খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২২ বৈশাখ, ১৪৩৩

নেল কাটারের এই বোতামের আসল রহস্য জানেন কি?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৭:৩৯ পূর্বাহ্ণ
নেল কাটারের এই বোতামের আসল রহস্য জানেন কি?

নখ কাটার জন্য আমরা কমবেশি সবাই নিয়মিত নেল কাটার ব্যবহার করি। আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি সাধারণ যন্ত্র মনে হলেও এর নকশার পেছনে রয়েছে বিশেষ কিছু উদ্দেশ্য।

অনেক সময় শিশুরা নেল কটার নিয়ে খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ত্বক কেটে ফেলে, যা বেশ যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে। তবে আপনি কি জানেন, অধিকাংশ নেল কটারেই এমন কিছু সুরক্ষা ফিচার বা ‘সেফটি মোড’ থাকে যা আমাদের অনেকেরই অজানা?

বোতামের আসল রহস্য

অনেকেই হয়তো খেয়াল করেছেন, নেল কাটারের উপরের লিভারের গোড়ার দিকে একটি ছোট বোতাম বা ট্যাবের মতো অংশ থাকে। এটি আসলে একটি সেফটি লক।

যখন নেল কটারটি ব্যবহার করা হচ্ছে না, তখন এর লিভারটি নিচে নামিয়ে ওই নির্দিষ্ট বোতাম বা ট্যাবটি চাপ দিলে কাটার ব্লেডগুলো পুরোপুরি লক হয়ে যায়। এই ফিচারের মূল উদ্দেশ্য হলো ব্লেডগুলোকে আটকে রাখা, যাতে দুর্ঘটনাক্রমে শরীরের কোথাও আঁচড় না লাগে বা কোনো ক্ষতি না হয়।

হারিয়ে যাওয়া রোধে বিশেষ ছিদ্র

নেল কটারের পেছনের দিকে থাকা ছোট ছিদ্রটিকে অনেকেই অপ্রয়োজনীয় মনে করে এড়িয়ে যান। অথচ এই ছিদ্রটি বেশ কাজের। যারা ছোটখাটো জিনিস হারিয়ে ফেলার সমস্যায় ভোগেন, তারা এই ছিদ্রের মধ্য দিয়ে কোনো সুতো বা ডোরি ঢুকিয়ে এটি দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখতে পারেন। এছাড়া এটি চাবির রিং বা ‘কী-চেইন’ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। ছিদ্রটি অনেকটা আংটির মতো কাজ করে, ফলে চাবির সাথে যুক্ত করে আপনি অনায়াসেই এটি সবখানে বহন করতে পারেন এবং প্রয়োজনে দ্রুত খুঁজে পেতে পারেন।

আমাদের অতি পরিচিত এই সাধারণ যন্ত্রটির সঠিক ব্যবহার জানলে যেমন দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব, তেমনি এটি গুছিয়ে রাখাও অনেক সহজ হয়। তাই পরবর্তী সময়ে নখ কাটার পর এর সেফটি ফিচারগুলো ব্যবহার করতে ভুলবেন না।

তথ্যসূত্র: জিও নিউজ

ফরিদপুরে ইতালি প্রবাসী হত্যাকে ‘রাজনৈতিক মামলা’ বলে প্রত্যাহারের সুপারিশ, ন্যায়বিচার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ইতালি প্রবাসী হত্যাকে ‘রাজনৈতিক মামলা’ বলে প্রত্যাহারের সুপারিশ, ন্যায়বিচার দাবি

ফরিদপুরে পাঁচ বছর আগে এক ইতালী প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলা রাজনৈতিক মামলা বলে প্রত্যাহারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে সুপারিশ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে ন্যায় বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের পরিবার। তাঁরা বলছেন, মামলাটি প্রমাণিত ও বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক ক্ষমতাশালী লোকের তদবির বাণিজ্যের মাধ্যমে সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক মামলা হিসেবে গণ্য না করে হত্যা মামলা হিসেবে উল্লেখ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চেয়েছেন তাঁরা।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুর ১২ টায় ফরিদপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন পরিবারটি। সংবাদ সম্মেলনে নিহতের বৃদ্ধা মা হালিমা বেগমের (৭৫) পক্ষে লিখিত বক্তব্য রাখেন তাঁর ছোট ছেলে আসাদুজ্জামান।

এ সময় নিহতের স্ত্রী শাহীন আফরোজ রোজা ও পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে মাসুদা মেহেরুবা (৫) সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদি ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

সংবাদ সম্মেলনে হালিমা বেগম জানান, ২০০৪ সাল থেকে ১৮ বছর যাবৎ তাঁর ছোট ছেলে মাসুদ রানা (৪৫) ইতালিতে বসবাস করে আসছিলেন। এরপর ২০১৭ সালে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে যান সেখানে। এরমধ্যে ২০২১ সালে দেড়মাসের ছুটিতে দেশে আসেন মাসুদ রানা। তৎকালীন সময়ে তাঁদের গ্রামে দুই পক্ষের বিরোধ মেটাতে তিনি উদ্যোগ নেন। এতে গ্রাম্য মোড়ল ও পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইমদাদুল হক বাচ্চু গ্রুপ তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। যার প্রেক্ষিতে ওই বছরের ১৩ এপ্রিল রাতে ভাঙ্গা উপজেলার নওপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দলবল নিয়ে ধারালো অস্ত্র চাপাতি, রামদা নিয়ে তাঁর ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করে।
এ ঘটনায় ১৫ এপ্রিল ৩৫ জনকে আসামী করে ভাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন তিনি।
এই মামলায় একই বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর হত্যাকান্ডের বিবরণ, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও হত্যাকান্ডের ব্যবহৃত একটি ধারালো ছুরির ফরনেসিক প্রতিবেদনসহ ৩৪ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন- তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. ফরহাদ হোসেন।

এছাড়া অভিযোগপত্রে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইমদাদুল হক বাচ্চুর (৬০) নেতৃত্বে ও নিজেই কুপিয়ে জখম বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ফরিদপুর অতিরিক্ত দায়রা জজের ২য় আদালতে বিষয়টি বিচারাধীন রয়েছে এবং ৯ জনের স্বাক্ষ্য চলমান বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারটির উত্থাপিত নথিপত্রে দেখা যায়, আদালতে চলমান মামলাটি চলতি বছরে রাজনৈতিক মামলা উল্লেখ করে প্রত্যাহারের আবেদন করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদারেরস আলী ইছা। এতে তিনি সকল আসামীর নাম উল্লেখ করেছেন।

পরবর্তীতে চলতি বছরের ৮ এপ্রিল জেলা ‘বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলাসমূহ প্রত্যাহার সংক্রান্ত যাচাই-বাছাই’ কমিটির সর্বসম্মতিক্রমে প্রত্যাহারের জন্য সুপারিশ হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। ওই সুপারিশপত্রে স্বাক্ষর করেন কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা (সাবেক), সদস্য সচিব ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিন্টু বিশ্বাস, সদস্য ও পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আশরাফুজ্জামান নান্নু।

এছাড়া গত ২৩ এপ্রিল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা স্বাক্ষরিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ ও  ঢাকা বিভাগীয় কমিশানারের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বৃদ্ধা হালিমা বেগম ছেলে হত্যার ন্যায়-বিচার দাবি করেন। তিনি বলেন, সরকারের কাছে আমার দাবি- আমি জীবিত থাকতে যেন ন্যায্য বিচারটা পাই। আমার ছেলের শোকে চার মাস পর আমার স্বামীও স্ট্রোক করে মারা গেছে। এই মামলা কিভাবে রাজনৈতিক মামলা হয়। এই মামলা তদন্ত করে দেখুক, আমার ছেলের কোনো দোষ ছিল কি-না।’

তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে কোনো রাজনীতির সাথে জড়িতও ছিল না এবং বাংলাদেশের ভোটারও ছিল না। এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতেন, গরীব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল, তাঁদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতায়ও করতো। তাকে এমনভাবে মারছে যে একটি দোকানে গিয়ে পালিয়েছিল, সেখানে ঢুকে ওই বাচ্চু লোকজন নিয়ে মারছে। এই মামলা কিভাবে রাজনৈতিক মামলা হয়, আমি জানি না।’

এছাড়া নিহতের ভাই আসাদুজ্জামান অভিযোগ করে বলেন, আমার ভাইকে যারা কুপিয়ে হত্যা করেছে, তাঁরা আওয়ামী লীগের পদধারী নেতাকর্মী। তাঁরা সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার ভয়ে বর্তমানে ভোল্ট পাল্টিয়ে ক্ষমতাশালী দলের নেতাদের সাথে মিশে এবং তদবির বাণিজ্যের মাধ্যমে রাজনৈতিক মামলা হিসেবে সুপারিশ করিয়েছে। কিন্তু প্রত্যেক আসামীই আমার ভাই হত্যার সাথে জড়িত রয়েছে, যেটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবেদনকারী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদারেরছ আলী ইছা বলেন, ‘একজন ভাল-মন্দ বলতেই পারে। আবেদনের পরে এটা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, গোয়েন্দা সংস্থা রিপোর্টের ভিত্তিতেই সুপারিশ করা হয়েছে।’ এছাড়া প্রধান অভিযুক্ত আওয়ামীলীগ নেতার বিষয়ে বলেন- ‘আমিতো আর সারাদেশের মানুষ চিনি না, কে কোন দল করে।’

