etc., to give it a childlike and innocent feel.

বাংলা প্রম্পট:

এই ছবিটিকে ক্রেয়ন ড্রয়িং স্টাইলে রূপান্তর করো। এটা যেন ১০ বছরের বাচ্চার আঁকা ছবির মতো দেখায়। ছবিতে ফুল, তারা, মেঘ ও ক্যান্ডির মতো উপাদান যোগ করে এটিকে কিউট ও প্লেফুল করে তোলো।

ছবি তৈরি হওয়ার পর আপনি চাইলে রঙ পরিবর্তন বা ব্যাকগ্রাউন্ডে নতুন উপাদান যোগ করার অনুরোধও করতে পারেন।

সূত্র : কালবেলা