খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২২ বৈশাখ, ১৪৩৩

ফরিদপুর-২: শামা ওবায়েদের নাম ব্যবহার করে তদবির বন্ধে দুই উপজেলায় সতর্কতা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর-২: শামা ওবায়েদের নাম ব্যবহার করে তদবির বন্ধে দুই উপজেলায় সতর্কতা জারি

ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা–সালথা) আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম তাঁর নাম ব্যবহার করে কেউ যেন কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা নিতে না পারে—এ বিষয়ে দুই উপজেলার সরকারি দপ্তরগুলোকে সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে সরকারি প্যাডে আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) জারি করা ওই নির্দেশনায় নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি অফিসে মন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে কেউ ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে—এমন অভিযোগ পাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হচ্ছে। এ ধরনের কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ না দিতে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি যদি তার নাম ব্যবহার করে সুপারিশ, তদবির বা বিশেষ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে তা গুরুত্বসহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার প্রশাসনিক, আইনশৃঙ্খলা ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছেও এই সতর্কবার্তার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা, সমাজসেবা কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, অফিসার ইনচার্জ (ওসি), প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, এলজিইডি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, নির্বাচন কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, খাদ্য নিয়ন্ত্রক, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা, পোস্টমাস্টার, সাব-রেজিস্টার, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা রয়েছেন।

এ বিষয়ে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, “আমার নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাই সাধারণ মানুষকে হয়রানি বা বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করতে এ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সবাইকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। কেউ যদি তার নাম ভাঙিয়ে কোনো ধরনের সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।

এ নির্দেশনা জারির মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ফরিদপুরে সালিশে কিশোরের অন্ডকোষ চেপে হত্যা চেষ্টা, হাসপাতালে ভর্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সালিশে কিশোরের অন্ডকোষ চেপে হত্যা চেষ্টা, হাসপাতালে ভর্তি

ফরিদপুরে পূর্ব বিরোধে মারামারির ঘটনায় সালিশ মিমাংসায় রাজিব মৃধা (১৭) নামে এক কিশোরের অন্ডকোষ চেপে ধরে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। বর্তমানে ওই কিশোর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ও নিউরোসার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে দায়িত্বরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, আশঙ্কামুক্ত রয়েছে ওই কিশোর।

শনিবার (০২ মে) দুপুরে ফরিদপুর জেলা সদরের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের হাটগোবিন্দপুর কালিতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত কিশোর ওই এলাকার আজাদ মৃধার ছেলে।

জানা যায়, আজাদ মৃধার পরিবারের সাথে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে প্রতিবেশী বিল্লাল মৃধা ও আনোয়ার মৃধাদের সাথে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়ে এই দুই পরিবার। এছাড়া দুই পরিবারের বিরোধ নিয়ে থানায় পাল্টাপাল্টি মামলাও করা হয়। তাঁদের মধ্যে চলমান বিরোধ মিমাংসায় গতকাল শনিবার দুপুরে স্থানীয় নুরুদ্দিন শেখের বাড়িতে শালিসের আয়োজন করা হয়। ওই শালিসে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম বাদশা মিয়া, ইউপি সদস্য আজিজুর রহমানসগ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ওই শালিসে তাঁদের মধ্যে বিরোধ মিমাংসা করা হয়। তবে শেষের দিকে বাগবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে দুই পরিবারের সদস্যরা। এক পর্যায়ে ভোলা মোল্যা নামে এক ব্যক্তি ওই কিশোরের অন্ডকোষ চেপে ধরে। এ সময় ওই কিশোর বমি করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে এবং তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

এ ঘটনায় কোতয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই কিশোরের বাবা আজাদ মৃধা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তাঁদের সাথে আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এজন্য তাঁরা পরিকল্পনা করে আমাদের ওপর একাধিকবার হামলা করেছে, বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। তাঁরা আমাদের গ্রামে থাকতে দিবেনা বলেও হুমকি-ধমকি দিয়ে আসতেছে। তারপরও বিষয়টি নিয়ে শালিসে মিমাংসা হলেও ক্ষিপ্ত হয়ে আমার ছেলেকে মেরে ফেলার জন্য অন্ডকোষ চেপে ধরে। এখনও আমার ছেলে সুস্থ হয়নি, ওর জীবন শেষ করে দিয়েছে। আমার ছেলের সাথে যা হয়েছে আমি তার সুষ্ঠু বিচার চাই।

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে সত্যতা স্বীকার করে অনুতপ্ত প্রকাশ করেন প্রতিপক্ষ বিল্লাল মৃধা। তিনি বলেন, ‘ছেলেটির সাথে যা হয়েছে তা অবশ্যই অন্যায় হয়েছে। শালিসে সবকিছু নিয়ে মিমাংসা হয়ে গিয়েছিল কিন্তু শেষ পর্যায়ে আমার এক আত্মীয় তর্কবিতর্কের জড়িয়ে ঘটনাটি ঘটিয়েছে। এজন্য আমারও খারাপ লেগেছে, ছেলেটির খোঁজখবরও নিচ্ছি।’

