খুঁজুন
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৮ চৈত্র, ১৪৩২

বিয়ের আগে যে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি মিস করা চলবে না

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৯ এএম
বিয়ের আগে যে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি মিস করা চলবে না

বিয়ে মানুষকে শালীন, পবিত্র ও পরিপূর্ণ জীবনযাপনের পথে নিয়ে যায়। ইসলামে বিয়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময় একটি ইবাদত। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘হে যুবসমাজ, তোমাদের মধ্যে যার বিয়ের সামর্থ্য আছে, তার বিয়ে করা উচিত। কেননা বিয়ে চোখকে নিচু রাখে এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। আর যার সামর্থ্য নেই, সে যেন রোজা রাখে। কেননা রোজা যৌবনের খায়েশ কমিয়ে দেয়।’ (বোখারি : ৫০৬৫, মুসলিম : ১৪০০)

এই হাদিস থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, বিয়ে করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো তারিখ, দিন বা মাস ঠিক করে দেওয়া হয়নি; বরং সামর্থ্য হলে দেরি না করে বিয়ে করে নেওয়াই উত্তম।

এ ক্ষেত্রে অবশ্য কিছু প্রস্তুতি রয়েছে, যেগুলো গ্রহণ করে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। চলুন, প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহর ভাষায় বিয়ের আগের জরুরি ৭টি প্রস্তুতির কথা জেনে নিই।

১. নিজেকে মুত্তাকি হিসেবে গড়ে তোলা

বিবাহইচ্ছুক মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় প্রস্তুতি হলো, বিয়ে আগে নিজেকে মুত্তাকি-পরহেজগার, পাপের কাজ এবং আল্লাহর অবাধ্যতার কাজ থেকে দূরে থাকার মানসিকতাপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। কারণ, আমরা সবাই চাই আমাদের সঙ্গী যিনি হবেন তিনি যেন ফেরেশতার মতো মানুষ হন।

এ ক্ষেত্রে আমরা যদি আসলে তাই চাই, তবে আগে নিজেকে সকল দিক থেকে ভালো করে গড়ে তুলতে হবে। কারণ, আল্লাহর সাধারণ নিয়ম হলো, ভালো মানুষের সঙ্গে ভালো মানুষ মিলিয়ে দেন। যদিও অনেক সময় ব্যতিক্রম দেখা যায়। এটা ভিন্ন বিষয়। অনেক সময় আল্লাহ তায়ালা পরীক্ষা কিংবা অন্যকোনো উদ্দেশ্যে ব্যতিক্রম ঘটান।

২. আল্লাহর কাছে দোয়া

বিয়ের আগে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করতে হবে; যেন তিনি আমাদের ভালো সঙ্গী দান করেন। এ ক্ষেত্রে বিশেষ করে সুরা ফুরক্বানের ৭৪ নম্বর আয়াতের শেষ অংশ সকাল-সন্ধ্যায়, উঠতে-বসতে সব সময় পড়তে হবে। এটি খুবই কার্যকর একটি দোয়া। যারা ভালো সঙ্গী কামনা করেন, তারা বিয়ের আগে নিয়মিত এই আমল করুন।

দোয়াটি হলো, رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

উচ্চারণ : রব্বানা হাব লানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ’ইউন, ওয়া জাআলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা।

৩. দ্বীনদার সঙ্গী খোঁজা

বিয়ের পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে একজন ভালো জীবনসঙ্গী পাওয়ার স্বার্থে যার ভেতরে দ্বীনদারি আছে, তাকওয়া আছে, অল্পেতুষ্টি আছে এবং দুনিয়ার প্রতি কোনো মোহ নেই, লোভ নেই এরকম মানুষ খুঁজে নিতে হবে। কারণ রাসুল (সা.) বলেছেন, বিয়ের ক্ষেত্রে জীবনসঙ্গীর দ্বীনদারিতাকে গুরুত্বসহকারে দেখবে এবং দ্বীনদার জীবনসঙ্গী পেয়ে তুমি জেতার চেষ্টা করবে।

৪. পার্টনারের অধিকার আগে থেকে জেনে নিতে হবে

বিয়ের ক্ষেত্রে জীবনসঙ্গীর অধিকার সম্পর্কে আগে থেকেই জেনে নিতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় দাম্পত্যজীবনে এসে নারী-পুরুষ একে অন্যের অধিকার খর্ব করেন,ক্ষুণ্ণ করেন। যার ফলে দাম্পত্যজীবনে অশান্তি লেগেই থাকে। এজন্যই বিয়ের আগে কোরআন-হাদিসের আলোকে জীবনসঙ্গীর অধিকার কী কী তা জেনে নিতে হবে।