এছাড়া যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিন্টু বিশ্বাস বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে প্রথমে একটি লোকাল তদন্ত হয়েছে এবং পরে পর্যালোচনা করে তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী কমিটির মাধ্যমে সুপারিশ করে এবং নিয়মতান্ত্রিক অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

পরিবারটি যদি প্রথমদিকে আমাদের জানাতেন, তাহলে আমরা পুনরায় তদন্তে পাঠাতাম। এখন তাঁরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আপত্তি জানাতে পারেন এবং আপত্তি অনুযায়ী পুনরায় তদন্তে দেয়া হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

ফরিদপুরে গণপিটুনিতে নিহত ট্রাকচালকের এতিম শিশুর পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে গণপিটুনিতে নিহত ট্রাকচালকের এতিম শিশুর পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী

ফরিদপুরে ফেসবুকে লাইভ করে মব সৃষ্টি করে গণপিটুনিতে নিহত ট্রাক চালক হান্নান শেখের এতিম শিশুকন্যা মুসলিমার (২ বছর) পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (০৫ মে) সকালে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান উপজেলার সাতৈর গ্রামের এতিম শিশু মুসলিমার বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে এসেছেন উল্লেখ করে ওই শিশুর লালন পালনে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। তাৎক্ষণিকভাবে ওই শিশুর দাদা-দাদির হাতে খেলনা, নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন।

নিহত ট্রাকচালক হান্নান শেখের বাবা সাইদ শেখ বলেন, আমার ছেলেকে ফেসবুকে মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে। এ ঘটনায় নগরকান্দা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলার পর বিভিন্ন মোবাইল নাম্বার থেকে হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি জানতে পেরে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

এ ব্যাপারে সাতৈর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাফিউল আলম মিন্টু বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ওই শিশুকে নিয়মিত সহযোগিতা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।

বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয় নিহত ট্রাকচালকে এতিম শিশুর খোঁজ খবর নিয়ে তার পাশে দাঁড়ানো। সেই আলোকে তিনি নিহতের বাড়িতে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরিবারটিকে আর্থিক সহযোগিতার পাশাপাশি শিশুটির লালন পালনের দ্বায়িত্ব ও সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তাৎক্ষণিকভাবে ওই শিশুর দাদা-দাদির হাতে খেলনা, নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় বোয়ালমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মানষ বসু ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কারিজুল ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

গত শুক্রবার (০১ মে) দিনগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের বিলনালিয়া নতুন হাটখোলা এলাকায় বেপরোয়া গতির ট্রাকের ধাক্কায় একাধিক পথচারী আহত হওয়ায় গণপিটুনিতে হান্নান (৪৫) নামে এক ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দু’জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত ট্রাকচালক হান্নান শেখ বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর গ্রামের বাসিন্দা সাইদ শেখের ছেলে।

সালথায় মাদক সেবনের অভিযোগে ৪ যুবককে কারাদণ্ড

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
সালথায় মাদক সেবনের অভিযোগে ৪ যুবককে কারাদণ্ড

ফরিদপুরের সালথায় প্রকশ্যে মাদক সেবনের অভিযোগে ৪ যুবককে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (০৫ মে) দুপুরে আটক মাদক সেবীদের প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দিন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা মাদক সেবীরা হলেন- মো. সাইফুল ইসলাম (৪০), কামাল সরদার (৪০), মো. বাবলু মাতুব্বর (৩৫) ও হোসেন ফকির (৩৭)। তারা সালথা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কাউলিকান্দা এলাকায় মাদক সেবন করছিলেন ওই ৪ যুবক। খবর পেয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের একটি টিম ও ফরিদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল যৌথভাবে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেন। পরে আটক মাদক সেবীদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবির উদ্দিন বলেন, মাদক সেবনকালে ৪ মাদক সেবীকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাদের প্রত্যেককে এক মাস করে সাজা দেওয়া হয়। মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।