খুঁজুন
, ,

যে ৯ পাপের শাস্তি দুনিয়াতে না পেয়ে কারও মৃত্যু হবে না?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
যে ৯ পাপের শাস্তি দুনিয়াতে না পেয়ে কারও মৃত্যু হবে না?

মানুষের জীবনে এমন কিছু পাপ রয়েছে, যেগুলোর শাস্তি কেবল পরকালের জন্য স্থগিত থাকে না; বরং দুনিয়াতেই তার প্রতিফলন দেখা যায়। কখনো তা আসে পারিবারিক অশান্তি হিসেবে, কখনো সামাজিক অপমান, আবার কখনো জীবনের বরকত ও শান্তি হারানোর মধ্য দিয়ে।

সমসাময়িক সমাজ বাস্তবতায় দেখা যায়, প্রযুক্তির বিস্তার ও ভোগবাদী জীবনের চাপে অনেকেই অজান্তে কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে এসব গুরুতর পাপে জড়িয়ে পড়ছেন। কিন্তু এর ভয়াবহতা অনুধাবন করতে না পারায় তারা দুনিয়াতেই নানা ধরনের সংকট, অস্থিরতা ও বিপদের সম্মুখীন হচ্ছেন। এ বাস্তবতাকে সামনে এনে জনপ্রিয় ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ ইউটিউবে এক আলোচনায় কোরআন-হাদিসের আলোকে এমন ৯টি পাপের কথা তুলে ধরেছেন, যেগুলোর শাস্তি দুনিয়াতে ভোগ করানো ছাড়া আল্লাহ কাউকে মৃত্যু দেবেন না।

নিচে কালবেলার পাঠকদের জন্য সেই ১০টি ভয়াবহ পাপ তুলে ধরা হলো—

১. মা-বাবার অবাধ্যতা

মা-বাবার সাথে বেয়াদবি, তাদের অশ্রদ্ধা করা বা তাদের অধিকার খর্ব করা এমন এক অপরাধ, যার শাস্তি আল্লাহ দুনিয়াতেই দিয়ে থাকেন। হাদিস অনুযায়ী, মা-বাবার নাফরমান সন্তানের প্রায়শ্চিত্ত দুনিয়াতে ভোগ করা ছাড়া মৃত্যু হয় না। এই পাপ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো মা-বাবার কাছে সরাসরি ক্ষমা চাওয়া এবং তাদের সন্তুষ্ট করা।

২. জুলুম

কারো ওপর গায়ের জোর খাটানো বা মাস্তানি করা এমন এক জঘন্য পাপ, যার শাস্তি আল্লাহ দুনিয়াতে নগদ দেন। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো জালেমই জুলুম করে পার পায়নি। এমনকি পশুপাখিও যদি একে অন্যের ওপর জুলুম করে, তবে কেয়ামতের দিন আল্লাহ তার বিচার করবেন। মাজলুম ব্যক্তি যদি অন্য ধর্মেরও হয়, তবুও আল্লাহ তার ডাকে সাড়া দেন এবং জালেমকে পাকড়াও করেন।

৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা

রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়দের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা একটি ভয়াবহ অপরাধ। অনেক সময় মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ‘কাগুজে বন্ধু’দের নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও নিজের আপন ফুফু, চাচা বা ভাই-বোনের খবর রাখে না। হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, আল্লাহ তার সাথে নিজের সম্পর্ক ছিন্ন করেন এবং সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।

৪. কথায় কথায় মিথ্যা বলা এবং আমানতের খেয়ানত করা

মিথ্যা সব পাপের মূল। যারা কথায় কথায় মিথ্যা বলে এবং আমানতের খেয়ানত করে, তাদের ওপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হয়। মিথ্যাবাদী ও আমানতের খেয়ানতকারীদে জীবনে আল্লাহ কখনোই বরকত দান করেন না এবং দুনিয়াতেই তাদের লাঞ্ছিত হতে হয়।