ঘটনার সূত্রপাত তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করে বলেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে প্রায় একমাস আগে আমার ছোট ভাইকে মারধর করে চোখ ফুলিয়ে ফেলে। এ ঘটনায় ওইদিন মেম্বারের বাড়িতে শালিস হয়। ওই শালিসের সময় রাজিব মৃধা আমার মাথায় রামদা দিয়ে কোপ দেয়। আমি হাসপাতালে চিকিৎসাও নিয়েছি। এ ঘটনায় থানায় মামলা করি। এরপর আবারও আমাকে জবাই করে হত্যা চেষ্টা করে ওই ছেলে। তা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে মারামারি হয়। এসব বিষয়ে মিমাংসার জন্য গতকাল শালিসও হয়, শালিসে আমি ক্ষতিপূরণও দিয়েছি। তবে শেষ পর্যায়ে কিভাবে ঘটনাটি ঘটে গেল তা আমিও বুঝি নাই।

ঘটনাটি নিশ্চিত করে ইউপি চেয়ারম্যান একেএম বাদশা মিয়া বলেন, ‘দুই পরিবারের বিরোধ মিটাতে শালিস হয় এবং মিমাংসাও হয়ে যায়। এরপর কোলাকুলি করার সময় এমন একটি ঘটনা ঘটিয়েছে, যা দুঃখজনক।’

ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদুল হাসান জানান, এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

ফরিদপুরে শিশু কবিতা হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে শিশু কবিতা হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের বাখুন্ডা আদর্শ গ্রামে শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী আইরিন আক্তার বীনা (ডাকনাম কবিতা) ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোক, ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সোমবার (০৪ মে) সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে ১১ নম্বর গেরদা ইউনিয়নবাসী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মানুষ মানুষের জন্য-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. জাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট মেহেরুন্নেসা স্বপ্না, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ফরিদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক কাজি রিয়াজ, মুখ্য সমন্বয়ক জেবা তাহসিন, গেরদা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. জাকারিয়া, যুবনেতা জুবায়ের হোসেন, যুবদল নেতা কাকন মিয়া, মানবতার কল্যাণে ফরিদপুর সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ সিয়াম, যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল চৌধুরী, এস এম রফিকুল ইসলাম এবং ফরিদপুর সদর থানা বিএনপির সহ-সভাপতি হাজ্জাজ বিন ইউসুফসহ আরও অনেকে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “ছয় বছরের নিষ্পাপ শিশু কবিতার ওপর এমন পাশবিক নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড মানবতার জন্য লজ্জাজনক। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তি—ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে।”

নিহত শিশুর মা তাহমিনা বেগম ও বাবা বাঁকা মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে তাদের মেয়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। তারা বলেন, “আমরা আমাদের সন্তানের বিচার চাই। যেন আর কোনো মা-বাবাকে এভাবে সন্তান হারাতে না হয়।”

বক্তারা আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনকভাবে অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে মাদক ও অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির কারণে শিশু ও নারীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। তারা মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দ্রুত বিচার না হলে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের দাবি জানান তারা।

সালথায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
সালথায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

ফরিদপুরের সালথায় কাগদী মুরুটিয়া আলহাজ্ব মো. আব্দুল মজিদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মামুন শরিফের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ক্লাস বর্জন করেছে শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (০৪ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে। এতে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবির উদ্দীন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন এবং শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে দেন।

বিক্ষোভকালে শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে স্লোগান দেয়। এ সময় পুরো স্কুল এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে জানান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছেন এবং তাদের ন্যায্য দাবিগুলো উপেক্ষা করছেন। তারা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে ক্লাস বর্জন কর্মসূচি পালন করে।

তবে স্থানীয়রা জানান, শিক্ষকদের মধ্যে বিরোধের জেরে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছেন একপক্ষ। তাছাড়া তেমন কোনো অনিয়ম দেখা যায় না।

কাগদী মুরুটিয়া আলহাজ্ব মো. আব্দুল মজিদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মামুন শরিফ বলেন, অনিয়মের অভিযোগের বিষয়টি সম্পন্ন ভুয়া ও ভিত্তিহীন। আমার সাথে শিক্ষার্থীদের একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। ইউএন স্যারের উদ্যোগে ঘটনাটি মিমাংসা হয়েছে।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দীন বলেন, প্রতিষ্ঠানের হিসাব-নিকাশে কিছু অস্পষ্টতা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী স্থানীয়দের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল। আমরা বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেছি। প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে হিসাব গ্রহণ করে তা যাচাই করা হবে। আশা করি দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।