৫. ছেলেরা হালাল উপার্জনের চেষ্টা করা

বিয়ের আগে ছেলেরা হালাল উপার্জনের চেষ্ট করতে হবে। কারণ বিয়ের পর তার স্ত্রী এবং পরিবারের ব্যয়ভার বহন করা ইসলামি শরিয়তের আলোকে তার ওপর আবশ্যক। হাঁ কেউ যদি স্ত্রী এবং পরিবারে ন্যূনতম ব্যয়ভার বহন করতে অক্ষম হন, তবে শরিয়ত তাকে বিয়ের বিকল্প হিসেবে সিয়াম পালনের নির্দেশ দেয়।

একইভাবে মেয়েদের গৃহস্থালির কাজগুলো ভালোভাবে জেনে নিতে হবে। কারণ অনেক সময় দেখা যায়, গৃহস্থালির কাজ না জানার কারণে স্বামীর সঙ্গে বনিবনা কম হয়। সংসারে অশান্তি শুরু হয়।

উল্লেখ্য, হালাল উপার্জন মানে লাখ লাখ টাকা নয়। বরং জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় উপার্জনই যথেষ্ট।

৬. তালাকের মাসআলা জেনে নেওয়া

বিয়ের আগে তালাকের মাসআলা-মাসাইল ভালো করে জেনে নিতে হবে। কী পদ্ধতিতে তালাক দেওয়া জায়েজ, কোন পদ্ধতিতে দেওয়া নাজায়েজ, তালাক কত স্পর্শকাতর বিষয়, তালাকের কথা বলার আগে কতটা সাবধনতা অবলম্বন করতে হয়—ইত্যাদি জেনে নিতে হবে। কারণ, বেশিভাগ পরিবারকে দেখা যায় যে, তারা তালাক দেওয়ার পর আফসোস করেন। অনেকে বলেন, আমরা আসলে বিষয়টি জানতাম না। বোঝতাম না। এজন্যই বিয়ের আগে থেকে তালাকের মাসআলা-মাসাইল জেনে নেওয়া ভালো।

৭. পারিবারিক ব্যবস্থাপনা

বিয়ের পর পুরুষ তার শ্বশুরবাড়ির কার কার সঙ্গে দেখা করতে পারবেন, কার সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না, নারী তার স্বামীর বাড়ির কার সঙ্গে দেখা করতে পারবেন, কার সঙ্গে পারবেন না, স্বামীর পরিবারে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য কতটুকু—ইত্যাদি বিষয়গুলো শরিয়তের আলোকে জেনে নেওয়া জরুরি।

সূত্র : কালবেলা

ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া: কী বলে ইসলাম?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৭:১১ এএম
ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া: কী বলে ইসলাম?

পবিত্র ঈদুল ফিতর মানেই আনন্দ, ভালোবাসা আর পারস্পরিক সম্পর্কের বন্ধনকে নতুন করে দৃঢ় করার এক মহিমান্বিত উপলক্ষ। এদিন ছোটদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং আপনজনদের সঙ্গে হৃদ্যতার সম্পর্ক আরও গভীর করতে আমাদের সমাজে ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়ার একটি সুন্দর প্রচলন রয়েছে।

তবে এই প্রথার ধর্মীয় অবস্থান কী, এটি কি ইবাদত, নাকি কেবল সামাজিক রীতি? শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি বোঝা জরুরি, যেন আমরা আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি ইসলামের সঠিক নির্দেশনাও মেনে চলতে পারি।

রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের ফতোয়া বিভাগীয় প্রধান মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী বলেন, ইসলামের মূলনীতি হলো, যে কোনো কাজ ততক্ষণ বৈধ, যতক্ষণ না তা শরিয়তের কোনো স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়ে। এ দৃষ্টিকোণ থেকে ঈদের দিনে কাউকে খুশি করার উদ্দেশে অর্থ বা উপহার দেওয়া নিঃসন্দেহে বৈধ। বরং হাদিসে উপহার আদান-প্রদানের মাধ্যমে ভালোবাসা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। তাই ছোটদের আনন্দ দেওয়া, আত্মীয়তার সম্পর্ক দৃঢ় করা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়ানোর নিয়তে ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া একটি সুন্দর ও প্রশংসনীয় আমল হতে পারে।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে মনে রাখতে হবে, ঈদ সালামি কোনো ইবাদত নয় এবং এটি ইসলামের নির্ধারিত কোনো বিধানও নয়। এটি একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রথা মাত্র। সুতরাং একে বাধ্যতামূলক মনে করা বা না দিলে দোষারোপ করা ঠিক নয়।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ইউটিউব চ্যানেলে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘ইসলামে সালামের পরিভাষা রয়েছে। কোরআনে আছে, ‘তোমাদেরকে কেউ যদি কোনো অভিবাদন জানায় বা সালাম পেশ করে, তাহলে সে যে ভাষায় তোমাকে সালাম দিয়েছে, সে ভাষায় তুমি জবাব দাও। অথবা এর চেয়ে উত্তম শব্দ ব্যবহার করে সালাম দাও।’ হজরত মুহাম্মদ (সা.) আমাদেরকে সালাম দিতে নির্দেশ করেছেন। মুখ দিয়ে উচ্চারণ করে পরস্পরের শান্তি কামনা করা হলো সালাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের সালামি পেতে বাচ্চারা বড়দের সালাম দিলে তারা সালামের উত্তর দেবেন। সালামের জবাব দিয়ে তাদের কিছু হাদিয়া দেবেন, এটা আমাদের দেশের সংস্কৃতি। এতে কোনো অসুবিধা নেই। কোরআন-হাদিসের সঙ্গে এর কোনো সংঘর্ষ নেই। পা ছুঁয়ে সালাম করলে সালামি দিতে হবে, এটা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। সে সালাম দিলে জবাব দিয়ে তাকে সালামি দিয়ে দেওয়া উচিত। পা ছুঁয়ে সালাম করতে তাকে বাধ্য করা উচিত নয়।’

সূত্র : কালবেলা

চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:২১ এএম
চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ করেই শীতের আবহ ফিরে এসেছে ফরিদপুরে। রবিবার (২২ মার্চ) ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পুরো জেলা। চারপাশে যেন শীতের সকালের সেই পরিচিত দৃশ্য—মাঠ-ঘাট, গাছপালা, রাস্তা সবই কুয়াশার আস্তরণে আচ্ছন্ন। মৃদু শীতল বাতাস আর হালকা ঠান্ডা আবহে প্রকৃতি যেন ভুলে গেছে ঋতুর নিয়ম।

ভোরের আলো ফুটলেও সূর্যের দেখা মেলেনি অনেকক্ষণ। কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে দূরের বস্তু স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল না। গ্রামীণ জনপদে দেখা গেছে চিরচেনা দৃশ্য—কৃষকরা গরু নিয়ে মাঠে যাচ্ছেন, আর গৃহস্থ বাড়িতে কৃষাণীরা ধান সিদ্ধ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সব মিলিয়ে চৈত্রের সকালে এমন দৃশ্য অনেকটাই অপ্রত্যাশিত হলেও প্রকৃতির এক ভিন্ন সৌন্দর্য উপভোগ করছেন স্থানীয়রা।

সালথা উপজেলার কৃষক শাহাজুদ্দিন মাতুব্বর বলেন, “চৈত্র মাসে এমন কুয়াশা আমরা খুব একটা দেখি না। সকালে মাঠে কাজ করতে গিয়ে ঠান্ডা অনুভব করছি। তবে এই কুয়াশা ফসলের জন্য ভালো না-ও হতে পারে।”

বিশেষ করে পেঁয়াজ চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। এই সময়ে অতিরিক্ত কুয়াশা ও আর্দ্রতা পেঁয়াজের গাছের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এতে করে গাছের পাতা পচে যাওয়া বা রোগবালাইয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে, যা উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে এমন কুয়াশা দেখা দিতে পারে। রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাওয়ায় এবং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভোরের দিকে কুয়াশা ঘনীভূত হচ্ছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং কুয়াশা কেটে যাবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

আবহাওয়াবিদরা আরও জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। তাই কৃষকদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পেঁয়াজসহ সংবেদনশীল ফসলের যত্নে বাড়তি নজর দিতে বলা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, চৈত্রের প্রখর রোদ আর গরমের বদলে হঠাৎ করে ফিরে আসা শীতের এই আমেজ একদিকে যেমন প্রকৃতিকে দিয়েছে ভিন্ন রূপ, অন্যদিকে কৃষকদের মনে তৈরি করেছে নতুন দুশ্চিন্তার ছায়া।

ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

ফরিদপুরের সদরপুরে ঈদের নামাজের পর একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। 

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুইটার দিকে স্থানীয়রা কুকুরটিকে মেরে ফেলে বলে জানা গেছে।

হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজের পর উপজেলা সদরে একটি পাগলা কুকুর যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই আকষ্মিকভাবে কামড়ে আহত করে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

ভুক্তভোগী এক রোগীর স্বজন মো. সোহাগ মুন্সি বলেন, একটি পাগলা কুকুর হঠাৎ করে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়ে আহত করে। আমার ভাতিজা আরাফাতকে(১৪) কামড়ে আহত করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মোট ১৬ জন বিভিন্ন বয়সী মানুষকে কুকুরটি কামড়ে আহত করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো: মমিনুর রহমান সরকার বলেন, আহতদের মধ্যে এগারো জনকে আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচ জন পার্শ্ববর্তী হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।