খুঁজুন
, ,

১৬ মাসের ভাতা বন্ধ, ক্ষোভে ফুঁসছেন ফরিদপুরের এআই টেকনিশিয়ানরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
১৬ মাসের ভাতা বন্ধ, ক্ষোভে ফুঁসছেন ফরিদপুরের এআই টেকনিশিয়ানরা

যৌক্তিক পারিশ্রমিক, ১৬ মাসের বকেয়া ভাতা পরিশোধ এবং মাসিক ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ফরিদপুরে অবস্থান কর্মসূচি পালন ও অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীন কৃত্রিম প্রজনন (এআই) কেন্দ্রের টেকনিশিয়ানরা। তাদের এ কর্মবিরতির কারণে কৃত্রিম প্রজনন সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ফরিদপুর পুরাতন বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত কৃত্রিম প্রজনন (এআই) কেন্দ্রের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহত্তর ফরিদপুর এআই টেকনিশিয়ান কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আখতার হোসেন। এতে বক্তব্য দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, রাজবাড়ী জেলা এআই টেকনিশিয়ানদের সভাপতি দীপঙ্কর চক্রবর্তীসহ বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের বিভিন্ন জেলার এআই টেকনিশিয়ানরা।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। উন্নত জাতের গবাদিপশু উৎপাদন, খামারিদের সেবা প্রদান এবং প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও তাদের প্রাপ্য সম্মান ও আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে না।

তাদের অভিযোগ, সরকার পূর্বে প্রতি মাসে ২ হাজার টাকা করে ভাতা প্রদান করলেও গত ১৬ মাস ধরে সেই ভাতা বন্ধ রয়েছে। এতে অনেক টেকনিশিয়ান মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আন্দোলনকারীরা অবিলম্বে ১৬ মাসের বকেয়া ভাতা পরিশোধ, বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মাসিক ভাতা বৃদ্ধি এবং এআই টেকনিশিয়ানদের জন্য যৌক্তিক পারিশ্রমিক নিশ্চিত করার দাবি জানান।

বক্তারা আরও বলেন, কৃত্রিম প্রজনন সেবা দেশের প্রাণিসম্পদ উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। অথচ এই সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত মাঠকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। দ্রুত দাবি বাস্তবায়ন না হলে দেশব্যাপী আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

কর্মসূচি শেষে আন্দোলনকারীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত তাদের দাবি মেনে নিয়ে টেকনিশিয়ানদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

ফরিদপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় দিনদুপুরে এক ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে প্রায় ৩ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার শেখর ইউনিয়নের ছত্রকান্দা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত ব্যবসায়ী সৈয়দ সোহরাব আলী (৪৮) বর্তমানে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, সহস্ররাইল বাজারের রড ও সিমেন্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ সোহরাব আলী বুধবার সকালে ব্যবসার প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলে করে আলফাডাঙ্গার দিকে রওনা হন। পথে ছত্রকান্দা এলাকার খালেক মাস্টারের বাড়ির সামনে পৌঁছালে মুখোশধারী তিন দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে।

এ সময় দুর্বৃত্তরা তার কাছে থাকা টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। একপর্যায়ে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় সোহরাব আলীকে উদ্ধার করে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আলামত সংগ্রহ করে।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. বাকির হোসেন জানান, আহত সোহরাব আলীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার বাঁ পায়ে গভীর ক্ষত হওয়ায় ছয়টি সেলাই দিতে হয়েছে। এছাড়াও শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম রয়েছে। তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং পুরোপুরি সুস্থ হতে কিছুটা সময় লাগবে।

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

স্বাস্থ্যসেবার নামে অনিয়ম, ফরিদপুরে দুই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্যসেবার নামে অনিয়ম, ফরিদপুরে দুই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

