খুঁজুন
সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

ফরিদপুর-১ : আ.লীগ ইস্যুতে বক্তব্য দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী শাহ জাফর

মো. নুর ইসলাম, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৭ এএম
ফরিদপুর-১ : আ.লীগ ইস্যুতে বক্তব্য দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী শাহ জাফর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদপুর জেলার চারটি আসনের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ও কৌতূহলোদ্দীপক আসনে পরিণত হয়েছে ফরিদপুর-১ (আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী ও মধুখালী)। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনে এবার দলটির কোনো প্রার্থী না থাকায় ভোটের মাঠে তৈরি হয়েছে ভিন্নমাত্রার রাজনৈতিক সমীকরণ।

বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট (জেপি) ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কৌশল, ভোট বিভাজন এবং নীরব ভোটের হিসাব-নিকাশে নির্বাচনটি হয়ে উঠেছে বহুমাত্রিক। তবে সাংগঠনিক শক্তি ও তরুণ ভোটারদের সমর্থনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এগিয়ে থাকার সম্ভাবনার কথাও বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

এই জটিল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ৮১ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ রাজনীতিক শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ছিলেন ফিল্ড কমান্ডার। স্বাধীনতার আগে ফরিদপুরে প্রথম স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন এবং ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর বিজয়ী পতাকা উত্তোলনের ইতিহাসও তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে আছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নানা অধ্যায় পেরিয়ে এবার তিনি ১১তম বারের মতো সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট (জেপি) প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন।

গত সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে বোয়ালমারী প্রেসক্লাবের একাংশের সঙ্গে স্থানীয় পত্রিকা আল-হেলাল স্কয়ারে এবং রাতে আরেক অংশের সঙ্গে বোয়ালমারী বার্তা টাওয়ারে পৃথক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন শাহ জাফর।

সেখানে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ বিএনপিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করে যে ভুল করেছিল, এবার আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করাও একই ভুল। এই ভুলের ফল যারা সরকারে যাবে, তাদেরও ভোগ করতে হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করা উচিত হয়নি। “দেশে এখনো আওয়ামী লীগের একটি বড় সমর্থকগোষ্ঠী রয়েছে, যারা কোনো অপরাধ করেনি। যদি তারা ভোট দিতে পারে, তবে প্রার্থী হতে পারবে না কেন? অপরাধীদের বিচার হোক, কিন্তু আওয়ামী লীগকে নিয়েই নির্বাচন হলে জনগণই ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত দিত,”—মন্তব্য করেন তিনি।

বারবার দল বদলের বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে শাহ জাফর বলেন, রাজনীতিতে দল বদল করলেও এতে এলাকার মানুষের কোনো ক্ষতি হয়নি। বরং এরশাদ সরকারের সময় তিনটি উপজেলায় নজিরবিহীন উন্নয়ন হয়েছে। “আমার দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, কারো জমিজমি দখল করিনি—এ কথা আমার এলাকার মানুষই বলতে পারবে,” বলেন তিনি।

নির্বাচনী মাঠে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলে প্রবীণ এই রাজনীতিক বলেন, তাঁকে ও তাঁর সমর্থকদের মামলা ও গ্রেপ্তারের ভয় দেখানো হচ্ছে। “আমি রাজপথের মানুষ। ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। নির্বাচনে আছি, থাকব,”—দৃঢ় কণ্ঠে বলেন তিনি।

একাত্তরের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ৭ মার্চের ভাষণের পর ১০ মার্চ ফরিদপুর অম্বিকা ময়দানে পাকিস্তানি পতাকা পুড়িয়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেছিলেন তিনি। “মৃত্যুকে মেনে নিয়েই মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম সেদিন,” বলেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।

চারবার সংসদ সদস্য হয়েও অর্থসম্পদ গড়তে পারেননি দাবি করে শাহ জাফর বলেন, তিনি রাজনীতি করেছেন মানুষের জন্য, ব্যবসার জন্য নয়। নির্বাচনে পাওয়া অনুদান ও পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করেই রাজনীতি চালিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

নির্বাচনী মাঠের সমীকরণ:

প্রবীণ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শাহ জাফর একজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। আওয়ামী লীগ প্রার্থী না থাকায় বিএনপির প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, জামায়াতের প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লার নীরব ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কারণে ভোট বিভাজনের সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতাকে পুঁজি করে শাহ জাফর মাঠে টিকে আছেন। তবে তরুণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া রয়েছে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের পক্ষে।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, ফরিদপুর-১ আসনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৭ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়। বর্তমানে ৭ জন প্রার্থী বৈধ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা:

১৯৭৯ সালে আওয়ামী লীগ (মালেক) থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর বাকশাল, জাতীয় পার্টি ও বিএনপিসহ বিভিন্ন দল ও জোটের প্রার্থী হিসেবে মোট ১০টি নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি চারবার বিজয়ী হন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিএনএম থেকে অংশ নিয়ে প্রায় ২০ হাজারের বেশি ভোট পান।

