খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৫ চৈত্র, ১৪৩২

কোন কাগজে খাবার মোড়ালে নিরাপদ? জানুন সঠিক উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩০ এএম
কোন কাগজে খাবার মোড়ালে নিরাপদ? জানুন সঠিক উপায়

ঘরে কিংবা বাইরে; খাবার সংরক্ষণে আমরা প্রায়ই ভরসা রাখি নানা ধরনের কাগজের ওপর। বিশেষ করে গরম খাবার দীর্ঘক্ষণ ভালো রাখতে অনেকেই ব্যবহার করেন অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল। তবে, সাম্প্রতিক সময়ে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের একটি বড় অংশ ধীরে ধীরে এ ফয়েল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এর বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে বাটার পেপার বা পার্চমেন্ট পেপার।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই দুইয়ের মধ্যে কোনটি বেশি উপযোগী? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে খাবার মুড়িয়ে রাখার সুবিধা

গবেষকরা বলছেন, খাবার গরম রাখা এবং সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দীর্ঘদিন ধরেই একটি নির্ভরযোগ্য উপাদান। এর সুবিধাগুলো হলো—

১. খাবার দীর্ঘক্ষণ গরম থাকে

রুটি, পরোটা কিংবা লুচির মতো খাবার গরম ও নরম রাখতে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল বেশ কার্যকর। এটি তাপ আটকে রাখতে সাহায্য করে।

২. গ্রিল বা বেকিংয়ে উপযোগী

চিকেন, মাছ বা বিভিন্ন সবজি গ্রিল করার সময় অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ব্যবহার করলে রান্না সহজ হয় এবং স্বাদও ভালো থাকে।

৩. খাবার ভালো থাকে, ছত্রাকের ঝুঁকি কম

রুটি বা পাউরুটির মতো খাবার ফয়েলে মুড়ে রাখলে সহজে নষ্ট হয় না এবং ছত্রাক জন্মানোর সম্ভাবনাও কমে।

বাটার পেপারে খাবার মুড়িয়ে রাখার সুবিধা

বর্তমানে বাটার পেপার বা পার্চমেন্ট পেপার রান্নাঘরে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে বেকিংয়ের ক্ষেত্রে। এর সুবিধাগুলো হলো—

১. বেকিংয়ে অপরিহার্য

কেক, কুকিজ কিংবা পেস্ট্রি বানানোর সময় বাটার পেপার ব্যবহার করলে খাবার পাত্রে লেগে যায় না এবং সহজে বেক করা যায়।

২. সহজে ব্যবহারযোগ্য

বিভিন্ন আকার ও মাপের বাটার পেপার বাজারে পাওয়া যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী কেটে ব্যবহার করা যায়। তবে এটি খাবার দীর্ঘক্ষণ গরম রাখতে পারে না।

৩. র‍্যাপিংয়ে সুবিধাজনক ও পরিবেশবান্ধব

স্যান্ডউইচ, রোল বা র‍্যাপের মতো খাবার মুড়িয়ে রাখতে বাটার পেপার বেশ সুবিধাজনক। পাশাপাশি এটি পরিবেশবান্ধব হওয়ায় অনেকেই এটি পছন্দ করেন।

তাহলে কোনটি ব্যবহার করবেন?

অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল না বাটার পেপার—কোনটি ভালো, তা নির্ভর করে মূলত আপনার প্রয়োজনের ওপর।

খাবার দীর্ঘক্ষণ গরম রাখতে বা গ্রিল করতে চাইলে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ব্যবহার করা ভালো। আর কেক, কুকিজ বেক করা কিংবা হালকা খাবার মোড়ানোর জন্য বাটার পেপার বেশি উপযোগী।

কাজেই, খাবারের ধরন ও ব্যবহারের উদ্দেশ্য বুঝে সঠিক উপকরণ বেছে নিলে যেমন খাবারের স্বাদ ও মান বজায় থাকবে, তেমনি স্বাস্থ্য সুরক্ষাও নিশ্চিত করা সম্ভব।

সূত্র : এই সময়

চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার

সৌদি আরবে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে দেশটিতে ১৪৪৭ হিজরি সনের রমজান মাস ৩০ দিনে শেষ হচ্ছে। আর আগামী শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন সৌদিবাসী।

বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে সৌদির চাঁদ দেখার খবর প্রকাশ করেছে খালিজ টাইমস।

খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরব ঘোষণা করেছে যে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। অর্থাৎ দেশটিতে ২০ মার্চ শুক্রবার হবে ঈদুল ফিতর।

আরবি বর্ষপঞ্জিকা অনুযায়ী, রমজান নবম মাস ও শাওয়াল দশম মাস। শাওয়াল মাসের প্রথম দিন ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়।

সূত্র : খালিজ টাইমস

ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যে, বাংলাদেশে কবে?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৯ পিএম
ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যে, বাংলাদেশে কবে?

পবিত্র ঈদুল ফিতর দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে।  ইতোমধ্যে রাজধানী ছেড়ে গ্রামে ফিরছে মানুষ। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকেই শুরু হয়েছে সরকারি ছুটি। দেশজুড়ে উৎসবের আমেজ চললেও সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন– ঈদ কবে?

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র ঈদুল ফিতর আগামী ২০ মার্চ (শুক্রবার) উদ্‌যাপিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, এবার আরব দেশগুলোতে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

আগামী বুধবার (১৮ মার্চ) আরব বিশ্বের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ফলে শুক্রবার সেখানে ঈদের দিন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট আগামী বুধবার সন্ধ্যায় দেশটির নাগরিকদের চাঁদ দেখার আহ্বান জানিয়েছে। যদি বুধবার চাঁদ দেখা যায় তবে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সেখানে ঈদ হবে, অন্যথায় শুক্রবার।

বাংলাদেশে ঈদ কবে?

ভৌগোলিক নিয়মানুযায়ী, বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর ঈদ উদ্‌যাপিত হয়। সেই হিসেবে বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার)।

প্রবাসী থেকে ঘরমুখো মানুষ—সবার নিরাপত্তায় সরকার কাজ করছে: শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫২ পিএম
প্রবাসী থেকে ঘরমুখো মানুষ—সবার নিরাপত্তায় সরকার কাজ করছে: শামা ওবায়েদ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে, সে লক্ষ্যে সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে ফরিদপুরের সালথা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, “ঈদযাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক তদারকি জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা নিজ নিজ এলাকায় বাসস্ট্যান্ড, টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করছেন। আমাদের লক্ষ্য—সাধারণ মানুষ যেন কোনো ভোগান্তি ছাড়াই নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন এবং পরিবারের সঙ্গে আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারেন।”

দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি মহাসড়কে যানজট নিরসন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে একটি জটিল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করছে। যারা দেশে ফিরতে ইচ্ছুক কিন্তু এখনো ফিরতে পারেননি, তাদের দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রমও চলছে। “নিহতদের মধ্যে ইতোমধ্যে একজনের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে, বাকিদের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে,”—যোগ করেন তিনি।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে তিনি বলেন, “বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে অস্বাভাবিক কোনো বৃদ্ধি হয়নি এবং জ্বালানি তেলের দামও স্থিতিশীল রয়েছে। সরকার এ বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর, সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াহিদুজ্জামান, ভাইস চেয়ারম্যান আসাদ মাতুব্বরসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।