খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪ আষাঢ়, ১৪৩৩

কী পরিমাণ সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
কী পরিমাণ সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব?

ইসলামে কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। হাদিস শরিফে এ ইবাদতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। রাসুল ওয়াসাল্লাম হজরত ফাতেমা (রা.)-কে তাঁর কোরবানির নিকট উপস্থিত থাকতে বলেন এবং ইরশাদ করেন, এই কোরবানির প্রথম রক্তবিন্দু প্রবাহিত হওয়ার সাথে সাথে আল্লাহ তায়ালা তোমার গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন।

তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুল (সা.)! এটা কি শুধু আহলে বায়তের জন্য, নাকি সকল মুসলিমের জন্য? উত্তরে রাসুল (সা.) বললেন, এই ফজিলত সকল মুসলিমের জন্য।’ (মুসনাদে বাজযার-আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব: ২/১৫৪)

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন,‘অতএব তুমি তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো।’ (সুরা কাওসার: ২)

এদিকে সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যারা কোরবানি দেয় না, তাদের ব্যাপারে হাদিস শরিফে কঠোর বার্তা এসেছে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যার কোরবানির সামর্থ্য আছে তবুও সে কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।’ (মুসনাদে আহমদ: ২/৩২১, মুস্তাদরাকে হাকেম: ৭৬৩৯, আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব: ২/১৫৫)

কোরবানি কখন, কার ওপর ওয়াজিব?

জনপ্রিয় ইসলামি স্কলার মুফতি রেজাউল করীম আবরার বলেন, প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন-অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব। টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, অলঙ্কার, বর্তমানে বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।

কোরবানির জন্য নেসাব পরিমাণ সম্পদ কতটুকু?

ইসলামি গবেষণা পত্রিকা মাসিক আল কাউসারে বলা হয়েছে, নেসাব হলো স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হলো, এর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলেও তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। (আলমুহীতুল বুরহানী: ৮/৪৫৫, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)

নেসাবের মেয়াদ

কোরবানির নেসাব পুরো বছর থাকা জরুরি নয়; বরং কোরবানির দিনগুলোতে থাকলেই কোরবানি ওয়াজিব হবে। (বাদায়েউস সানায়ে: ৪/১৯৬, রদ্দুল মুহতার: ৬/৩১২)

উল্লেখ্য, কেউ যদি কোরবানির দিনগুলোতে ওয়াজিব কোরবানি দিতে না পারে তাহলে কোরবানির পশু ক্রয় না করে থাকলে তার ওপর কোরবানির উপযুক্ত একটি ছাগলের মূল্য সদকা করা ওয়াজিব। আর যদি পশু ক্রয় করে থাকে কিন্তু কোনো কারণে কোরবানি দেওয়া হয়নি, তাহলে ওই পশু জীবিত সদকা করে দেবে। (বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৪, ফাতাওয়া কাযীখান: ৩/৩৪৫)

সূত্র : কালবেলা

ফরিদপুরে আগুন নেভাতে গিয়ে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে প্রাণ গেল যুবকের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে আগুন নেভাতে গিয়ে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে প্রাণ গেল যুবকের

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার একটি বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় বাবুল মোল্লা (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। আগুনে বাজারের অন্তত পাঁচটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা হতে পারে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে উপজেলার পাঁচুড়িয়া ইউনিয়নের যোগিবরাট ভেন্নাতলা বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, ভোররাতে বাজারের নুর মিয়ার মুদি দোকানে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো বাজার এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের খবর পেয়ে স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন বাবুল মোল্লাও।

আগুন নেভানোর একপর্যায়ে একটি দোকানের ভেতরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে বাবুল মোল্লা, আলামিন বিশ্বাস, নুর মিয়া শেখসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে এবং উপস্থিত লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাবুল মোল্লাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্যদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে বাজারের পাঁচটি দোকান পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে নুর মিয়ার মুদি দোকান, সাহেব আলীর চায়ের দোকান, কেসমত আলীর সার ও কীটনাশকের দোকান, বাবর আলীর সাইকেল মেরামতের দোকান এবং জাকির মোল্লার কাপড়ের দোকান।

বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা রয়েল আহমেদ বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুন নেভানোর সময় দোকানের ভেতরে থাকা একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে একজনের মৃত্যু এবং তিনজন আহত হন।”

তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে। বাজারের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকারি সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সালথায় ৭ নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ
সালথায় ৭ নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষার সম্প্রসারণ ও শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে নতুন করে ৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়গুলোর প্রস্তাব ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই এসব বিদ্যালয়ের অনুমোদন পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-সংকটপূর্ণ এলাকায় বিদ্যালয় স্থাপনের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অনেক গ্রামের শিক্ষার্থীদের দূরবর্তী বিদ্যালয়ে গিয়ে পাঠ গ্রহণ করতে হয়। বিশেষ করে ছোট শিশুদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতে নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হয়। নতুন বিদ্যালয়গুলো স্থাপিত হলে এসব এলাকার শিক্ষার্থীরা নিজ এলাকার কাছেই মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ পাবে।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন  বলেন, “সালথায় ৭টি নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা আশা করছি, অতিশীঘ্রই বিদ্যালয়গুলো অনুমোদন পাবে এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নতুন বিদ্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করা সহজ হবে। একই সঙ্গে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমবে এবং প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হার আরও বৃদ্ধি পাবে।

ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ শিক্ষাখাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে এলাকায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই নতুন এসব বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

স্থানীয়রা মনে করছেন, নতুন বিদ্যালয়গুলো প্রতিষ্ঠিত হলে সালথার শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়বে এবং সরকারের ‘সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা’ নিশ্চিত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই উদ্যোগ।

এদিকে বিদ্যালয়গুলোর অনুমোদনের খবরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ ও আশাবাদের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।

সাবেক মন্ত্রী ও সংবিধান রচয়িতা গৌর চন্দ্র বালার ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ
সাবেক মন্ত্রী ও সংবিধান রচয়িতা গৌর চন্দ্র বালার ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, যুক্তফ্রন্ট সরকারের সাবেক বন ও খাদ্যমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম রচয়িতা গৌর চন্দ্র বালার ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন)।

মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ী ইউনিয়নের উল্লাবাড়ী গ্রামে জন্ম নেওয়া এই বরেণ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলিস্থ তাঁর বাসভবন ‘বালা বাড়ি’-তে পারিবারিকভাবে গীতা পাঠ, পূজা-অর্চনা ও স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

গৌর চন্দ্র বালা ২০০৫ সালের ১৮ জুন ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলিস্থ নিজ বাসভবনে ৭৮ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে যান। তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী গৌর চন্দ্র বালা ছিলেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের একজন সাহসী নেতা। ১৯৫৪ সালের ঐতিহাসিক প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে তিনি ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের প্রভাবশালী এক মন্ত্রীর জামানত বাজেয়াপ্ত করে বিজয়ী হন। পরবর্তীতে ১৯৫৬ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রিসভায় বনমন্ত্রী এবং পরে খাদ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলনেও তিনি ছিলেন অগ্রণী ভূমিকার অধিকারী। ১৯৬২ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত আইয়ুব খানবিরোধী গণআন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তৎকালীন ফরিদপুর-৩ (বলিয়াকান্দি-কামারখালী) আসন থেকে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন ও পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। স্বাধীনতার পর দেশ পুনর্গঠন এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামো বিনির্মাণেও তিনি অবদান রাখেন। বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যতম ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন।

রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক ও গণমানুষের নেতা হিসেবে গৌর চন্দ্র বালার অবদান আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন ফরিদপুর-মাদারীপুর অঞ্চলের মানুষ। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবার, শুভানুধ্যায়ী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা গভীর শ্রদ্ধায় তাঁকে স্মরণ করেন।