৫. মানুষকে অপমান ও অপদস্ত করা

আজকাল বন্ধু-বান্ধব মিলে কাউকে নিয়ে ট্রল করা বা ‘রেগিং’ করাকে বিনোদনের অংশ মনে করা হয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে, যে ব্যক্তি অন্যকে অপমান করে, সে নিজেও কোনো না কোনো পরিস্থিতিতে মানুষের কাছে অপমানিত হবেই—এটি আল্লাহর নিয়ম।

৬. লোকদেখানো ইবাদত

মানুষের প্রশংসা পাওয়ার জন্য বা ফেসবুকে লাইক-কমেন্ট পাওয়ার আশায় কোনো ভালো কাজ করা লৌকিকতা। যারা মানুষকে দেখানোর জন্য দান-সদকা বা ইবাদত করে, তাদের আমলের কোনো সওয়াব তো থাকেই না, উল্টো দুনিয়াতে তাদের জন্য লাঞ্ছনা অপেক্ষা করে।

৭. নেয়ামতের অকৃতজ্ঞতা

আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত ভোগ করে যদি কেউ তার শোকর আদায় না করে কিংবা যে মানুষটি তার উপকার করেছে তার প্রতি কৃতজ্ঞ না হয়, তবে আল্লাহ সেই নেয়ামত ছিনিয়ে নেন। অকৃতজ্ঞ ব্যক্তির জীবনে অভাব-অনটন ও ভয় গ্রাস করে।

৮. ব্যবসায় প্রতারণা ও ওজনে কম দেওয়া

মাপে কম দেওয়া বা ভালো মালের নিচে পচা মাল লুকিয়ে রাখা ইসলামের দৃষ্টিতে বড় অপরাধ। কোনো বিক্রেতা যদি কাস্টমারের সাথে প্রতারণা করে, তবে সে রাসুলের (সা.) উম্মত হিসেবে দাবি করার যোগ্যতা হারায়। এই ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীরা পার্থিব সম্পদে বরকত পায় না এবং অশান্তিতে ভোগে।

৯. আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস ও অবাধ্যতা

যে কোনো ধরনের পাপ বা আল্লাহর বিধানের অবাধ্যতার একটি বড় শাস্তি হলো মানসিক অশান্তি ও ডিপ্রেশন। দেখা যায়, সব ধরনের ভোগ-বিলাসের উপকরণ থাকা সত্ত্বেও পাপিষ্ঠ ব্যক্তির মনে শান্তি থাকে না, যা অনেক সময় তাদের আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়।

চরভদ্রাসনে কাঠের সেতু উদ্বোধন শেষে মাদক নির্মূলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন এমপি বাবুল

শিশির খাঁন
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪১ পূর্বাহ্ণ
চরভদ্রাসনে কাঠের সেতু উদ্বোধন শেষে মাদক নির্মূলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন এমপি বাবুল

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার মৌলভীর চর সরদার বাড়িতে কাঠের সেতু উদ্বোধন ও মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৮ আগস্ট) দুপুর ১টায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্পেন বিএনপির সহ-সভাপতি ও প্রবাসী ইউনুস আলী পরামানিকের অর্থায়ন ও পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জুলহাস হোসেন সৌরভ এবং চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফর আলী।

আরমান আলী সরদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ওয়াহিদুজ্জামান মোল্ল্যা, সদস্য সচিব আব্দুল কুদ্দুস বাদশা, সাবেক সভাপতি মো. শাহজাহান শিকদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা এ.জি.এম. বাদল আমিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. কুদ্দুস আলী, মো. ইয়াকুব আলী, ওবায়দুল বারী দীপু, মো. মঞ্জুরুল হক মৃধা, মোস্তফা কবির, গোলাম মোস্তফা, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. মোজাফফর হোসেন জাফর, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব মোল্লা, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রাশেদ আল ফারুকী, কৃষক দলের নেতা মো. কামরুল হাসান ফিরোজ, ছাত্রদল নেতা শুভ সালাউদ্দিন মোল্ল্যা, আল-আমিন মোল্ল্যাসহ রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আরমান আলী সরদারের মায়ের কবর জিয়ারত করা হয়। পরে ইউনুস আলী পরামানিকের অর্থায়নে নির্মিত কাঠের সেতুটির উদ্বোধন করেন অতিথিরা। স্থানীয়রা জানান, সেতুটি নির্মাণের ফলে এলাকার মানুষের হাট-বাজারে যাতায়াত সহজ হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতেও সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে। পরে সরদার বাড়ি ঈদগাহ মাঠে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, মাদক যুবসমাজের জন্য ভয়াবহ অভিশাপ। মাদকের বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, মাদকের সঙ্গে যে-ই জড়িত থাকুক, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলীয় পরিচয় কোনোভাবেই মাদক কারবারিদের রক্ষা করবে না। মাদকসংক্রান্ত কোনো তদবিরও গ্রহণ করা হবে না বলে তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন।

এমপি বাবুল আরও বলেন, যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ জন্য প্রতিটি উপজেলায় খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তরুণদের খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি প্রশাসনকে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে বলেন, দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্তসাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অপরাধীকে রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে ছাড় দেওয়া হবে না।

সভায় বক্তারা চরভদ্রাসনকে মাদকমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

বোয়ালমারী প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ
বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় রহিমা বেগম (৯০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। 

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার শেখর ইউনিয়নের শেখর বাজারসংলগ্ন অরক্ষিত রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রহিমা বেগম উপজেলার দিঘিরপাড় গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের স্ত্রী।

রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকালের দিকে রহিমা বেগম রেললাইনের ওপর দিয়ে হাঁটছিলেন। এ সময় পাংশা থেকে গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়াগামী ভাটিয়াপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানান, রহিমা বেগম মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং কানে কম শুনতেন।

খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সরল কুমার বিশ্বাস ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন এবং রাজবাড়ী রেলওয়ে থানাকে বিষয়টি জানান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজবাড়ী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে রেলওয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সালথায় পাট শুকানোর আড়া বাঁধাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০

জাকির হোসেন, সালথা:
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
সালথায় পাট শুকানোর আড়া বাঁধাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুরের সালথায় পাট শুকানোর জন্য বাঁশের আড়া বাঁধাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কয়েকটি বসতবাড়ি ও একটি দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত দশজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের জুগিকান্দা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় বশির মাতুব্বরের বসতবাড়ির পাশে একটি মসজিদের সামনে পাট শুকানোর জন্য বাঁশ দিয়ে আড়া বাঁধেন হবি মেম্বারের সমর্থক হাবিবুর রহমান। এতে মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হয়। পরে মুসল্লিরা বাঁশের ওই আড়া খুলে দেন।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হবি মাতুব্বরের সমর্থকরা বশির মাতুব্বরকে আড়া খুলে ফেলার জন্য দায়ী করেন। একপর্যায়ে তারা বশির মাতুব্বরের বাড়িতে হামলার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের লোকজন জড়ো হন। পরে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। এ সময় কয়েকটি বসতবাড়ি ও একটি দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একটি বাঁশের আড়া খোলাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধ দ্রুত সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে

এ বিষয়ে হাবিবুর রহমান (হবি মেম্বার) বলেন, পাটের আড়া বাঁধাকে কেন্দ্র করে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। এর বাইরে আমি কিছু জানিনা। তবে আহত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার সমর্থকদের মধ্যে ৪ থেকে ৫ জন আহত হয়েছে।

বছির মাতুব্বর বলেন, বাঁশের আড়া খোলার সাথে সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও আমাকে দায়ী করে আমার বসতবাড়ীতে হামলা চালায়। এময় আমার স্ত্রীসহ কয়েকজন আহত হয়। বর্তমানে আমার স্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি আছে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমিসহ পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। বর্তমানে ঐ এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।