খুঁজুন
, ,

ঈদে ঘরেই তৈরি করুন রঙিন-স্বাস্থ্যকর কোণ মেহেদি

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
ঈদে ঘরেই তৈরি করুন রঙিন-স্বাস্থ্যকর কোণ মেহেদি

ঈদ মানেই শুধুই নতুন পোশাক বা মিষ্টি নয়, নারীদের জন্য এক অন্যতম আনন্দের অংশ হলো মেহেদি। শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নারীরা বিশেষ অনুষ্ঠানে মেহেদি সাজের জন্য মুখিয়ে থাকেন। বিশেষ করে বিয়ের আগে ঘটা করে মেহেদি উৎসবের আয়োজন করা হয়।

ঈদ আসছে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে, আর বাজারে এখন মেহেদি কেনাকাটা শুরুর সময়।কিন্তু ভালো ও অর্গ্যানিক মেহেদি পাওয়া যেন এখন চ্যালেঞ্জ, কারণ বাজার ভরপুর ভেজাল ও মানহীন মেহেদিতে। তবে এখন ঘরে বসেই সহজভাবে স্বাস্থ্যকর ও উজ্জ্বল রঙের কোণ মেহেদি তৈরি করা সম্ভব।
প্রয়োজনীয় উপকরণ

১. হেনা পাউডার ১/৪ কাপ (২৫ গ্রাম)
২. চিনি ২ চা চামচ (৮ গ্রাম)
৩. এসেনশিয়াল অয়েল ২ চা চামচ (ল্যাভেন্ডা, টি ট্রি বা ইউক্যালিপটাস)
৪. লেবুর রস সামান্য

তৈরি করার পদ্ধতি

একটি পরিষ্কার পাত্রে হেনা পাউডার নিন।

এতে চিনি ও এসেনশিয়াল অয়েল যোগ করুন।

চিনি মেহেদি শুকিয়ে যাওয়ার পরও ত্বকের সঙ্গে লেগে থাকতে সাহায্য করে।
লেবুর রস মিশিয়ে উপকরণগুলো একসঙ্গে ভালোভাবে মেশান। প্রয়োজনে হ্যান্ড বিটার ব্যবহার করতে পারেন।

মনে রাখবেন, এই মিশ্রণে পানি ব্যবহার করবেন না।

মিশ্রণটি প্লাস্টিক দিয়ে ঢাকা একটি গরম স্থানে ২৪ ঘণ্টা রাখুন। উত্তম তাপমাত্রা ৭৫-৮৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট (২৩-৩০° সেলসিয়াস)।

২৪ ঘণ্টা পর মিশ্রণ আবার বিট করুন এবং হাতে একটু লাগিয়ে পরীক্ষা করুন। যদি সুন্দর উজ্জ্বল কুমড়ার কমলা রঙের দাগ হয়, তবে মেহেদি প্রস্তুত। না হলে আরও কয়েক ঘণ্টা ঢেকে রাখুন।

কোণে ভরা ও ব্যবহার

মেহেদি ছেঁকে নিতে একটি পলিথিন ও পাতলা মোজা ব্যবহার করুন।

এরপর র‌্যাপিং পেপার দিয়ে কোণের আকার তৈরি করুন এবং পিন ব্যবহার করে মুখ বন্ধ করুন।

পলিথিনে ফুটো করে মেহেদি পেস্ট ঢেলে দিন এবং নিচের অংশ স্কচটেপ দিয়ে সিল করুন।

এভাবে ঘরে বসে তৈরি কোণ মেহেদি হবে স্বাস্থ্যকর, সুন্দর রঙের এবং ত্বকের কোনো ক্ষতি করবে না। ঈদে নিজের হাতে তৈরি এই মেহেদি ব্যবহার করলে মেহেদি লাগানোর আনন্দও দ্বিগুণ হবে।

ফরিদপুরে প্রলোভনে কোটি টাকার বিনিয়োগ, পাওনা ফেরত চাওয়ায় হুমকির মুখে ব্যবসায়ী

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে প্রলোভনে কোটি টাকার বিনিয়োগ, পাওনা ফেরত চাওয়ায় হুমকির মুখে ব্যবসায়ী

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় গরুর খামার পরিচালনা, জমি লিজ নেওয়া এবং ঘাস ও ভুট্টা চাষের বিভিন্ন খাতে প্রায় এক কোটি ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেও তাঁর পাওনা ও বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন মো. নাসিরুজ্জামান নামের এক ব্যবসায়ী। একই সঙ্গে নিজের পাওনা টাকা চাওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা, আইনি নোটিশ প্রদান এবং নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেছেন।

​বুধবার (৭ অক্টোবর) আলফাডাঙ্গা ডাকবাংলো সংলগ্ন একটি ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নাসিরুজ্জামান এসব অভিযোগ করেন।

​লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০১৯ সালের ১৯ অক্টোবর ঢাকার মোহাম্মদীয়া এলাকার এমডি মো. ইমামুল হক জনির আহ্বানে তিনি ঢাকায় যান এবং তাঁর প্রতিষ্ঠানে লজিস্টিক ইনচার্জ হিসেবে যোগ দেন। সেখানেই ইউসুফ আল আমিন নামের এক কোম্পানি পরিচালক ও গরুর খামারের মালিকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়।

​নাসিরুজ্জামানের দাবি, পরবর্তীতে ইউসুফ আল আমিন তাঁর বাড়িতে এসে খামার ও ঘাস চাষের সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করেন এবং খামার পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দেন। প্রথমে রাজি না হলেও নানা সুযোগ-সুবিধা ও বেতন বৃদ্ধির আশ্বাসে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

​দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি আলফাডাঙ্গার মালা এলাকায় ২১ একর এবং শুকুরহাটায় ২৫ একরসহ বিভিন্ন এলাকায় জমি লিজ নিয়ে ঘাস ও ভুট্টা চাষ শুরু করেন। জমি লিজ, ঘাস ও ভুট্টা চাষ, শ্রমিকের মজুরি, বীজ সংগ্রহ ও পরিচর্যা বাবদ তিনি মোট প্রায় এক কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয় করেন।

​তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ও বিপুল অর্থ ব্যয় করা সত্ত্বেও তাঁকে promised বেতন বা বিনিয়োগের কোনো টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি, যা তাঁকে মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।

​সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “পাওনা টাকা ও ক্ষতির বিষয়ে কথা বলতে গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। আমার নামে আদালতে মামলা করা হয়েছে, আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

​তিনি আরও জানান, কৃষিকাজ পরিচালনার সময় স্থানীয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে সার, বীজ ও চাষাবাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়া হয়েছিল এবং সমস্ত খরচের হিসাব ও দাপ্তরিক কাগজপত্র তাঁর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

​সংবাদ সম্মেলনে নাসিরুজ্জামান তাঁর ব্যয়ের হিসাব নিরপেক্ষভাবে যাচাই, পাওনা বেতন ও টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা এবং হুমকির বিষয়ে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান।

​অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইউসুফ আল আমিনের ফোনে একাধিকবার কল এবং বার্তা পাঠানো হলেও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

সাংবাদিক কাজী শরিফুল ইসলাম শাকিলের মুক্তির দাবি বিপিজেএফের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক কাজী শরিফুল ইসলাম শাকিলের মুক্তির দাবি বিপিজেএফের

বাংলাদেশ পেশাদার সাংবাদিক ফোরামের (বিপিজেএফ) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ভয়েজ বিডি ২৪ ডটকমের সম্পাদক কাজী শরিফুল ইসলাম শাকিলকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।

​বুধবার (০৭ অক্টোবর) বিকেলে এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির পক্ষে এই দাবি জানান বিপিজেএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাহাবুব আলম বাবু এবং সাধারণ সম্পাদক মো. রোমান আকন্দ।

​বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিক কাজী শরিফুল ইসলাম শাকিল দীর্ঘদিন ধরে পেশাদারি ও নিষ্ঠার সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন। সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা মামলায় শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এ ধরনের পদক্ষেপ স্বাধীন সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের সামগ্রিক নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকিস্বরূপ।

​বিপিজেএফ নেতারা আরও উল্লেখ করেন, কোনো সাংবাদিক কিংবা সাংবাদিক নেতাকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার বা হয়রানি করে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা মেনে নেওয়া যায় না।

​অবিলম্বে সাংবাদিক শাকিলের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তি এবং সাংবাদিকদের কাজের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জানায় সংগঠনটি। দাবি মানা না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।

​বাংলাদেশ পেশাদার সাংবাদিক ফোরামের (বিপিজেএফ) দপ্তর সম্পাদক এসএম রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

ফরিদপুর জেলা জিওপির আংশিক কমিটির অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর জেলা জিওপির আংশিক কমিটির অনুমোদন

গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) ফরিদপুর জেলা শাখার আংশিক কমিটি আগামী এক বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

অনুমোদিত কমিটিতে সভাপতি—ফরহাদ হোসেন এবং সহ-সভাপতি—ফিরোজ শেখ, মমিন চৌধুরী, জিয়া খান, আলমগীর শিকদার, আনিসুজ্জামান বাবুল শরীফ, দেলোয়ার হোসেন ও তারেক আজিজ।

সাধারণ সম্পাদক—রুবেল শেখ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক—মো. ফরহাদ মিয়া, আলমগীর শেখ, জিয়া শেখ, শিমুল মোল্যা, মিন্টু হোসেন ও সাইদুল ইসলাম।

সাংগঠনিক সম্পাদক—শেখ জাহিদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক—মোহাম্মদ মতিয়ার, মো. ওমর ফারুক, সুমন ইসলাম নীরব, ইমদাদুল ইসলাম (বিন্দু) ও মো. শহিদ মোল্লা টুকু।

এ ছাড়া দপ্তর সম্পাদক—আলআমিন হোসেন লিখন; অর্থ সম্পাদক—মো. শহিদুল্লাহ; প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক—মো. জনি বিশ্বাস; সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক—নূরু মিয়া ও খলিলুর রহমান।

আইন সম্পাদক—অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল ইসলাম; মানবাধিকার সম্পাদক—আলমগীর হোসেন; ধর্মীয় সম্প্রীতি ও মানবিক মর্যাদা বিষয়ক সম্পাদক—মাওলানা শাওন আলী মীর; মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয়স্বার্থ বিষয়ক সম্পাদক—কামরুল হাসান; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্পাদক—আফজাল আকাম।

যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক—বক্কার হাওলাদার; ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক—রাসেল খান; শ্রম ও কর্মসংস্থান সম্পাদক—মো. মিরাজ শিকদার মিন্টু এবং কার্যকরী সদস্য—সাইদুল ইসলাম।

দলীয় প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনুমোদিত এ আংশিক কমিটি এক বছরের জন্য কার্যকর থাকবে।