ভিন্নমতও রয়েছে:

শাহ জাফরের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফরিদপুর জেলা শাখার সাবেক সদস্য সচিব সোহেল রানা বলেন, “গণহত্যাকারী কোনো দলের সাফাই গাওয়া গণতন্ত্রবিরোধী। একটি দল ছাড়া সরকার টিকবে না—এই ধারণা জনগণকে ছোট করে দেখার শামিল।”

জানা গেছে, ফরিদপুর-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১০ হাজার ৫৫৬ জন। এর মধ্যে একজন হিজড়া ভোটারও রয়েছেন। ১৯৭টি ভোটকেন্দ্রের ১ হাজার ৬টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

সোহাগ মাতুব্বর, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:২৫ পিএম
ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভাঙ্গা উপজেলার হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে হাসপাতালের চেয়ারম্যান সহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মানবসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। দক্ষ ও মানবিক মনোভাবসম্পন্ন সেবাকর্মী তৈরি করতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চাও প্রয়োজন। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ভবিষ্যতে মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করার আহ্বান জানান।

ইফতার মাহফিলে হাইলাইট চক্ষু হাসপাতাল কেয়ারগিভিং সেন্টারের বিভিন্ন ট্রেডের প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। ইফতারের আগে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রমজানের তাৎপর্য, সংযম ও মানবিকতার শিক্ষা নিয়ে বক্তব্য রাখেন উপস্থিত অতিথিরা।

পরে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং হাসপাতালের সার্বিক উন্নতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের কল্যাণ এবং সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। একই সঙ্গে রমজানের পবিত্রতা ও সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে নতুন করে অনুপ্রাণিত হতে সহায়তা করে।

সর্বশেষে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার গ্রহণ করেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও প্রশিক্ষণার্থীদের অংশগ্রহণে এ ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

‘দৃষ্টির চশমা’

গোলাম কিবরিয়া
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:১২ পিএম
‘দৃষ্টির চশমা’

নিশুতি রাত, থমথমে ভাব, পুকুর ঘাটের পাড়ে,
দুইটি মানুষ বসলো এসে খুব সাবধানে আড়ে।
এক পাড়ে এক পাকা চোর, অন্য পাড়ে মুমিন,
দুজনারই ব্যস্ততা আজ বেড়েছে অন্তহীন।

​চোর বেচারা হাত ধুয়ে নেয়, পোটলাটি তার পাশে,
ওপার পানে তাকিয়ে সে মুচকি মনে হাসে।
ভাবছে, “আহা! ওই বেটা তো মস্ত বড় চোর,
নিশ্চয় সেও সিঁধ কেটেছে ওস্তাদ বড় জোর!”

​মনেহয় সে কোনো বাড়ির সিন্দুক করেছে ফাঁকা,
আমার চেয়েও বেশি হয়তো মাল রয়েছে রাখা!
বড্ড সেয়ানা চোর তো ওটা, বসলো জলের ধারে,
কাজ সেরে আজ ফুরফুরে সে, শান্তি খোঁজে পাড়ে।

​ওপার পাড়ে ধার্মিক জন করছে ওযু ধীর,
ভাবছে, “আহা! ওই পাড়ে কে? বড্ড খোদাভীর!
আমার চেয়েও মস্ত বড় বুজুর্গ এক পীর,
ইবাদতে মত্ত হতে তাই তো হলেন স্থির।”

​তাহাজ্জুদের এই বেলাতে আমার সাথে জাগে,
খোদার প্রেমে মশগুল সে, মরণ কিসের আগে?
আহা! কপাল আমার ভালো, এমন সাথী পেলাম,
দূর থেকেই সেই বুজুর্গে জানাই হাজার সালাম!

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান,
বরগুনা সরকারি কলেজ

ফরিদপুরে ঈদের প্রধান জামাত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮ টায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪২ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের প্রধান জামাত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮ টায়

পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৬ উদযাপনকে সামনে রেখে ফরিদপুর জেলায় সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বাকাহীদ হোসেন, পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সুস্মিতা সাহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রামানন্দ পালসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

সভায় আসন্ন ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফরিদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় জেলার প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে বিকল্প হিসেবে জেলার বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত আয়োজনের ব্যবস্থা রাখা হবে।

এছাড়া ঈদ উপলক্ষে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা না করার বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঈদকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়। বিশেষ করে ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয় যে, ঈদ যাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি বাস টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা সভায় বলেন, ঈদ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। তাই এই উৎসবকে ঘিরে মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

সভায় আরও জানানো হয়, ঈদের সময় হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিভাগসহ জরুরি সেবাগুলো চালু রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন।