খুঁজুন
সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

কানে কম শোনা শুরু? এই ১০ সংকেতকে অবহেলা নয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৭:১০ এএম
কানে কম শোনা শুরু? এই ১০ সংকেতকে অবহেলা নয়

চারপাশে সবাই কথা বলছে, কিন্তু আপনি ঠিকমতো বুঝতে পারছেন না। ভিড়ের মধ্যে বন্ধুর কথা শুনতে কষ্ট হচ্ছে, ফোনের ওপাশে কারও কথা যেন পানির নিচ থেকে ভেসে আসছে; এমন অভিজ্ঞতা কি আপনারও হচ্ছে?

অনেকেই এসব বিষয়কে তেমন গুরুত্ব দেন না। মনে করেন হয়তো সাময়িক সমস্যা, কিছুদিন পর ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কানে কম শোনার সমস্যা কখনোই অবহেলা করার মতো বিষয় নয়।

প্রতি বছর ৩ মার্চ সারা বিশ্বে পালিত হয় ‘বিশ্ব শ্রবণ দিবস’। এই দিনটি আমাদের কানের যত্ন ও শ্রবণশক্তি সম্পর্কে সচেতন হওয়ার বার্তা দেয়। অনেকের ধারণা, কানে কম শোনা শুধু বয়স বাড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। বাস্তবে বিষয়টি ততটা সহজ নয়। আধুনিক জীবনযাত্রা, দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহার, অতিরিক্ত শব্দদূষণ এবং নানা শারীরিক সমস্যাও ধীরে ধীরে শ্রবণশক্তি কমিয়ে দিতে পারে।

সমস্যা হলো, কানে কম শোনার লক্ষণগুলো প্রথমদিকে খুব সূক্ষ্মভাবে ধরা দেয়। ফলে অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পারেন না বা গুরুত্ব দেন না। অথচ কিছু সাধারণ লক্ষণ আছে, যেগুলো দেখা দিলেই সতর্ক হওয়া জরুরি।

নিচে এমনই ১০টি লক্ষণের কথা তুলে ধরা হলো—

অস্পষ্ট শব্দ

চারপাশের কথাবার্তা যদি আপনার কাছে ঝাপসা বা ঘষা কাঁচের আড়াল থেকে শোনা যাচ্ছে বলে মনে হয়, তবে বুঝতে হবে কানের পর্দা ঠিকমতো মস্তিষ্কে সিগন্যাল পাঠাতে পারছে না।

ভিড়ের মধ্যে অসুবিধা

রেস্তোরাঁ, অনুষ্ঠান বা উৎসবের ভিড়ে যখন অনেক মানুষ একসঙ্গে কথা বলেন, তখন যদি নির্দিষ্ট কারও কথা আলাদা করে বুঝতে সমস্যা হয়, তবে এটি কানে শোনার সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

বারবার প্রশ্ন করা

কথা বলার সময় যদি আপনাকে প্রায়ই ‘কী বললেন?’ বা ‘আরেকবার বলুন’ বলতে হয়, তাহলে আপনার শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করার সময় এসেছে।

টিভির ভলিউম বাড়ানো

বাড়ির অন্যরা যেখানে স্বাভাবিক শব্দে টিভি দেখছেন, সেখানে আপনার যদি আরও বেশি আওয়াজের প্রয়োজন হয়, তাহলে এটিও কানে সমস্যার একটি ইঙ্গিত হতে পারে।

সামাজিক দূরত্ব তৈরি হওয়া

আপনি কি আড্ডা বা পারিবারিক জমায়েত এড়িয়ে চলতে শুরু করেছেন? অনেক সময় কানে কম শোনার সমস্যার কারণেই মানুষ এমনটা করতে শুরু করে।

কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ (টিনিটাস)

নিস্তব্ধ পরিবেশেও যদি কানে একটানা বাঁশির মতো শব্দ, ভোঁ ভোঁ আওয়াজ বা ঝিঁঝিঁ পোকার ডাকের মতো শব্দ শোনা যায়, তবে তা স্নায়ুজনিত সমস্যার সংকেত হতে পারে।

ব্যঞ্জনবর্ণ শুনতে সমস্যা

‘স’, ‘ফ’ বা ‘ট’ ধরনের ব্যঞ্জনবর্ণ শুনতে যদি বেশি কষ্ট হয়, তাহলে বুঝতে হবে উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ শোনার ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

মানসিক ক্লান্তি

সারাদিন অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার চেষ্টা করতে গিয়ে কি দিন শেষে মাথা ধরে যায় বা অতিরিক্ত ক্লান্তি লাগে? মস্তিষ্ককে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হলে এমনটা হতে পারে।

অন্যের ওপর বিরক্তি

আপনার কি মনে হয় আশপাশের সবাই ঠিকভাবে কথা বলছে না বা বিড়বিড় করছে? অনেক সময় কানে শোনার সমস্যার কারণে এমন ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়, যা পারিবারিক অশান্তির কারণও হতে পারে।

প্রকৃতির শব্দ হারিয়ে যাওয়া

পাখির ডাক, ঘড়ির টিকটিক শব্দ বা হালকা পরিবেশের শব্দ যদি দীর্ঘদিন ধরে আপনার কানে না আসে, তাহলে বুঝতে হবে শ্রবণশক্তির পরিসর কমে যাচ্ছে।

এই ধরনের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে বিষয়টি অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে ছোট সমস্যা বড় জটিলতায় রূপ নিতে পারে।

সূত্র : টিভি নাইন বাংলা

ফরিদপুরে আ.লীগ নেতাকে জেলগেটে মালা পরালেন বিএনপির এমপি বাবুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:০১ পিএম
ফরিদপুরে আ.লীগ নেতাকে জেলগেটে মালা পরালেন বিএনপির এমপি বাবুল

ফরিদপুরে ১৭৫ দিন কারাগারে থাকার পরে রবিবার (৮ মার্চ) দুপুরে জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হলেন আওয়ামী লীগ নেতা, ইউপি চেয়ারম্যান ও ভাঙ্গায় ইউনিয়ন রক্ষা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ম. ম. সিদ্দিক মিঞা (৫৭)।

মুক্তির পরে তাকে ফুলের মালা পড়িয়ে জেলগেটে স্বাগত জানান বিএনপির মনোনয়ন নির্বাচিত ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল। এ সময় জেলগেটে একে অপরকে ফুলের মালা গলায় পরিয়ে দেন।

ম. ম. সিদ্দিক মিঞা ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তিনি ভাঙ্গার আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) সংসদীয় আসনে কেটে নেওয়ার প্রতিবাদে গড়ে ওঠা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন।

এ নিয়ে এলাকাবাসীর আন্দোলনের এক পর্যায়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তাকে ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে। পরদিন ১৪ সেপ্টেম্বর তাকে পুলিশের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

রবিবার (৮ মার্চ) জেলমুক্তির পরে চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিক মিঞাকে জেলগেটে স্বাগত জানান ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল। এ সময় জেলগেটে তারা একে অপরকে ফুলের মালা গলায় পরিয়ে দেন।

কারামুক্তির পরে ইউপি চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিক মিঞা বলেন, আমার জেলমুক্তির জন্য নবনির্বাচিত এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

অন্যদিকে ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল রবিবার বিকালে তার ফেসবুক আইডিতে লেখেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আমরা কথা দিয়েছিলাম ভাঙ্গার ইউনিয়ন রক্ষার আন্দোলনে গ্রেপ্তারকৃত আলগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ সবাইকে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মুক্ত করবো। আলহামদুলিল্লাহ আজকে সিদ্দিক চেয়ারম্যান মুক্ত হলো। আমি নিজে জেলগেটে থেকে তাকে রিসিভ করলাম।’

উল্লেখ্য, ভাঙ্গা উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) থেকে কেটে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। গত ৪ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে। নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি এলাকাবাসী। এরপর থেকে ভাঙ্গায় প্রথমে দুই দফায় ৪ দিন মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নবাসী। এ আন্দোলনে সমর্থন জানায় ভাঙ্গার অন্যান্য ইউনিয়নের বাসিন্দারা। সমর্থন জানায় ভাঙ্গার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। পুরো আন্দোলনের নেতৃত্বের প্রথম সারিতে ছিলেন আলগী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিক মিঞা।

চার দিন অবরোধ চলার পরে আলগী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সেপ্টেম্বরের ১৪ তারিখ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ দিন সকাল-সন্ধ্যা ভাঙ্গায় মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেন আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। কর্মসূচি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরেই তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাকে পুলিশের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

উল্লেখ্য, পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের মাধ্যমে ওই দুই ইউনিয়ন পুনরায় ফরিদপুর-৪ আসনে ফিরে আসে। এবং গত নির্বাচনে এ দুটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা ফরিদপুর-৪ আসনেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

শবে কদরের বিশেষ নামাজ ও আমলের বিধান

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫১ এএম
শবে কদরের বিশেষ নামাজ ও আমলের বিধান

লাইলাতুল কদর বা শবে কদর বছরের শ্রেষ্ঠ রাত। এই রাত হাজার বছরের চেয়ে উত্তম। রমজানের শেষ দশকের কোনো এক রাতে এই পবিত্র রজনী। নির্দিষ্ট করে লাইলাতুল কদর চিহ্নিত করা হয়নি। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘তোমরা শেষ দশকের বেজোড় রাতে শবে কদর তালাশ করো।’ (বোখারি : ২০১৭)

মহিমান্বিত এই রজনী ঘিরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেক ধারণা প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ‘শবে কদরের বিশেষ নামাজ ও আমল’। বিভিন্ন পুস্তিকায় এই নামাজ ও আমল নিয়ে বিভিন্ন নিয়মের কথাও লেখা থাকে।

আবার কেউ কেউ দাবি করেন, বিশেষ সুরা দিয়ে নামাজ পড়া বা নির্ধারিত রাকাত নামাজ বিশেষ সুরা দ্বারা আদায় করতে হয়। তাই প্রশ্ন জাগে, হাদিস শরিফে এই রাতে বিশেষ পদ্ধতির কোনো নামাজ বা আমল আছে কি? থাকলে এ ব্যাপারে শরয়ি বিধান কী?

এ প্রসঙ্গে রাজধানীর জামিয়া ইকরার ফাজিল মুফতি ইয়াহইয়া শহিদ বলেন, কোরআন-হাদিসে শবে কদর বা শবে বরাতের জন্য বিশেষ পদ্ধতির কোনো নামাজ নেই। সবসময় যেভাবে নামাজ পড়া হয়, সেভাবেই পড়বেন। অর্থাৎ দুই রাকাত করে যত রাকাত সম্ভব হয় আদায় করবেন এবং যে সুরা দিয়ে সম্ভব হয় পড়বেন। তদ্রূপ রোজা বা অন্যান্য আমলেরও বিশেষ কোনো পন্থা নেই।

এই দুই রাতে কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজকার, দোয়া-ইস্তেগফার ইত্যাদি নেক আমল যে পরিমাণ সম্ভব হয়, আদায় করবেন। তবে নফল নামাজ দীর্ঘ করা এবং সিজদায় দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করা উচিত, যা হাদিস থেকে প্রতীয়মান হয়।

বিভিন্ন বই-পুস্তকে নামাজে যে নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন লেখা আছে, অর্থাৎ এত রাকাত হতে হবে, প্রতি রাকাতে এই এই সুরা এতবার পড়তে হবে- এগুলো ঠিক নয়। হাদিস শরিফে এ ধরনের কোনো নিয়ম নেই, এগুলো মানুষের মনগড়া পন্থা।

নফল আমল আদায়ের পদ্ধতি কী?

বিশুদ্ধ মতানুসারে, শবে বরাত ও শবে কদরের নফল আমলগুলো একাকী করণীয়। ফরজ নামাজ তো অবশ্যই মসজিদে জামাতের সঙ্গে আদায় করতে হবে। এরপর যা কিছু নফল পড়ার তা নিজ নিজ ঘরে একাকী পড়বেন। এসব নফল আমলের জন্য দলে দলে মসজিদে এসে সমবেত হওয়ার প্রমাণ হাদিস শরিফে নেই , এমনকি সাহাবায়ে কেরামের যুগেও এর রেওয়াজ ছিল না। তবে কোনো আহ্বান ও ঘোষণা ছাড়া এমনিই কিছু লোক যদি মসজিদে এসে যায়, তাহলে প্রত্যেকে নিজ নিজ আমলে মশগুল থাকবে, একে অন্যের আমলে ব্যাঘাত সৃষ্টির কারণ হবে না। (ইকতিজাউস সিরাতিল মুস্তাকিম : ২/৬৩১-৬৪১ ও মারাকিল ফালাহ : পৃ. ২১৯)

সূত্র : কালবেলা

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী নির্ধারণ করল সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৫ এএম
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী নির্ধারণ করল সরকার

ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ ধর্মগুরুদের জন্য সম্মানী চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ।

রোববার (৮ মার্চ) মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাবিউল্লাহ জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার করে টাকা পাবেন। আর প্রতিটি মন্দিরের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, এ থেকে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। এ ছাড়া প্রতি খ্রিস্টান চার্চের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা, সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরতদেরকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা করে বছরে ২ বার এবং দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনের ক্ষেত্রে ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ইসমাইল জাবিউল্লাহ। তবে যেসব মসজিদ সরকারি ও দেশি বা বিদেশি সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত, সেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার বাইরে থাকবে।

তিনি আরও জানান, এ সম্মানী দেওয়ার ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরে মার্চ-জুনে ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। সম্মানীগুলো ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে দেওয়া হবে।