খুঁজুন
রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১৫ চৈত্র, ১৪৩২

কাউকে রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যায়?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩০ এএম
কাউকে রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যায়?

পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালন করতে গিয়ে দৈনন্দিন প্রয়োজন ও মানবিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নানা মাসআলা সামনে আসে। বিশেষ করে কোনো অসুস্থ রোগীর জন্য রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হলে অনেক রোজাদারের মনে প্রশ্ন জাগে—রোজা রেখে রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যাবে?

কারণ রোজা অবস্থায় শরীর থেকে রক্ত বের হওয়া, দুর্বলতা অনুভব করা কিংবা চিকিৎসাজনিত প্রয়োজনে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়টি শরিয়তের দৃষ্টিতে কী—এ বিষয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা থাকে না।

এ বিষয়ে হাদিস ও ফিকহের কিতাবে সুস্পষ্ট আলোচনা রয়েছে। আলেমরা ব্যাখ্যা করেছেন, রোজা ভঙ্গ হওয়ার মূল কারণ হলো শরীরের ভেতরে কোনো কিছু প্রবেশ করা। সাধারণভাবে শরীর থেকে কিছু বের হলে রোজা নষ্ট হয় না। তবে অতিরিক্ত রক্ত দিলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকায় সে ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ কারণে রোজা অবস্থায় রক্ত দেওয়া যাবে কিনা, কার জন্য তা মাকরূহ হতে পারে এবং কোন অবস্থায় তা বৈধ—এসব বিষয় জানা রোজাদারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে করে একদিকে যেমন মানবিক দায়িত্ব পালন করা যায়, অন্যদিকে তেমনি ইবাদতও শরিয়তের বিধান অনুযায়ী সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

রোজা অবস্থায় রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যাবে?

ফুকাহায়ে কেরামদের মতে, রোজা অবস্থায় রক্ত দিলে রোজা ভেঙে যায় না। সে কারণে বিভিন্ন পরীক্ষা বা চিকিৎসার প্রয়োজনে রক্ত দেওয়া জায়েজ। তবে এমন পরিমাণ রক্ত দেওয়া মাকরূহ, যার ফলে শরীর অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোজা রাখা কষ্টকর হয়ে যায়।

এজন্য দুর্বল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রোজা অবস্থায় অন্য রোগীকে রক্ত দেওয়া অনুচিত। তবে যে ব্যক্তি সবল এবং রোজা অবস্থায় রক্ত দিলে তার জন্য রোজা রাখা কষ্টকর হবে না, সে চাইলে রক্ত দিতে পারে। এতে কোনো শরয়ি অসুবিধা নেই।আবার সিঙ্গার মাধ্যমে শরীরের বিষাক্ত রক্ত বের করা হয়। তাই রোজা রেখে নিজের টেস্ট/পরীক্ষার জন্য কিংবা কোনো রোগীকে দেওয়ার জন্য রক্ত দিলে, রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। তবে রক্ত দিতে গিয়ে দুর্বল হয়ে রোজা ভেঙ্গে ফেলার আশঙ্কা থাকলে, সে অবস্থায় রক্ত দেওয়া মাকরুহ হবে।

হজরত সাবিত আল-বুনানি (রহ.) বলেন- আনাস ইবনে মালিক (রা.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছে যে, রোজাদারের জন্য শরীর থেকে শিঙ্গা লাগিয়ে রক্ত বের করাকে কি আপনি অপছন্দ করেন? জবাবে তিনি বলেন- না, আমি অপছন্দ করি না। তবে দুর্বল হয়ে পড়ার ভয় থাকলে ভিন্নকথা। (বুখারি ০১/২৬০)

সূত্র: বুখারি ১৯৩৬–১৯৪০, আলবাহরুর রায়েক ২/২৭৩, কিতাবুল আসল ২/১৬৮, মাজমাউল আনহার ১/৩৬০

১১ জেলায় নতুন ডিসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:১৯ পিএম
১১ জেলায় নতুন ডিসি

১১ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (২৯ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাদেরকে তাদের নামের পাশে বর্ণিত জেলায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে বদলি/পদায়ন করা হলো।

এর মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কাজী শহিদুল ইসলামকে রাজশাহী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব লুৎফুন নাহারকে চুয়াডাঙ্গা, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব হরে জান্নাতকে খুলনা, অর্থ বিভাগের উপসচিব মর্জিনা আক্তারকে মাদারীপুর ও সরকারি প্রিন্টিং প্রেসের উপপরিচালক (উপসচিব) মো. আবু সাঈদকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপসিচব আহেমদ জিয়াউর রহমানকে চাঁদপুর, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব জি.এম. সরফরাজকে হবিগঞ্জ, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ইসরাত জাহান কেয়াকে নরসিংদী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শিল্পী রানী রায়কে মেহেরপুর, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের উপসচিব (সচিব) মুহ. রাশেদুল হক প্রধানকে লালমনিরহাট ও ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক (উপসচিব) মো. সানিউল ফেরদৌসকে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আদেশে স্বাক্ষর করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আমিনুল ইসলাম।

ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার মাহমুদুল হাসান

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ২:২৭ পিএম
ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার মাহমুদুল হাসান

সার্বিক পুলিশিং কার্যক্রম বিবেচনায় ফরিদপুর জেলার পুলিশের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান। তিনি জেলার নগরকান্দা সার্কেল হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

রবিবার (২৯ মার্চ) সকালে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে সেরা সার্কেল ঘোষণা করে পুরস্কার তুলে দেন এসপি মো. নজরুল ইসলাম।

ক্রেস্ট প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো. শামছুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খান সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মাহমুদুল হাসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন ক্লুলেস হত্যা, চুরির মামলা উদঘাটন ও দায়িত্বাধীন থানাগুলোর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য এ পুরস্কারে ভূষিত হন।

সার্কেল অফিস ও থানাগুলোর অভিযোগ অনুসন্ধান, মাদক জব্দ, ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তিসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবদান রাখায় মাহমুদুল হাসানকে ফরিদপুর জেলা পুলিশের সেরা সার্কেল অফিসার নির্বাচন করা হয়।

ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি বাবলুর রহমান খান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৫ পিএম
ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি বাবলুর রহমান খান

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি মনোনীত হয়েছেন সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান।

রবিবার (২৯ মার্চ) সকালে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে মাসিক কল্যাণ সভায় সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খানকে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত করা হয়।

সভা শেষে ফরিদপুর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম তার হাতে শ্রেষ্ঠ ওসির সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন।

ক্রেস্ট প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো. শামছুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খান প্রমূখ।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মো. বাবলুর রহমান খান সালথা থানায় যোগদানের পর সহিংসতা বন্ধে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে আসছেন। এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে সব সময় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, অপরাধী আটক, মাদক নিয়ন্ত্রণ, মামলা গ্রহণসহ চুরি-ডাকাতির ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন তিনি।