ফরিদপুর শহরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে চিকিৎসাসেবার মান নিশ্চিত করতে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নানা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। লাইসেন্স নবায়ন না করা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব, নিবন্ধিত চিকিৎসক ও দক্ষ জনবল না রাখা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহারসহ একাধিক অভিযোগে এ জরিমানা করা হয়।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ফরিদপুর শহরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজিন ইকো ও জান্নাতুল সুলতানা।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, চিকিৎসাসেবার মান, স্বাস্থ্যবিধি এবং প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের উপস্থিতি যাচাই করা হয়। এ সময় শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকায় অবস্থিত নিউ লাইফ জেনারেল হাসপাতালে একাধিক গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়ে। প্রতিষ্ঠানটিতে লাইসেন্স নবায়ন না করা, অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) পর্যাপ্ত জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জামের অভাব, সার্বক্ষণিক নিবন্ধিত চিকিৎসক না থাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং চিকিৎসাসেবার প্রয়োজনীয় মানদণ্ড অনুসরণ না করায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

একই অভিযানে আলিফ ডিজিটাল ল্যাব প্রাইভেট ক্লিনিকেও বিভিন্ন অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটিতে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট সংরক্ষণ, নিবন্ধিত প্যাথলজিস্ট ও প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ানের অভাব এবং বিধি অনুযায়ী সেবা পরিচালনায় ব্যত্যয় ঘটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজিন ইকো বলেন, “মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা, অনিয়ম বা প্রতারণা বরদাশত করা হবে না। রোগীদের নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। লাইসেন্সবিহীন কিংবা নিয়ম না মেনে পরিচালিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও জানান, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংশ্লিষ্ট আইন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মেনে পরিচালিত হতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযানকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. বজলুর রশিদ খান, স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা উপস্থিত থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

ফরিদপুরে দোকানে আটকে রেখে ব্যবসায়ীকে মারধর, আড়াই লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে দোকানে আটকে রেখে ব্যবসায়ীকে মারধর, আড়াই লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক ব্যবসায়ীকে মারধর, জোরপূর্বক দোকানে আটকে রাখা এবং একটি কোর্ট ফাইল থেকে নগদ আড়াই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরও প্রতিকার না পাওয়ার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী।

বুধবার (৮ জুলাই) বোয়ালমারীর পৌরসদরের পুরাতন ব্রিজ সংলগ্ন নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন বোয়ালমারী বাজারের কাঠ চিরাইকল ও ইটভাটার মালিক আহসানুল কবির (হেলাল মিয়া)।

সংবাদ সম্মেলনে বোয়ালমারী পৌরসভার রায়পুর গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. মাসুদ (৪০) ও মো. মামুন (৩৮), একই গ্রামের মৃত ওহেদ মোল্যার ছেলে আজিজুর রহমান (৫৫) এবং মো. মিজান মোল্যা (৪৫) এর বিরুদ্ধে মারপিট, আটক রাখা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলেছেন।

আহসানুল কবির বলেন, অভিযুক্তদের সঙ্গে তার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এর জেরে গত ৪ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নিজস্ব প্রাইভেটকারে এসি কেনার উদ্দেশ্যে ফরিদপুর যাওয়ার পথে বোয়ালমারী নিউ মার্কেট এলাকায় পৌঁছালে অভিযুক্তরা মোটরসাইকেল দিয়ে তার গাড়ির গতিরোধ করেন।

তার দাবি, মাসুদ ও মামুন গাড়ির দরজা খুলে তাকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে মারধর করেন। পরে অন্য অভিযুক্তরাও হামলায় অংশ নিয়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। একপর্যায়ে মাসুদ তার একটি কোর্ট ফাইল নিয়ে যান। ওই ফাইলের মধ্যে নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র ছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, পরে তাকে জোরপূর্বক অভিযুক্তদের কাপড়ের দোকানে আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে তার স্ত্রী ঘটনাস্থলে এসে প্রথমে থানায় সহায়তা চাইলেও তাৎক্ষণিক সাড়া না পেয়ে মেয়ের মাধ্যমে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে বোয়ালমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পুলিশ তার ফাইলটি উদ্ধার করলেও ভেতরে থাকা নগদ টাকা পাওয়া যায়নি বলে তিনি দাবি করেন। আহত অবস্থায় তাকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

আহসানুল কবির অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে থানায় এজাহার দিলেও চার দিন পেরিয়ে গেলেও মামলা রেকর্ড বা দৃশ্যমান কোনো আইনগত অগ্রগতি হয়নি। তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে। তার অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তিনি যে অভিযোগ করেছেন, পুলিশ নিষ্ক্রিয় রয়েছে, এটি সঠিক নয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী মামলা রুজু করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।